বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৩২ পূর্বাহ্ন
উত্তর : বাম হাত দ্বারা কোন কিছু আদান-প্রদান করা ইসলামী শিষ্টাচারের বিপরীত এবং তা শয়তানের কাজ। আবূ হুরাইরা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, নবী (ﷺ) বলেন, ‘তোমাদের প্রত্যেকে যেন ডান হাতে আহার করে, ডান হাতে পান করে, ডান হাতে গ্রহণ করে এবং ডান হাতে প্রদান করে। কারণ শয়তান বাম হাতে খায়, বাম হাতে পান করে, বাম হাতে দেয় এবং বাম হাতে গ্রহণ করে’ (ইবনু মাজাহ, হা/৩২৬৬; মুসনাদে আহমাদ, হা/৮১০৭, ৮৩৮৪; সিলসিলা ছহীহাহ, হা/ ১২৩৬, সনদ ছহীহ)। শাইখ আব্দুল আযীয ইবনু আব্দুল্লাহ আর-রাযিহী বলেন, ‘ডান হল ডান আর বাম হল বাম। তাই ডান হাত নেয়া-দেয়ার জন্য। এটিই শিষ্টাচার। আর যে বাম হাত ব্যবহার করে, তাকে শিষ্টাচার শেখান। যদি সে আপনাকে বাম হাতে দেয়, তাহলে আপনি বাম হাতে নিবেন না, বরং বলুন, ‘আমাকে ডান হাতে দাও’ (শারহুল ইক্বতিছাদ ফিল ই‘তিক্বাদ, ৬/১৫ পৃ.)। আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) বলেন, রাসূল (ﷺ)-এর ডান হাত ছিল পবিত্রতা অর্জন ও খাদ্য গ্রহণের জন্য। আর তাঁর বাম হাত ছিল শৌচ ও অন্যান্য নিকৃষ্ট বা কষ্টদায়ক কাজের জন্য (আবূ দাঊদ, হা/৩৩; আহমাদ, হা/২৬২৮৩)।‌

তবে বিশেষ প্রয়োজনে, যেমন ডান হাত ক্লান্ত, অথবা ডান হাতে কোন কিছু আছে বা এ ধরনের কোন কারণে কোন কিছু বাম হাতে ধরা সমস্যা নেই ইনশাআল্লাহ। কারণ দুই হাতই একে অপরের সহযোগী। তবে ডান হাতে করাই উত্তম ও প্রথমাধিকারপ্রাপ্ত। কারণ নেয়া-দেয়া, খাওয়া ইত্যাদিতে ডান হাত ব্যবহার করা উত্তম। হ্যাঁ (ফাতাওয়া নূরুন আলাদ্ দারব্, ইবনে বায অফিশিয়াল ওয়বসাইট,যঃঃঢ়ং://নরহনধু.ড়ৎম. ংধ/ভধঃধিং/৪৪৯৩/%উ৮%।


প্রশ্নকারী : ইসমাঈল, বেলকুচি, সিরাজগঞ্জ।





প্রশ্ন (৪) : খ্রিষ্টানদের পরিচালিত কলেজে অধ্যয়ন করার কারণে নিয়মানুযায়ী ক্রুশযুক্ত পোশাক পরতে হয়। এই পোশাক পরা কি শরী‘আতসম্মত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩১) : রামাযানের ছিয়াম যদি ক্বাযা থাকে, অসুস্থতার কারণে যদি পরবর্তী এক বছরে তা আদায় করা না যায়, তাহলে করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : স্বামী দেনমোহর পরিশোধ না করে মারা গেলে করণীয় কী? তাঁর রেখে যাওয়া সম্পত্তি আছে, ঐ সম্পত্তি থেকে অন্যান্য ওয়ারিছগণ দিতে নারাজ। এমতাবস্থায় আমার করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১২): বাচ্চাদের কারণে সন্ধ্যাবেলা ঘরের দরজা-জানালা বন্ধ রাখতে হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : আমার উপর হজ্জ ফরয হয়নি। আমি কি উমরাহ করতে পারব? জনৈক ব্যক্তি বলেন, কারো যদি হজ্জ করার সামর্থ্য না থাকে সে কখনো উমরাহ করতে পারবে না। কথাটি কতটুকু সত্য? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৮) : ইলম অর্জন, তাবলীগ ও দাওয়াতের কাজে সফরে যাওয়ার জন্য পিতা-মাতার অনুমতি ছাড়া যাওয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৪) : কুরবানী করার সময় কোন্ দু‘আ পড়তে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৭) : মহিলার পেটে বাচ্চা থাকলে কি ত্বালাক্ব পতিত হয়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১২) : রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কতজন ছাহাবী বিবাহ করেননি বা সংসার করেননি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৬) : এক রাকা‘আত বিতর পড়লে তাহাজ্জুদ ছালাত সর্বনিম্ন দুই রাকা‘আত পড়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৪) : স্বামীর একার উপার্জনে দুই সন্তানসহ, মা-বাবা, অবিবাহিত বোন এবং একজন ভাগ্নের মোট ৮ জনের সংসার চলে। স্বামীর উপার্জন দিয়ে সবার খরচ মেটাতে গিয়ে স্ত্রীকে ন্যূনতম প্রয়োজন (মৌলিক পোশাক-প্রসাধনী) থেকেও বঞ্চিত করা হয়। অথচ অন্যদের জন্য বিলাসবহুল ভাবেই মেটানো হয়। স্বামীর বাবার ব্যাংকে ৩০ লক্ষ টাকা জমা আছে। প্রতি মাসে নতুন করে সেখানে প্রায় ১৫ হাজার টাকা জমা করা হয়। স্বামীর সংসারে তাঁর বাবা কোন খরচ করেন না। পরিবারের সমস্ত ব্যয়ভার স্বামীকে একাই বহন করতে হয়। প্রশ্ন হল- স্ত্রী ও সন্তানদের বঞ্চিত করে বাবার টাকা ব্যাংকে জমিয়ে পরিবারের সকল সদস্যের ব্যয় বহন করা কি স্ত্রী ও সন্তানদের উপর যুলম নয়? স্বামীর পক্ষে এত বড় সংসারের ব্যয়ভার বহন করতে খুবই কষ্ট হয়। কিন্তু তার বাবা-মায়ের অভিশাপের ভয়ে অমানসিক কষ্ট সহ্য করতে হয়। কারণ বাবা-মাকে কিছু বললেই তারা সংসারে অশান্তি তৈরি করেন। এই বিষয়ে ইসলাম কী বলে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৯) : কুনূতে নাযেলা পড়ার সময় আমীন আমীন বলা যাবে কি? কুনূতে নাযেলার সাথে কুরআন বা হাদীছের অন্যান্য দু‘আ পড়া কি জায়েয? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ