বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫, ০২:০১ অপরাহ্ন
উত্তর : প্রচলিত তাবলীগ ইলিয়াস ছাহেবের স্বপ্নে পাওয়া এক উদ্ভট ধর্ম। অথচ ইসলাম স্বয়ং আল্লাহ প্রদত্ত মনোনীত পবিত্র জীবন বিধান (সূরা আলে ‘ইমরান : ১৯)। ইলিয়াসী তাবলীগের মত মানুষের মস্তিষ্ক প্রসূত কোন বানানো ধর্ম নয়। তাই ইসলামী দাওয়াতের ছহীহ পদ্ধতিই কেবল অনুসরণযোগ্য। স্বপ্নেপ্রাপ্ত মিথ্যা ধারণার কোন মূল্য নেই। যেসকল কারণে প্রচলিত তাবলীগ করা যাবে না, সেগুলো নিম্নরূপ : চিল্লাপ্রথা, গাশত ও কাশফ করা, তাদের নির্দিষ্ট ছয় উছূল, ‘বিশ্ব ইজতেমা’ ও ‘আখেরী মুনাজাত’ এবং তাদের ভ্রান্ত আক্বীদাসমূহ। তারা মাযহাবপন্থী এবং ছূফী তরীকা বা ওয়াহদাতুল ওজূদে বিশ্বাসী (ফাযায়েলে আমল, ফাযায়েলে নামায অংশ (বাংলা), পৃ. ১৮৯-১৯০; (উর্দূ), পৃ. ৮৭-৮৮)। তারা আল্লাহ নিরাকার ও সর্বত্র বিরাজমান আক্বীদায় বিশ্বাসী, হায়াতুন্নবীতে তারা বিশ্বাস করে। তারা রাসূল (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পেশাব-পায়খানাকে পবিত্র মনে করে। তারা শুধু ফাযায়েলে আমলে যা আছে তারই তাবলীগ করে থাকে এবং শুধু ফযীলতপূর্ণ হ্যাঁ-বোধক কথা প্রচার করে। স্বপ্নেপ্রাপ্ত বিষয়কে তারা শরী‘আত মনে করা। তাদের নিকট জাল, যঈফ ও ত্রুটিপূর্ণ হাদীছও গ্রহণযোগ্য। টঙ্গীর ইজতেমায় অংশগ্রহণ করলে হজ্জ বা ওমরার ছওয়াব পাওয়া যায় বলে তারা বিশ্বাস করে। এছাড়াও ফযীলতের নামে তারা অসংখ্য মিথ্যা ফযীলতের আবিষ্কার করেছে (বিস্তারিত দ্র. ‘ভ্রান্তির বেড়াজালে ইক্বামতে দ্বীন ও তাবলীগের স্বরূপ’)।


প্রশ্নকারী : আব্দুর রহীম, বরিশাল।




প্রশ্ন (২৪) : স্বামীর একার উপার্জনে দুই সন্তানসহ, মা-বাবা, অবিবাহিত বোন এবং একজন ভাগ্নের মোট ৮ জনের সংসার চলে। স্বামীর উপার্জন দিয়ে সবার খরচ মেটাতে গিয়ে স্ত্রীকে ন্যূনতম প্রয়োজন (মৌলিক পোশাক-প্রসাধনী) থেকেও বঞ্চিত করা হয়। অথচ অন্যদের জন্য বিলাসবহুল ভাবেই মেটানো হয়। স্বামীর বাবার ব্যাংকে ৩০ লক্ষ টাকা জমা আছে। প্রতি মাসে নতুন করে সেখানে প্রায় ১৫ হাজার টাকা জমা করা হয়। স্বামীর সংসারে তাঁর বাবা কোন খরচ করেন না। পরিবারের সমস্ত ব্যয়ভার স্বামীকে একাই বহন করতে হয়। প্রশ্ন হল- স্ত্রী ও সন্তানদের বঞ্চিত করে বাবার টাকা ব্যাংকে জমিয়ে পরিবারের সকল সদস্যের ব্যয় বহন করা কি স্ত্রী ও সন্তানদের উপর যুলম নয়? স্বামীর পক্ষে এত বড় সংসারের ব্যয়ভার বহন করতে খুবই কষ্ট হয়। কিন্তু তার বাবা-মায়ের অভিশাপের ভয়ে অমানসিক কষ্ট সহ্য করতে হয়। কারণ বাবা-মাকে কিছু বললেই তারা সংসারে অশান্তি তৈরি করেন। এই বিষয়ে ইসলাম কী বলে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যখন তোমাদের নিকট দিয়ে কোন ইহুদী বা খ্রিস্টান বা মুসলিমের লাশ অতিক্রম করবে, তখন তোমরা তার জন্য দাঁড়াবে। এটা তার সম্মানে নয়, তোমরা মূলত ফেরেশতাদের সম্মানার্থে দাঁড়াও’ (মুসনাদে আহমাদ হা/১৯৫০৯) মর্মে বর্ণিত হাদীছটি কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৮) : বিধর্মীরা কত ভাগে বিভক্ত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : ইসলামের দৃষ্টিতে মধ্যমপন্থার মূল্যায়ন কেমন? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১) : ইয়া’জূজ-মা’জূজ মানুষ জাতি। তারা কি সবাই পথভ্রষ্ট? ইয়া’জূজ-মা’জূজ কি কোন নবীর অনুসরণ করতে পেরেছে? তাদেরকে কেন সুযোগ দেয়া হল না? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৭) : স্বামীর অবর্তমানে ব্যবসায়িক বিষয়ে মহিলারা কি পর-পুরুষের সাথে কথা বলতে পারবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৬) : ইসলামী শরী‘আতের আলোকে দাড়ি রাখার সঠিক বিধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪০) : ‘তোমরা তিনটি কারণে আরবকে ভালবাসবে। প্রথমত, আমি হলাম আরবী, দ্বিতীয়ত, কুরআন মাজীদের ভাষা হল আরবী এবং তৃতীয়ত, জান্নাতীদের ভাষাও হবে আরবী। হাদীছটি কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২০) : একজন সদ্য ইসলাম গ্রহণ করেছে। তিনি কি তার পিতার সম্পদের ওয়ারিছ হতে পারবে? অসহায় হলে তিনি কি তার ভাইদের কাছে চাইতে পারবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩১) : যে ব্যক্তি ছালাতের সংরক্ষণ করবে ক্বিয়ামতের দিন তা তার জন্য জ্যোতি, প্রমাণ ও মুক্তির উপায় হবে। আর যে তার হেফাযত করবে না তার জন্য তা জ্যোতি, প্রমাণ ও মুক্তির উপায় হবে না। ক্বিয়ামতের দিন সে কারূণ, ফেরআঊন, হামান ও উবাই ইবনু খালাফের সাথী হবে (মুসনাদে আহমাদ, হা/৬৫৭৬; মিশকাত, হা/৫৭৮), বর্ণনাটি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৭) : কোন ভবনের দ্বিতীয় তলায় মসজিদ। নিচতলায় রংয়ের গুদাম, মসজিদের টয়লেট এবং ওযূখানা। দ্বিতীয় তলায় মসজিদের মিম্বার বরাবর নিচ তলায় হাতের বায়ে দেয়াল ঘেষে একটি কবর। প্রশ্ন হল, উক্ত মসজিদে ছালাত আদায় করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৯) : জনৈক খতীব ‘তাযকিরাতুল কুরআনে’র কথা উল্লেখ করে বলেন, আল্লাহ্র আরশে একটি দু‘আ লিখা আছে যার নাম ‘গঞ্জুল আরশ’। উক্ত দু‘আ চারজন ফেরেশতা পাঠ করার পর আল্লাহর আরশ বহন করতে সক্ষম হন। উক্ত দাবী কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ