শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ০১:৫২ অপরাহ্ন
উত্তর : পরিবার রেখে জীবিকার জন্য প্রবাসে থাকা খুব একটা কল্যাণকর কাজ নয়। তবে এটি জায়েয। যেমন ইমাম ইবনু কুদামা (রাহিমাহুল্লাহ), শায়খ মুহাম্মাদ ইবনু ছালিহ আল-উছাইমীন (রাহিমাহুল্লাহ) ও সঊদী আরবের স্থায়ী ফাতাওয়া কমিটির আলেমগণ বলেন, যদি আপনি কাজের উদ্দেশ্যে এবং জীবিকা অন্বেষণের উদ্দেশ্যে সফর করতে চান, তাহলে আপনার উপর মুসলিম দেশগুলোতে সফর করা অপরিহার্য। আলহামদুলিল্লাহ সে দেশগুলো কাফিরদের দেশগুলোর চেয়ে অধিক ধনী। কারণ, কাফির দেশে সফর করলে আক্বীদা ঈমান, দ্বীন ও আখলাক্ব বিনষ্টের প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে (আল-মুগনী, ৮/৪৫৭; মাজমূঊ ফাতাওয়া ওয়া রাসাইল লিইবনি উছাইমীন, ৬/১৩২; ফাতাওয়া আল-লাজনা আদ-দায়িমা, ১২/৫৮ পৃ.)।

জীবিকা অন্বেষণের উদ্দেশ্যে নিজ পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে প্রবাসে কতদিন পর্যন্ত থাকা যায়? এর উত্তরে শায়খ মুহাম্মাদ ইবনু ছালিহ আল-উছাইমীন (রাহিমাহুল্লাহ), সঊদী আরবের স্থায়ী ফাতাওয়া কমিটির আলেমগণ, ‘সমাজের মানুষ এটি ভালো করেই জানে যে, কোন ব্যক্তির জন্য তার স্ত্রী থেকে দীর্ঘদিন অনুপস্থিত থাকা উচিত নয়। কেননা স্বামীর যেমন স্ত্রীর দ্বারা আনন্দিত ও উপকৃত হওয়া এবং সহবাস উপভোগ করার অধিকার রয়েছে, ঠিক তেমনি স্ত্রীর তার স্বামীর দ্বারা আনন্দিত ও উপকৃত হওয়া এবং সহবাস উপভোগ করার অধিকার রয়েছে। তবে স্ত্রীর সম্মতিতে সুবিধামত সময় পর্যন্ত অনুপস্থিত থাকতে পারে। যদি স্ত্রী তার দীর্ঘদিনের অনুপস্থিতি মেনে নেয়। কেননা এটি তার অধিকারের অন্তর্ভুক্ত এবং স্বামীও স্ত্রীর পক্ষ থেকে কোনরূপ খিয়ানত ও ক্ষতির আশঙ্কা করবে না। সেক্ষেত্রে এই শর্তে অনুপস্থিত থাকা জায়েয হবে যে, স্বামী স্ত্রীকে এমন নিরাপদ স্থানে রেখে যাবে যেখানে তার জন্য কোনরূপ ভয় ও আশঙ্কা থাকবে না। পক্ষান্তরে স্ত্রীর অসম্মতিতে যে মেয়াদ পর্যন্ত তার কাছ থেকে অনুপস্থিত থাকা জায়েয, তা হল ‘৪ মাস থেকে ৬ মাস পর্যন্ত’। আর এটিকেই ইসলামী পরিভাষায় ঈলা‘ অর্থাৎ বিচ্ছিন্নের সময় বলা হয়। স্ত্রীর সম্মতি ব্যতীত এর থেকে বেশি সময় থাকা হারাম। এক্ষেত্রে স্ত্রী বিষয়টি ইসলামী বিচারকের কাছে উপস্থাপন করতে পারে এবং ত্বালাক্বের আবেদন করতে পারে (মাজমূঊ ফাতাওয়া ওয়া রাসাইল লিইবনি উছাইমীন, ১০/৩০৭; ফাতাওয়া আল-লাজনা আদ-দায়িমাহ, ১৯/৪৬৯;, ফাতাওয়া ইসলামিয়্যাহ, ৩/২১২ পৃ.; ইসলাম সাওয়াল ওয়া জাওয়াব, ফৎওয়া নং-১০২৩১১)।


প্রশ্নকারী : আরিফ, বাজিতপুর, কিশোরগঞ্জ।





প্রশ্ন (৭) : জনৈক ব্যক্তির হজ্জ করার সামর্থ্য আছে। কিন্তু তার অর্থ অন্যের কাছে ধার দেয়া আছে। এখন সে কি আরেকজনের নিকট থেকে টাকা ধার নিয়ে হজ্জ করতে পারবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : পিতার চাচী কি ছেলের জন্য মাহরাম হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩) : দেওবন্দী মানহাজের লোকেরা বলে থাকে যে, চার ইমামের প্রত্যেকেই ২০ রাক‘আত তারাবীহ আদায় করেছেন এবং অন্যদেরকে পড়তে বলেছেন। প্রশ্ন হল- তাদের দাবী কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৫) : সম্মিলিত দু‘আ করে এমন মাযহাবী ইমামের পিছনে ছালাত শুদ্ধ হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪) : স্বামী-স্ত্রী একসাথে জামা‘আতে ছালাত আদায় করতে পারবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৬) : জনৈক আলেম বলেন, জোড় রাতেও ক্বদর হতে পারে। উক্ত দাবী কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৭) : হজ্জ ও ওমরাতে যাওয়া উপলক্ষে সমস্ত আত্মীয়-স্বজন ও গ্রামের মানুষকে দাওয়াত দিয়ে ব্যাপক আকারে খাবার অনুষ্ঠান করা ও তাতে অংশগ্রহণ করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : কেউ যদি বলে আমি হস্তমৈথুন করলে আমি ঈমান হারাবো সে হস্তমৈথুন করলে তার কি ঈমান চলে যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : কোর্ট ম্যারেজ এবং কোর্টের মাধ্যমে ত্বালাক্ব দেয়া সম্পর্কে ইসলামের বিধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৫) : জনৈক আলেম বলেছেন যে, যঈফ হাদীছ মানা যাবে যদি তা সমাজের উপকার হয়। উক্ত দাবী কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২০) : নিজের মামাতো বোনের মেয়েকে কি বিবাহ করা যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : প্রতিবেশীরা বিভিন্ন হারাম কাজের সঙ্গে জড়িত। তাদের কিছু হালাল উপার্জন থাকলেও তা হারাম মিশ্রিত। তারা অনেক সময় খাবার হাদিয়া পাঠায়। কিন্তু সেটা হালাল না হারাম থেকে দিয়েছে তা বুঝা যায় না। তাদের দেয়া উক্ত খাবার খাওয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ