বৃহস্পতিবার, ২৩ Jul ২০২৬, ১২:৩৪ পূর্বাহ্ন
উত্তর :আবূ হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, আমি নবী করীম (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি যে,

‏الْفِطْرَةُ خَمْسٌ الْخِتَانُ وَالاِسْتِحْدَادُ وَقَصُّ الشَّارِبِ وَتَقْلِيمُ الأَظْفَارِ وَنَتْفُ الآبَاطِ

‘জন্মগত স্বভাব পাঁচটি। যথা : ১- খাতনা বা মুসলমানি করা, ২- গুপ্তাঙ্গের লোম পরিষ্কার করার লৌহের ক্ষুর ব্যবহার করা, ৩- গোঁফ ছোট করা, ৪- নখ ছেদন করা ও ৫- বগলের লোম উপড়ানো বা সমূলে উৎপাটন করা’ (ছহীহ বুখারী, হা/৫৮৮৯, ৫৮৯০, ৫৮৯১; ছহীহ মুসলিম, হা/২৫৭, ৪৮৫-৪৯৩)। সঙ্গে সঙ্গে এর সময়সীমাও নির্ধারণ করা হয়েছে। যেমন আনাস ইবনু মালিক (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন,

وُقِّتَ لَنَا فِيْ قَصِّ الشَّارِبِ وَتَقْلِيْمِ الْأَظْفَارِ وَنَتْفِ الإِبْطِ وَحَلْقِ الْعَانَةِ أَنْ لَا نَتْرُكَ أَكْثَرَ مِنْ أَرْبَعِيْنَ لَيْلَةً

‘গোঁফ ছাঁটা, নখ কর্তন করা, বোগলের লোম সমূলে নির্মূল করা এবং গুপ্তাঙ্গের পশম মুণ্ডন করার জন্য আমাদেরকে সময়সীমা নির্ধারিত করে দেয়া হয়েছিল, যেন আমরা তা চল্লিশ দিনের অধিক না রাখি’ (ছহীহ মুসলিম, হা/৪৮৭, ২৫৭)। লক্ষণীয় বিষয় হল, উপরিউক্ত হাদীছ দু’টিতে গুপ্তাঙ্গের লোম পরিষ্কার করার ধরণ বুঝাতে যে দু’টি শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে তা হল- (১) اَلْإِسْتِحْدَادُ ‘লোহার ক্ষুর ব্যবহার করা’। (২) حَلْقٌ ‘মুণ্ডন, ক্ষৌরকর্ম, শেভিং’। পক্ষান্তরে বোগলের লোম পরিষ্কার করার ধরণ বুঝাতে যে শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে তা হল, نَتْفٌ ‘উৎপাটন করা, উপড়ানো, তুলে ফেলা’।

তাই সুন্নাত হল, বোগলের লোম উপড়ে ফেলা, আর গুপ্তাঙ্গের লোম ক্ষুর বা ব্লেড দ্বারা অপসারণ করা। শায়খ ইবনু বায (রাহিমাহুল্লাহ) ও শায়খ ছালিহ আল-মুনাজ্জিদ (হাফিযাহুল্লাহ) বলেন, ‘হাদীছের আলোকে সুন্নাতী পদ্ধতি হল গুপ্তাঙ্গের লোম ক্ষুর বা ব্লেড দ্বারা পরিষ্কার করা, আর বোগলের লোম উপড়ে ফেলা বা সমূলে উৎপাটন করা। কিন্তু যদি কারোর পক্ষে এরূপ করা সম্ভবপর না হয়, সেক্ষেত্রে অন্যান্য সুবিধাজনক পদ্ধতি প্রয়োগ করা জায়েয। যেমন বিভিন্ন প্রকারের ক্রিম ব্যবহার করা কিংবা বোগলের লোম উপড়াতে না পারলে ব্লেড ব্যবহার করা। কেননা আদেশের মূল উদ্দেশ্য হল লোম পরিষ্কার করা বা অপসারণ করা। তাই বিশেষ প্রয়োজনে অন্য পদ্ধতিও মূল উদ্দেশ্যের সহায়ক হিসাবে জায়েয হবে ইনশাআল্লাহ’ (মাজমূঊ ফাতাওয়া ইবনু বায, ২৯/৪৯ পৃ; ইসলাম সাওয়াল ওয়া জাওয়াব, ফৎওয়া নং-১১৮৩)।


প্রশ্নকারী : মুহাম্মাদ রাকিবুল ইসলাম, রংপুর।





প্রশ্ন (১): মানহাজ কাকে বলে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২১): কোন্ কোন্ দিন ছিয়াম পালন করা নিষেধ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪১) : মসজিদের ইমাম বলেন, যে ব্যক্তি রামাযান মাসের ২৭ তারিখের রজনী ইবাদতে কাটাবে, তার আমলনামায় আল্লাহ ২৭ হাজার বছরের ইবাদতের তুল্য ছওয়াব প্রদান করবেন এবং জান্নাতে তার জন্য অসংখ্য মনোরম বালাখানা নির্মাণ করবেন, যার সংখ্যা আল্লাহ ব্যতীত কেউ অবগত নন (আশরাফ আলী থানবী, পূর্ণাঙ্গ নামাজ শিক্ষা, পৃ. ৩১০)। উক্ত বর্ণনা কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩০) : মূর্তি বা পুতুল তৈরির কারখানায় চাকরি করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৯) : গ্রাম বা শহরে বিবাহ অনুষ্ঠানের খাওয়া-দাওয়া শেষে বর/কনে পক্ষকে উপহার দেয়ার চিরাচরিত নিয়মটা ইসলাম কতটুকু সমর্থন করে? সমাজ রক্ষার্থে ঐখানে গিয়ে বাধ্য হয়ে কোন উপহার দিলে পাপ হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : নিম্নের দু‘আটি পড়া যাবে কি?-  يَا رَبِّ لَكَ الْحَمْدُ كَمَا يَنْبَغِى لِجَلاَلِ وَجْهِكَ وَلِعَظِيمِ سُلْطَانِكَ - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৫) : শরী‘আতে একাকী দু‘আ করার ক্ষেত্রে দু‘আর শুরুতে হামদ ও দরূদ পাঠের কথা বলা হয়েছে (তিরমিযী, হা/৩৪৭৬) কিন্তু শেষে হামদ ও দরূদ পাঠ করার কথা হাদীছে পাওয়া যায় না। প্রশ্ন হল- দু‘আ করার সময় হামদ ও দরূদ দিয়ে শেষ করা শরী‘আতসম্মত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৮) : ডিফেন্সে চাকরি করতে হলে ট্রেনিংয়ের ছয় মাস নিয়মিত দাড়ি ক্লিন সেভ করতে হয়। আবার ট্রেনিং সম্পূর্ণ করে দাড়ি রাখার সুযোগ আছে। সাময়িকভাবে দাড়ি কেটে এই চাকুরী করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৬) : সূর্যাস্তের সময় ‘দুখূলুল মসজিদ’ আদায় করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : কোন মুসলিম বেঁচে থাকতে ছালাত আদায় করেনি, কিন্তু অনেক কিছু দান কিংবা ভালো কাজ করে গেছেন। সেগুলার পুরস্কার কি কবরে পাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৪) : আমার ছেলে ঘরের ফ্লোরে বাথরুম করে কমোডে বসতে পারে না। তখন আমি বাচ্চাদের টিস্যু দিয়ে ফেলে দেই আর পরিষ্কার করে দেই। এখন সেই মেজেতে কি ছালাত পড়া যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৬) : মৃতের জন্য কুলখানি, চল্লিশা, মীলাদ ইত্যাদি অনুষ্ঠান পালন করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ