বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২৫ পূর্বাহ্ন
উত্তর :আবূ হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, আমি নবী করীম (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি যে,

‏الْفِطْرَةُ خَمْسٌ الْخِتَانُ وَالاِسْتِحْدَادُ وَقَصُّ الشَّارِبِ وَتَقْلِيمُ الأَظْفَارِ وَنَتْفُ الآبَاطِ

‘জন্মগত স্বভাব পাঁচটি। যথা : ১- খাতনা বা মুসলমানি করা, ২- গুপ্তাঙ্গের লোম পরিষ্কার করার লৌহের ক্ষুর ব্যবহার করা, ৩- গোঁফ ছোট করা, ৪- নখ ছেদন করা ও ৫- বগলের লোম উপড়ানো বা সমূলে উৎপাটন করা’ (ছহীহ বুখারী, হা/৫৮৮৯, ৫৮৯০, ৫৮৯১; ছহীহ মুসলিম, হা/২৫৭, ৪৮৫-৪৯৩)। সঙ্গে সঙ্গে এর সময়সীমাও নির্ধারণ করা হয়েছে। যেমন আনাস ইবনু মালিক (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন,

وُقِّتَ لَنَا فِيْ قَصِّ الشَّارِبِ وَتَقْلِيْمِ الْأَظْفَارِ وَنَتْفِ الإِبْطِ وَحَلْقِ الْعَانَةِ أَنْ لَا نَتْرُكَ أَكْثَرَ مِنْ أَرْبَعِيْنَ لَيْلَةً

‘গোঁফ ছাঁটা, নখ কর্তন করা, বোগলের লোম সমূলে নির্মূল করা এবং গুপ্তাঙ্গের পশম মুণ্ডন করার জন্য আমাদেরকে সময়সীমা নির্ধারিত করে দেয়া হয়েছিল, যেন আমরা তা চল্লিশ দিনের অধিক না রাখি’ (ছহীহ মুসলিম, হা/৪৮৭, ২৫৭)। লক্ষণীয় বিষয় হল, উপরিউক্ত হাদীছ দু’টিতে গুপ্তাঙ্গের লোম পরিষ্কার করার ধরণ বুঝাতে যে দু’টি শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে তা হল- (১) اَلْإِسْتِحْدَادُ ‘লোহার ক্ষুর ব্যবহার করা’। (২) حَلْقٌ ‘মুণ্ডন, ক্ষৌরকর্ম, শেভিং’। পক্ষান্তরে বোগলের লোম পরিষ্কার করার ধরণ বুঝাতে যে শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে তা হল, نَتْفٌ ‘উৎপাটন করা, উপড়ানো, তুলে ফেলা’।

তাই সুন্নাত হল, বোগলের লোম উপড়ে ফেলা, আর গুপ্তাঙ্গের লোম ক্ষুর বা ব্লেড দ্বারা অপসারণ করা। শায়খ ইবনু বায (রাহিমাহুল্লাহ) ও শায়খ ছালিহ আল-মুনাজ্জিদ (হাফিযাহুল্লাহ) বলেন, ‘হাদীছের আলোকে সুন্নাতী পদ্ধতি হল গুপ্তাঙ্গের লোম ক্ষুর বা ব্লেড দ্বারা পরিষ্কার করা, আর বোগলের লোম উপড়ে ফেলা বা সমূলে উৎপাটন করা। কিন্তু যদি কারোর পক্ষে এরূপ করা সম্ভবপর না হয়, সেক্ষেত্রে অন্যান্য সুবিধাজনক পদ্ধতি প্রয়োগ করা জায়েয। যেমন বিভিন্ন প্রকারের ক্রিম ব্যবহার করা কিংবা বোগলের লোম উপড়াতে না পারলে ব্লেড ব্যবহার করা। কেননা আদেশের মূল উদ্দেশ্য হল লোম পরিষ্কার করা বা অপসারণ করা। তাই বিশেষ প্রয়োজনে অন্য পদ্ধতিও মূল উদ্দেশ্যের সহায়ক হিসাবে জায়েয হবে ইনশাআল্লাহ’ (মাজমূঊ ফাতাওয়া ইবনু বায, ২৯/৪৯ পৃ; ইসলাম সাওয়াল ওয়া জাওয়াব, ফৎওয়া নং-১১৮৩)।


প্রশ্নকারী : মুহাম্মাদ রাকিবুল ইসলাম, রংপুর।





প্রশ্ন (১৬) : তওবা করার পর পুনরায় সেই পাপ হয়ে গেলে করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৩) : জুমু‘আর খুৎবাহ বসে বসে দেয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১) : জনৈক ব্যক্তি চাকুরীরত অবস্থায় মালিককে না জানিয়ে উত্ত প্রতিষ্ঠান থেকে কিছু পণ্য নিয়েছিল। লজ্জার কারণে মালিককে বলতেও পারছে না। কী পরিমাণ জিনিস নিয়েছে সেটাও জানা নেই। আনুমানিক যতটুকু ধারণা আছে তার উপর ভিত্তি করে কি টাকা দিলে হবে না-কি? এমতাবস্থায় করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১) : এমপিও ভুক্ত বেসরকারী স্কুলের শিক্ষকদের বেতন থেকে প্রতি মাসে ১০% করে টাকা কেটে রাখা হয় এবং চাকুরি শেষে সর্বশেষ বেতন স্কেলের ১০০ মাসের সমপরিমাণ টাকা দেয়া হয়। উক্ত টাকা কি হালাল হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৩) : ভাড়া দেয়া হয়েছে এমন বাড়ীর যাকাত দেয়ার বিধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : কোন বিধবা কিংবা ডিভোর্সি মহিলা কি তার অভিভাবকের অনুমতি ছাড়া বিয়ে করতে পারবে? যদি বিয়ে করে ফেলে, তাহলে সে বিয়ে কি সঠিক হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৬) : হিজামা করিয়ে পারিশ্রমিক গ্রহণ করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১) : লাশ কবরে রাখার সঠিক নিয়ম কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৪) : সূদী প্রতিষ্ঠানে চাকরি করে এমন ব্যক্তিকে বাসা ভাড়া দেয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৫) : মৃত ব্যক্তিকে দাফন করার পর আমাদের সমাজে অনেকে সম্মিলিত মুনাজাত করে। এটা করা কতটুকু জায়েয? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪০) : জনৈক ব্যক্তি বলেন, যে রাসূল (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উপর দরূদ পাঠ করে তার জন্য সত্তর জন ফেরেশতা এক হাজার দিন পর্যন্ত নেকী লিখেন। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২০): এক মহিলা মেডিকেল টেকনোলজিস্ট। সে একটা হাসপাতালে চাকরি করে আর পর্দা করে হাসপাতালে যায়। সে চাকরি করতে পারবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ