রবিবার, ০৭ Jun ২০২৬, ০২:৫৮ অপরাহ্ন
উত্তর : হাদীছ থেকে বুঝা যায় যে, আগে রামাযানের ক্বাযা ছিয়াম পূর্ণ করতে হবে। তারপর শাওয়ালের ছিয়াম রাখতে হবে (ছহীহ মুসলিম, হা/১১৬৪; মিশকাত, হা/২০৪৭)। যদিও রামাযানের ক্বাযা আদায় করতে পুরো শাওয়াল মাস চলে যায় (ইবনু বায, মাজমূউল ফাতাওয়া, ১৫/৩৮৮; ইবনু উছায়মীন, মাজমূঊল ফাতাওয়া ওয়ার রাসায়েল,২০/১৮; আলবানী, জামে‘ তুরাছীল আলবানী, ১০/২৬৪)। তাছাড়া ফরয সর্বদা নফলের উপর প্রাধান্য পায় এবং আল্লাহর ঋণই আগে আদায় করতে হয়। কারণ বান্দা মারা গেলে তাকে আগে ক্বাযা ছিয়াম সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হবে, শাওয়ালের ছিয়াম সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হবে না (আবুদাঊদ হা/৮৬৪; তিরমিযী হা/৪১৩; সনদ ছহীহ, মিশকাত হা/১৩৩০)।

রাসূল (ﷺ) বলেন, مَنْ صَامَ رَمَضَانَ ثُمَّ أَتْبَعَهُ سِتًّا مِنْ شَوَّالٍ كَانَ كَصِيَامِ الدَّهْرِ ‘যে ব্যক্তি রামাযান মাসের ছিয়াম পালন করল, অতঃপর শাওয়াল মাসে ছয়টি ছিয়াম পালন করল, সে যেন সারা বছরই ছিয়াম পালন করল (অর্থাৎ সে সারা বছর ছিয়াম পালনের ছাওয়াব অর্জন করল)’ (ছহীহ মুসলিম, হা/১১৬৪)। অন্য হাদীছে বলেন, صِيامُ شهْرِ رمضانَ بِعشْرَةِ أشْهُرٍ و صِيامُ سِتَّةِ أيَّامٍ بَعدَهُ بِشهْرَيْنِ فذلِكَ صِيامُ السَّنةِ ‘রামাযান মাসের ছিয়াম সমান দশ মাসের ছিয়াম এবং এরপর ছয় দিনের ছিয়াম সমান দুই মাসের ছিয়াম। এভাবেই এক বছরের ছিয়াম পূর্ণ হয়’ (মুসনাদে আহমাদ, হা/২২৪৬৫; দারিমী, হা/১৭৫৫; ছহীহ আত-তারগীব, হা/১০০৭)। আরবীতে ৩৬০ দিনে এক বছর হয়। অন্যত্র এসেছে,

جعل اللهُ الحسنةَ بعشر أمثالِها الشهرُ بعشرةِ أشهرٍ و صيامُ ستةِ أيامٍ بعد الشهرِ تمامُ السَّنةِ

‘আল্লাহ তা‘আলা ভালো কাজের ছাওয়াব ১০ গুণ বৃদ্ধি সহকারে দিয়ে থাকেন। সুতরাং এক মাসের ছিয়াম সমান দশ মাসের ছিয়াম আর ছয় দিনের ছিয়াম সমান দুই মাসের ছিয়াম। এভাবেই এক বছর পরিপূর্ণ হয়ে যায়’ (ছহীহ আত-তারগীব, হা/১০০৭; ছহীহ জামি‘, হা/৩০৯৪; ইসলাম সাওয়াল ওয়া জাওয়াব, ফৎওয়া নং-৭৮৫৯)।

প্রশ্নকারী : সামিঊল ইসলাম, রাজশাহী।





প্রশ্ন (২৮) : চাকুরীজীবী ব্যক্তি অফিসের যাবতীয় পণ্য ক্রয় করে। কিছু পণ্য ক্রয় করার সময় দেখা যাচ্ছে পণ্যের দাম ৩০০/৪০০ টাকা, যা সব দোকানে একই দাম। কিন্তু ঐ ব্যক্তি সেই পণ্যটি ২৮০/৩৮০ টাকায় ক্রয় করতে পারে। উক্ত পণ্য ক্রয়ে যে ২০ টাকা সাশ্রয় হল, সেই টাকা কি তিনি নিজে গ্রহণ করতে পারবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১) : স্ত্রীর ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও আর্থিক সংকটের কারণে স্বামী সন্তান নিতে চাচ্ছে না। এতে পাপ হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : জনৈক আলেম ফৎওয়া দিয়েছেন যে, হানাফী এলাকাতে আছরের ছালাত শেষ ওয়াক্তে হওয়ায় এবং সেই এলাকায় আহলেহাদীছ মসজিদ না থাকলে বাড়িতে ছালাত আদায় করা যাবে। প্রশ্ন হল, এটা কি শরী‘আতসম্মত? আওয়াল ওয়াক্তে একাকী ফরয ছালাত পড়া উত্তম হবে, না-কি শেষ ওয়াক্ত হলেও জামা‘আতে ছালাত আদায় করা উত্তম হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৫) : আমাদের এলাকায় মসজিদে লেখা রয়েছে যে, ‘লাল বাতি জ্বললে সুন্নাতের নিয়ত করবেন না’। এটা কতটুকু শরী‘আত সম্মত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩০) : জনৈক ব্যক্তি ওয়েব সাইট ডেভলপার এবং সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার। মৌলিকভাবে এসব কাজ হারাম না। তবে স্পষ্ট হারাম যেমন সূদ ভিত্তিক ব্যাংক, মাদক, জুয়া, যৌনতা ইত্যাদি বাদ দিয়ে যেকোন ওয়েব সাইটের কাজ করলে কি তা হালাল হবে? এছাড়া কোন্ কোন্ বিষয়ের সংমিশ্রণ হলে ইনকাম হারাম হয়ে যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৭) : মাহরাম ছাড়া কোন মহিলা হজ্জ করতে যেতে পারবে কি? বুদ্ধিমান বালক কি মাহরাম হতে পারে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩১) : স্বামী সংসার করতে আগ্রহী, কিন্তু স্ত্রী সংসার করতে আগ্রহী নয়। এজন্য স্ত্রী আলাদা হয়ে বাপের বাড়ী চলে যায়, তাহলে তাকে কি দেনমোহর পরিশোধ করতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৪) : জনৈক অবিবাহিত যুবক আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে ত্বালাক্বপ্রাপ্তা অসহায় মেয়েকে বিয়ে করতে চাচ্ছে। কিন্তু সম্মানবোধ উল্লেখ করে পরিবার তা মেনে নিচ্ছে না। তাদের মতের বাইরে এসে ঐ মেয়েকে বিয়ে করলে আমি কি তাদের অবাধ্য সন্তান হিসাবে পরিগণিত হব? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩০) : পরীক্ষার্থীদের জন্য বিদায় অনুষ্ঠান করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : কেউ মূর্তি পূজা করলে ইসলামে তার হুকুম কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৭) : পুরাতন কবরের উপর ঘরবাড়ি করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২) : বাবার চার ছেলে, মেয়ে নেই। প্রথম ছেলে ও দ্বিতীয় ছেলে ১৫-১৬ বছর থেকে শহরে ব্যবসা করেন। ৩য় ছেলে ১৬-১৭ বছর যাবৎ বাবার সংসারে এখনো হাড়ভাঙ্গা পরিশ্রম করে সংসার দেখাশুনা করে যাচ্ছে। প্রথম ও দ্বিতীয় ছেলে বাবার সংসার থেকে চাল ডাল প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়মিত নিয়েছেন। প্রথম ও দ্বিতীয় ছেলেকে বাবা বিভিন্নভাবে বিভিন্ন সময়ে সহযোগিতাও করেছেন, এখন তারা সাবলম্বী। চতুর্থ ছেলে ছোট হওয়ায় লেখাপড়া করে ও বর্তমানে বিবাহ করে বাবার সংসারে খায় আর সারাদিন ঘুরে বেড়ায়। প্রশ্ন হল- যখন বাবা সব ছেলেকে কিছু কিছু করে জমি লিখে দিতে চাইলেন, তখন তৃতীয় ছেলে সবার উপস্থিতিতে প্রস্তাব করল, ‘আমি যেহেতু ১৬-১৭ বছর ধরে সংসার দেখাশুনা করছি তাই এজমালিতে আমাকে এক বিঘা জমি দেয়া হোক’। উক্ত শর্তে দ্বিতীয় ও চতুর্থ ছেলের কোন দ্বিমত নেই। কিন্তু প্রথম ছেলে উক্ত প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে। ফলে তৃতীয় ছেলে বলে, আমি যেহেতু পরিশ্রম করেছি তাই এটা আমার অধিকার। পরবর্তীতে বাবা তৃতীয় ছেলেকে এক বিঘা জমি লিখে দেন। এক্ষেত্রে প্রথম ছেলে তৃতীয় জনকে ভাই হিসাবে স্বীকার করতে নারাজ এবং তাকে জাহান্নামী ও হারামখোর বলে প্রচার করতেছে। উল্লেখ্য যে, বাবার জমির পরিমাণ ৪০ বিঘার উপরে। এক্ষেত্রে বাবা কি অপরাধ করেছেন? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ