বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫, ০১:৫৬ অপরাহ্ন
উত্তর : ‘পিতা-মাতার দু‘আ আল্লাহ তা‘আলা ফিরিয়ে দেন না’ মর্মে বক্তব্য সঠিক (আবূ দাঊদ, হা/১৫৩৬; তিরমিযী, হা/১৯০৫, ৩৪৪৮; ইবনু মাজাহ, হা/৩৮৬২; সনদ হাসান, ছহীহুল জামে‘, হা/৩০৩১)। তবে মৃত ব্যক্তি জীবিত ব্যক্তির কোন কল্যাণ বা উপকার করতে পারে না। বরং তাঁরাই জীবিত ব্যক্তির দু‘আর মুখাপেক্ষী। তাই সন্তান হিসাবে তাঁদের জন্যই দু‘আ করতে হবে (ছহীহ মুসলিম, হা/১৬৩১; আবূ দাঊদ, হা/২৮৮০)। পিতা-মাতার মৃত্যুর পর তাদের কবুলযোগ্য দু‘আ থেকে বঞ্চিত হলেও আপন খালার সেবা এবং তার সাথে সদাচরণের মাধ্যমেও কবুলযোগ্য দুআ প্রাপ্তির অধিকারী হওয়ার আশা করা যায়। আল্লাহর রাসূল (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, الَخَالَةُ بِمَنْزِلَةِ الأُمِّ ‘খালা মায়ের ন্যায়’ (ছহীহ বুখারী, হা/২৬৯৯, ৪২৫১; আবূ দাঊদ, হা/২২৮০; মিশকাত, হা/৩৩৭৭)। অন্যত্র বর্ণিত হয়েছে,

عَنْ ابْنِ عُمَرَ رَضِىَ اللهُ عَنْهُمَا أَنَّ رَجُلًا أَتَى النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ يَا رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنِّيْ أَصَبْتُ ذَنْبًا عَظِيْمًا فَهَلْ لِيْ مِنْ تَوْبَةٍ؟ قَالَ هَلْ لَكَ مِنْ أُمٍّ؟ قَالَ لَا قَالَ لَكَ مِنْ خَالَةٍ؟ قَالَ نَعَمْ قَالَ فَبِرَّهَا.

আব্দুল্লাহ ইবনু ওমর (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, জনৈক ব্যক্তি নবী করীম (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বলল, হে আল্লাহর রাসূল (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আমি একটি খুব জঘন্য পাপ করেছি, আমার জন্য তওবার কোন ব্যবস্থা আছে কি? তিনি জিজ্ঞেস করলেন, তোমার মা আছে কি? লোকটি বলল, না। তিনি আবার জিজ্ঞেস করলেন, তোমার কোন খালা আছে কি? লোকটি বলল, হ্যাঁ। তখন নবী করীম (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, যাও, তাঁর খেদমত কর (তিরমিযী, হা/২০২৭; মিশকাত, হা/৪৯৩৫; সনদ ছহীহ, ছহীহ আত-তারগীব ওয়াত তারহীব, হা/২৫০৪; তুহফাতুল আহওয়াযী, ৬ষ্ঠ খণ্ড, পৃ. ২৬)। এছাড়া বেশি বেশি ছিয়াম পালনে অভ্যস্ত হওয়া এবং ছিয়াম অবস্থায় দু‘আ করলে দু‘আ কবুল হয়। আনাস ইবনু মালিক (রাযিয়াল্লাহু আনহু) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন,

ثَلَاثُ دَعَوَاتٍ لَا تُرَدُّ دَعْوَةُ الْوَالِدِ وَدَعْوَةُ الصَّائِمِ وَدَعْوَةُ الْمُسَافِرِ.

‘তিনজনের দু‘আ ফিরিয়ে দেয়া হয় না। সন্তান-সন্ততির জন্য পিতা-মাতার দু‘আ, ছিয়াম পালনকারীর দু‘আ এবং মুসাফির ব্যক্তির দু‘আ’ (বায়হাক্বী, সুনানুল কুবরা, হা/৬১৮৫; সনদ ছহীহ, সিলসিলা ছহীহাহ, হা/১৭৫৭)।


প্রশ্নকারী : হাফীযুর রহমান, সিরাজগঞ্জ।





প্রশ্ন (৩০) : রুকূতে বা সিজদাতে দু‘আ মুখে উচ্চারণ করে পড়তে হবে, না-কি মনে মনে পড়লেও হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৯) : জনৈক ব্যক্তির জীবনে রাশি রাশি পাপে ভরপুর। বর্তমানে সে এক জটিল রোগে আক্রান্ত। চিকিৎসা নেয়ার বহু চেষ্টা করেও কোন লাভ হয়নি। ডাক্তার বলেছেন, এই রোগের কোন চিকিৎসা নেই। এ পর্যায়ে এসে তিনি অত্যন্ত অনুতপ্ত এবং গুনাহ থেকে তওবা করতে ইচ্ছুক। এমন ব্যক্তির তওবা শুদ্ধ হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪) : যে ব্যক্তির জানাযা হয়েছে তার গায়েবানা জানাযা পড়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৩) : ‘তুমি বিলম্বে সাক্ষাৎ কর, ভালোবাসা বৃদ্ধি পাবে’ মর্মে বর্ণিত হাদীছটি কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৯) : শীতের কারণে অনেক সময় ওযূ অবস্থায় লেপের মধ্যে অবস্থান করি। লেপের মধ্যে হাঁটুর উপর কাপড় উঠে গেলে অথবা অন্য কোন সময় হাঁটুর উপর কাপড় উঠলে ওযূ নষ্ট হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৪) : একজন ছাত্রাবাসে থাকে। ছালাতের সময় তার রুমমেট মোবাইল ফোনে/ল্যাপটপে নাটক-সিনেমা দেখে। এতে ছালাতের ক্ষতি হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৪) : শিরকের স্বরূপ ও এর প্রকারগুলো কী কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৯) : আমার স্বামী আমাকে পর্দা করতে বাধা দেয়, এমতাবস্থায় আমার করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২) : জুমু‘আর দিনে বেলা ১১-১২ টা পর্যন্ত কুরআন শিক্ষা দেয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৯) : মুসলিম রুক্বইয়্যাহকারী কি কোন অমুসলিম রোগীকে রুক্বইয়্যাহ করতে পারে এবং কোন বিধর্মীর কাছে থেকে কি রুক্বইয়্যাহ নেয়া যাবে, যদি তার পদ্ধতি সঠিক হয়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : জনৈক বক্তা বলেছেন যে, রাসূলের নাম শুনলে ‘ছাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম’ পড়ি এটা কোন ছহীহ হাদীছ দ্বারা প্রমাণিত নয়। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২) : আমি বিয়ের আগে যেনায় লিপ্ত ছিলাম। বিয়ের পর থেকে ভুল বুঝতে পেরে আমি খুবই অনুতপ্ত। আল্লাহ কি আমাকে ক্ষমা করবেন?  কিভাবে তওবাহ করলে উক্ত পাপ ক্ষমা হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ