রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:০৫ পূর্বাহ্ন
উত্তর : উক্ত সতর্কতা মুছল্লীকে ছালাত ও তার নেকী থেকে বঞ্চিত করেছে। কারণ সুন্নাত ছালাত আদায়কালীন যদি ইক্বামত হয়ে যায়, তাহলে হাদীছের নির্দেশ হল- সে ছালাত ছেড়ে দিবে এবং ফরয ছালাতে শরীক হবে। এতে করে সে উক্ত ছালাতের পূর্ণ নেকী পেয়ে যাবে। হাদীছে এসেছে,

.عَنْ أَبِىْ هُرَيْرَةَ رضي الله عنه قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ هَمَّ بِحَسَنَةٍ فَلَمْ يَعْمَلْهَا كُتِبَتْ لَهُ حَسَنَةً وَمَنْ هَمَّ بِحَسَنَةٍ فَعَمِلَهَا كُتِبَتْ لَهُ عَشْرًا إِلَى سَبْعِمِائَةِ ضِعْفٍ

আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু)) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি একটি ভাল কাজ করার ইচ্ছা করল কিন্তু তা করল না, তার জন্য একটি নেকী লিপিবদ্ধ করা হল। কিন্তু যে ব্যক্তি একটি ভাল কাজ করার ইচ্ছা করল এবং তা করে ফেলল তার জন্য দশ থেকে সাতশ’ গুণ নেকী লিপিবদ্ধ করা হল …’ (ছহীহ মুসলিম, হা/১৩০ ও ১৩১, ‘ঈমান’ অধ্যায়, অনুচ্ছেদ-৬১; ছহীহ বুখারী, হা/৬৪৯১, ‘রিক্বাক্ব’ অধ্যায়, অনুচ্ছেদ-৩১; মিশকাত, হা/২৩৭৪)।

উল্লেখ্য যে, লাল বাতির গুরুত্ব কিন্তু ফজরের দুই রাক‘আত সুন্নাতের সময় থাকে না। কারণ বহু মসজিদে ফজরের জামা‘আত চললেও আগে সুন্নাত পড়তে দেখা যায়। অথচ হাদীছের নির্দেশ হল, ছালাতের ইক্বামত হয়ে গেলে আর কোন ছালাত চলবে না। ফরয ছালাতে অংশগ্রহণ করতে হবে। হাদীছে এসেছে,

.عَنْ أَبِىْ هُرَيْرَةَ رضي الله عنه عَنِ النَّبِىِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِذَا أُقِيْمَتِ الصَّلَاةُ فَلَا صَلَاةَ إِلَّا الْمَكْتُوْبَةُ

আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু)) হতে বর্ণিত, নবী করীম (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)) বলেছেন, ‘যখন ছালাতের ইক্বামত দেয়া হবে, তখন ফরয ছালাত ছাড়া অন্য কোন ছালাত নেই’ (ছহীহ মুসলিম, হা/৭১০, ৭১১, ৭১২, ১/২৪৭ পৃ., (ইফাবা, হা/১৫১৪ ও ১৫২১) ‘মুসাফিরদের ছালাত’ অধ্যায়, অনুচ্ছেদ-৯; ছহীহ বুখারী, হা/৬৬৩, ১/৯১ পৃ., (ইফাবা, হা/৬৩০, ২/৬৪ পৃ.) ‘আযান’ অধ্যায়, অনুচ্ছেদ-৩৮; মিশকাত, হা/১০৫৮, পৃ. ৯৬; বঙ্গানুবাদ মিশকাত, হা/৯৯১, ৩/৪৬ পৃ., ‘জামা‘আত ও তার ফযীলত’ অনুচ্ছেদ)। ভ্রান্ত ধারণা আছে যে, ফজরের ছালাতের পরে সুন্নাত পড়া যাবে না। অথচ কেউ পূর্বে সুন্নাত পড়তে না পারলে ছালাতের পরেই পড়ে নিতে পারবে মর্মে ছহীহ হাদীছ বর্ণিত হয়েছে (আবুদাঊদ, হা/১২৬৭, ১/১৮০ পৃ.; মিশকাত, হা/১০৪৪, পৃ. ৯৫, সনদ ছহীহ; বঙ্গানুবাদ মিশকাত, হা/৯৭৭, ৩/৪০ পৃ., ‘ছালাতের নিষিদ্ধ সময়’ অনুচ্ছেদ)।


প্রশ্নকারী : খোরশেদ আলম, ঝিনাইদহ।




প্রশ্ন (১৯) : নাভির নিচের পশম কোন্ জায়গা থেকে কাটতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : বিজ্ঞান বলছে পৃথিবী গোলাকার বা বলের ন্যায়। এক্ষেত্রে কুরআন-হাদীছে কোন বক্তব্য এসেছে কি? এই বিষয়ে সালাফে ছালেহীন কী আক্বীদা পোষণ করতেন? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪২) : শ্বশুরকে ‘আব্বা’ ও শাশুড়িকে ‘মা’ বলে ডাকা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৬) : কেউ কোন নারীকে ধর্ষণ করার চেষ্টা করলে আত্মরক্ষার জন্য করণীয় কী? সে কি অস্ত্র ব্যবহার করতে পারবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২১) : আমার স্বামী দূরে থাকেন! প্রায় তিন মাসের অধিক সময় পর বাসায় আসেন! কিন্তু এর মধ্যবর্তী সময়টিতে উনি আমায় ভিডিও কলে রেখে মাস্টারবেশন করে নিজের চাহিদা পূরণ করেন! এবং আমাকেও এমনটা করতে বলেন! এটা কি ঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৪) : জনৈক ব্যক্তির জখম ছিল, সে আত্মহত্যা করল। তখন আল্লাহ তা‘আলা বলেন, আমার বান্দা তার প্রাণ নিয়ে আমার সাথে তাড়াহুড়া করল। কাজেই আমি তার উপর জান্নাত হারাম করে দিলাম (ছহীহ বুখারী, হা/১৩৬৪)। প্রশ্ন হল- যেখানে আল্লাহ তা‘আলা জান্নাত হারাম করে দিলেন, সেখানে বলা হয়, ‘সে চিরস্থায়ী জাহান্নামী নয়’। উক্ত বক্তব্যের সঠিক ব্যাখ্যা কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : মুমিন ও মুসলিম কাকে বলে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৪) : কেউ যদি তার ঘরে বসবাস শুরু করার পর থেকেই রোগে ও মুছীবতে আক্রান্ত হয়, তাহলে উক্ত ঘরে বসবাস করাকে অমঙ্গলের কারণ হিসাবে মনে করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : কোন বিধবা কিংবা ডিভোর্সি মহিলা কি তার অভিভাবকের অনুমতি ছাড়া বিয়ে করতে পারবে? যদি বিয়ে করে ফেলে, তাহলে সে বিয়ে কি সঠিক হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩১) : মুহাম্মাদ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাটির তৈরি, না-কি নূরের তৈরি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৩) : একটি হাসপাতালে গেলে সেখানে আমার স্যান্ডেল পাচ্ছিলাম না। প্রথমে মনে হয়েছিল, হয়তো কেউ ভুলবশত বা সাময়িকভাবে পায়ে দিয়ে বাইরে গেছে। তাই বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষা করেও না পেয়ে অন্য একজনের স্যান্ডেল পসন্দ করে নিয়ে চলে আসি। এখন বিষয়টি নিয়ে আমার ভেতরে অনুশোচনা কাজ করে। এখন করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৪) : জান্নাতের হূরগণ বলবে, نَحْنُ الْخَالِدَاتُ فَلَا نَبِيْدُ وَنَحْنُ النَّاعِمَاتُ فَلَا نَبْأَسُ وَنَحْنُ الرَّاضِيَاتُ فَلَا نَسْخَطُ طُوْبَى لِمَنْ كَانَ لَنَا وَكُنَّا لَهُ ‘আমরা চিরদিন থাকব, কখনও ধ্বংস হব না। আমরা হামেশা সুখে-সানন্দে থাকব, কখনও দুঃখ-দুশ্চিন্তায় পতিত হবে না। আমরা সর্বদা সন্তুষ্ট থাকব, কখনও নাখোশ হব না। সুতরাং তাকে ধন্যবাদ, যার জন্য আমরা এবং আমাদের জন্য যিনি’ (তিরমিযী, হা/২৫৬৪; মিশকাত, হা/৫৬৪৯; বঙ্গানুবাদ মিশকাত, হা/৫৪০৭, ১০/১৫০ পৃ.) মর্মে বর্ণনাটি কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ