বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২১ পূর্বাহ্ন
উত্তর : দু’টি শর্ত সাপেক্ষে এটি বৈধ। প্রথমত হারাম বিষয়বস্তু থেকে মুক্ত হতে হবে। দ্বিতীয়ত কোন নির্দিষ্ট ব্যক্তির দিকে সম্পর্ক করা যাবে না। কেননা তখন সেটা মিথ্যা হতে পারে এবং সত্য-মিথ্যার সংমিশ্রণ ঘটতে পারে। এ প্রসঙ্গে শায়খ উছায়মীন (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘মানুষ যখন কোন ঘটনা দিয়ে উদাহরণ পেশ করেন, যেমন সে বলল, ‘আমি তোমাদের কাছে উদাহরণস্বরূপ একজন ব্যক্তির দৃষ্টান্ত পেশ করতে চাই, অমুক এরূপ করেছে বা এরূপ বলেছে। এখান থেকে আমরা এটা বুঝতে পারলাম বা এর ফলাফল এরূপ’, এভাবে উদাহরণ পেশ করলে তাতে সমস্যা নেই। এমনকি এ ব্যাপারে আলেমগণ কুরআনের আয়াত দ্বারা উদ্ধৃতি পেশ করেছেন। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,

وَ اضۡرِبۡ لَہُمۡ مَّثَلًا رَّجُلَیۡنِ جَعَلۡنَا لِاَحَدِہِمَا جَنَّتَیۡنِ مِنۡ اَعۡنَابٍ وَّ حَفَفۡنٰہُمَا بِنَخۡلٍ وَّ جَعَلۡنَا بَیۡنَہُمَا زَرۡعًا

‘আপনি তাদের কাছে পেশ করুন, দুই ব্যক্তির উপমা, তাদের একজনকে আমি দিয়েছিলাম দু’টি আঙ্গুরের উদ্যান এবং এই দু’টিকে আমি খেজুর বৃক্ষ দ্বারা পরিবেষ্টিত করেছিলাম ও এই দু’য়ের মধ্যবর্তী স্থানকে করেছিলাম শস্যক্ষেত্র’ (সূরা আল-কাহ্ফ : ৩২)। এ ধরনের উদাহরণ আরো আছে (সূরা আয-যুমার : ২৯)।  

সুতরাং মানুষ যখন এমন ঘটনা বর্ণনা করবে, যা কোন নির্দিষ্ট ব্যক্তির সম্পর্কিত নয়। যেমন ‘এ ধরনের ঘটনা ঘটেছিল, এমন হয়েছিল, তার পরিণাম এরূপ’- এ ধরনের দৃষ্টান্ত প্রদানে কোন সমস্যা নেই। আর যদি কোন নির্দিষ্ট ব্যক্তির দিকে সম্পর্কিত করে দৃষ্টান্ত পেশ করে, তাহলে সেটা মিথ্যার নামান্তর হতে পারে এবং তা হারাম হতে পারে এবং তার প্রতি মিথ্যা আরোপ করা হয়ে যেতে পারে। আর যদি তা কোন কওমকে হাসানোর উদ্দেশ্যে হয়, তবে এর পরিণাম ভয়াবহ। রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, মানুষকে হাসানোর জন্য যে ব্যক্তি মিথ্যা বলে তার জন্য ধ্বংস, তার জন্য ধ্বংস, তার জন্য ধ্বংস’ (আবূ দাউদ, হা/৪৯৯০, সনদ হাসান; লিকাউল বাবুল মাফতূহ, ৭৭তম খণ্ড, পৃ. ২৩)।

প্রশ্নকারী : মুহাম্মাদ ইউনুস, নাটোর।




প্রশ্ন (২৭): আব্দুল্লাহ ইবনু উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে প্রশ্ন করা হয়, রাসূল (ﷺ)-এর ছাহাবীগণ কি হাসতেন? তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ। তবে তাঁদের অন্তরে ঈমান ছিল পাহাড়ের চেয়ে বড়’ (আল-মাউসূ‘আতুল কুবরা, ৩১/১৯৩)। বর্ণনাটি কী ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১০) : অনেকেই বেনামাযীর বাড়ীতে খাওয়া অপসন্দ করেন। বেনামাযীর বাড়ীতে খাওয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৪) : বাম হাতে খাওয়া বা পান করতে হাদীছে নিষেধ করা হয়েছে। কিন্তু দুই হাতে খাওয়া বা পান করার কোন নজীর রাসূল (ﷺ), ছাহাবায়ে কেরাম বা পরবর্তী কোন সালাফ থেকে পাওয়া যায় কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪) : কোন এলাকার মসজিদে আযান ও ছালাত না হলে সেখানকার মুসলিমদের কী অবস্থা হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : মসজিদ কমিটি বিবাহ পড়ানোর জন্য ২০০০-৩০০০-৩৫০০ টাকা নিয়ে থাকে। এটা কি জায়েয? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২০) : রাসূল (ﷺ) ফরয গোসলের ওযূর পর আর ছালাতের জন্য ওযূ করতেন না (তিরমিযী, হা/১০৭; আবূ দাঊদ, হা/২৫০; নাসাঈ, হা/২৫২; ইবনু মাজাহ, হা/৫৭৯)। প্রশ্ন হল- আমি তো ফরয গোসলের নিয়তে এই ওযূ করি কিন্তু ছালাত পড়ার নিয়তে ওযূ করি না। এখন আমি কি পুনরায় ছালাতের নিয়তে ওযূ করব, না-কি ফরয গোসলের নিয়তে যে ওযূ করেছি তাতেই হয়ে যাবে। - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৮) : শবে মি‘রাজ উপলক্ষে ছিয়াম পালন করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৪) : অনিয়মিত ছালাত আদায়কারীর জানাযার বিধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২) : জনৈক আলেম বলেন, রাতে ঘুম ভেঙ্গে যাওয়ার পর যে ব্যক্তি নিম্নের দু‘আটি পাঠ করবে, তাকে ক্ষমা করে দেওয়া হবে। যদি সে দু‘আ করে, তবে তার দু‘আ কবুল হবে। আর সে যদি উঠে ওযয় করে ছালাত আদায় করে, তাহলে তার ছালাত কবুল হবে। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১১) : সমাজে অনেক নামধারী ফকীর দেখা যায়। যারা বিত্তশালী। এদের কেউ সূদের উপর টাকা দেয়। টাকা নিয়ে নেশা করে। এদেরকে ভিক্ষা দেয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৮) : আমাদের এলাকায় একটি হাদীছ প্রচলিত রয়েছে যে, ‘যে ব্যক্তি উত্তমরূপে ওযূ করে ছওয়াবের উদ্দেশ্যে তার কোন মুসলিম ভাইকে দেখতে যাবে, তাকে জাহান্নাম হতে ষাট বছরের পথ দূরে রাখা হবে’ (আবুদাঊদ, হা/৩০৯৭, ‘জানাযা’ অধ্যায়, অনুচ্ছেদ-৭)। হাদীছটি কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : লটারি বিক্রি হয় বা সিগারেট বিক্রি হয় এমন কোন প্রতিষ্ঠানে চাকরি করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ