রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:০৮ পূর্বাহ্ন
উত্তর : শায়খ ইবনু বায (রাহিমাহুল্লাহ) ও শায়খ আল-উছায়মীন (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘রামাযান মাসে দিনের বেলায় ইনহেলার বা পাফার ব্যবহার করলে ছিয়াম ভঙ্গ হবে না। কুয়েতের ফিক্বশাস্ত্রবিদরা এই মতটিকেই গ্রহণ করেছেন (মাজমূঊ ফাতাওয়া লিইবনি বায, ১৫/২৬৫ পৃ.; মাজমূঊ ফাতাওয়া লিইবনি উছাইমীন, ১৯/২০৯ পৃ.; ইসলাম সাওয়াল ওয়া জাওয়াব, ফৎওয়া নং-৩৭৬৫০)।

প্রথমতঃ এ্যাজমা বা শ্বাসকষ্টে যে স্প্রে ব্যবহার করা হয়, তা মূলত হাওয়া বা বায়ু, এর সীমানা হল ফুসফুস এবং এর কাজ হল ঐ ধমনী ও শ্বাসনালীকে প্রসারিত করা, যেগুলো হাঁপানি দ্বারা সংকুচিত হয়। তাছাড়া এই স্প্রে পাকস্থলীতে পৌঁছায় না এবং রোগীর জন্য খাদ্য বা পানীর প্রয়োজনও পূরণ করে না (মাজমূঊ ফাতাওয়া লিইবনি উছাইমীন, ১৯/২১১ পৃ.; ফাতাওয়া আরকানুল ইসলাম, পৃ. ৪৭৫; মাজাল্লাহ, মাজমাঊল ফিক্বহিল ইসলামী, ১০/৬৪১ পৃ.)। দ্বিতীয়তঃ স্প্রে খাওয়া বা পানের অন্তর্ভুক্ত নয় এবং এটি রোগীর জন্য পুষ্টিও সরবরাহ করে না (মাজমূঊ ফাতাওয়া লিইবনি বায, ১৫/২৬৫ পৃ.; মাজমূঊ ফাতাওয়া লিইবনি উছাইমীন, ১৯/২১১ পৃ.)।

তৃতীয়তঃ শ্বাসকষ্ট উপশমকারী একটি স্প্রের বোতলে সব মিলিয়ে ১০ মিলিমিটার তরল ঔষুধ থাকে, যা দিয়ে ২০০ বার স্প্রে করা যায়। দেখা যাচ্ছে, প্রত্যেক বার স্প্রেতে এক ফোঁটারও কম তরল পদার্থ থাকে। এই এক ফোঁটারও কম তরল পদার্থ কয়েকটি ভাগে বিভক্ত হয়ে যায়। সবচেয়ে বড় ভাগটি প্রবেশ করে শ্বাসনালীতে, ছোট ভাগটি থেকে যায় গলনালীতে এবং খুবই সামান্য পরিমাণ পাকস্থলীতে প্রবেশ করতে পারে। এই পরিমাণটি এতই যৎসামান্য যে, তা হিসাবে আসে না। যেমনিভাবে কুলি ও নাকের সামান্য অংশ পানি হিসাবে আসে না, বরং কুলি করলে ও নাকি পানি দিলে যে পরিমাণ পানি ভেতরে প্রবেশ করে, তার পরিমাণ স্প্রের চেয়ে বেশি (মাজাল্লাহ, মাজমাঊল ফিক্বহিল ইসলামী, ১০/৭৫৯ পৃ.)।

চতুর্থতঃ দাঁতন ব্যবহারের উপর ক্বিয়াস করে এটিকে জায়েয করা হয়েছে। ডাক্তারগণ বলে থাকেন, আরাক গাছের মিসওয়াকে আট প্রকার রাসায়নিক পদার্থ থাকে, যা দাঁত ও মাঢ়িকে রোগ-ব্যাধি থেকে রক্ষা করে। পদার্থগুলো লালার সাথে মিশে গলনালীতে প্রবেশ করে। সঊদী আরবের ফাতাওয়া বোর্ডের স্থায়ী কমিটি এই মতটিই গ্রহণ করেছেন (ফাতাওয়া ইসলামিয়্যাহ, ১/১৩০ পৃ.; মাজাল্লাহ, মাজমাঊল ফিক্বহিল ইসলামী, ১০/৬৫৫ পৃ.)।


প্রশ্নকারী : আব্দুল্লাহ আহমাদ, রংপুর।





প্রশ্ন (৩২) : ইহরাম অবস্থায় সুগন্ধিযুক্ত টিস্যু পেপার ব্যবহার করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১১) : যেকোন প্রয়োজনে যেকোন স্থানে দুই হাত তুলে দু‘আ করা যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২) : মসজিদে হারাম বা মসজিদে নববীর চত্বরে ছালাত আদায় করলে কি মূল মসজিদে ছালাত আদায় করার সমান ছাওয়াব পাওয়া যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৫) : সব ফিদইয়া একজন মিসকীনকে দেয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৮) : ছিয়াম পালনকারীর শ্বাসকষ্ট উপশমকারী স্প্রে (ইনহেইলার বা পাফার) ব্যবহারের বিধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : কুচা ও কাঁকড়া খাওয়ার বিধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১) : আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন, ‘যারা আল্লাহর আইন মেনে শাসনকার্য পরিচালনা করে না তারা কাফির, যালেম, ফাসেক। বর্তমানে যারা আল্লাহর আইন দ্বারা রাষ্ট্র পরিচালনা করছে না, তাদের বিরুদ্ধে জিহাদ করা কি আবশ্যক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১২) : মাফলার বা হুডি পরে ছালাত আদায় করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২০) : বালা-মুছীবত বা জিনের কবল থেকে বাঁচার জন্য তাবীয ব্যবহার করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২০) : গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসাবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে ক্লায়েন্টের জন্য অমুসলিমদের ধর্মীয় উৎসব বা যা ইসলামে হারাম করা হয়েছে সেসবের ডিজাইন করতে হয়। আবার কোন সময় গানের ওয়েবসাইট ডিজাইন করতে হয়। এক্ষেত্রে কেউ গান শুনলে ডিজাইনার কি গুনাহ পেতে থাকব? আবার বিদেশী নারী ক্লায়েন্টের জন্য বিদেশী নারীদের ছবি ডিজাইনের কাজ করতে হয়। প্রশ্ন হল- এরকম ডিজাইনের কাজ করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৪) : সিজদায় কুরআনে বর্ণিত কোন্ দু‘আ করা নিষেধ? কুরআনে বর্ণিত দু‘আ করার শুরুতে ‘আঊযুবিল্লাহি মিনাশ শায়তানির রাজীম’ পড়তে হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৭): আব্দুল্লাহ ইবনু উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে প্রশ্ন করা হয়, রাসূল (ﷺ)-এর ছাহাবীগণ কি হাসতেন? তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ। তবে তাঁদের অন্তরে ঈমান ছিল পাহাড়ের চেয়ে বড়’ (আল-মাউসূ‘আতুল কুবরা, ৩১/১৯৩)। বর্ণনাটি কী ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ