অমিয় বাণী
- হাফেয আবূ তাহের বিন মজিবুর রহমান
١ -عَنْ نَافِعٍ قَالَ: سَافَرْتُ مَعَ ابْنِ عُمَرَ بِضْعًا وَثَلَاثِيْنَ حَجَّةً وَعُمْرَةً
১. নাফি‘ (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, আমি ইবনু উমার (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর সাথে ত্রিশেরও অধিক হজ্জ ও ওমরার ভ্রমণ করেছি।[১]
----
٢- قَالَ عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ الْحَمِيْدِ أَبُو الْحَسَنِ الْفَضَائِرِيُّ: حَجَجْتُ عَلَى رِجْلَيَّ ذَاهِبًا مِنْ حَلَبَ وَرَاجِعًا أَرْبَعِيْنَ حَجَّةً
২. আলী ইবনু আব্দুল হামীদ আবুল হাসান আল-ফাযায়িরী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, আমি হালাব (আলেপ্পের একটি নগরী) থেকে পায়ে হেঁটে যাওয়া ও আসা করে চল্লিশবার হজ্জ পালন করেছি।[২]
----
٣- عَنْ أَبِيْ إِسْحَاقَ قَالَ: حَجَّ الأَسْوَدُ ثَمَانِيْنَ مِنْ بَيْنِ حَجَّةٍ وَعُمْرَةٍ
৩. আবূ ইসহাক (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, আসওয়াদ (রাহিমাহুল্লাহ) হজ্জ ও ওমরাহ মিলিয়ে আশিবার সম্পন্ন করেছিলেন।[৩]
----
٤- قَالَ أَحْمَدُ بنُ جَنَابٍ: غَزَا عِيْسَى بنُ يُوْنُسَ خَمْسًا وَأَرْبَعِيْنَ غَزْوَةً، وَحجَّ كَذَلِكَ
৪. আহমদ ইবনু জানাব (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ঈসা ইবনু ইউনুস পঁয়তাল্লিশটি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন এবং সমপরিমাণ হজ্জও করেছেন।[৪]
----
٥- قَالَ ابْنُ عَوْنٍ: سَأَلْتُ الشَّعْبِيَّ عَنْ عَلْقَمَةَ وَالأَسْوَدِ فَقَالَ: كَانَ الأَسْوَدُ صَوَّامًا قَوَّامًا كَثِيْرَ الحَجِّ وَكَانَ عَلْقَمَةُ مَعَ البَطِيْءِ وَيُدْرِكُ السَّرِيْعَ
৫. ইবনু ‘আউন (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, আমি শা’বী (রাহিমাহুল্লাহ)-কে আলক্বামা ও আসওয়াদ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম, তিনি বলেন, আসওয়াদ অধিক ছিয়াম পালন করতেন, বেশি বেশি রাতের ছালাত পড়তেন এবং অনেক হজ্জ পালন করতেন। আর আলক্বামা ধীরগতির লোকদের সঙ্গে থাকতেন, কিন্তু (আমলে) দ্রুতগতির লোকদেরও অতিক্রম করে ফেলতেন।[৫]
----
٦- عَنْ أَبِيْ إِسْحَاقَ: حَجَّ مَسْرُوْقٌ، فَلَمْ يَنَمْ إِلاَّ سَاجِدًا عَلَى وَجْهِهِ حَتَّى رَجَعَ
৬. আবূ ইসহাক (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, মাসরূক ইবনু আজদা’ হজ্জ পালন করতে গিয়ে ফিরে আসা পর্যন্ত সাজদারত অবস্থা ছাড়া আর কখনো ঘুমাননি।[৬]
----
٧- قَالَ شُجَاعُ بنُ الوَلِيْدِ: كُنْتُ أَحُجُّ مَعَ سُفْيَانَ فَمَا يَكَادُ لِسَانُهُ يَفتُرُ مِنَ الأَمْرِ بِالمَعْرُوْفِ وَالنَّهْيِ عَنِ المُنْكَرِ ذَاهِبًا وَرَاجِعًا
৭. শুজা‘ ইবনুল ওয়ালীদ (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, আমি সুফিয়ানের সাথে হজ্জ পালন করেছি। যাওয়া ও আসার পথে তাঁর জিহ্বা সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজের নিষেধ থেকে এক মুহূর্তের জন্যও বিরত থাকত না।[৭]
----
٨- عَنْ سُحْنُوْنَ الفَقِيْهِ قَالَ: كَانَ ابْنُ وَهْبٍ قَدْ قَسَمَ دَهْرَهُ أَثْلاَثًا ثُلُثًا فِي الرِّبَاطِ وَثُلُثًا يُعَلِّمُ النَّاسَ بِمِصْرَ وَثُلُثًا فِي الحَجِّ وَذُكِرَ أَنَّهُ حَجَّ سِتًّا وَثَلاَثِيْنَ حَجَّةً
৮. সুহনূন আল-ফাক্বীহ (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ইবনু ওয়াহব তাঁর জীবনকে তিন ভাগে ভাগ করেছিলেন, এক-তৃতীয়াংশ পাহারার জন্য, এক-তৃতীয়াংশ মিশরে মানুষকে শিক্ষা দানে জন্য এবং এক-তৃতীয়াংশ হজ্জ পালনের জন্য। অতঃপর উল্লেখ করা হয়েছে যে, তিনি ছত্রিশ বার হজ্জ পালন করেছেন।[৮]
----
٩- عَنِ ابْنِ شَوْذَبٍ قَالَ: شَهِدْتُ جَنَازَةَ طَاوُوْسٍ بِمَكَّةَ سَنَةَ خَمْسٍ وَمائَةٍ فَجَعَلُوا يَقُوْلُوْنَ رَحِمَ اللهُ أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ حَجَّ أَرْبَعِيْنَ حَجَّةً
৯. ইবনু শাওযাব (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, আমি হিজরী ১০৫ সনে মক্কায় তাঊসের জানাযায় উপস্থিত ছিলাম, লোকেরা বলছিল আল্লাহ আবূ আব্দুর রহমানের প্রতি রহম করুন, তিনি চল্লিশবার হজ্জ পালন করেছেন।[৯]
----
١٠- قَالَ عَبْدُ اللهِ بنُ أَحْمَدَ: خَرَجَ أَبِي إِلَى طَرَسُوْسَ مَاشِيًا وَحَجَّ حَجَّتَيْنِ أَوْ ثَلاَثًا مَاشِيًا وَكَانَ أَصْبَرَ النَّاسِ عَلَى الوَحْدَةِ
১০. ইমাম আহমাদ ইবনু হাম্বাল (রাহিমাহুল্লাহ)-এর পুত্র আব্দুল্লাহ (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, আমার পিতা পদব্রজে তারাসূসের দিকে বেরিয়েছিলেন এবং তিনি দুই অথবা তিনবার পায়ে হেঁটে হজ্জ পালন করেছিলেন। আর তিনি একাকীত্বে মানুষের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ধৈর্যশীল ছিলেন।[১০]
তথ্যসূত্র :
[১]. সিয়ারু আলামিন নুবালা, ৫ম খণ্ড, পৃ. ৯৭।
[২]. সিয়ারু আলামিন নুবালা, ১৪শ খণ্ড, পৃ. ৪৩৩।
[৩]. সিয়ারু আলামিন নুবালা, ৪র্থ খণ্ড, পৃ. ৫১।
[৪]. সিয়ারু আলামিন নুবালা, ৮ম খণ্ড, পৃ. ৪৯৩।
[৫]. সিয়ারু আলামিন নুবালা, ৪র্থ খণ্ড, পৃ. ৫৭।
[৬]. সিয়ারু আলামিন নুবালা, ৪র্থ খণ্ড, পৃ. ৬৫।
[৭]. সিয়ারু আলামিন নুবালা, ৭ম খণ্ড, পৃ. ২৫৮।
[৮]. সিয়ারু আলামিন নুবালা, ৯ম খণ্ড, পৃ. ২২৫।
[৯]. সিয়ারু আলামিন নুবালা, ৫ম খণ্ড, পৃ. ৪৫।
[১০]. সিয়ারু আলামিন নুবালা, ১১শ খণ্ড, পৃ. ২১০।
প্রসঙ্গসমূহ »:
অমিয় বাণী