উত্তর : সূর্য কিংবা চন্দ্রগ্রহণের সময় গর্ভবতী নারীদের বিশেষভাবে কিছু করতে বা না করতে বলা হয়- এগুলো মূলত বিধর্মীদের কুসংস্কার। এগুলো বিশ্বাস করা যাবে না। সূর্য বা চাঁদের গ্রহণ গর্ভবতী নারীদের বা তাদের ভ্রুণে কোন প্রভাব ফেলে না, কারণ এ বিষয়ে কুরআন বা সুন্নাহতে কোন প্রমাণ নেই। aboutIslam.net- এর ফাতাওয়ায় বলা হয়েছে, ‘চন্দ্র বা সূর্য গ্রহণ একটি স্বাভাবিক জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক ঘটনা, যা আল্লাহ সৃষ্টি করেছেন। এর মাধ্যমে কোন শারীরিক দুর্বলতা বা প্রতিবন্ধকতা ঘটার প্রমাণ নেই’। সঊদীশাস্ত্রীয় সংস্থাগুলোর মধ্যে যেমন Arab News-এ প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ‘এমন কোন ইসলামিক বিধান নেই যা গর্ভবতী নারীদের গ্রহণের সময় নির্দিষ্টভাবে কিছু করতে বা বিরত থাকার নির্দেশ দেয়; বরং প্রচলিত সাধারণ কুসংস্কারগুলোকে তিরস্কার করা হয়েছে।
সর্বোপরি বলা যায় যে, ইসলামে সূর্য বা চন্দ্রগ্রহণের সময় গর্ভবতী নারীদের জন্য কোন বিশেষ নিষেধ বা নিয়ম নেই। গর্ভবতী নারীরা চন্দ্র বা সূর্য গ্রহণকালীন সচরাচর কাজ করতে পারেন; কোনও সুন্নাহ বা বিধান নেই যা এই সময়ে বিশেষভাবে কিছু থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেয়। বরং ইসলামী দৃষ্টিতে এ ধরনের কুসংস্কার স্পষ্টভাবে অবাঞ্চিত। চন্দ্র বা সূর্য গ্রহণের বিষয়টি আল্লাহর নিদর্শন সমূহের অন্যতম (বুখারী হা/১০৪১)।
প্রশ্নকারী : আব্দুর রহমান, মাদারীপুর।