ঘুম ও রাত্রিকালীন দু‘আ ও যিকর
-আবূ মাহী*
দু‘আ-৩ : আয়াতুল কুরসী পাঠ করা।
اَللّٰہُ لَاۤ اِلٰہَ اِلَّا ہُوَ اَلۡحَیُّ الۡقَیُّوۡمُ لَا تَاۡخُذُہٗ سِنَۃٌ وَّ لَا نَوۡمٌ لَہٗ مَا فِی السَّمٰوٰتِ وَ مَا فِی الۡاَرۡضِ مَنۡ ذَا الَّذِیۡ یَشۡفَعُ عِنۡدَہٗۤ اِلَّا بِاِذۡنِہٖ یَعۡلَمُ مَا بَیۡنَ اَیۡدِیۡہِمۡ وَ مَا خَلۡفَہُمۡ وَ لَا یُحِیۡطُوۡنَ بِشَیۡءٍ مِّنۡ عِلۡمِہٖۤ اِلَّا بِمَا شَآءَ وَسِعَ کُرۡسِیُّہُ السَّمٰوٰتِ وَ الۡاَرۡضَ وَ لَا یَـُٔوۡدُہٗ حِفۡظُہُمَا وَ ہُوَ الۡعَلِیُّ الۡعَظِیۡمُ
অর্থ : আল্লাহ ব্যতীত সত্য কোন মা‘বূদ নেই, তিনি চিরজীবন্ত ও রক্ষণা-বেক্ষণাকারী, তন্দ্রা ও নিদ্্রা তাঁকে স্পর্শ করে না, নভোমণ্ডল ও ভূমণ্ডল যা কিছু রয়েছে সব তাঁরই; এমন কে আছে যে তাঁর অনুমতি ব্যতীত তাঁর নিকট সুপারিশ করতে পারে? তাদের সম্মুখের ও পশ্চাতের সবই তিনি অবগত আছেন; তিনি যা ইচ্ছে করেন তা ব্যতীত তাঁর অনন্ত জ্ঞানের কোন বিষয়ই কেউ আয়ত্ব করতে পারে না; তাঁর কুরসী নভোমণ্ডল ও ভূমণ্ডল পরিব্যপ্ত হয়ে আছে এবং এতদুভয়ের সংরক্ষণে তাঁকে পরিশ্রান্ত করে না এবং তিনি সমুন্নত, মহীয়ান (সূরা আল-বাক্বারাহ : ২৫৫)।
ফযীলত
১. যে ব্যক্তি শয্যা গ্রহণের সময় ‘আয়াতুল কুরসী’ পড়বে, তাহলে আল্লাহর পক্ষ হতে সর্বদা তার জন্য একজন পাহারাদার থাকবে এবং শয়তান তার নিকট আসতে পারবে না, যতক্ষণ না সে ভোরে উঠ।[১]
দু‘আ-৪ : সূরা আল-বাক্বারাহর শেষ দু’টি আয়াত পাঠ করা।
اٰمَنَ الرَّسُوۡلُ بِمَاۤ اُنۡزِلَ اِلَیۡہِ مِنۡ رَّبِّہٖ وَ الۡمُؤۡمِنُوۡنَ کُلٌّ اٰمَنَ بِاللّٰہِ وَ مَلٰٓئِکَتِہٖ وَ کُتُبِہٖ وَ رُسُلِہٖ لَا نُفَرِّقُ بَیۡنَ اَحَدٍ مِّنۡ رُّسُلِہٖ وَ قَالُوۡا سَمِعۡنَا وَ اَطَعۡنَا غُفۡرَانَکَ رَبَّنَا وَ اِلَیۡکَ الۡمَصِیۡرُ - لَا یُکَلِّفُ اللّٰہُ نَفۡسًا اِلَّا وُسۡعَہَا لَہَا مَا کَسَبَتۡ وَ عَلَیۡہَا مَا اکۡتَسَبَتۡ رَبَّنَا لَا تُؤَاخِذۡنَاۤ اِنۡ نَّسِیۡنَاۤ اَوۡ اَخۡطَاۡنَا رَبَّنَا وَ لَا تَحۡمِلۡ عَلَیۡنَاۤ اِصۡرًا کَمَا حَمَلۡتَہٗ عَلَی الَّذِیۡنَ مِنۡ قَبۡلِنَا رَبَّنَا وَ لَا تُحَمِّلۡنَا مَا لَا طَاقَۃَ لَنَا بِہٖ وَ اعۡفُ عَنَّا وَ اغۡفِرۡ لَنَا وَ ارۡحَمۡنَا اَنۡتَ مَوۡلٰىنَا فَانۡصُرۡنَا عَلَی الۡقَوۡمِ الۡکٰفِرِیۡنَ
অর্থ : ‘রাসূল তাঁর প্রভুর পক্ষ থেকে যা তার কাছে নাযিল করা হয়েছে তার উপর ঈমান এনেছেন এবং মুমিনগণও। প্রত্যেকেই ঈমান এনেছে আল্লাহর উপর, তাঁর ফেরেশতাগণ, তাঁর কিতাবসমূহ এবং তাঁর রাসূলগণের উপর। আমরা তাঁর রাসূলগণের কারও মধ্যে তারতম্য করি না। আর তারা বলে, আমরা শুনেছি ও মেনে নিয়েছি। হে আমাদের রব! আপনার ক্ষমা প্রার্থনা করি এবং আপনার দিকেই প্রত্যাবর্তনস্থল। আল্লাহ কারো উপর এমন কোন দায়িত্ব চাপিয়ে দেন না যা তার সাধ্যাতীত। সে ভাল যা উপার্জন করে তার প্রতিফল তারই, আর মন্দ যা কামাই করে তার প্রতিফল তার উপরই বর্তায়। হে আমাদের রব! যদি আমরা বিস্মৃত হই অথবা ভুল করি তবে আপনি আমাদেরকে পাকড়াও করবেন না। হে আমাদের রব! আমাদের পূর্ববর্তীগণের উপর যেমন বোঝা চাপিয়ে দিয়েছিলেন আমাদের উপর তেমন বোঝা চাপিয়ে দিবেন না। হে আমাদের রব! আপনি আমাদেরকে এমন কিছু বহন করাবেন না যার সামর্থ আমাদের নেই। আর আপনি আমাদের পাপ মোচন করুন, আমাদেরকে ক্ষমা করুন, আমাদের প্রতি দয়া করুন, আপনিই আমাদের অভিভাবক। অতএব কাফির সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে আমাদেরকে সাহায্য করুন’ (সূরা আল-বাক্বারাহ, আয়াত : ২৮৫-২৮৬)।
ফযীলত
১. রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি রাতে সূরা বাক্বারাহর শেষ দু’টি আয়াত পাঠ করে, সেটাই তার জন্য যথেষ্ট’।[২]
দু‘আ-৫ : সূরা আস-সাজদাহ এবং সূরা আল-মুলক পাঠ করা।
ফযীলত
১. রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এ দু’টি সূরা পাঠ না করা পর্যন্ত ঘুমাতেন না।[৩]
২. সূরা আল-মুলক তেলাওয়াতকারীকে ক্ষমা করা হবে।[৪]
৩. যারা নিয়মিত এ সূরা তেলাওয়াত করবে, এ সূরা তাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করার সুপারিশ করবে এবং তার সুপারিশ কবুল করা হবে।[৫] ৪. যে ব্যক্তি এ সূরা প্রত্যেক রাতে তেলাওয়াত করবে, তাকে কবরের শাস্তি থেকে রক্ষা করা হবে।[৬] ৫. যে ব্যক্তি রাত্রিতে সূরা আল-মূলক তেলাওয়াত করল, সে সমৃদ্ধি লাভ ও অধিক উত্তম কাজ করল। [৭] এবং ৬. এ সূরা তেলাওয়াতকারীকে জান্নাতে প্রবেশ করাবে।[৮]
দু‘আ-৬ : রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, যখন তোমাদের কেউ বিছানায় আশ্রয় নেয়, তখন যেন তার লুঙ্গির ভিতর দিক দ্বারা বিছানা ঝেড়ে নেয়। কেননা সে জানে না, তার পর বিছানার উপর কী এসেছে। অতঃপর যেন বলে,
بِاسْمِكَ رَبِّيْ وَضَعْتُ جَنْبِيْ وَبِكَ أَرْفَعُهُ إِنْ أَمْسَكْتَ نَفْسِيْ فَارْحَمْهُمَا وَإِنْ أَرْسَلْتَهَا فَاحْفَظْهَا بِمَا تَحْفَظُ بِهِ عِبَادَكَ الصَّالِحِيْنَ
উচ্চারণ : বিস্মিকা রব্বী ওযা‘তু জান্বী ওবিকা আরফা‘য়ুহু ইন্ আমসাক্তা নাফসী র্ফাহাম্হুমা ওয়া ইন্ র্আসাল্তাহা ফাহ্ফায্হা বিমা তাহ্ফাযু বিহি ‘ইবাদাকাছ ছ-লিহীন।
অর্থ : ‘হে প্রভু! আপনার নামেই আমার পার্শ্ব রাখলাম এবং আপনার নামেই তা উঠাব। যদি আপনি আমার আত্মাকে রেখে দেন, তবে তার প্রতি দয়া করুন, আর যদি তাকে ছেড়ে দেন, তাহলে তাকে রক্ষা করুন, যা দ্বারা রক্ষা করেন আপনি আপনার নেক বান্দাদের’।[৯]
দু‘আ-৭ : আব্দুল্লাহ ইবনু ওমর (রাযিয়াল্লাহু আনহু) হতে বর্ণিত। তিনি এক লোককে আদেশ করলেন, যখন শয্যাগ্রহণ করবে তখন বলবে,
اَللَّهُمَّ خَلَقْتَ نَفْسِىْ وَأَنْتَ تَوَفَّاهَا لَكَ مَمَاتُهَا وَمَحْيَاهَا إِنْ أَحْيَيْتَهَا فَاحْفَظْهَا وَإِنْ أَمَتَّهَا فَاغْفِرْ لَهَا اَللَّهُمَّ إِنِّىْ أَسْأَلُكَ الْعَافِيَةَ
উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা খলাক্বতা নাফসী ওয়া আন্তা তাওয়াফ্ফা-হা লাকা মামা-তুহা ওয়া মাহ্ইয়া-হা ইন্ আহ্ইয়াইতাহা ফাহ্ফায্হা ওয়া ইন্ আমত্তাহা ফাগফির লাহা- আল্লাহুম্মা ইন্নী আস্আলুকাল ‘আ-ফিয়াহ।
অর্থ : ‘হে আল্লাহ! আপনি আমার জীবন সৃষ্টি করেছেন এবং আপনিই তাকে মৃত্যুদান করবেন। আপনার নিকট (নফসের) জীবন ও মরণ। যদি আপনি একে জীবিত রাখেন তাহলে আপনি এর হেফাযত করুন। আর যদি আপনি এর মৃত্যু দান করেন তাহলে একে ক্ষমা করে দিন। হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে সুস্থতা প্রার্থনা করছি’।[১০]
দু‘আ-৮: নবী করীম (ﷺ) যখন ঘুমানোর ইচ্ছা করতেন, তখন (ডান) হাত মাথার নীচে রাখতেন, অতঃপর বলতেন,
اَللّٰهُمَّ قِنِيْ عَذَابَكَ يَوْمَ تَجْمَعُ عِبَادَكَ أَوْ تَبْعَثُ عِبَادَكَ
উচ্চারণ : ‘আল্ল-হুম্মা ক্বিনী ‘আযা-বাকা ইয়াওমা তাজমা‘ঊ ‘ইবা-দাকা আও তাব‘আছু ‘ইবাদাকা’।
অর্থ : ‘হে আল্লাহ! আপনি আমাকে আপনার আযাব হতে রক্ষা করুন, যেদিন আপনি আপনার বান্দাদেরকে একত্র করবেন অথবা কবর হতে উঠাবেন’।[১১]
* সহকারী সম্পাদক, মাসিক আল-ইখলাছ।
তথ্যসূত্র :
[১]. ছহীহ বুখারী, হা/২৩১১; ছহীহ ইবনু হিব্বান, হা/২৪২৪; মিশকাত, হা/২১২৩।
[২]. ছহীহ বুখারী, হা/৫০০৯; ছহীহ ইবনু হিব্বান, হা/১১৪১।
[৩]. মুসনাদে আহমাদ, হা/১৪৭০০; তিরমিযী, হা/২৮৯২; শারহুস সুন্নাহ, ১ম খণ্ড, পৃ. ২৯৬; সনদ ছহীহ, সিলসিলা ছহীহাহ, হা/৫৮৫।
[৪]. আবূ হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, ‘কুরআনে ত্রিশ আয়াতের একটি সূরা আছে, যা এক ব্যক্তির জন্য সুপারিশ করেছিল ফলে তাকে মাফ করা হয়েছে। সেটি সূরা আল-মূলক’। দ্র. মুসনাদে আহমাদ, হা/৭৯৬২; তিরমিযী, হা/২৮৯১; আবূ দাঊদ, হা/১৪০০; ইবনু মাজাহ, হা/৩৭৮৬; মিশকাত, হা/২১৫৩, সনদ হাসান।
[৫]. আবূ হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, ‘কুরআনে ত্রিশ আয়াতের একটি সূরা আছে, যা পাঠকারীর জন্য সুপারিশ করতে থাকবে। অবশেষে তাকে ক্ষমা করে দেয়া হবে। সেটি সূরা আল-মূলক’। দ্র. আবূ দাঊদ, হা/১৪০০, সনদ হাসান।
[৬]. আব্দুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, যে ব্যক্তি প্রত্যেক রাতে ‘তাবারাকাল্লাযী বিইয়াদিহিল মুলক’ পাঠ করবে আল্লাহ তা‘আলা তাকে এর দ্বারা কবরের আযাব থেকে রক্ষা করবেন। দ্র. নাসাঈ, সুনানুল কুবরা, হা/১০৫৪৭; সনদ হাসান, ছহীহ তারগীব, হা/১৪৭৫। আব্দুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একজন ব্যক্তিকে কবরে শায়িত করার পর, তার পায়ের নিকট দিয়ে শাস্তি প্রবেশ করতে চাইলে পা বলবে, আমার এখান দিয়ে প্রবেশের কোন সুযোগ নেই, কেননা সে আমার সাহায্যে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে সূরা আল-মূলক তেলাওয়াত করত। অতঃপর শাস্তি তার বক্ষদেশ কিংবা পেটের দিক দিয়ে প্রবেশ করতে চাইলে, বক্ষ বা পেট বলবে, আমার এদিক দিয়ে প্রবেশের কোন সুযোগ নেই, সে আমাকে সাথে নিয়ে সূরা আল-মূলক তেলাওয়াত করত। এরপর শাস্তি ঐ ব্যক্তির মাথার দিক দিয়ে প্রবেশ করতে চাইলে মাথা বলবে, আমার এদিক দিয়ে প্রবেশের কোন সুযোগ নেই, সে আমাকে সাথে নিয়ে সূরা আল-মূলক তেলাওয়াত করত। ইবনু মাসঊদ (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, এই সূরা আল-মূলক তেলাওয়াত করা ব্যক্তির জন্য কবরের আযাব থেকে অন্তরায় হবে। তাওরাতের মধ্যেও সূরা আল-মূলক বিদ্যমান ছিল। যে ব্যক্তি রাত্রিতে সূরা আল-মূলক তেলাওয়াত করল, সে সমৃদ্ধি লাভ ও অধিক উত্তম কাজ করল। দ্র. মুসতাদরাক হাকেম, হা/৩৮৩৯; নাসাঈ, সুনানে কুবরা, হা/১০৪৭৯; সনদ হাসান, ছহীহ আত-তারগীব ওয়াত তারহীব, হা/১৪৭৫।
[৭]. মুসতাদরাক হাকেম, হা/৩৮৩৯; নাসাঈ, সুনানে কুবরা, হা/১০৪৭৯; সনদ হাসান, ছহীহ আত-তারগীব ওয়াত তারহীব, হা/১৪৭৫।
[৮]. আনাস ইবনে মালিক (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, আল-কুরআনে ত্রিশ আয়াত বিশিষ্ট একটি সূরা আছে যা ক্বিয়ামতের দিনে তার পাঠকের জন্য আল্লাহর সাথে ঝগড়ায় লিপ্ত হবে, এমনকি তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবে। আর তা হল সূরা আল-মুলক। দ্র. আল-মু‘জামুল আওসাত্ব, হা/৩৬৫৪, আলবানী (রাহিমাহুল্লাহ) হাদীছটিকে হাসান বলেছেন, ছহীহুল জামি‘, হা/৩৬৪৪।
[৯]. ছহীহ বুখারী, হা/৬৩২০,৭৩৯৩; ছহীহ মুসলিম, হা/২৭১৪; মিশকাত, হা/২৩৮৪।
[১০]. আব্দুল্লাহ ইবনু ওমর (রাযিয়াল্লাহু আনহু) হতে বর্ণিত। তিনি এক লোককে আদেশ করলেন, যখন শয্যাগ্রহণ করবে তখন বলবে, ‘আল্লাহুম্মা খলাক্বতা ....‘আ-ফিয়াহ’। তখন সে লোকটি তাকে জিজ্ঞেস করলেন, আপনি তা ওমর ইনবুল খাত্তাব (রাযিয়াল্লাহু আনহু) হতে শুনেছেন? তিনি বললেন, ওমর (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর চেয়ে যিনি উত্তম অর্থাৎ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) হতে শুনেছি। দ্রষ্টব্য : ছহীহ মুসলিম, হা/২৭১২; মুসনাদে আহমাদ, হা/৪৭৮৫।
[১১]. আবূ দাঊদ, হা/৫০৪৫; তিরমিযী, হা/৩৩৯৮; মিশকাত, হা/২৪০২।
প্রসঙ্গসমূহ »:
দু‘আ