বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫, ০১:৩৬ অপরাহ্ন
উত্তর : যে সকল শস্য জমিতে উৎপন্ন হয় তা যদি মানুষের সাধারণ খাদ্য হিসাবে বিবেচিত হয় এবং তা ওযন ও গুদামজাত করা যায়, সে সকল শস্যেই কেবল যাকাত ফরয। ওমর ইবনুল খাত্ত্বাব (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, রাসূল (ﷺ) গম, যম, কিশমিশ এবং খেজুর এই চারটি শস্যের যাকাত প্রবর্তন করেছেন’ (দারাকুৎনী, হা/১৯৩৬; মুসনাদে আহমাদ, হা/২২০৪১; সিলসিলা ছহীহাহ, হা/৮৭৯)। উক্ত হাদীছে মাত্র চারটি শস্যের কথা উল্লেখ হলেও চারটির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বরং ওযন ও গুদামজাত সম্ভব সকল শস্যই এর অন্তর্ভুক্ত। অতএব গুদামজাত অসম্ভব এমন শস্যের যাকাত ফরয নয়। যেমন শাক-সবজি বা কাঁচা মালের কোন যাকাত নেই (তিরমিযী, হা/৬৩৮; দারাকুৎনী, হা/১৯৩০; মিশকাত, হা/১৮১৩)। তবে এ জাতীয় সম্পদের বিক্রয়লব্ধ অর্থ এক বছর অতিক্রম করলে এবং নিছাব পরিমাণ হলে শতকরা ২.৫০ টাকা হারে যাকাত দিতে হবে (তিরমিযী, হা/৬৩২; ইবনু মাজাহ, হা/১৭৯২, সনদ ছহীহ)।


প্রশ্নকারী : মামুনুর রশীদ, রাজশাহী।





প্রশ্ন (৪৩) : সমাজের অধিকাংশ মসজিদে দেখা যায় যে, ছালাতে তারা নাভীর নীচে হাত বেঁধে থাকে। প্রশ্ন হল- নাভীর নীচে হাত বাঁধার দলীল আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : ‘যে ব্যক্তি সকালে ও বিকালে সূর্যোদয়ের আগে ও সূর্যাস্তের আগে ১০০ বার ‘সুবহানাল্লাহ’ বলবে সে যেন একশ’টি হজ্জ আদায় করল বা একশ’টি উট আল্লাহর ওয়াস্তে দান করল। যে ব্যক্তি এই দুই সময়ে ১০০ বার ‘আল-হামদুলিল্লাহ’ বলল সে যেন আল্লাহর পথে জিহাদের জন্য ১০০টি ঘোড়ার পিঠে মুজাহিদ প্রেরণ করলো অথবা আল্লাহর রাস্তায় ১০০ টি গাযওয়া বা অভিযানে শরীক হলো। আর যে ব্যক্তি এই দুই সময়ে ১০০ বার করে ‘লা- ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ পাঠ করলো, সে যেন ইসমাঈল বংশের একশ’ ব্যক্তিকে দাসত্ব থেকে মুক্তি প্রদান করলো। আর যে ব্যক্তি এই দুই সময়ে ১০০ বার করে ‘আল্লাহু আকবার’ বলল, ঐ দিনে তার চেয়ে বেশি আমল আর কেউ করতে পারবে না। তবে যদি কেউ তার সমান এই যিকরগুলো পাঠ করে বা তার চেয়ে বেশি পাঠ করে তাহলে ভিন্ন কথা। (তাহলে সেই শুধু তার উপরে উঠতে পারবে।) ইমাম নাসাঈর বর্ণনায় ‘লা- ইলাহা ইল্লাল্লাহু’-র পরিবর্তে ‘লা- ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু, ওয়া হুআ আলা কুলিল শাইয়্যিন কাদীর’ ১০০ বার পাঠ করার কথা বলা হয়েছে (তিরমিযী, ৫/৫১৩, নং ৩৪৭১; নাসাঈ, আস-সুনানুল কুবরা, ৬/২০৫)। উক্ত মর্মে বর্ণিত হাদীছ কি আমলযোগ্য? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : ‘যে ব্যক্তি প্রত্যেক রাতে সূরা আল-ওয়াক্বি‘আহ পড়বে, সে কখনো অভাবের মধ্যে পড়বে না। ইবনু মাসঊদ (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) তার মেয়েদেরকে প্রত্যেক রাতে উক্ত সূরা পড়তে বলতেন (বায়হাক্বী, শু‘আবুল ঈমান, হা/২৪৯৮; মিশকাত, হা/২১৮১)। বর্ণনাটির তাহক্বীক্ব জানতে চাই। - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : কবর ও মসজিদের মাঝে বড় রাস্তা থাকলে সেই মসজিদে ছালাত বৈধ হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২১) : যাকাতের খাত কী কী? বিস্তারিত জানতে চাই। - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১) : ছাহাবায়ে কেরাম বলতেন, ‘আমার পিতা-মাতা আপনার জন্য কুরবান হোক’। এই কথার অর্থ কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১২) : বিকাশ-এর মত প্রতিষ্ঠানে চাকরি করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪৫) : জনৈক ব্যক্তি পীরের মুরীদ। তার বিশ্বাস হল- পীর সবকিছু করে দিবে। মুরীদ না হলে মৃত্যুর সময় শয়তান এসে ঈমান লুটে নিবে। উক্ত আক্বীদা কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৯) : মৃত ব্যক্তির নামে কুরবানী করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৬) : আশূরার দিনে সংঘটিত হওয়া কোন্ কোন্ ঘটনা ছহীহ ও প্রমাণিত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১২) : সূরা আল-বাক্বারার ২৫৬ নম্বর আয়াতে ত্বাগূত অস্বীকার করার কথা বলা হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে ত্বাগূত অর্থ কি? এবং ত্বাগূতের ফায়ছালা নেয়ার পরিণাম কী হতে পারে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৬) : কোন মুক্তাদি যদি মাগরিবের ছালাতে ইমামের সাথে এক রাক‘আত পান, তাহলে পরবর্তী দুই রাক‘আতেই তিনি কী সূরা ফাতিহার সাথে অন্য সূরা মিলাবেন, না-কি এক রাক‘আতে মিলাবেন? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ