বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৪৪ পূর্বাহ্ন
উত্তর : দু‘আকারীর জন্য মুস্তাহাব হল দু‘আর প্রারম্ভে আল্লাহ তা‘আলার হামদ ও রাসূল (ﷺ)-এর প্রতি দরুদ পাঠ করা, অতঃপর তার মনস্কামনা অনুযায়ী চাওয়া। পরিশেষে আবার আল্লাহ তা‘আলার হামদ ও রাসূল (ﷺ)-এর প্রতি দরুদ পাঠের মাধ্যমে সমাপ্ত করা। দু‘আতে এর প্রভাব খুবই বেশি এবং ক্ববুলের একটি বড় সহায়ক (আল-আযকার লিন নাবাবী, পৃ. ১৭৬; ইসলাম সাওয়াল ওয়া জাওয়াব, ফৎওয়া নং-২১৯২৮)। ছাহাবী ফাযালাহ ইবনে উবাইদ (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, একদা রাসূল (ﷺ) এক ব্যক্তিকে ছালাতের মধ্যে দু’আকালে আল্লাহর বড়ত্ব, গুণাবলী বর্ণনা এবং নবী (ﷺ)-এর প্রতি দরূদ পাঠ করতে শুনলেন না। রাসূল (ﷺ) বললেন, এ ব্যক্তি তাড়াহুড়া করেছে। অতঃপর তিনি ঐ ব্যক্তিকে অথবা অন্য কাউকে বললেন, তোমাদের কেউ ছালাত আদায়কালে যেন সর্বপ্রথম তার প্রভুর মহত্ব, প্রশংসা বর্ণনা করে এবং পরে নবী (ﷺ)-এর উপর দরূপ পাঠ করে, অতঃপর ইচ্ছানুযায়ী দু‘আ করে’ (আবূ দাঊদ, হা/১৪৮১; তিরমিযী, হা/৩৪৭৭)। আলী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, নবী (ﷺ)-এর প্রতি দরুদ পাঠ না করা পর্যন্ত দু‘আ আড়ালকৃত অবস্থায় থাকে (ছহীহুল জামি‘, হা/৪৫২৩)। উমার ইবনু খাত্তাব (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, নিশ্চয় দু‘আ নভোমণ্ডল ও ভূমণ্ডলের মাঝে ঝুলন্ত অবস্থায় থাকে, তোমার নবী (ﷺ)-এর উপর প্রতি যতক্ষণ তুমি দরূদ পাঠ না কর ততক্ষণ তার একবিন্দুও উপরে উঠতে পারে না’ (তিরমিযী, হা/৪৮৬; সিলসিলা ছহীহাহ, হা/২০৫৩)।

দ্বিতীয়তঃ হামদ ও দরূদ পাঠের মাধ্যম হিসাবে কুরআন ও ছহীহ হাদীছে অসংখ্য দুআ বা বাক্য বর্ণিত হয়েছে। হামদের জন্য দেখুন সূরা ফাতিহা, ছহীহ বুখারী, হা/৬৩১৭, ছহীহ মুসলিম, হা/৭৬৯, আবু দাঊদ, হা/৯৮৫, ১৪৯৫, নাসাঈ, হা/১২৯৯, ১৩০০ ইত্যাদি।


প্রশ্নকারী : মিনহাজ পারভেজ, রাজশাহী, হড়গ্রাম।





প্রশ্ন (৯) : দুনিয়াতে আপন ভাই-বোনের মাঝে সম্পর্কই নাকি শেষ। পরকালে পরস্পরের মাঝে আর নাকি কখনো দেখা হবে না। এটা কি সত্য? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৮) : মেয়ে শিশুর নাম ‘হাওয়া’ রাখা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৭) : জনৈক খত্বীব বলেছেন, যুবতী মেয়ে রেখে হজ্জে গেলে হজ্জ কবুল হবে না। এ কথা কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৮) : গরু বা উট ভাগে কুরবানী দেয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৪) : আমি নিয়মিত কবর খনন করি। আমি জানতে চাচ্ছি যে, কবর খনন করলে কী নেকী হয়? প্রচলিত আছে, যে ১০০টি কবর খনন করবে সে বিনা হিসাবে জান্নাতে যাবে। এর প্রমাণে কোন দলীল আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৪) : আমার ছেলে ঘরের ফ্লোরে বাথরুম করে কমোডে বসতে পারে না। তখন আমি বাচ্চাদের টিস্যু দিয়ে ফেলে দেই আর পরিষ্কার করে দেই। এখন সেই মেজেতে কি ছালাত পড়া যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : ধুমপান নিষিদ্ধ হওয়ার কারণ কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪) : ছালাতের ওয়াক্ত হওয়ার আগে আযান দেয়া যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৭) : তারাবীহর ছালাত নিয়মিত জামা‘আতের সাথে আদায় করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৮): ঈদের স্বালাতের পূর্বেই কি যাকাতুল ফিতরের সমস্ত খাদ্যদ্রব্য বন্টন করতে হবে না-কি ঈদের পরেও করা যায়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৬) : জামা‘আতে ছালাত ১/২ রাক‘আত ছুটে গেলে বৈঠকে শুধু তাশাহহুদ পড়বে, না-কি দুরূদ ও দু‘আ মা’ছুরাও পড়বে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৯) : জনৈক বক্তা বলেন, যে বান্দা রামাযানের ছিয়াম পালন করে তার সাথে প্রত্যেক দিন তাঁবুতে সুরক্ষিত হুরদের মধ্য হতে একজনকে বিবাহ দিয়ে দেন। প্রত্যেক স্ত্রীর সাথে ৭০টি দামী কাপড় থাকবে। প্রত্যেকটির রং হবে পৃথক পৃথক। তাকে ৭০ প্রকারের সুগন্ধিযুক্ত রং দেয়া হবে। এক রঙের সাথে অন্য রঙ মিলবে না। প্রত্যেকেই বসে থাকবে হীরার খাটে, যাতে মুক্তা দ্বারা বিন্যস্ত করা থাকবে ৭০টি বিছানা, যার আস্তর থাকবে রেশমের। ৭০টি বিছানার উপর থাকবে ৭০টি পালঙ্ক। প্রত্যের স্ত্রীর জন্য থাকবে ৭০ জন্য সেবিকা, যারা তার সেবা করবে। আর ৭০ জন সেবিকা থাকবে তার সাথে মুলাক্বাতের জন্য। আর প্রত্যেক সহচরের সাথে থাকবে অনেক সম্ভ্রান্ত সাথী। জান্নাতে স্বর্ণের পাত্র থাকবে তাতে বিভিন্ন রঙের খাবার থাকবে। প্রথম যে স্বাদ পাওয়া যাবে শেষেও সে স্বাদ পাওয়া যাবে। আর তার স্বামীকেও অনুরূপ লাল হীরার খাট দেয়া হবে, যার উপর দু’টি স্বর্ণের বালা থাকবে, যা বিন্যস্ত থাকবে লাল হীরা দ্বারা। এটা রামাযানের প্রত্যেক দিন ছিয়াম পালনকারীর জন্য, অন্য নেক আমলের জন্য নয় (ত্বাবারাণী, আল-মু‘জামুল কাবীর হা/৯৬৭)। উক্ত বর্ণনা কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ