উত্তর : হ্যাঁ, জান্নাতের পাথর। ইবনু আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, نَزَلَ الْحَجَرُ الْأَسْوَدُ مِنَ الْجَنَّةِ وَهُوَ أَشَدُّ بَيَاضًا مِنَ اللَّبَنِ فَسَوَّدَتْهُ خَطَايَا بَنِى آدَمَ ‘হাজারে আসওয়াদ বা কালো পাথরটি জান্নাত থেকে অবতীর্ণ হয়েছে। তখন এটি ছিল দুধের চেয়েও সাদা। কিন্তু মানুষের গুনাহ তাকে কালো করে দিয়েছে’ (তিরমিযী, হা/৮৭৭; মিশকাত, হা/২৫৭৭, সনদ ছহীহ)। অন্যত্র রাসূল (ﷺ) বলেছেন,
إِنَّ الرُّكْنَ وَالْمَقَامَ يَاقُوْتَتَانِ مِنْ يَاقُوْتِ الْجَنَّةِ طَمَسَ اللهُ نُوْرَهُمَا وَلَوْ لَمْ يَطْمِسْ نُوْرَهُمَا لأَضَاءَتَا مَا بَيْنَ الْمَشْرِقِ وَالْمَغْرِبِ
‘হাজারে আসওয়াদ ও মাক্বামে ইবরাহীম জান্নাতের দু’টি ইয়াকূত পাথর। আল্লাহ তা‘আলা এই দু’টির আলোক প্রভা নিষ্প্রভ করে দিয়েছেন। এ দু’টির প্রভা যদি তিনি নিষ্প্রভ না করতেন তাহলে তা পূর্ব-পশ্চিমের মধ্যে যা কিছু আছে সব আলোকিত করে দিত’ (তিরমিযী, হা/৮৭৮; সনদ ছহীহ)।
হাজারে আওয়াদে চুমু খাওয়া বা স্পর্শ করলে স্পর্শকারীর গুনাহ মোচন হয় এবং ক্বিয়ামতের দিন তার পক্ষে সাক্ষ্য প্রদান করবে। (ত্বাবারাণী, আল-মু‘জামুল কাবীর, হা/১৩৪৩৮; সনদ ছহীহ, ছহীহ আত-তারগীব ওয়াত তারহীব, হা/১১৩৯; তিরমিযী, হা/৯৬১; সনদ ছহীহ,)। উল্লেখ্য, ‘হাজারে আসওয়াদটি একটি ফেরেশতা ছিল। আল্লাহ তাকে পাথর বানিয়ে দুনিয়াতে পাঠিয়েছেন’ মর্মে প্রচলিত কথাটি ভিত্তিহীন ও বানোয়াট।
প্রশ্নকারী : আল-আমীন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।