রবিবার, ০৭ Jun ২০২৬, ০১:০১ অপরাহ্ন
উত্তর : ইমাম ইবনু সীরীন (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘যে ব্যক্তি স্বপ্নে কুরআন তিলাওয়াত করেন, তিনি যদি দ্বীনদার হয়ে থাকেন, তবে এটা তার মযবুত ঈমান ও তাক্বওয়ার নিদর্শন। সত্যিই যদি ঐ মহিলা আল্লাহর অনুগত বান্দী হয়, তবে তা তার মর্যাদা ও সম্মান বৃদ্ধির প্রতিও ঈঙ্গিত বহন করে। আর যদি ঐ মহিলা দ্বীনদার না হয়ে গুনাহগার হয়, তবে এর মাধ্যমে তাকে তওবাহ ও সৎকর্মের দিকে আহ্বান করা হচ্ছে। পাপ থেকে মুক্ত হয়ে স্বচ্ছ ও পবিত্র জীবনযাপন করার নির্দেশ দেয়া হচ্ছে। শরী‘আত ও সুন্নাতকে আঁকড়ে ধরতে বলা হচ্ছে। স্বপ্নে যে আয়াতগুলো তিলাওয়াত করা হয়েছে সেগুলো যদি কুরআনের সাথে মিলে যায়, তবে তার উপর আমাল করা উচিত। আর যদি ভুল হয় তবে তা বর্জনীয়। এর মাধ্যমে শয়তান তাকে ভ্রষ্টতার দিকে ধাবিত করতে চাইছে (https://www.coffeear.com/woman-reads-koran-dream.htm)।

উল্লেখ্য যে, স্বপ্নের ব্যাখ্যা করা শরী‘আত সম্মত। কিন্তুু সব ব্যাখ্যাকে শরী‘আত মনে করা উচিত নয়। কেননা ব্যাখ্যা ভুলও হতে পারে। যেমনটি আবূ বকর ছিদ্দীক (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর ক্ষেত্রে হয়েছিল। তিনি একটি স্বপ্নের ব্যাখ্যা করতে চাইলে, নবী করীম (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে বললেন, ‘ঠিক আছে তুমি এর ব্যাখ্যা দাও’। ব্যাখ্যা করার পর যখন তিনি নবী করীম (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে সম্বোধন করে বললেন, আচ্ছা আমাকে বলুন, আমি ঠিক ব্যাখ্যা করেছি, না ভুল? নবী করীম (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, কিছু ঠিক বলেছ। আর কিছু ভুল বলেছ। তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আল্লাহর কসম! আপনি অবশ্যই আমাকে বলে দিবেন যা আমি ভুল করেছি। নবী করীম (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, কসম কর না’ (ছহীহ বুখারী, হা/৭০৪৬; ছহীহ মুসলিম, হা/২২৬৯)। এ জন্যই ইমাম বুখারী (রাহিমাহুল্লাহ) ‘ভুল ব্যাখ্যাকারীর ব্যাখ্যাকে প্রথমেই চূড়ান্ত বলে মনে না করা’ মর্মে অনুচ্ছেদ রচনা করেছেন (অধ্যায় নং-৯১, অনুচ্ছেদ নং-৪৭)।

ইসলামী শরী‘আতে স্বপ্ন তিন প্রকার। যথা : মনের কল্পনা, শয়তানের তরফ থেকে ভয় দেখানো এবং আল্লাহর তরফ হতে সুসংবাদ। তাই কেউ যদি অপসন্দনীয় কিছু দেখে তবে সে যেন তা কারো কাছে বর্ণনা না করে। বরং উঠে যেন ছালাত আদায় করে নেয়’ (ছহীহ বুখারী, হা/৭০১৭)। অন্যত্র বর্ণিত হয়েছে, ভাল স্বপ্ন আল্লাহর পক্ষ থেকে হয়ে থাকে। তাই এ সময় আল্লাহর প্রশংসা করতে হয়। আর খারাপ স্বপ্ন শয়তানের পক্ষ থেকে আসে। তখন তা অন্যের কাছে প্রকাশ না করে শয়তানের অনিষ্ট থেকে আল্লাহর আশ্রয় চাইতে হয় (ছহীহ বুখারী, হা/৭০৪৫)।


প্রশ্নকারী : খাদীজা মীম, নারায়ণগঞ্জ।




প্রশ্ন (৫): দরিদ্র ও অস্বচ্ছল নিকটাত্মীয় যেমন ভাই, বোন, চাচা অথবা ফুফুকে যাকাতের অর্থ দেয়া জায়েয হবে কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : ‘মাযহাব’ শব্দটি কোন্ ভাষার, এর অর্থ কী? মাযহাব না মানলে কি কাফের হয়ে যাবে? মাযহাবের সংখ্যা কত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪৪) : আল্লাহ যা করেন মঙ্গলের জন্যই করেন। উক্ত দাবী কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩০) : মহিলারা কি কুরবানীর পশু যব্হ করতে পারে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩০): সাহু সিজদার সঠিক পদ্ধতি কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : চোখ বন্ধ করে ছালাত আদায় করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৬) : মসজিদের জমি ওয়াক্ফ হতে হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : বর্তমানে ফেসবুকে বিভিন্ন পণ্য বিক্রয়ের মধ্য দিয়ে কূপনের মাধ্যমে লটারী ড্র করে উমরাহ পালন, মোরটসাইকেল, এসি, ফ্রিজসহ আরো অনেক কিছু উপহার দেয়া হয়। এগুলোতে অংশগ্রহণ করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : মানুষের শরীরে পা লাগলে অথবা বই হাত থেকে পড়ে গেলে উঠিয়ে সালাম করতে হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১০) : রামাযান মাসে প্রতিদিন মসজিদে মুছল্লীদের জন্য ইফতারের ব্যবস্থা করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : আমাদের পূর্ব পুরুষ (তিন পুরুষ আগে) ৪ শতক জমি মসজিদের নামে দান করেছিলেন। আর এই ৪ শতক জমির ৩ শতকের উপর তারা মসজিদ নির্মাণ করেছিলেন। বাকি ১ শতক জমি ফাঁকা পড়েছিল। আমরা একপুরুষ ধরে এই ফাঁকা জায়গাটা (মসজিদের সামনে) পারিবারিক কবরস্থান হিসাবে ব্যবহার করছি। এখন আমরা এই জমির জন্য, আমাদের নিজের জমি থেকে মসজিদকে ১ শতক জমি দান করতে পারব কি? আর কবরস্থান কি এভাবেই চালু রাখব, না-কি তা বন্ধ করে দেবো? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৪) : ছালাতের মধ্যে শেষ বৈঠকে বাংলায় দু‘আ করা যাবে কি ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ