রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:০৬ পূর্বাহ্ন
উত্তর : ইমাম ইবনু সীরীন (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘যে ব্যক্তি স্বপ্নে কুরআন তিলাওয়াত করেন, তিনি যদি দ্বীনদার হয়ে থাকেন, তবে এটা তার মযবুত ঈমান ও তাক্বওয়ার নিদর্শন। সত্যিই যদি ঐ মহিলা আল্লাহর অনুগত বান্দী হয়, তবে তা তার মর্যাদা ও সম্মান বৃদ্ধির প্রতিও ঈঙ্গিত বহন করে। আর যদি ঐ মহিলা দ্বীনদার না হয়ে গুনাহগার হয়, তবে এর মাধ্যমে তাকে তওবাহ ও সৎকর্মের দিকে আহ্বান করা হচ্ছে। পাপ থেকে মুক্ত হয়ে স্বচ্ছ ও পবিত্র জীবনযাপন করার নির্দেশ দেয়া হচ্ছে। শরী‘আত ও সুন্নাতকে আঁকড়ে ধরতে বলা হচ্ছে। স্বপ্নে যে আয়াতগুলো তিলাওয়াত করা হয়েছে সেগুলো যদি কুরআনের সাথে মিলে যায়, তবে তার উপর আমাল করা উচিত। আর যদি ভুল হয় তবে তা বর্জনীয়। এর মাধ্যমে শয়তান তাকে ভ্রষ্টতার দিকে ধাবিত করতে চাইছে (https://www.coffeear.com/woman-reads-koran-dream.htm)।

উল্লেখ্য যে, স্বপ্নের ব্যাখ্যা করা শরী‘আত সম্মত। কিন্তুু সব ব্যাখ্যাকে শরী‘আত মনে করা উচিত নয়। কেননা ব্যাখ্যা ভুলও হতে পারে। যেমনটি আবূ বকর ছিদ্দীক (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর ক্ষেত্রে হয়েছিল। তিনি একটি স্বপ্নের ব্যাখ্যা করতে চাইলে, নবী করীম (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে বললেন, ‘ঠিক আছে তুমি এর ব্যাখ্যা দাও’। ব্যাখ্যা করার পর যখন তিনি নবী করীম (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে সম্বোধন করে বললেন, আচ্ছা আমাকে বলুন, আমি ঠিক ব্যাখ্যা করেছি, না ভুল? নবী করীম (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, কিছু ঠিক বলেছ। আর কিছু ভুল বলেছ। তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আল্লাহর কসম! আপনি অবশ্যই আমাকে বলে দিবেন যা আমি ভুল করেছি। নবী করীম (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, কসম কর না’ (ছহীহ বুখারী, হা/৭০৪৬; ছহীহ মুসলিম, হা/২২৬৯)। এ জন্যই ইমাম বুখারী (রাহিমাহুল্লাহ) ‘ভুল ব্যাখ্যাকারীর ব্যাখ্যাকে প্রথমেই চূড়ান্ত বলে মনে না করা’ মর্মে অনুচ্ছেদ রচনা করেছেন (অধ্যায় নং-৯১, অনুচ্ছেদ নং-৪৭)।

ইসলামী শরী‘আতে স্বপ্ন তিন প্রকার। যথা : মনের কল্পনা, শয়তানের তরফ থেকে ভয় দেখানো এবং আল্লাহর তরফ হতে সুসংবাদ। তাই কেউ যদি অপসন্দনীয় কিছু দেখে তবে সে যেন তা কারো কাছে বর্ণনা না করে। বরং উঠে যেন ছালাত আদায় করে নেয়’ (ছহীহ বুখারী, হা/৭০১৭)। অন্যত্র বর্ণিত হয়েছে, ভাল স্বপ্ন আল্লাহর পক্ষ থেকে হয়ে থাকে। তাই এ সময় আল্লাহর প্রশংসা করতে হয়। আর খারাপ স্বপ্ন শয়তানের পক্ষ থেকে আসে। তখন তা অন্যের কাছে প্রকাশ না করে শয়তানের অনিষ্ট থেকে আল্লাহর আশ্রয় চাইতে হয় (ছহীহ বুখারী, হা/৭০৪৫)।


প্রশ্নকারী : খাদীজা মীম, নারায়ণগঞ্জ।




প্রশ্ন (১৮) : জুমু‘আর দিন কোন্ সময় সূরা কাহ্ফ পড়তে হয়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৬) : বাড়ীর মধ্যে কুকুর বাচ্চা জন্ম দিয়েছে। বাচ্চা সহ কুকুরকে বের করে দিতে হবে, না-কি বাড়ীতে থাকলে কোন সমস্যা হবে। এ ব্যাপারে শরী‘আতের বিধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৪) : প্রচলিত আছে যে, সমাজের কেউ ই‘তিকাফ না করলে সবাই পাপী হবে। উক্ত কথা কোন ভিত্তি আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৪) : জান্নাতের হূরগণ বলবে, نَحْنُ الْخَالِدَاتُ فَلَا نَبِيْدُ وَنَحْنُ النَّاعِمَاتُ فَلَا نَبْأَسُ وَنَحْنُ الرَّاضِيَاتُ فَلَا نَسْخَطُ طُوْبَى لِمَنْ كَانَ لَنَا وَكُنَّا لَهُ ‘আমরা চিরদিন থাকব, কখনও ধ্বংস হব না। আমরা হামেশা সুখে-সানন্দে থাকব, কখনও দুঃখ-দুশ্চিন্তায় পতিত হবে না। আমরা সর্বদা সন্তুষ্ট থাকব, কখনও নাখোশ হব না। সুতরাং তাকে ধন্যবাদ, যার জন্য আমরা এবং আমাদের জন্য যিনি’ (তিরমিযী, হা/২৫৬৪; মিশকাত, হা/৫৬৪৯; বঙ্গানুবাদ মিশকাত, হা/৫৪০৭, ১০/১৫০ পৃ.) মর্মে বর্ণনাটি কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১১) : সন্তানের নাম রাফি, রাব্বি, আবুল কাশেম, মীম, নুন, আলিফ, বাদশা রাখা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৯) : দুধ বোনের ভাই-বোন মাহরাম হবে কি? তাদের সাথে দেখা করার শারঈ পদ্ধতি কি হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৮) : বাসায় গিয়ে ছাত্রীকে প্রাইভেট পড়ানো যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৯) : বড় ভাই আমাদের পারিবারিক খরচের জন্য আমাকে এক লক্ষ টাকা দিয়েছে। এই টাকার কি যাকাত দিতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৫) : কিভাবে নফসের প্রবৃত্তিকে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি আমার উপর দরূদ পাঠ করতে ভুলে যাবে, সে জান্নাতের পথ ভুলে যাবে’ মর্মে বর্ণনাটি কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৩) স্বামী যদি স্ত্রীকে পীরের মুরীদ হতে বলে এবং পীরকে সিজদা করতে বাধ্য করে, সেক্ষেত্রে স্ত্রীর করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১০) : আমি যদি আওয়াল ওয়াক্তে একাকী ছালাত আদায় করি, অতঃপর জামা‘আতের সাথে আবার ছালাত আদায় করতে মসজিদে যাই, তাহলে মসজিদে গিয়ে আমি ছালাতে দাঁড়ানোর সময় কোন্ নিয়তে দাঁড়াব, ফরয না-কি নফল? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ