রবিবার, ০৭ Jun ২০২৬, ০৩:২৪ অপরাহ্ন
উত্তর : কোন জীবের বিনা প্রয়োজনে ছবি তোলা, সংরক্ষণ করা নিষিদ্ধ। তবে দেখার বিষয় হল- ছবি তোলার উদ্দেশ্য কী? উদ্দেশ্য যদি হয় ছবিকে সম্মান করা, তাহলে হারাম হবে। কারণ নিষিদ্ধ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য মাধ্যম ও উপকরণ ব্যবহার করাও হারাম (উছায়মীন, ফাতাওয়া রাসাইল ও মাসাইল, ২য় খণ্ড, পৃ. ২৮৫)। তাই স্মৃতি সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে ছবি সংগ্রহ করা নিষেধ (ছহীহ বুখারী, হা/৩২২৪; ছহীহ মুসলিম, হা/২১০৬)।

কোন মহিলার ছবি এমনকি পর্দাওয়ালা ছবিও ফেইসবুকে আপলোড করা হারাম। এটা একটি নব্য জাহিলিয়াত। অন্যদিকে হিজাব পরিহিতা নারীরা চোখের ছবি ফেসবুকে আপলোড করা হয়ে থাকে। যা আরও ভয়ংকর। এটা মানুষকে ফেতনার দিকে আহ্বান করে থাকে। অথচ শরী‘আতে দৃষ্টি অবনত করার ব্যাপারে স্পষ্ট বক্তব্য এসেছে। কেননা সমস্ত যিনা শুরু হয় দৃষ্টি থেকে। সুতরাং যে নিজের চোখের হেফাযত করতে পারে, তার জন্য অশ্লীলতা, যিনার মত ব্যাপারগুলো থেকে হেফাযত থাকার কাজটা সহজ হয়ে যায়। আর মেয়েরা যদি সেই চোখকেই পুরুষের লোলুপ দৃষ্টির জন্য উন্মুক্ত করে দেয়, তাহলে ফেতনার চূড়ান্ত ভয়াবহতার দিকেই তা রূপ নিবে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘মুমিনদের বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টি অবনত রাখে (সূরা আন-নূর : ৩০)।

তিনি আরও বলেন, ‘ঈমানদার নারীদের বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে অবনত রাখে ও তাদের লজ্জাস্থানের হেফাযত করে; তারা যেন তার মধ্যে যা সাধারণত প্রকাশ থাকে তা ব্যতীত তাদের অলংকার বা সৌন্দর্য প্রদর্শন না করে’ (সূরা আন-নূর : ৩১)। প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রিক মিডিয়ার যত মাধ্যম রয়েছে সেখানে অপ্রয়োজনীয় ছবি আপলোড দেয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।


প্রশ্নকারী : শহীদুল্লাহ, সিরাজগঞ্জ।




প্রশ্ন (১৬) : হাদীছে এসেছে, রাসূল (ﷺ) সূরা ফালাক্ব ও সূরা নাস পড়ে দুই হাতের তালুতে ফুঁ দিয়ে সারা শরীর মাসাহ করতেন। কিন্তু অনেকে বুকে ফুঁ দেয়। প্রশ্ন হল- সূরা ফালাক্ব ও সূরা নাস পড়ে বুকে ফুঁ দেয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৮) : ‘মায়ের পায়ের নিচে সন্তানের বেহেশত’-এটি কি ছহীহ হাদীছ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৪) : প্রচলিত আছে যে, সমাজের কেউ ই‘তিকাফ না করলে সবাই পাপী হবে। উক্ত কথা কোন ভিত্তি আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২১) : সঠিক সময় না জানার কারণে কেউ যদি সাহরির সময় শেষ হওয়ার পর পানাহার করে, তাহলে তার ছিয়াম সঠিক হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : ওযূ অবস্থায় নেশাদার দ্রব্য পানকারীর সাথে মুছাফাহা করলে ওযূ নষ্ট হবে কি কিংবা ঐ ওযূ দিয়ে ছালাত আদায় করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৮) : জনৈক ব্যক্তি বলেন, বড় বড় আলেমকে মাওলানা, হযরত না বলে শায়খ বলতে হবে। তার দাবী কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (০৮) : পুরুষের জন্য পরচুলার বিধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩) : অত্যাচারী মুসলিম শাসকের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধরা কি জায়েয? এ ব্যাপারে আহলে সুন্নত ওয়াল জামাআতের আক্বীদা কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪) : বর্তমান চলমান সংকটের (করোনা ভাইরাসের) কারণে অনেকেই ‘সময় বা যুগকে’ গালি দিচ্ছে, এভাবে সময় বা যুগকে গালি দেয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : আমার ছেলের প্রতিষ্ঠানে প্রতি বছরের শুরুতে খেলার জন্য প্রতিষ্ঠান একটা ফী নেয়। অতঃপর, সেই টাকা দিয়ে বার্ষিক ক্রিয়া প্রতিযোগিতায় পুরস্কার প্রদান করা হয়, কিন্তু সকল শিক্ষার্থী পুরস্কার পায় না? প্রশ্ন হল- বিষয়টা কি গ্রাম-গঞ্জের জুয়া খেলার মত হয়ে যাচ্ছে না? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : ছালাতের শেষে সালাম ফিরানোর সময় কাকে সালাম দেয়া হয়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১১) : ‘ইয়া রাসূলাল্লাহ’, ‘ইয়া হাবীবাল্লাহ’ বলা যাবে কি? যেমন- আমার আব্বু, দাদী এবং আত্মীয়-স্বজন অনেকের মুখে শুনি, তারা ভাত খাওয়ার পর বলেন ‘ইয়া রাসূলুল্লাহ’, ‘ইয়া হাবীবাল্লাহ’। এমনকি তারা প্রায় সময় আল্লাহর যিকির না করে এইগুলো বলে থাকেন। এভাবে বললে কি শিরক হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ