রবিবার, ০৭ Jun ২০২৬, ০২:৫৪ অপরাহ্ন
উত্তর : এটা ভ্রান্ত আক্বীদা। এ সমস্ত বক্তব্য মিথ্যা ও ভিত্তিহীন, বরং ঈমান ধ্বংসের অন্যতম কারণ। ইসলামের স্বর্ণযুগে পীর-মুরীদী কোন প্রথার অস্তিত্ব ছিল না। বর্তমানে কিছু স্বার্থপর লোক পীর সেজে ধর্মের নাম ভাঙ্গিয়ে পেটপূজায় ব্যস্ত রয়েছে। ঐসব লোকের শিখিয়ে দেয়া এসব ভ্রান্ত আক্বীদা পরিত্যাগ করে আল্লাহ এবং তাঁর রাসূল (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর অনুসরণ করতে হবে। মহান আল্লাহ বলেন,

قُلْ أَطِيْعُوا اللَّهَ وَالرَّسُوْلَ فَإِنْ تَوَلَّوْا فَإِنَّ اللَّهَ لَا يُحِبُّ الْكَافِرِيْنَ

‘(হে নবী!) আপনি বলুন, তোমরা আল্লাহ ও রাসূলের আনুগত্য কর। যদি তোমরা পৃষ্ঠ প্রদর্শন কর, তাহলে নিশ্চয় আল্লাহ কাফের সম্প্রদায়কে ভালবাসেন না’ (সূরা আলে ইমরান : ৩২)।

উল্লেখ্য যে, এ ধরনের আক্বীদা পোষণকারী ভাইকে বিদ‘আতী ও ভ্রান্ত পথ থেকে সঠিক পথে ফিরিয়ে আনার সর্বাত্মক চেষ্টা করতে হবে। এরপরও যদি সে ঐ কাজে লিপ্ত থাকে, তাহলে তার সাথে চলাফেরা বন্ধ করতে হবে। রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, مَنْ أَحْدَثَ فِيْهَا حَدَثًا أَوْ آوَى مُحْدِثًا فَعَلَيْهِ لَعْنَةُ اللهِ وَالْمَلائَِكَةِ وَالنَّاسِ أَجْمَعِيْنَ ‘যদি কেউ এখানে বিদ‘আত করে অথবা বিদ‘আতীকে আশ্রয় দেয়, তাহলে তার উপর আল্লাহ, ফেরেশতা ও সমগ্র মানুষের অভিশাপ বর্ষিত হবে’ (ছহীহ বুখারী, হা/১৮৭০ ‘মদীনার ফযীলত’ অধ্যায়-২৯, ‘মদীনা পবিত্র হওয়া’ অনুচ্ছেদ-১; ছহীহ মুসলিম, হা/১৩৬৬)।


প্রশ্নকারী : সাদ্দাম হোসেন, দিনাজপুর।





প্রশ্ন (২৫): রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, যখন আল্লাহ তা‘আলা যমীন সৃষ্টি করলেন তখন তা দুলতে লাগল। অতঃপর পাহাড়গুলো সৃষ্টি করে সেগুলো পৃথিবীর উপর স্থীর করেন। অতঃপর পৃথিবী স্থীর হয়ে গেল। ফেরেশতাগণ পাহাড়ের এ শক্তি দেখে আশ্চর্যান্বিত হলেন এবং বললেন, হে আল্লাহ! আপনার সৃষ্টির মধ্যে পাহাড় অপেক্ষা অধিক শক্তিশালী আর কোন সৃষ্টি আছে কি? আল্লাহ বললেন, হ্যাঁ; আর সেটা লোহা। অতঃপর তারা জিজ্ঞেস করল, হে প্রভু! আপনার সৃষ্টির মধ্যে লোহা অপেক্ষা অধিক শক্তিশালী আর কোন সৃষ্টি আছে কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ, আগুন। অতঃপর তারা জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহ! আপনার সৃষ্টির মধ্যে আগুন অপেক্ষা অধিক শক্তিশালী আর কোন সৃষ্টি আছে কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ; পানি। অতঃপর তারা জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহ! আপনার সৃষ্টির মধ্যে পানি অপেক্ষা অধিক শক্তিশালী আর কোন সৃষ্টি আছে কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ; বাতাস। অতঃপর তারা জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহ! আপনার সৃষ্টির মধ্যে বাতাস অপেক্ষা অধিক শক্তিশালী আর কোন সৃষ্টি আছে কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ; আদম সন্তান। যে তার ডান হাতে দান করে আর দানকে বাম হাত হতে গোপন রাখে। এ ঘটনাটি কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১১) : যে ঘরে কুরআন আছে, সে ঘরে সম্পূর্ণ নগ্ন হয়ে কাপড় পরিবর্তন করা যাবে কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪০) : রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কবর ত্বাওয়াফ করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২১) : বর্তমানে অধিকাংশ মুদির দোকানে বিড়ি, সিগারেট, গুল, জর্দা ইত্যাদি বিক্রয় করা হয়। প্রশ্ন হল- এ সকল হারাম জিনিস বিক্রয়ের কারণে কি দোকানের অন্য জিনিসগুলো বিক্রয় হারাম হয়ে যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৮) : অনেকে রামাযান মাস আসলে তওবা করে, ছালাত আদায় করে এবং ছিয়াম পালন করে। কিন্তু রামাযানের পর সব ছেড়ে দেয়। এদের বিধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৫) : বন্ধক রাখার ছহীহ পদ্ধতি কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১) : যে ব্যক্তি চারের অধিক বিয়ে করেছে, ইসলামে তার বিধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২) : আমার মা রক্তের সম্পর্কের বহির্ভূত এক জনের সাথে কথা বলেন। মাকে তিনি ‘ভাবী’ বলেন এবং আমার মা তাকে ‘ভাই’ বলেন। আমাদের বাড়িতে আসেন এবং ঘণ্টার পর ঘণ্টা সামনাসামনি হয়ে কথা বলেন। এখন সন্তান হিসাবে আমার করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩০) : মহিলারা কি কুরবানীর পশু যব্হ করতে পারে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩২) : প্রতিমাসে প্রাপ্য বেতনের যাকাত কীভাবে প্রদান করতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৪) : বাম হাতে খাওয়া বা পান করতে হাদীছে নিষেধ করা হয়েছে। কিন্তু দুই হাতে খাওয়া বা পান করার কোন নজীর রাসূল (ﷺ), ছাহাবায়ে কেরাম বা পরবর্তী কোন সালাফ থেকে পাওয়া যায় কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : ইফতারের শুরুতে ও শেষে কোন্ দু‘আ পাঠ করতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ