বুধবার, ২২ Jul ২০২৬, ১১:৩৪ অপরাহ্ন
উত্তর : কুরআন ভুলে যাওয়ার আশঙ্কায় রাসূল (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বারবার পাঠ করতে উৎসাহিত করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি অন্তরে কুরআন গেঁথে (মুখস্থ) রাখে তার দৃষ্টান্ত হচ্ছে ঐ মালিকের ন্যায়, যে উট বেঁধে রাখে। যদি সে উট বেঁধে রাখে, তবেই উট তার নিয়ন্ত্রণে থাকে, কিন্তু যদি সে বাঁধন খুলে দেয়, তবে তা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়’ (ছহীহ বুখারী, হা/ ৫০৩১; ছহীহ মুসলিম, হা/৭৮৯)। অন্যত্র তিনি বলেছেন, ‘যদি কেউ এভাবে বলে যে, আমি অমুক অমুক আয়াত ভুলে গিয়েছি, তাহলে তা তার জন্য খুবই খারাপ। বরং তাকে তো ভুলিয়ে দেয়া হয়েছে। তোমরা কুরআনকে স্মরণ রাখ। কারণ কুরআন মানুষের হৃদয় থেকে পা বাঁধা পলায়নপর চতুষ্পদ জন্তুর চেয়েও অধিক পলায়নপর। ছাড়া পেলেই পালিয়ে যায়ে অর্থাৎ স্মরণ রাখার চেষ্টা না করলেই ভুলে যায়’ (ছহীহ বুখারী, হা/৫০৩২; ছহীহ মুসলিম, হা/৭৯০; মিশকাত, হা/২১৮৮)।

এ জন্য কুরআন হিফয করার পর সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে হবে ধরে রাখার। এ ব্যাপারে সঊদী স্থায়ী ফাতাওয়া বোর্ডের বক্তব্য হল, ‘কেউ যদি কুরআন মুখস্থ করার পর ব্যস্ততা ও উদাসীনতার কারণে ভুলে যায়, তাহলে সে গুনাহগার হবে না। কেননা কুরআন ভুলে যাওয়ার শাস্তি সম্পর্কে যে দলীল পেশ করা হয়, তা নবী করীম (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে ছহীহসূত্রে প্রমাণিত নয়’ (ফাতাওয়া আল-লাজনা আদ-দায়িমাহ, ৪র্থ খণ্ড, পৃ. ৯৯)।

শায়খ উছায়মীন (রাহিমাহুল্লাহ) কুরআন ভুলে যাওয়াকে দুইভাগে ভাগ করেছেন। যথা : ১. স্বভাবগত ভুলে যাওয়া। এটাতে কোন গুনাহ হবে না এবং তার জন্য কোন শাস্তিও দেয়া হবে না। মিসওয়ার ইবনু ইয়াযীদ আল-মালিকী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, ‘একদা আমি রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে ছালাত আদায় করি। ছালাতে তাঁর পঠিত আয়াতের অংশ বিশেষ ভুলবশত ছুটে গেলে ছালাত শেষে এক ব্যক্তি তাঁকে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আপনি অমুক অমুক আয়াত ছেড়ে দিয়েছেন। রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেন, তুমি আমাকে তা স্মরণ করিয়ে দাওনি কেন?’ (আবূ দাঊদ, হা/৯০৭, সনদ হাসান)। ২. আর যদি কেউ কুরআন থেকে বিমুখতা ও অনুশীলন না করার কারণে ভুলে যায়, তাহলে সে গুনাহগার হবে (কিতাবুল ইলম, পৃ. ৯৬-৯৭)।


প্রশ্নকারী : আহসান হাবীব, রংপুর।




প্রশ্ন (৫) : বন্ধক রাখার ছহীহ পদ্ধতি কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩) : মেয়েদের ক্ষেত্রে আপন দাদার আপন ভাই ও ছেলেদেরে ক্ষেত্রে আপন দাদার আপন বোন কি মাহরাম? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : ‘একবার আলী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) ইটের তৈরি একটি মিম্বারে উঠে আমাদের উদ্দেশ্যে খুত্ববাহ প্রদান করলেন। তাঁর সাথে একটা তলোয়ার ছিল, যার মাঝে একটি ছহীফা ঝুলছিল’ (ছহীহ বুখারী, হা/৭৩০০)। উক্ত হাদীছে পাকা ইটের তৈরি মিম্বার বলতে আসলে কী বুঝানো হয়েছে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৮) : যার চরিত্র যেমন, তার জীবনসঙ্গী বা স্ত্রী তেমন হবে। এটা কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৭) : বাচ্চাদের বদনযর থেকে রক্ষা পাওয়ার দু’আ এবং উপায়সমূহ কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৮) : স্টুডিও-এর ব্যবসা যেমন ছবি তোলা, ছবি প্রিন্ট করা প্রভৃতির ব্যবসা করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৭) : শুক্রবারে ‘আরাফার দিন হলে সেই হজ্জ ৭ হজ্জের সমান- এ কথা কি ঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৬) : পোশাকে রংধনুর ছাপ থাকলে তা পরিধান করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৭) : যাদের ঈমান নেই তারাতো চিরকাল জাহান্নামে থাকবে আবার যারা জান্নাতে থাকবে তারাও চিরকাল থাকবে। জাহান্নামের শাস্তিতো অসহনীয় তাহলে জাহান্নামিরা এই শাস্তি অনন্তকাল কীভাবে ভোগ করবে? আল্লাহতো চিরস্থায়ী সত্তা তাহলে জান্নাত-জাহান্নামও চিরস্থায়ী হলে আল্লাহর বিশেষত্ব কোথায়? না-কি এমন হতে পারে অনেক দীর্ঘকাল পরে জান্নাত-জাহান্নামও ধ্বংস হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৭) : মাহরাম ছাড়া কোন মহিলা হজ্জ করতে যেতে পারবে কি? বুদ্ধিমান বালক কি মাহরাম হতে পারে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৪) : কোন অসুস্থ ব্যক্তি দু‘আ চাইলে শুক্রবারে জুমু‘আর ছালাতের পর সম্মিলিতভাবে মুনাজাত করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৩) : কোন শী‘আ মেয়েকে কি বিয়ে করা যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ