রবিবার, ০৭ Jun ২০২৬, ১০:৫৭ পূর্বাহ্ন
উত্তর : বিভিন্ন আয়াত ও হাদীছের বক্তব্য দ্বারা বুঝা যায় যে, মানুষ শ্রেষ্ঠ জাতি। যেমন আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘আমি আদম সন্তানকে সম্মানিত করেছি, তাদের জন্য পানি ও স্থলে যানবাহনের ব্যবস্থা করেছি, তাদেরকে পবিত্র রিযক দিয়েছি আর আমি তাদেরকে আমার অধিকাংশ সৃষ্টির উপর মর্যাদায় শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছি’ (সূরা বানী ইসরাঈল : ৭০)। উক্ত আয়াত দ্বারা বুঝা যায় যে, আল্লাহ তা‘আলা আদম-সন্তানকে বিভিন্ন দিক দিয়ে এমন সব বৈশিষ্ট্য দান করেছেন, যেগুলো অন্যান্য সৃষ্টজীবের মধ্যে নেই। উদাহরণত সুশ্রী চেহারা, সুষম দেহ, সুষম প্রকৃতি এবং অঙ্গসৌষ্ঠব। তাকে দু’পায়ে সম্পূর্ণ সোজা হয়ে দাঁড়াবার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে। তাকে হাতে খাওয়ার শক্তি দেয়া হয়েছে। অন্যান্য প্রাণী চারপায়ে এবং মুখ দিয়ে খায়। মানুষের মধ্যে যে চোখ, কান ও অন্তর দেয়া হয়েছে সে এসবগুলোকে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারে। দ্বীনী ও দুনিয়াবী বিষয়ে সে এগুলো দ্বারা ভাল-মন্দ বিচার করতে পারে (ইবনু কাছীর)।

বস্তুত এ বুদ্ধি ও চেতনায় মানুষকে বিশেষ স্বাতন্ত্র দান করা হয়েছে। এর সাহায্যে সে সমগ্র ঊর্ধ্ব-জগৎ ও অধঃজগতকে নিজের কাজে নিয়োজিত করতে পারে। আল্লাহ তা‘আলা তাকে বিভিন্ন সৃষ্টবস্তুর সংমিশ্রণে বিভিন্ন শিল্পদ্রব্য প্রস্তুত করার শক্তি দিয়েছেন, সেগুলো তার বসবাস, চলাফেরা, আহার্য ও পোশাক-পরিচ্ছদে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বাকশক্তি ও পারস্পরিক বোঝাপড়ার যে নৈপুণ্য মানুষ লাভ করেছে, তা অন্য কোন প্রাণীর মধ্যে নেই। বিবেক-বুদ্ধি ও চেতনা মানুষের সর্বপ্রধান শ্রেষ্ঠত্ব। এর মাধ্যমে সে স্বীয় সৃষ্টিকর্তা ও প্রভুর পরিচয় এবং তার পসন্দ ও অপসন্দ জেনে পসন্দের অনুগমন করে এবং অপসন্দ থেকে বিরত থাকে (ফাৎহুল কাদীর)। ইমাম দারেমী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘আল্লাহ‌ নিজ হাত দিয়ে স্পর্শ করে আদমকে সৃষ্টি করেছেন। তিনি ছাড়া অন্য কোন জীবকে তাঁর হস্তদ্বয় দিয়ে সৃষ্টি করেননি। এ কারণে আদম (আলাইহিস সালাম)-কে বিশেষিত করেছেন, মর্যাদা দিয়েছেন এবং এটাকে উল্লেখ করে আদমকে সম্মানিত করেছেন (নাকযুদ দারিম আলাল মি‌র্রিসি, পৃ. ৬৪)।


প্রশ্নকারী : রাশেদ, ঢাকা।





প্রশ্ন (৪) : হার্টের এমন কিছু রোগী আছে, যাদের কোন ট্যাবলেট জিহ্বার নিচে রেখে ব্যবহার করতে হয়, গিলে ফেলা হয় না। শরীর সেটাকে চুষে নেয়। এতে ছিয়াম ভেঙ্গে যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১২) : ‘দাসী তার মুনিবকে জন্ম দিবে’ হাদীছটির ব্যাখ্যা কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৪) : পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও কল-কারখানায় ছুটি দেয়া এবং বিভিন্ন আলোচনা ও মাহফিলের আয়োজন করা কি জায়েয? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৯) : যোহরের চার রাক‘আত সুন্নাত ছালাত এক সালামে পড়তে হবে, না-কি দুই সালামে পড়তে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৪) : জুমু‘আর ফরয ছালাতের পর বাড়িতে দুই রাক‘আত অথবা মসজিদে ৪ রাক‘আত অথবা মসজিদে দুই বা চার অথবা চার ও দুই রাক‘আত ছালাত আদায় করা হয়। এটি কি সুন্নাতে মুওয়াক্কাদা না-কি সুন্নাতে গায়রে মুওয়াক্কাদা? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৫) : হজ্জ করতে গিয়ে সেখান থেকে ব্যবসার উদ্দেশ্যে কোন পণ্য নিয়ে আসা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৬) : কোন্ কোন্ স্থানে শয়তান থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করতে হয়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৩) : সমাজে প্রচলিত আছে যে, হজ্জ পালন করে বাড়ীতে ফেরার পর তিনদিন কারো সাথে কথা বলা এবং বাড়ী থেকে বের হওয়া যায় না। গরু-খাসী যবেহ করে সবাইকে খাওয়াতে হয়। বাজারে কিছু কিনতে গেলে একদরে কিনতে হয়। এগুলো কি শরী‘আত সম্মত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৬) : মসজিদের ছাদের উপরে ফ্লাট বাড়ীর মত দু’টি রুম তৈরি করা হয়েছে। সেখানে ইমাম ছাহেব স্ত্রী-সন্তান নিয়ে থাকবেন। উক্ত মসজিদে ছালাত আদায় করলে ছালাত শুদ্ধ হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৮) : সৌন্দর্যের জন্য প্লাস্টিক-সার্জারী করা বৈধ কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৮) : একজন স্বামী রাগের মাথায় বলে- ‘তোমাকে ডিভোর্স, তোমার ১৪ গুষ্টিকে ডিভোর্স’। কিন্তু স্বামীর ত্বালাক্ব দেয়ার কোন নিয়ত (ইচ্ছা) ছিল না। সে কথাগুলো শুধু রাগ ও গালির ভাষায়, ত্বালাক্বের উদ্দেশ্য ছাড়া উচ্চারণ করেছে। স্বামী জানে যে, ‘তোমাকে ত্বালাক্ব দিলাম’- এই কথা নিয়তসহ বললে তবেই ত্বালাক্ব হয়। ইংরেজিতে ডিভোর্স, বললে হয় না। এখন প্রশ্ন হলো- এই অবস্থায় স্বামীর উক্তি ‘তোমাকে ডিভোর্স, তোমার ১৪ গুষ্টিকে ডিভোর্স’। বলার মাধ্যমে তাদের মধ্যে ত্বালাক্ব সংঘটিত হয়েছে কি না? যদি হয়, তাহলে কয়টা হয়েছে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৩) : ওযূ না করে আযান দেয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ