বৃহস্পতিবার, ২৩ Jul ২০২৬, ০১:২৪ পূর্বাহ্ন
উত্তর : বিভিন্ন আয়াত ও হাদীছের বক্তব্য দ্বারা বুঝা যায় যে, মানুষ শ্রেষ্ঠ জাতি। যেমন আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘আমি আদম সন্তানকে সম্মানিত করেছি, তাদের জন্য পানি ও স্থলে যানবাহনের ব্যবস্থা করেছি, তাদেরকে পবিত্র রিযক দিয়েছি আর আমি তাদেরকে আমার অধিকাংশ সৃষ্টির উপর মর্যাদায় শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছি’ (সূরা বানী ইসরাঈল : ৭০)। উক্ত আয়াত দ্বারা বুঝা যায় যে, আল্লাহ তা‘আলা আদম-সন্তানকে বিভিন্ন দিক দিয়ে এমন সব বৈশিষ্ট্য দান করেছেন, যেগুলো অন্যান্য সৃষ্টজীবের মধ্যে নেই। উদাহরণত সুশ্রী চেহারা, সুষম দেহ, সুষম প্রকৃতি এবং অঙ্গসৌষ্ঠব। তাকে দু’পায়ে সম্পূর্ণ সোজা হয়ে দাঁড়াবার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে। তাকে হাতে খাওয়ার শক্তি দেয়া হয়েছে। অন্যান্য প্রাণী চারপায়ে এবং মুখ দিয়ে খায়। মানুষের মধ্যে যে চোখ, কান ও অন্তর দেয়া হয়েছে সে এসবগুলোকে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারে। দ্বীনী ও দুনিয়াবী বিষয়ে সে এগুলো দ্বারা ভাল-মন্দ বিচার করতে পারে (ইবনু কাছীর)।

বস্তুত এ বুদ্ধি ও চেতনায় মানুষকে বিশেষ স্বাতন্ত্র দান করা হয়েছে। এর সাহায্যে সে সমগ্র ঊর্ধ্ব-জগৎ ও অধঃজগতকে নিজের কাজে নিয়োজিত করতে পারে। আল্লাহ তা‘আলা তাকে বিভিন্ন সৃষ্টবস্তুর সংমিশ্রণে বিভিন্ন শিল্পদ্রব্য প্রস্তুত করার শক্তি দিয়েছেন, সেগুলো তার বসবাস, চলাফেরা, আহার্য ও পোশাক-পরিচ্ছদে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বাকশক্তি ও পারস্পরিক বোঝাপড়ার যে নৈপুণ্য মানুষ লাভ করেছে, তা অন্য কোন প্রাণীর মধ্যে নেই। বিবেক-বুদ্ধি ও চেতনা মানুষের সর্বপ্রধান শ্রেষ্ঠত্ব। এর মাধ্যমে সে স্বীয় সৃষ্টিকর্তা ও প্রভুর পরিচয় এবং তার পসন্দ ও অপসন্দ জেনে পসন্দের অনুগমন করে এবং অপসন্দ থেকে বিরত থাকে (ফাৎহুল কাদীর)। ইমাম দারেমী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘আল্লাহ‌ নিজ হাত দিয়ে স্পর্শ করে আদমকে সৃষ্টি করেছেন। তিনি ছাড়া অন্য কোন জীবকে তাঁর হস্তদ্বয় দিয়ে সৃষ্টি করেননি। এ কারণে আদম (আলাইহিস সালাম)-কে বিশেষিত করেছেন, মর্যাদা দিয়েছেন এবং এটাকে উল্লেখ করে আদমকে সম্মানিত করেছেন (নাকযুদ দারিম আলাল মি‌র্রিসি, পৃ. ৬৪)।


প্রশ্নকারী : রাশেদ, ঢাকা।





প্রশ্ন (১০) : সহশিক্ষা চালু আছে এমন কলেজে পড়া বা শিক্ষকতা করা কি শরী‘আত সম্মত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪০) : যদি বিড়াল, বেজি, কুকুর বা শেয়াল কোন হাঁস-মুরগীকে আহত করে, তাহলে উক্ত হাঁস-মুরগী খাওয়া যাবে কি ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৬) : ঈদের রাতে ইবাদত করার কোন দলীল আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩১) : শিশু জন্মের ৩ দিন পর মারা যায়। এরূপ অবস্থায় সেই শিশুর জন্য আক্বীকা করতে হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৪) : দোকানের ভাড়া বাবদ ভাড়াটিয়ার নিকট অনেক টাকা পাওয়া যাবে। সে তার বিভিন্ন সমস্যার কারণে দিতে পারছে না। এমতাবস্থায় যদি তাকে দোকান ছাড়তে বলা হয় এবং তাতে যদি সে কষ্ট পায়, তাহলে কি দোকানের মালিকের গুনাহ হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪৭) : জুমু‘আর দিন কবর যিয়ারত করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪) : মূর্তি পূজার হুকুম কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৭) : জনৈক বক্তা বলেন, পাঁচটি বিষয় ইবাদতের অন্তর্ভুক্ত- কুরআনের মুছহাফের দিকে দৃষ্টি দেয়া, কা‘বা, মাতা-পিতা, যমযম এবং আলেমের চেহারার দিকে দৃষ্টি দেয়া। উক্ত দাবী কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৫) : সূদী ব্যাংক, এনজিওর লোন, কিস্তির সাথে জড়িত কোন ব্যক্তির উপহার হিসাবে দেয়া নগদ অর্থ বা পণ্য গ্রহণ করা যাবে কি এবং তাদের বাড়িতে যাবে কি? উল্লেখ্য, তাদের বৈধ চাকুরীর ইনকামও আছে। - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৫) : বক্তব্য বা কথা-বার্তা শেষ করার শারঈ পদ্ধতি কী? যেমন কারো সাথে মোবাইলে কথা বলার সময় সালাম দিয়ে শুরু করা হয়। কিন্তু শেষ করার সময় কী বলতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৩) : সমাজের একশ্রেণীর মানুষ মনে করে যে, তারাবীহ ও তাহাজ্জুদ পৃথক ছালাত। তাহাজ্জুদ ৮ রাক‘আত, আর তারাবীহ ২০ রাক‘আত। উক্ত দাবী কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৭) : রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর চাচা হামযা (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর শাহাদাত এবং ওয়াহশী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) ইসলাম গ্রহণের পর আল্লাহর নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি তাকে বলেছিলেন যে, আমার সামনে আসবে না। এসব ঘটনা কি সত্য? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ