বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫, ০১:৩৬ অপরাহ্ন
উত্তর : কুরআন ও ছহীহ হাদীছ পর্যালোচনা করলে রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর অনেকগুলো নামের সন্ধান পাওয়া যায়। তবে এগুলোর নির্দিষ্ট কোন সংখ্যা নেই। কোন হাদীছে পাঁচটি নামের কথা উল্লেখ থাকলেও অন্য বর্ণনায় পাঁচের অধিক নামের সন্ধান পাওয়া যায়। ইমাম নববী (রাহিমাহুল্লাহ) আবূ বকর ইবনুল ‘আরাবী আল-মালিকী (রাহিমাহুল্লাহ)-এর বরাত দিয়ে বলেন, أَنَّ لِلهِ تَعَالَى أَلْفَ اسْمٍ وَلِلنَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَلْفَ اسْمٍ أَيْضًا ثُمَّ ذَكَرَ مِنْهَا عَلَى التَّفْصِيْلِ بِضْعًا وَسِتِّيْنَ ‘আল্লাহ তা‘আলার যেমন এক হাযার নাম রয়েছে, তেমনি রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এরও এক হাযার নাম রয়েছে।

ইবনুল আরাবী অন্ততঃ ৬৩টি নাম বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করেছেন’ (শারহু ছহীহ মুসলিম, ১৫তম খণ্ড, পৃ. ১০৪)। ইবনু হাজার আসক্বালানী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘মুহাদ্দিছ ইবনু দিহইয়া রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নাম সমূহ সম্পর্কে রচিত তাঁর কিতাবে বলেছেন, কেউ কেউ মনে করেন যে, أَسْمَاءُ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَدَدُ أَسْمَاءِ اللَّهِ الْحُسْنَى تِسْعَةٌ وَتِسْعُونَ اسْمًا قَالَ وَلَوْ بَحَثَ عَنْهَا بَاحِثٌ لَبَلَغَتْ ثَلَاثَمِائَةِ اسْمٍ ‘রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নামও আল্লাহ তা‘আলার আসমায়ে হুসনার ন্যায় ৯৯টি। তবে এ বিষয়ে কেউ গবেষণা করলে তা তিনশ’ পর্যন্ত পোঁছবে’ (ফাৎহুল বারী, ৬ষ্ঠ খণ্ড, পৃ. ৫৫৮)। কিন্তু উক্ত সংখ্যা কোন ছহীহ হাদীছে পাওয়া যায় না।

হাদীছে যে সংখ্যা পাওয়া যায় তাহল- (ক) রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, لِى خَمْسَةُ أَسْمَاءٍ أَنَا مُحَمَّدٌ وَأَحْمَدُ وَأَنَا الْمَاحِى الَّذِى يَمْحُو اللَّهُ بِى الْكُفْرَ وَأَنَا الْحَاشِرُ الَّذِى يُحْشَرُ النَّاسُ عَلَى قَدَمِى وَأَنَا الْعَاقِبُ ‘আমার পাঁচটি নাম রয়েছে। আমি মুহাম্মাদ ও আহমাদ। আমি আল-মাহী, আমার দ্বারা আল্লাহ তা‘আলা কুফরকে নিশ্চিহ্ন করেন। আমি আল-হাশির, ক্বিয়ামতের দিন আমার পশ্চাতে মানব জাতিকে সমবেত করা হবে এবং আমি আল-আক্বিব বা সবশেষে আগমনকারী’ (ছহীহ বুখারী, হা/৩৫৩২)।

অন্য বর্ণনায় এসেছে, রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ‘আমি মুহাম্মাদ, আহমাদ, হাশির, আক্বিব, মাহী এবং খাতম (মুসনাদে আহমাদ, হা/১৬৮১৬, সনদ ছহীহ)। আরো বর্ণিত হয়েছে, আবূ মূসা আল-আশ‘আরী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের নিকট তাঁর নিজস্ব নামসমূহ বর্ণনা করতেন। তিনি বলেছেন, أَنَا مُحَمَّدٌ وَأَحْمَدُ وَالْمُقَفِّي وَالْحَاشِرُ وَنَبِيُّ التَّوْبَةِ وَنَبِيُّ الرَّحْمَةِ ‘আমি মুহাম্মাদ, আহমাদ, মুকাফ্ফী, হাশির, আমি তওবার নবী এবং রহমতের নবী’ (ছহীহ মুসলিম, হা/২৩৫৫; মিশকাত, হা/৫৭৭৭)। অন্যত্র ‘নবীয়্যুল মালাহিম’ নাম উল্লেখ করা হয়েছে (মুসনাদে আহমাদ, হা/১৯৫৪৩, সনদ ছহীহ)।

প্রশ্নকারী : আবুল হোসেন, রাজশাহী।




প্রশ্ন (১৫) : আমরা অনেকেই সরকারী চাকরী করি। অধিকাংশ মন্ত্রণালয় বিভিন্নভাবে সূদ ও ঘুষের সাথে জড়িত। উক্ত চাকরির বেতন হালাল হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : মাগরিবের আযানের পর সুন্নাত পড়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : আল্লাহর তা‘আলার গুণবাচক নাম কতটি এবং সেগুলো মুখস্থের ফযীলত কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২১) : মসজিদের ইমাম জর্দা দিয়ে পান খায় এবং তার কুরআন তেলাওয়াত অশুদ্ধ। তাকে বললে তিনি সংশোধন হন না। এমতাবস্থায় এরূপ ইমামের পিছনে ছালাত আদায় করা যাবে কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৬) : ছালাতের দু’টি বৈঠক। প্রথম বৈঠকে শুধু আত্তাহিইয়াতু পড়তে হয়। কিন্তু আমার প্রশ্ন হল, অনেক সময় ইমামের শেষ বৈঠক আমার প্রথম বৈঠক হয়। তাহলে দীর্ঘ সময় আমি কি শুধু আত্তাহিইয়াতু পড়েই বসে থাকব, না-কি অন্য দু‘আ পড়ব? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৭) : সফরে সর্বোচ্চ কতদিন পর্যন্ত ক্বছর করা যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১) : ওহাবী কাদেরকে বলা হয়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪৯) : বাসর রাতের স্বামী স্ত্রী কি জামা‘আত করে ছালাত আদায় করবে, না-কি একাকী আদায় করবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৬) : মসজিদের ডানে ও বামে আল্লাহ ও মুহাম্মাদ লেখা যাবে কি এবং উক্ত মসজিদে ছালাত আদায় করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১১) : নারীরা বাড়িতে ছালাত আদায় করলে পুরুষের জামা‘আতের ন্যায় ২৭ বা ২৫ গুন ছাওয়াব পাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩২) : জর্দা ছাড়া শুধু পান-সুপারি খাওয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৪) : কুরআনে বলা আছে, যারা জাহান্নামে যাবে তারা চিরস্থায়ী জাহান্নামী। কিন্তু ছহীহ বুখারীতে রয়েছে যে, আল্লাহ এক সময় মুসলিম জাহান্নামীদেরকে মাফ করে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। তাহলে কি এই হাদীছটি কুরআনের ঐ আয়াতের সাথে সাংঘর্ষিক নয়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ