শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ০১:৪৬ অপরাহ্ন
উত্তর : হালাল ও হারাম শরী‘আতের দু’টি বিধান, যার শিক্ষা আল্লাহর কিতাব ও তাঁর রাসূল (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সুন্নাহতে বিদ্যমান। আল্লাহ তা‘আলা যা হালাল করেছেন তাকে হালাল হিসাবে ও যা হারাম করেছেন তাকে হারাম হিসাবে দৃঢ় বিশ্বাস রাখা একজন মুমিনের জন্য আবশ্যক। কেননা এই বিশ্বাস বা আক্বীদা জান্নাতে প্রবেশের মাধ্যম। যেমন জনৈক ব্যক্তি নবী করীম (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞেস করল,

أَرَأَيْتَ إِذَا صَلَّيْتُ الْمَكْتُوْبَةَ وَحَرَّمْتُ الْحَرَامَ وَأَحْلَلْتُ الْحَلَالَ أَأَدْخُلُ الْجَنَّةَ فَقَالَ النَّبِىُّ صلى الله عليه وسلم نَعَمْ

‘আমি যদি ফরয ছালাত আদায় করি এবং হালালকে হালাল হিসাবে ও হারামকে হারাম হিসাবে মেনে চলি তবে কি আমি জান্নাতে প্রবেশ করতে পারব? তিনি বললেন, হ্যাঁ’ (ছহীহ মুসলিম, হা/১৫)। সুতরাং একজন মুসলিমের উপর নিজের ইচ্ছামত কোন কিছুকে হালাল বা হারাম করার অধিকার নেই। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,

وَ لَا تَقُوۡلُوۡا لِمَا تَصِفُ اَلۡسِنَتُکُمُ الۡکَذِبَ ہٰذَا حَلٰلٌ وَّ ہٰذَا حَرَامٌ لِّتَفۡتَرُوۡا عَلَی اللّٰہِ الۡکَذِبَ اِنَّ الَّذِیۡنَ یَفۡتَرُوۡنَ عَلَی اللّٰہِ الۡکَذِبَ لَا یُفۡلِحُوۡنَ

‘তোমাদের জিহ্বার দ্বারা আল্লাহর প্রতি মিথ্যারোপ করে তোমরা বল না, এটা হালাল এবং এটা হারাম, যারা আল্লাহ সম্বন্ধে মিথ্যা উদ্ভাবন করবে তারা সফলকাম হবে না’ (সূরা আন-নাহল : ১১৬)।
কেউ যদি দ্বীনের অন্তর্ভুক্ত কোন হারামকে স্পষ্ট হারাম জেনেও হালাল মনে করে, তাহলে সে অবশ্যই ঐ ব্যক্তির মত, যে ব্যক্তি যেনা, সূদ ও মদকে হালাল মনে করে। কেননা এটা কুফরী ও ইসলাম হতে মুরতাদ হয়ে যাওয়া। অনুরূপভাবে কেউ যদি দ্বীনের অন্তর্ভুক্ত কোন হালালকে স্পষ্ট হালাল জেনেও হারাম মনে করে, তাহলে সে অবশ্যই ঐ ব্যক্তির মত, যে ব্যক্তি গোশত অথবা রুটি বা এজাতীয় জিনিসকে হারাম মনে করে। একারণে সে ব্যক্তি আল্লাহর বিধানের বিরোধিতা করল ও দ্বীন ইসলাম হতে মুরতাদ হয়ে গেল (ফাতাওয়া আল-লাজনা আদ-দায়েমাহ, ৪র্থ খণ্ড, পৃ. ৬)।


প্রশ্নকারী : শরীফুল ইসলাম, ঢাকা।




প্রশ্ন (২০) : রবীঊল আউয়াল মাসে কি নির্দিষ্ট কোন ইবাদত আছে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩০) : রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নামে মসজিদ বা অন্য কোথাও দান-ছাদাক্বাহ করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৫১) : ঋণগ্রস্ত ব্যক্তির বর্তমানে পরিশোধ করার ক্ষমতা নেই। কিন্তু পাওনাদারদের কাছে মিথ্যা কথা বলতে হয়। এমতাবস্থায় ব্যাংক থেকে লোন নিয়ে পাওনাদারদের টাকা পরিশোধ করে ব্যাংকের নিকট ঋণগ্রস্ত থাকা যাবে কি? যদিও এই লোন সূদ যা হারাম। আবার বান্দার হক্বও আল্লাহ মাফ করবেন না। আল্লাহর কাছে তওবা করে কি ব্যাংক থেকে লোন নেয়া যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৪) : মসজিদের দেওয়ালে কুরআনের বা হাদীছ লেখে রাখা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১২) : এমন আত্মীয়-স্বজন, যারা কুফরি কালাম বা যাদু-টোনার মাধ্যমে সংসার ভেঙ্গে দেয়ার চেষ্টা করে, সংসারে অশান্তি সৃষ্টি করে, সংসারের সদস্যদের শারীরিক, মানসিক ও অর্থনৈতিক ক্ষতির সম্মুখীন করে। এ ধরণের আত্মীয়দের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করলে এবং যোগাযোগ না করলে গুনাহ হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : জুমু‘আহ ও পাঁচ ওয়াক্ত ছালাতের আযান মসজিদের কোন্ জায়গা থেকে দিতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : রামাযানের ছুটে যাওয়া ছিয়াম ধারাবাহিকভাবে আদায় করতে হবে, না-কি বিচ্ছিন্নভাবে আদায় করলেও চলবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১২) : কুরআন নিয়ে শপথ করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৮) : জনৈক বক্তা বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, ‘আমি প্রত্যেক তাক্বওয়াশীল ব্যক্তির দাদা’। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৪) : জনৈক ব্যক্তি রাগ করে বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী তিন ত্বালাক্ব দেয় এবং ৯০ দিন পর সিটিকর্পোরেশন থেকে সার্টিফিকেট নেয়। তাদের দাম্পত্য জীবন ১১ বছরের এবং ১০ বছরের একটি ছেলে সন্তানও আছে। তবে ত্বালাক্ব দেয়ার সময় সে এক ত্বালাক্ব দিয়েছে। এমতাবস্থায় স্ত্রীকে ফিরিয়ে নেয়ার কোন সুযোগ আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৩) : পরিবারের উপার্জিত হারাম টাকা দিয়ে যদি কোন ব্যবসা করি, তাহলে তা হারাম হবে কী? যদিও উক্ত ব্যবসা হালাল। - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : প্রথম স্ত্রী ইন্তিকালের পর তার গহনা দিয়ে দ্বিতীয় স্ত্রীর মোহর আদায় করা কিংবা হাদিয়া দেয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ