বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫, ০১:৩০ অপরাহ্ন
উত্তর : চিকিৎসার জন্য হোক অথবা অ-চিকিৎসার জন্য, উভয়াবস্থাতেই মদ বা হারাম বস্তু নিষিদ্ধ। যদিও কেউ কেউ পার্থক্য করার চেষ্টা করেছে। তবে এই পার্থক্যকরণ জায়েয নয় (মাজমুঊল ফাতাওয়া ইবনে তাইমিয়্যাহ, ২১/৫৬২ পৃ.)। আল্লাহ তা‘আলার অশেষ অনুগ্রহ যে, তিনি সমস্ত ব্যাধির যথাযথ ঔষধ নির্ধারণ করে আরোগ্যের ব্যবস্থা করেছেন এবং চিকিৎসা করার ব্যাপারে মানুষকে উৎসাহিত করেছেন। আবূ হুরাইরা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, নবী (ﷺ) বলেছেন, ‘আল্লাহ এমন কোন রোগ পাঠাননি যার আরোগ্যের ব্যবস্থা দেননি’ (ছহীহ বুখারী, হা/৫৬৭৮; ইবনু মাজাহ, হা/৩৪৩৯)। জাবির (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, ‘প্রতিটি ব্যাধির প্রতিকার রয়েছে। অতএব রোগে যথাযথ ঔষধ প্রয়োগ করা হলে আল্লাহর ইচ্ছায় আরোগ্য লাভ হয়’ (ছহীহ মুসলিম, হা/২২০৪)।

ইবনুল ক্বাইয়িম (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘প্রতিটি ব্যাধির প্রতিকার রয়েছে’ রাসূল (ﷺ)-এর এই মহান বাণী প্রত্যেক রোগাক্রান্ত ব্যক্তি এবং চিকিৎসকের মনোবল বৃদ্ধি করণার্থে খুবই কার্যকরী ভূমিকা পালন করে, চিকিৎসা করার ব্যাপারে এবং নিত্যনতুন রোগের ঔষধ আবিষ্কারে মানুষকে উদ্বুদ্ধ করে’ (যাদুল মা‘আদ, ৪/১৫ পৃ.)। সুতরাং ইসলাম যেমন মানুষকে চিকিৎসা করার অনুমতি প্রদান করেছে এবং এই  ব্যাপারে উৎসাহিত করেছে, ঠিক তেমনি হারাম বস্তু দ্বারা চিকিৎসা করতে নিষেধ করেছে। ওয়ায়িল আল-হাযরামী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, তারীক্ব ইবনু সুওয়াইদ জুকী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) রাসূল (ﷺ)-কে ‘মদ’ সম্পর্কে প্রশ্ন করলেন। তিনি তাকে বারণ করলেন, কিংবা মদ প্রস্তুত করাকে খুব জঘন্য মনে করলেন। তারীক্ব (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বললেন, ‘আমি তো শুধু ঔষধ তৈরি করার জন্য মদ প্রস্তুত করি’। তখন তিনি বললেন, إِنَّهُ لَيْسَ بِدَوَاءٍ، وَلَكِنَّهُ دَاءٌ ‘এটি তো (ব্যাধি নিরামক) ঔষধ নয়, বরং এটি নিজেই ব্যাধি’ (ছহীহ মুসলিম, হা/১৯৮৪; আবূ দাঊদ, হা/৩৮৭৩)।

আবূ হুরাইরা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, نَهَى رَسُوْلُ اللهِ ﷺ عَنِ الدَّوَاءِ الْخَبِيْثِ  ‘রাসূল (ﷺ) হারাম ঔষধ প্রয়োগ করতে নিষেধ করেছেন’ (তিরমিযী, হা/২০৪৫; ইবনু মাজাহ, হা/৩৪৫৯)। আবূ দারদা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, ‘নিশ্চয় আল্লাহ তা‘আলা ব্যাধি এবং ঔষধ অবতীর্ণ করেছেন এবং প্রতিটি রোগের ঔষধ সৃষ্টি করেছেন। সুতরাং তোমরা ঔষধ গ্রহণ করো, তবে হারাম ঔষধ নয়’ (আবূ দাঊদ হা/৩৮৭৪; আলবানী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, অর্থের দিক দিয়ে এবং সাক্ষ্যের ভিত্তিতে হাদীছটি ছহীহ, ‘আত-তা‘লীক্বাতুর রাজিয়্যাহ, ৩/১৫৪ পৃ.)। উম্মে সালামাহ (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, নবী (ﷺ) বলেন,إِنَّ اللهَ لَمْ يَجْعَلْ شِفَاءَكُمْ فِيْمَا حَرَّمَ عَلَيْكُمْ ‘আল্লাহ তা‘আলা হারাম বস্তুর মধ্যে তোমাদের জন্য কোন চিকিৎসা রাখেননি’ (গায়াতুল মারাম, হা/৩০, ৬৭; সনদ ছহীহ, সিলসিলা ছহীহাহ, ৪/১৭৫ পৃ.; বাইহাক্বী, হা/১৯৪৬৩; ইবনু হিব্বান, হা/১৩৯১)।

মাদকদ্রব্যের মত হারাম কিংবা শূকরের মাংসের মত অপবিত্র জিনিস দ্বারা চিকিৎসা করা হারাম বলেই আলেমগণ সমাপ্ত করেননি, বরং তার পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা করেছেন। যথা:
(১) হারাম ও অপবিত্র জিনিস দ্বারা চিকিৎসা করা: চিকিৎসার জন্য মাদকদ্রব্য সেবন করা অথবা কোন কোন এলাকার মানুষ স্বীয় পেশাব পান করে থাকে, যা স্পষ্টরূপে হারাম। কেননা হারাম ও অপবিত্র জিনিস দ্বারা চিকিৎসা করা নিষিদ্ধ হওয়ার ব্যাপারে স্পষ্ট হাদীছ বর্ণিত হয়েছে। শাইখুল ইসলাম ইমাম ইবনু তাইমিয়্যাহ (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘অপবিত্র হারাম জিনিস দ্বারা চিকিৎসা করা হারাম। কেননা এ সম্পর্কে বর্ণিত দলীলগুলো হারাম হওয়ার প্রমাণ বহন করে। যেমন আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘তোমাদের জন্য হারাম করা হয়েছে মৃত পশু,  রক্ত  ও শূকরের গোশত...’ (সূরা আল-মায়িদাহ: ৩)। অন্যত্র বলেন, ‘হে বিশ্বাসীগণ! মদ, জুয়া, মূর্তিপূজার বেদী ও ভাগ্যনির্ণায়ক শর ঘৃণ্য বস্তু শয়তানের কাজ। সুতরাং তোমরা তা বর্জন কর, যাতে তোমরা সফলকাম হতে পার’ (সূরা আল-আন‘আম: ৯০)।

হাদীছের মধ্যে এসেছে, ‘সব ধরনের হিংস্র জন্তু এবং সব ধরনের নখরধারী পাখি হারাম’ (ছহীহ বুখারী, হা/৫৭৮০, ৫৭৮১; ছহীহ মুসলিম, হা/১৯৩২-১৯৩৪)। চিকিৎসার জন্য হোক অথবা অ-চিকিৎসার জন্য, উভয়াবস্থাতেই এগুলো হারাম। যদিও কেউ কেউ পার্থক্য করার চেষ্টা করেছে। তবে এই পার্থক্যকরণ জায়েয নয় (মাজমুঊল ফাতাওয়া ইবনে তাইমিয়্যাহ, ২১/৫৬২ পৃ.)। ইমাম ইবনুল ক্বাইয়্যিম (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘ইসলামী শরী‘আহ এবং যৌক্তিকতা উভয় দিক দিয়েই হারাম বস্তু দ্বারা চিকিৎসা করা নিকৃষ্ট কাজ। শরী‘আতের দৃষ্টিতে হারাম বস্তু দ্বারা চিকিৎসা করা নিষিদ্ধ হওয়া সম্পর্কে অসংখ্য ছহীহ হাদীছ বর্ণিত হয়েছে। পক্ষান্তরে যৌক্তিকতার দিক দিয়ে নিষিদ্ধ হওয়ার বিষয়টি হল- এগুলোকে আল্লাহ তা‘আলা হারাম করেছেন এর নিকৃষ্টতা ও ঘৃণ্যতার কারণে।

আল্লাহ তা‘আলা এই উম্মতের জন্য শাস্তিস্বরূপ কোন পবিত্র জিনিসকে হারাম করেননি। যেমনটা তিনি বাণী ইসরাঈলের জন্য করেছিলেন। তিনি বলেন, ‘বহু পবিত্র জিনিস যা ইয়াহুদীদের জন্য বৈধ ছিল, তা আমি তাদের জন্য অবৈধ করেছি তাদের সীমালংঘনের জন্য এবং আল্লাহর পথে অনেককে বাধা দেবার জন্য’ (সূরা আন-নিসা: ১৬০)। কিন্তু আল্লাহ তা‘আলা এই উম্মাতের জন্য যা কিছু হারাম করেছেন, সেটি খবীছ, মন্দ, অপবিত্র ও অনিষ্টকর হওয়ার কারণে হারাম করেছেন। তাদের কল্যাণার্থে তার থেকে বিরত রাখার জন্য হারাম করেছেন। ব্যাধি সৃষ্টিকারী জিনিসের কাছে আরোগ্য কামনা করা যুক্তিসঙ্গত নয়। সাময়িকভাবে এটি রোগ দূরীকরণে কিছুটা প্রভাব বিস্তার করলেও পরবর্তীতে কিন্তু হৃৎপিণ্ডে ভয়ানক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। ফলে শরীরের ব্যাধি অপসারণ করতে গিয়ে অন্তরে ব্যাধি সৃষ্টি করে ফেলে’ (যাদুল মা‘আদ, ৪/১৪৩ পৃ.)।

(২) মাদকদ্রব্য মিশ্রিত ঔষধ দ্বারা চিকিৎসা করা: যে সমস্ত ঔষধে মাদকদ্রব্য পাওয়া যায়, তার দু’টি অবস্থা। যথা: প্রথমতঃ যদি ঔষধে মাদকদ্রব্যের পরিমাণ এতটা কম হয় যে, যদি কোন ব্যক্তি ঐ ঔষধ অধিক পরিমাণে সেবন করে ফেলে, তবুও সে নেশাগ্রস্ত হয় না। এমতাবস্থায় আলিমদের একটি জামা‘আত এই ধরণের ঔষধ সেবন করা জায়েয হবে বলে ফাতাওয়া দিয়েছেন। মাদকদ্রব্যে নেশা থাকার কারণে অল্প পরিমাণে হোক অথবা অধিক পরিমাণে উভয়াবস্থাকেই হারাম করা হয়েছে। কিন্তু এই ধরণের ঔষধ সেবন করে নেশাগ্রস্ত হওয়ার সম্ভবনা থাকে না। অল্প পরিমাণে পান করুক অথবা বেশি পরিমাণে, তাই আলেমগণ এটিকে জায়েয করেছেন। দ্বিতীয়তঃ পক্ষান্তরে যদি ঔষধে মাদকদ্রব্যের পরিমাণ এতটা বেশি থাকে যে, কোন ব্যক্তি যদি ঐ ঔষধ অধিক পরিমাণে সেবন করে ফেলে, তাহলে সে নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়ে। এমতাবস্থায় নেশাগ্রস্ত হওয়ার কারণ বিদ্যমান থাকার কারণে এই ধরণের ঔষধ রোগীকে পান করানো যাবে না। এখন ঐ ঔষধের বিধান মদের বিধানের মতই। আয়িশাহ (রাযিয়াল্লাহু আনহা) হতে বর্ণিত, রাসূল (ﷺ)-কে বিত‘ই (بِتْعِ) বিষয়ে প্রশ্ন করা হল। উত্তরে তিনি বলেন, নেশাগ্রস্ত করে এমন সকল প্রকার পানীয়-ই নিষিদ্ধ’ (ছহীহ মুসলিম, হা/২০০১)।

জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, ‘যে জিনিসের অধিক পরিমাণ পান করলে নেশা সৃষ্টি হয় তার সামান্য পরিমাণও হারাম’ (আবূ দাঊদ, হা/৩৬৮১)। শাইখ মুহাম্মাদ ইবনু ছালিহ আল-উছাইমীন (রাহিমাহুল্লাহ) ও সঊদীর আরবের স্থায়ী ফাতাওয়া কমিটির আলেমগণ বলেন, ‘ঔষধের সঙ্গে নেশাজাতীয় অ্যালকোহল মিশ্রিত করা জায়েয নয়। তবে যদি ঔষধের সঙ্গে নেশাজাতীয় অ্যালকোহল মিশ্রিত করে দেয়া হয়েছে, এবং সেই ঔষধ বেশি পরিমাণে সেবন করলে নেশা হচ্ছে, তাহলে এই ধরণের ঔষধ সেবন করা অথবা সেবন করার আদেশ দেয়া উভয়ই জায়েয নয়। তার পরিমাণ কম হোক অথবা অধিক। পক্ষান্তরে যদি ঐ ঔষধ বেশি পরিমাণে সেবন করার পরও নেশা না হয়, সেক্ষেত্রে এই ধরণের ঔষধ সেবন করা অথবা সেবন করার আদেশ দেয়া উভয়ই জায়েয’ (লিক্বাউল বাব আল-মাফতূহ, ৩/২৩১; ফাতাওয়া আল-লাজনাহ আদ-দায়িমাহ, ২২/১১০ পৃ.)।

(৩) অপবিত্র হারাম মিশ্রিত ঔষধ দ্বারা চিকিৎসা করা: যেমন কিছু ঔষধে শূকরের চর্বি মিশ্রিত থাকে অথবা মৃত জীবজন্তুর কোন অংশ মিশ্রিত থাকে। এর দু’টি অবস্থা। যথা: প্রথমতঃ অধিকাংশ আলেম বলেছেন, ‘যদি ঔষধে মিশ্রণ করার ফলে এর অবস্থা পরিবর্তন হয়ে যায়, রূপরেখা, আকার-আকৃতি অন্য বস্তুতে রূপান্তরিত হয়ে যায়, কেমিক্যাল ব্যবহার করার ফলে অপবিত্রতার চিহ্ন বিলীন হয়ে যায়। এমতাবস্থায় তার উপর পবিত্রতার হুকুম লাগানো হয়’ (আল-মাওসূ‘আতুল ফিক্বহিয়্যাহ, ৩/২১৩; আল-ফুরুক্ব, ২/২০৭; ই‘লামুল মুওয়াক্বীঈন, ৩/১৮৩; মাজমূঊল ফাতাওয়া ইবনে তাইমিয়্যাহ, ২১/৫১০ পৃ.)। দ্বিতীয়তঃ আর যদি অপবিত্রতার চিহ্ন অবশিষ্ট থাকে, অন্য বস্তুতে রূপান্তরিত না হয়, তাহলে সেটি অপবিত্র হিসাবেই বিবেচিত হবে (ইসলাম সাওয়াল ওয়া জাওয়াব, ফৎওয়া নং-২১৫২৮১, ৪০৫৩০)।


প্রশ্নকারী : গোলাম রাব্বি, বরিশাল।





প্রশ্ন (২৩) : মৃত ব্যক্তির নামে যে খানার আয়োজন করা হয়, সে খাবার কি পরিবারের অন্য সদস্যরা খেতে পারবে?   - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৭) : রাসূল (ﷺ) কখনো কি একাই ফরয ছালাতের পর মুনাজাত করেছেন?       - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩২) : প্রতিমাসে প্রাপ্য বেতনের যাকাত কীভাবে প্রদান করতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩২) : এক রাক‘আত বিতরের ছালাত আদায় করার প্রমাণ জানতে চাই? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১২) : ‘দাসী তার মুনিবকে জন্ম দিবে’ হাদীছটির ব্যাখ্যা কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৭) : চীন কর্তৃক হাড় দিয়ে তৈরিকৃত পাত্রে খাওয়া কি জায়েয হবে? চাইনাতে কোন ধরণের হাড় থেকে পাত্রগুলো তৈরি করা হয় সেগুলোর উৎস সম্পর্কে যদি জানা না থাকে, তাহলে সেক্ষেত্রেকরণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩) : সহবাসের ক্ষেত্রে কোন্ কোন্ বিষয় নিষিদ্ধ? বিশেষ করে স্বামী-স্ত্রীর লজ্জাস্থানে মুখ দেয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৪) : ইচ্ছাকৃত কিংবা অনিচ্ছাকৃত কোন অমুসলিম জিম্মিকে হত্যা করার পরিণাম কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৩): যাকাত, যাকাতুল ফিতর ও কুরবানীর পশুর চামড়ার মূল্য মাদরাসা নির্মাণ কাজে ব্যয় করা যাবে কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৮) : কোন গর্ভবতী গাভীর ৫ অথবা ৬ ছয় মাস পর যদি কোন রোগের কারণে মৃত্যুর উপক্রম হয়ে যায়। তবে সেই গাভীটিকে যব্হ করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪২) : ছালাতের সময় কোন্ কোন্ সূরা ও আয়াতের জবাব প্রদান করতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৯) : আমি একটা প্রাইভেট কোম্পানীতে চাকুরী করি। সেখানে ভ্যান, রিকশা অথবা অটোতে করে মাল ডেলিভারী দেয়। কোম্পানী আমাকে ভ্যান ভাড়ার জন্য ১৫০ টাকা আর রিকশা ভাড়ার জন্য ৫০ টাকা দেয়। কোম্পানী কিন্তু আমার কাজের জন্য বেতনও প্রদান করে। তাহলে কি আমি ঐ টাকার থেকে কম খরচ করে অবশিষ্ট টাকা আমি নিতে পারবো কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ