বৃহস্পতিবার, ২৩ Jul ২০২৬, ০২:১৯ পূর্বাহ্ন
উত্তর : কোন মুসলিম ব্যক্তি যদি মুসলিমদের বিরুদ্ধে এ ধরনের নিন্দাসূচক মন্তব্য করেন, তবে এটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর বিষয়। ইসলামের দৃষ্টিকোণ থেকে এ ধরনের বক্তব্যের শাস্তি ও এর ফলে ব্যক্তির ঈমানের অবস্থা নির্ভর করে তার মনোভাব, উদ্দেশ্য এবং কথার প্রকৃত অর্থের ওপর। যেমন: (ক) যদি উদ্দেশ্য হয় সমালোচনা এবং অন্যায় দূর করার ইচ্ছা: যদি কেউ মুসলিমদের দোষত্রুটি তুলে ধরে কেবল তাদের সংশোধন বা অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে চান, তাহলে এটি গুনাহ নয়। বরং ইসলাম এমন সমালোচনাকে সমর্থন করে, যা অন্যায় থেকে মানুষকে দূরে রাখে (সূরা আলে ইমরান: ১০৪)। (খ) যদি মুসলিমদের প্রতি ঘৃণা ও ঈমানের প্রতি বিরূপ মনোভাব প্রকাশ পায়: যদি কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে মুসলিমদের প্রতি ঘৃণা প্রকাশ করে এবং তাদের ধর্মীয় পরিচয়কে ছোট করার উদ্দেশ্যে এমন কথা বলেন, তবে এটি কুফর (অবিশ্বাস) হতে পারে (সূরা আল-বাক্বারাহ: ১৩৭)।

ঐ ব্যক্তি ইসলাম থেকে খারিজ হবে কি? যদি তিনি মুসলিমদের সমালোচনা করে ইসলামের প্রতি ঘৃণা বা উপহাস প্রকাশ করেন, তাহলে এটি তাকে ইসলাম থেকে খারিজ হয়ে যাবে।

وَ لَئِنۡ سَاَلۡتَہُمۡ لَیَقُوۡلُنَّ اِنَّمَا کُنَّا نَخُوۡضُ وَ نَلۡعَبُ ؕ قُلۡ اَ بِاللّٰہِ وَ اٰیٰتِہٖ وَ رَسُوۡلِہٖ  کُنۡتُمۡ  تَسۡتَہۡزِءُوۡنَ- لَا تَعۡتَذِرُوۡا قَدۡ کَفَرۡتُمۡ  بَعۡدَ  اِیۡمَانِکُمۡ

‘তারা যদি তোমাদের জিজ্ঞেস করে, আমরা তো শুধু মজা করছিলাম এবং খেলা করছিলাম। (হে নবী!) আপনি বলুন, আল্লাহ, তাঁর আয়াত এবং তাঁর রাসূলের সাথে তোমরা মজা করছো? তোমরা ওযর পেশ করো না, তোমরা অবশ্যই কাফির হয়েছো’ (সূরা আত-তাওবা: ৬৫-৬৬)। যদি কেউ মুসলিমদের মধ্যে বিদ্যমান অন্যায় বা দুর্নীতির সমালোচনা করেন, তবে এটি তাকে ইসলাম থেকে খারিজ করে না। তবে এমন মন্তব্য করা উচিত নয়, যা পুরো মুসলিম জাতির জন্য দোষের কারণ হয়ে যায় বা দোষারোপ করে। হাদীছে এসেছে,  الْمُسْلِمُ ‌مِرْآةُ أَخِيْهِ ‘মুসলিম আরেকজন মুসলিমের জন্য আয়না’ (তিরমিযী, হা/১৯২৮)।

এ ধরনের মন্তব্য করা অবশ্যই গুনাহ এবং এটি সংশোধনের জন্য তওবা ও আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়া আবশ্যক।


প্রশ্নকারী: গোলাম রাব্বি, বরিশাল।





প্রশ্ন (৩৫) : জন্মের পর পরেই একটি ছেলেকে একজন দত্তক হিসাবে নিয়ে নেয়। ঐ ব্যক্তি তার বাবা-মায়ের নাম জানতে পারেননি। এখন কিভাবে তার পরিচয় দিবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৮) : ছালাতে হাত বাঁধার বিশুদ্ধ নিয়ম কোনটি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৫) : মহিলাদের দ্বারা একটি ইয়াতীম বালিকা মাদরাাসা পরিচালিত হয়। যেখানে ৪৫/৫০ জন বাচ্চা আছে। যাদের বয়স ৭ বৎসর থেকে ১৫/১৬ বৎসর পর্যন্ত। তাদের ঘরের বাইরে খেলাধূলা করার কোনো সুযোগ নেই।  এমতাবস্থায়  তারা কি ঘরের মধ্যে লুডু, ক্যারাম বোর্ড ও দাবা, খেলতে পারবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১২) : যাদুবিদ্যা শেখার পরিণাম কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৭) : জনৈক আলেম বলেন, গান শুনলে ক্বিয়ামতের দিন কানের ভিতরে গরম সীসা ঢেলে দেয়া হবে। এ মর্মে কোন ছহীহ হাদীছ বর্ণিত হয়েছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৪) : একজন ছাত্রাবাসে থাকে। ছালাতের সময় তার রুমমেট মোবাইল ফোনে/ল্যাপটপে নাটক-সিনেমা দেখে। এতে ছালাতের ক্ষতি হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩১) : তাকবীরে তাহরিমা ও রাফ‘উল ইয়াদাইন করার সময় হাতের আঙ্গুল খোলা খোলা থাকবে, না-কি পরস্পরের সাথে মিলানো থাকবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৮) : রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ৮ রাক‘আত তারাবীহ পড়লেও ওমর (রাযিয়াল্লাহু আনহু) ২০ রাক‘আত পড়ার নির্দেশ দিয়েছেন এবং ২০ রাক‘আতের উপর ইজমা হয়েছে। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৮) : সূরা ইয়াসীন ও ত্বা-হা পাঠের ফযীলত বর্ণনায় বলা হয় যে, আল্লাহ তা‘আলা আসমান ও যমীন সৃষ্টির এক হাযার বছর পূর্বে সূরা ‘ত্বা-হা’ ও ‘ইয়াসীন’ পাঠ করলেন। তখন ফেরেশতারা শুনে বললেন, ধন্য সেই জাতি, যাদের উপর এটা নাযিল হবে, ধন্য সেই পেট যে সেটা ধারণ করবে এবং ধন্য সেই মুখ যে সেটা উচ্চারণ করবে (দারেমী, হা/৩৪১৪; মিশকাত, হা/২১৪৮; বঙ্গানুবাদ মিশকাত, হা/২০৪৫, ৫/১৮ পৃ.)। বর্ণনাটি কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১২) : চোখের যিনা করলে ক্বিয়ামতের দিন চোখে গরম শিশা ঢালা হবে এই রকম কোন হাদীছ আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২০) : কোন ব্যক্তি পূর্বে যাকাত আদায় না করে থাকলে কী করণীয়? তার মনেও নেই ঐ বছর গুলোতে তার কী পরিমাণ সম্পদ ছিল। এমতাবস্থায় কি শুধু তওবাই যথেষ্ট হবে, না-কি যে কোন পদ্ধতিতে তার অনাদায়কৃত যাকাত পরিশোধ করতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১২) : জর্দা খাওয়া কি জায়েয? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ