রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:১৪ অপরাহ্ন
উত্তর : কোন মুসলিম ব্যক্তি যদি মুসলিমদের বিরুদ্ধে এ ধরনের নিন্দাসূচক মন্তব্য করেন, তবে এটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর বিষয়। ইসলামের দৃষ্টিকোণ থেকে এ ধরনের বক্তব্যের শাস্তি ও এর ফলে ব্যক্তির ঈমানের অবস্থা নির্ভর করে তার মনোভাব, উদ্দেশ্য এবং কথার প্রকৃত অর্থের ওপর। যেমন: (ক) যদি উদ্দেশ্য হয় সমালোচনা এবং অন্যায় দূর করার ইচ্ছা: যদি কেউ মুসলিমদের দোষত্রুটি তুলে ধরে কেবল তাদের সংশোধন বা অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে চান, তাহলে এটি গুনাহ নয়। বরং ইসলাম এমন সমালোচনাকে সমর্থন করে, যা অন্যায় থেকে মানুষকে দূরে রাখে (সূরা আলে ইমরান: ১০৪)। (খ) যদি মুসলিমদের প্রতি ঘৃণা ও ঈমানের প্রতি বিরূপ মনোভাব প্রকাশ পায়: যদি কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে মুসলিমদের প্রতি ঘৃণা প্রকাশ করে এবং তাদের ধর্মীয় পরিচয়কে ছোট করার উদ্দেশ্যে এমন কথা বলেন, তবে এটি কুফর (অবিশ্বাস) হতে পারে (সূরা আল-বাক্বারাহ: ১৩৭)।

ঐ ব্যক্তি ইসলাম থেকে খারিজ হবে কি? যদি তিনি মুসলিমদের সমালোচনা করে ইসলামের প্রতি ঘৃণা বা উপহাস প্রকাশ করেন, তাহলে এটি তাকে ইসলাম থেকে খারিজ হয়ে যাবে।

وَ لَئِنۡ سَاَلۡتَہُمۡ لَیَقُوۡلُنَّ اِنَّمَا کُنَّا نَخُوۡضُ وَ نَلۡعَبُ ؕ قُلۡ اَ بِاللّٰہِ وَ اٰیٰتِہٖ وَ رَسُوۡلِہٖ  کُنۡتُمۡ  تَسۡتَہۡزِءُوۡنَ- لَا تَعۡتَذِرُوۡا قَدۡ کَفَرۡتُمۡ  بَعۡدَ  اِیۡمَانِکُمۡ

‘তারা যদি তোমাদের জিজ্ঞেস করে, আমরা তো শুধু মজা করছিলাম এবং খেলা করছিলাম। (হে নবী!) আপনি বলুন, আল্লাহ, তাঁর আয়াত এবং তাঁর রাসূলের সাথে তোমরা মজা করছো? তোমরা ওযর পেশ করো না, তোমরা অবশ্যই কাফির হয়েছো’ (সূরা আত-তাওবা: ৬৫-৬৬)। যদি কেউ মুসলিমদের মধ্যে বিদ্যমান অন্যায় বা দুর্নীতির সমালোচনা করেন, তবে এটি তাকে ইসলাম থেকে খারিজ করে না। তবে এমন মন্তব্য করা উচিত নয়, যা পুরো মুসলিম জাতির জন্য দোষের কারণ হয়ে যায় বা দোষারোপ করে। হাদীছে এসেছে,  الْمُسْلِمُ ‌مِرْآةُ أَخِيْهِ ‘মুসলিম আরেকজন মুসলিমের জন্য আয়না’ (তিরমিযী, হা/১৯২৮)।

এ ধরনের মন্তব্য করা অবশ্যই গুনাহ এবং এটি সংশোধনের জন্য তওবা ও আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়া আবশ্যক।


প্রশ্নকারী: গোলাম রাব্বি, বরিশাল।





প্রশ্ন (১১) : ছিয়াম অবস্থায় ক্যাথেটার ও সাপোজিটোরী ব্যবহার করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৫) : পেশাব করে ঢিলা-কুলুখ ব্যবহার করা এবং ৪০ কদম হাঁটা বা উঠাবসা করার কোন বিধান আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৭) : জামা‘আতের ছালাতে ইমাম সাহেব জোরে তাকবীর বলা এবং মুক্তাদির নিঃশব্দে তাকবীর বলার দলীল কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১০) : এশার ছালাতের জামা‘আত চলাকালীন শেষের দুই রাক‘আতে জামা‘আতে শামিল হলে ইমামের সালাম ফিরানোর পর মাসবূক ব্যক্তি কি পরের বাকি দুই রাক‘আত ছালাতে সূরা ফাতিহার পর অন্য কোন সূরা যোগ করবে, না-কি শুধু সূরা ফাতিহা পড়বে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১) : লটারি বিক্রি হয় বা সিগারেট বিক্রি হয় এমন কোন প্রতিষ্ঠানে চাকরি করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৪) : জনৈক ব্যক্তির জখম ছিল, সে আত্মহত্যা করল। তখন আল্লাহ তা‘আলা বলেন, আমার বান্দা তার প্রাণ নিয়ে আমার সাথে তাড়াহুড়া করল। কাজেই আমি তার উপর জান্নাত হারাম করে দিলাম (ছহীহ বুখারী, হা/১৩৬৪)। প্রশ্ন হল- যেখানে আল্লাহ তা‘আলা জান্নাত হারাম করে দিলেন, সেখানে বলা হয়, ‘সে চিরস্থায়ী জাহান্নামী নয়’। উক্ত বক্তব্যের সঠিক ব্যাখ্যা কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১২) : পুরুষরা হাতে-পায়ে মেহেদি লাগাতে পারবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : ছাদাক্বাহ করার ফযীলত বর্ণনায় বলা হয় যে, দান সম্পদকে হ্রাস করে না। আল্লাহ তা‘আলা ক্ষমার মাধ্যমে বান্দার সম্মান বৃদ্ধি করেন এবং যে আল্লাহর জন্য বিনয় প্রকাশ করে আল্লাহ তাকে উন্নত করেন। এ বর্ণনাটি সঠিক! - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৮) : কুরবানী করার সময় কি যিনি কুরবানী দিচ্ছেন তার নাম উল্লেখ করা যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৮) : আল্লাহর প্রতি এবং নবী (ﷺ)-এর প্রতি কিরূপ ভালোবাসা স্থাপন করতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩০) : ওয়াক্বফ্ করা সম্পত্তি ফিরিয়ে নেয়া যাবে কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৮) : স্বর্ণের নিছাব টাকা দিয়ে পূরণ করা যাবে কি? কারো স্বর্ণ আছে ৫ ভরি এবং টাকা আছে ২,০০,০০০। এ ক্ষেত্রে স্বর্ণের যাকাতের বিধান কী হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ