বৃহস্পতিবার, ২৩ Jul ২০২৬, ০১:২৯ পূর্বাহ্ন
উত্তর : কোন মুসলিম ব্যক্তি যদি মুসলিমদের বিরুদ্ধে এ ধরনের নিন্দাসূচক মন্তব্য করেন, তবে এটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর বিষয়। ইসলামের দৃষ্টিকোণ থেকে এ ধরনের বক্তব্যের শাস্তি ও এর ফলে ব্যক্তির ঈমানের অবস্থা নির্ভর করে তার মনোভাব, উদ্দেশ্য এবং কথার প্রকৃত অর্থের ওপর। যেমন: (ক) যদি উদ্দেশ্য হয় সমালোচনা এবং অন্যায় দূর করার ইচ্ছা: যদি কেউ মুসলিমদের দোষত্রুটি তুলে ধরে কেবল তাদের সংশোধন বা অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে চান, তাহলে এটি গুনাহ নয়। বরং ইসলাম এমন সমালোচনাকে সমর্থন করে, যা অন্যায় থেকে মানুষকে দূরে রাখে (সূরা আলে ইমরান: ১০৪)। (খ) যদি মুসলিমদের প্রতি ঘৃণা ও ঈমানের প্রতি বিরূপ মনোভাব প্রকাশ পায়: যদি কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে মুসলিমদের প্রতি ঘৃণা প্রকাশ করে এবং তাদের ধর্মীয় পরিচয়কে ছোট করার উদ্দেশ্যে এমন কথা বলেন, তবে এটি কুফর (অবিশ্বাস) হতে পারে (সূরা আল-বাক্বারাহ: ১৩৭)।

ঐ ব্যক্তি ইসলাম থেকে খারিজ হবে কি? যদি তিনি মুসলিমদের সমালোচনা করে ইসলামের প্রতি ঘৃণা বা উপহাস প্রকাশ করেন, তাহলে এটি তাকে ইসলাম থেকে খারিজ হয়ে যাবে।

وَ لَئِنۡ سَاَلۡتَہُمۡ لَیَقُوۡلُنَّ اِنَّمَا کُنَّا نَخُوۡضُ وَ نَلۡعَبُ ؕ قُلۡ اَ بِاللّٰہِ وَ اٰیٰتِہٖ وَ رَسُوۡلِہٖ  کُنۡتُمۡ  تَسۡتَہۡزِءُوۡنَ- لَا تَعۡتَذِرُوۡا قَدۡ کَفَرۡتُمۡ  بَعۡدَ  اِیۡمَانِکُمۡ

‘তারা যদি তোমাদের জিজ্ঞেস করে, আমরা তো শুধু মজা করছিলাম এবং খেলা করছিলাম। (হে নবী!) আপনি বলুন, আল্লাহ, তাঁর আয়াত এবং তাঁর রাসূলের সাথে তোমরা মজা করছো? তোমরা ওযর পেশ করো না, তোমরা অবশ্যই কাফির হয়েছো’ (সূরা আত-তাওবা: ৬৫-৬৬)। যদি কেউ মুসলিমদের মধ্যে বিদ্যমান অন্যায় বা দুর্নীতির সমালোচনা করেন, তবে এটি তাকে ইসলাম থেকে খারিজ করে না। তবে এমন মন্তব্য করা উচিত নয়, যা পুরো মুসলিম জাতির জন্য দোষের কারণ হয়ে যায় বা দোষারোপ করে। হাদীছে এসেছে,  الْمُسْلِمُ ‌مِرْآةُ أَخِيْهِ ‘মুসলিম আরেকজন মুসলিমের জন্য আয়না’ (তিরমিযী, হা/১৯২৮)।

এ ধরনের মন্তব্য করা অবশ্যই গুনাহ এবং এটি সংশোধনের জন্য তওবা ও আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়া আবশ্যক।


প্রশ্নকারী: গোলাম রাব্বি, বরিশাল।





প্রশ্ন (২৬) : তারাবীহর ছালাত কয় রাক‘আত? কেউ ৮ রাক‘আত পড়ে, কেউ পড়ে ২০ রাক‘আত। কোনটি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৫) : সুন্নাত ছালাতের শেষের দু’রাক‘আতে অন্য সূরা মিলাতে হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৫) : পারিবারিক বিষয়ে ঝগড়ার এক পর্যায়ে স্বামী তার স্ত্রীকে মারধর করে এবং বলে, যা তোকে ছেড়ে দিলাম, ত্বালাক্ব, ত্বালাক্ব, ত্বালাক্ব বলে তিনবার উচ্চারণ করে। ভুল বুঝতে পেরে পরে ক্ষমা চায়। উক্ত ত্বালাক্ব কি সাব্যস্ত হয়েছে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩২) : ‘দেবর মৃত্যু সমতুল্য’ এই হাদীছের তাৎপর্য কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৬) : সউদী আরবের স্থায়ী গবেষণা ও ফাতাওয়া বোর্ড মুনাজাতের ব্যাপারে কী সিদ্ধান্ত দিয়েছে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১২) : বাবা-মা পরিবারের বড় ছেলের তুলনায় ছোট ভাই-বোনদেরকে সবকিছুই বেশি দিয়ে থাকেন। তারা মোটেও ইনছাফ করেন না। এজন্য কি তাদেরকে জবাবদিহি করতে হবে না আল্লাহ তা‘আলার কাছে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : হজ্জের সামর্থ্য বলতে কী বুঝায়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৮) : যদি কোন ব্যক্তি ত্বাওয়াফ করার সময় সন্দেহে পড়ে যে কয় চক্কর হল, তাহলে কি সাহু সেজদা দিবে? কারণ বায়তুল্লাহ্‌কে ত্বাওয়াফ করা ছালাততুল্য। - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৯) : আল্লাহর নাম কি নির্দিষ্ট সংখ্যায় সীমিত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৮) : বিকাশে লেনদেন করলে বিভিন্ন সময় ক্যাশব্যাক পাওয়া যায়। এই ক্যাশব্যাক কি গ্রহণ করা যাবে? আবার বিভিন্ন ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট থাকলে বছর শেষে চার্জ কাটা হয়। এই ব্যাংক চার্জ কি ঐ ব্যাংক থেকে প্রাপ্ত সূদের টাকা থেকে বাদ দেয়া যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪০) : যারা আল্লাহর ঘর ধ্বংস করে (মসজিদ ভেঙ্গে দেয় বা আগুনে পুড়িয়ে দেয়) ইসলামী শরী‘আতে তাদের বিধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৭) : আমি একজন অটো ড্রাইভার। অভাব-অনটনের কারণে বছর খানেক আগে NGO থেকে দুই লাখ টাকা লোন নিয়েছিলাম, যার কিস্তি এখনো চলমান। পরবর্তীতে জানতে পারি যে, সূদ ভিত্তিক লোন দেয়া-নেয়া দুটোই হারাম কাজ। এখন আমি তাওবাহ করতে চাচ্ছি। সেক্ষেত্রে কি লোন শোধ করে তাওবাহ করতে হবে, না-কি কিস্তি চলমান অবস্থায় তাওবাহ করলে হয়ে যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ