রবিবার, ০৭ Jun ২০২৬, ০৩:২০ অপরাহ্ন
উত্তর : ব্রাক ব্যাংক একটি সূদী ব্যাংক। সুতরাং তার অধীনে পরিচালিত বিকাশে সূদ থাকবে এটাই স্বাভাবিক। বিকাশে সূদ সম্পর্কে বলা হয়েছে, ‘আপনি বিকাশ একাউন্টে টাকা জমিয়ে বছরে ৪% পর্যন্ত ইন্টারেস্ট পেতে পারেন’ (বিকাশের অফিসিয়াল ওয়েব সাইট)। আর এ কথা অজানা নয় যে, ইসলামের দৃষ্টিতে সূদ ভয়ানক হারাম, ধ্বংসাত্মক কাবীরা গুনাহ এবং অভিশাপ যোগ্য অপরাধ (সূরা আল-বাক্বারাহ: ২৭৫-২৭৯)। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘হে মুমিনগণ, তোমরা বহুগুণ বৃদ্ধি করে চক্রবৃদ্ধি হারে সূদ খাবে না। আর তোমরা আল্লাহকে ভয় কর, যাতে তোমরা সফলকাম হও’ (সূরা আলে ইমরান: ১৩০)। নবী (ﷺ) সূদখোর, সূদদাতা, তার সাক্ষীদাতা ও তার লেখককে অভিসাম্পত করেছেন এবং বলেছেন, ওরা সবাই সমান’ (ছহীহ মুসলিম, হা/১৫৯৭-১৫৯৮)।

সঊদী আরবের স্থায়ী ফাতাওয়া কমিটি বলেন, ‘গীর্জাঘর, মদের কারখানা বা দোকান, সিনেমা হল, সূদী ব্যাংক বা এই ধরণের অন্য কোন অবৈধ জায়গায় চাকুরী করা বৈধ নয়’ (ফাতাওয়া আল-লাজনা আদ-দায়িমাহ, ১৪/৪৮১ পৃ.)। সুতরাং ব্র্যাকের বিকাশ শাখায় এজেন্ট হিসাবে কাজ করা বা কাস্টমার কেয়ারে চাকুরী করা বা অফিসের আইটি সেক্টরে চাকরি করা সূদী ব্যাংকের অধীনে চাকুরী করারই নামান্তর। কেননা এটা ঐ সংস্থাকে এক প্রকারের সাহায্য করা হচ্ছে। এটা যেমন হারাম তেমনি তা প্রচার-প্রসার করা, বিজ্ঞাপন দেওয়া, এ জন্য ঘর ভাড়া দেয়া, বিকাশ অ্যাপ রেফার করে বা বিকাশ অ্যাপে বার্ড নামক গেইম খেলে টাকা কামানো ইত্যাদি সবই হারাম। আল্লাহ আমাদেরকে পাপ ও সীমালঙ্ঘনের কাজে সহায়তা করতে নিষেধ করেছেন এবং বলেছেন, ‘তোমরা নেককাজ ও তাক্বওয়ায় পরস্পরকে সাহায্য কর এবং পাপ ও সীমালংঘনে একে অন্যের সাহায্য করবে না। আর আল্লাহর তাক্বওয়া অবলম্বন কর। নিশ্চয় আল্লাহ শাস্তিদানে অত্যধিক কঠোর’ (সূরা আল-মায়িদাহ: ২)। উক্ত আয়াতের ব্যাখ্যাতে ইমাম ইবনু কাছীর (রাহিমাহুল্লাহ) ও কুরতুবী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘এখানে আল্লাহ তা‘আলা মুমিন ব্যক্তিদেরকে ভালো কাজে সহযোগিতা করতে আদেশ করেছেন এবং অন্যায়, অসৎ ও হারাম কাজে সাহায্য, সহযোগিতা করতে নিষেধ করেছেন’ (তাফসীর ইবনু কাছীর, ২/১২; তাফসীরে কুরতুবী, ৬/৪৬-৪৭ পৃ.)।


প্রশ্নকারী : সাব্বির, ঢাকা।





প্রশ্ন (৩৭) : ইমু, ওয়াট্সআপ ও ভয়েস মেসেজে কেউ সালাম জানালে এর উত্তর দেয়া কি ওয়াজিব? উত্তর দিতে হলে কিভাবে দিবে এবং কখন দিবে? সালাম দাতাকে ভয়েস মেসেজে বা লিখে দিতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৪) : সফরে গমনকালে বাড়ীতেই যোহর ও আছর ছালাত একসাথে জমা করে আদায় করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : জনৈক আলেম বলেন, শিশুদের নিয়মিত ঝাড়ফুঁক করলে কান্নাকাটি কম করে। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৫) : জুমু‘আর দিন অনেকে মুছল্লীদের খিচুড়ি খাওয়ায়। এর ফলে মসজিদে অনেক হৈচৈ হয়। মসজিদে এরূপ করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৮) : মুসলিম সরকারের শরী‘আত বিরোধী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সেদেশের মুসলিম নাগরিকদের করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৯) : কেমন ব্যক্তি চাঁদ দেখার সাক্ষী দিলে ছিয়াম রাখা যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৯) : অনেক সময় শিশুদের আনন্দ দেয়ার জন্য বলা হয় ‘আয় আয় চাঁদ মামা টিপ দিয়ে যা; চাঁদের কপালে চাঁদ টিপ দিয়ে যা’। এমন শব্দগুলো বললে কোন গুনাহ হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১০) : ক্বিবলার দিকে মুখ করে অথবা ক্বিবলাকে পিছন দিকে রেখে পেশাব-পায়খানা করা নিষেধ। কিন্তু অনেক টয়লেট ক্বিবলার দিকে মুখ করে বা কিবলাকে পিছনে করে তৈরি করা আছে। এধরনের টয়লেট ব্যবহার করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩) : কাউকে শরী‘আত মোতাবেক চলতে বললে বা হাদীছের উপর আমল করতে বললে নানা অজুহাত পেশ করে তা প্রত্যাখ্যান করে। আরো বলে, আমরা সমস্ত হাদীছ মানতে বাধ্য নই। এ ধরনের লোকের পরিণাম কী হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩১) : ক্বদরের রাত্রে সারা রাত নফল ছালাত আদায় করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২০) : ঈদের দিনে কুরবানীর পশুর রক্ত ঝরানোর চেয়ে আল্লাহর নিকট অধিক পসন্দনীয় কোন আমল নেই। সে ক্বিয়ামত দিবসে উক্ত পশুর শিং, খুর, লোম প্রভৃতি নিয়ে উপস্থিত হবে এবং তার রক্ত যমীনে পড়ার পূর্বেই আল্লাহর নির্ধারিত মর্যাদার স্থানে পতিত হয়। অতএব তোমরা প্রফুল্লচিত্তে কুরবানী কর’। হাদীছটি কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৫) : মৃত ব্যক্তির নামে কুরবানী করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ