বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫, ০১:৫০ অপরাহ্ন
উত্তর : না, দাদার আগে ছেলে মারা গেলে নাতিরা কোন সম্পত্তির ভাগ পাবে না। কেননা সম্পদের অংশ বণ্টনের বিষয়টি এরূপ যে, একজনের উপস্থিতিতে অন্যজন অংশ হতে বঞ্চিত হয়। যেমন ছেলের উপস্থিতিতে ছেলের ছেলে বঞ্চিত হয় (ফিক্বহুস সুন্নাহ, ৪র্থ খণ্ড, পৃ. ৩৪৪)। অনেক সময় একজনের উপস্থিতিতে অন্যজন সম্পদ কম পায়। যেমন- স্ত্রী স্বামীর সম্পদের চার ভাগের এক ভাগ পায়। তবে স্বামীর কোন ছেলে-মেয়ে থাকলে আট ভাগের এক ভাগ পায় (সূরা আন-নিসা : ১২)। আবার ছেলে-মেয়ে থাকলে মা পায় ৬ ভাগের এক ভাগ আর ছেলে-মেয়ে না থাকলে ৩ ভাগের এক ভাগ (সূরা আন-নিসা : ১২)। তবে প্রশ্নে উল্লেখিত অবস্থায় দাদা তার নাতির জন্য অছিয়ত করে যেতে পারে (ফাতাওয়া আল-লাজনা আদ-দায়েমাহ, ১৬তম খণ্ড, পৃ. ৩২২)।


প্রশ্নকারী : মাইদুল ইসলাম, রাজশাহী।





প্রশ্ন (৩০) : পুরুষ লোকের দুই হাত ও দুই পায়ে মেহেদী দিতে পারবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৫) : বিতর ছালাত ছুটে গেলে করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১) : ক্যারাম বোর্ড খেলা কি হারাম? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : কোন্ ব্যক্তি ছিয়ামের ফিদইয়া দিবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : জনৈক মসজিদের ইমাম বলেন, আমাদের রাসূল (ﷺ) মারা যাননি, তিনি কবরে জীবিত আছেন। তিনি মানুষের কথা শুনেন এবং হাজাত পূরণ করেন। রাসূল (ﷺ) সম্পর্কে তার এই ভ্রান্ত বিশ্বাস পোষণের কারণে তার পিছনে ছালাত পড়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৭) : জনৈক মুফতি বলেন, নবী (ﷺ)-এর কবরের মাটি আল্লাহর আরশ থেকেও শ্রেষ্ঠ। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১০) : ‘কতক ক্বারীকে কুরআন লা‘নত করে’। এ মর্মে কোন ছহীহ হাদীছ আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪) : মৃত ব্যক্তির উদ্দেশ্যে যদি দান-ছাদাক্বাহ করা যায়, তাহলে তার উদ্দেশ্যে মানুষ খাওয়ানো যাবে না কেন? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২) : কোন বিদ‘আতী মারা গেলে তার জন্য দু‘আ করা এবং তার প্রশংসা করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২) : মসজিদুল হারাম ও মসজিদে নববীর লাইভ আযানের উত্তর দিলে তার ছওয়াব পাওয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২১) : অমুসলিমদের সাথে ব্যবসা করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৩) : জনৈক লেখক তার বইয়ে লিখেছেন যে, আশূরার দিনেই আদম (আলাইহিস সালাম)-এর তাওবা কবুল হয়েছে, নূহ (আলাইহিস সালাম)-এর নৌকা যেদিন জূদী পাহাড়ে থেমেছিল, এই দিনেই ইউনুস (আলাইহিস সালাম)-এর দু‘আ কবুল হয়েছিল। উক্ত দাবী কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ