শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ০১:৪৮ অপরাহ্ন
উত্তর : হাদীছ বা সুন্নাহ হচ্ছে শরী‘আতের মূল উৎসের অন্যতম, যা কুরআনের ব্যাখ্যা। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, وَأَنْزَلْنَا إِلَيْكَ الذِّكْرَ لِتُبَيِّنَ لِلنَّاسِ مَا نُزِّلَ إِلَيْهِمْ وَلَعَلَّهُمْ يَتَفَكَّرُوْنَ ‘আর আমরা আপনার প্রতি ‘যিকর’ নাযিল করেছি মানুষকে ব্যাখ্যা করে দেয়ার জন্য, যা তাদের প্রতি নাযিল করা হয়েছে। যাতে তারা চিন্তা-গবেষণা করে’ (সূরা আন-নাহল : ৪৪)। অনুরূপভাবে আল্লাহ নিজেই তার বর্ণনা দিয়েছেন, যা নবী করীম (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে প্রকাশ পেয়েছে। তিনি বলেন, وَمَا يَنْطِقُ عَنِ الْهَوَى- إِنْ هُوَ إِلَّا وَحْيٌ يُوحَى ‘রাসূল নিজে হতে কিছুই বলেন না। কেবল সেটাই বলেন, যা তার নিকট ওহী করা হয়’ (সূরা আন-নাজম : ৩-৪)। এছাড়া রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজেও বলেছেন যে, তাকে কুরআন ও কুরআনের মত একটি কিতাব দেয়া হয়েছে (আবূ দাঊদ, হা/৪৬০৪, সনদ ছহীহ; মিশকাত, হা/১৬৩, সনদ ছহীহ)। পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সমস্ত মুসলিমের ইজমা হয়েছে এ মর্মে যে, সুন্নাহ তথা হাদীছ দ্বীনের হুযযাত এবং শারঈ বিধানের এমন প্রমাণ, যার দ্বারা আমলগত বিধান সাব্যস্ত হয়। শুধু তাই নয়, কুরআনের সংরক্ষণ নির্ভরশীল সুন্নাহর সংরক্ষণের ওপর। কেননা তা (সুন্নাহ) তার (কুরআন) জন্য ব্যাখ্যাদাতা ও স্পষ্টকারী। তাই অধিকাংশ আহলুল ইলম বলেছেন যে, আল্লাহ সুন্নাহ হেফাযাত করেন তেমনি, যেমন হেফাযাত করেন কুরআন। আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন, إِنَّا نَحْنُ نَزَّلْنَا الذِّكْرَ وَإِنَّا لَهُ لَحَافِظُوْنَ ‘আমরা যিকর নাযিল করেছি এবং আমরাই এর হেফাযতকারী’ (সূরা আল-হিজর : ৯)। এখানে ‘যিকর’ শব্দটি কুরআন ও সুন্নাহ উভয়কে শামিল করে (সূরা আন-নাহল : ৪৪; ফাতাওয়া আশ-শাবাকাতিল ইসলামিয়াহ, ৪র্থ খণ্ড, পৃ. ৮৪৮১)।

প্রশ্নকারী : যিয়াউর রহমান, টাঙ্গাইল।




প্রশ্ন (২৩) : কেউ যদি নিজের চাকরি বা অন্য কোন ব্যস্ততার কারণে রামাযানের শেষ দশ দিন ই‘তিকাফ না করতে পারে, তাহলে একদিন বা দুই অর্থাৎ কম সময় ই‘তিকাফ করতে পারবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১০) : গর্ভধারণের প্রথম মাসগুলোতে (১/৩) রূহ ফুঁকে দেয়ার পূর্বে গর্ভপাত করার হুকুম কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১২) : একই রাতে দুইবার বিতর পড়া যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৮) : কোন্ অবস্থায় ছাদাক্বাহ করলে নেকী বেশী পাওয়া যায়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩) : জনৈক ব্যক্তি সোমবার ও বৃহস্পতিবার নফল ছিয়াম পালন করে। কিন্তু কখনো ইচ্ছাকৃতভাবে আবার কখনো স্ত্রী সহবাসের মাধ্যমে উক্ত ছিয়াম ভেঙ্গে ফেলে। এমতাবস্থায় সে কি গুনাহগার হবে কিংবা এ জন্য কি কাফফারা দিতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৯) : মৃত ব্যক্তির নামে ইফতার মাহফিল করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৭) : ইজমা ও ক্বিয়াসের হুকুম কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৩) : ক্বাযা ছালাতের সুন্নাত আদায় করতে হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৫) : জনৈক আলেম বলেছেন যে, যঈফ হাদীছ মানা যাবে যদি তা সমাজের উপকার হয়। উক্ত দাবী কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৭) : জনৈক মুফতি বলেন, যে নিছাব পরিমাণ সম্পদের মালিক তার উপর কুরবানী ওয়াজিব। অন্যথা কুরবানী করা লাগবে না। এর অর্থ হল, তার কাছে সাড়ে সাত ভরি স্বর্ণ বা তার সমপরিমাণ জমানো টাকা থাকা লাগবে। এই ফৎওয়া অনুযায়ী অনেকেই তো কুরবানী করা থেকে বঞ্চিত হবে। উক্ত ফৎওয়া কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৭) : জনৈক ব্যক্তি বলেন, ছেলে-মেয়ে ও নারী-পুরুষ উভয়ের জন্য বগলের লোম তুলে ফেলতে হবে, ব্লেড ব্যবহার করা যাবে না। এই দাবী কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪৩) : দাড়ি রাখা সুন্নাত না ওয়াজিব? এটি না রাখার পরিণতি কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ