রবিবার, ০৭ Jun ২০২৬, ০১:০১ অপরাহ্ন
উত্তর : রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বা তাঁর ছাহাবীগণ তাওহীদকে উক্ত শ্রেণীতে ভাগ করেননি। কারণ বিশ্বাস তথা ঈমানের এমন ধরণের একটি মূলনীতিকে চুলচেরা বিশ্লেষণ করার প্রয়োজনীয়তা তখন বিশেষভাবে অনুভূত হয়নি। তথাপি কুরআন, রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এবং ছাহাবীগণের ব্যাখ্যামূলক বর্ণনা দ্বারা তাওহীদের শ্রেণীবিভাগগুলোর ভিত্তিমূল দৃঢ়ভাবে স্থাপিত হয়েছে। ছাহাবীগণের সময় থেকে বাতিল ধর্মমত ও বিভিন্ন দর্শনের কুপ্রভাবে মুসলিমদের ঈমান ও আক্বীদায় বিভ্রান্তি ছড়িয়েছে। ফলে প্রকারন্তরে ইসলামের বিশুদ্ধ ও নির্ভেজাল তাওহীদের উপর আক্রমণের সূত্রপাত ঘটে। অন্যদিকে কতিপয় ব্যক্তি বাহ্যিকভাবে ইসলাম গ্রহণ করে গোপনে ইসলামকে ধ্বংস করার প্রয়াস পায়, কারণ তারা সামরিক শক্তি প্রয়োগের দ্বারা ইসলামের প্রচার ও প্রসারকে বাধা দিতে অক্ষম ছিল। এ দলটি ঈমানের প্রথম ভিত্তি তাওহীদকে ধ্বংস করার মাধ্যমে পুরো ইসলামকেই নিশ্চিহ্ন করার উদ্দেশ্যে মুসলিম জনগণের মধ্যে গোপনে গোপনে আল্লাহ সম্পর্কে বিকৃত ও ধ্বংসাত্মক মতবাদ প্রচারে লিপ্ত হয়। মূলত এসব ভ্রান্ত ফের্কার ভ্রান্ত আক্বীদা থেকে আত্মরক্ষার উপকরণ হিসাবে তাওহীদের শ্রেণী বিন্যাস ও পরিভাষার অভ্যুদয় ঘটে (তাওহীদের মূল নীতিমালা, পৃ. ১৮-২১)। যার কারণে কুরআনের এজাতীয় অসংখ্য বর্ণনা ও ছাহাবী-তাবিঈগণের তাফসীরের আলোকে পরবর্তীতে ‘তাওহীদ’-কে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে (মাদারিজুস সালিকীন বাইনা মানাযিলি ইয়্যাকা না‘বূদু ওয়া ইয়্যাকা নাসতাঈন, ১ম খণ্ড, পৃ. ৩৩; শারহুল আক্বীদা আত-ত্বহাবীয়া, পৃ. ৭৭; ফাতহুল মাজীদ শারহু কিতাবিত তাওহীদ, পৃ. ১৭)।


প্রশ্নকারী : মুহাম্মাদ, ওয়ারী, ঢাকা।





প্রশ্ন (৫) : আল্লাহ চিরস্থায়ী। কিন্তু যেসকল মানুষ শিরক করে মারা যায় তারা তো চিরস্থায়ী জাহান্নামী এবং যারা প্রকৃত মুসলিম তারা চিরস্থায়ী জান্নাতী। তাহলে আল্লাহর চিরস্থায়ীত্বের সাথে মানুষের স্থায়িত্ব তুলনা করা শিরক হবে কি? এখানে স্রষ্টা ও সৃষ্টির মধ্যে কোন পার্থক্য থাকল না। - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩২) : ছুটে যাওয়া বিতর ছালাত সূর্য উঠার পর বা দিনের বেলায় পড়লে কিভাবে পড়তে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪) : তাবলীগ জামাতের লোকেরা বলে, জীবনে অন্তত তিন চিল্লা দিতে হবে। এ সময় আহাল-পরিবার ছেড়ে যেতে হয়। এভাবে চিল্লা দেয়া কি জায়েয? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৮) : একজন স্বামী রাগের মাথায় বলে- ‘তোমাকে ডিভোর্স, তোমার ১৪ গুষ্টিকে ডিভোর্স’। কিন্তু স্বামীর ত্বালাক্ব দেয়ার কোন নিয়ত (ইচ্ছা) ছিল না। সে কথাগুলো শুধু রাগ ও গালির ভাষায়, ত্বালাক্বের উদ্দেশ্য ছাড়া উচ্চারণ করেছে। স্বামী জানে যে, ‘তোমাকে ত্বালাক্ব দিলাম’- এই কথা নিয়তসহ বললে তবেই ত্বালাক্ব হয়। ইংরেজিতে ডিভোর্স, বললে হয় না। এখন প্রশ্ন হলো- এই অবস্থায় স্বামীর উক্তি ‘তোমাকে ডিভোর্স, তোমার ১৪ গুষ্টিকে ডিভোর্স’। বলার মাধ্যমে তাদের মধ্যে ত্বালাক্ব সংঘটিত হয়েছে কি না? যদি হয়, তাহলে কয়টা হয়েছে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : ‘তোমরা রাতের বেলায় রাস্তার মধ্যভাগে অবস্থান নেয়া থেকে সাবধান থাক। কেননা উহা হল, সাপ ও হিংস্র প্রাণীদের আশ্রয়স্থল’ মর্মে বর্ণিত হাদীছ কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৩) : হজ্জের সময় নারীরা ঋতুবতী হয়ে পড়লে করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৫) : এশার ছালাতের সঠিক সময় কখন? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২১) : পড়ার জন্য আমার সংগ্রহে অনেক বইয়ের পিডিএফ আছে। আমি জানি না যে, প্রকাশনী বা লেখক থেকে এগুলোর অনুমোদন আছে কি নেই। যদি না থাকে তাহলে সেগুলো পড়া বা সংগ্রহে রাখা কি গুনাহ হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৪) : ছালাতে আমীন বলতে হবে ইমামের সাথে, না-কি ইমামের পরে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৫) : জন্মের পর পরেই একটি ছেলেকে একজন দত্তক হিসাবে নিয়ে নেয়। ঐ ব্যক্তি তার বাবা-মায়ের নাম জানতে পারেননি। এখন কিভাবে তার পরিচয় দিবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১২) : ‘যে ব্যক্তি বিয়ে করল সে তার দ্বীনদারীর অর্ধেক পূর্ণ করল’। এমন কথা কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৬) : ছহীহ হাদীছ মেনে চলার কারণে কলেজের অন্যান্য ছাত্রীরা তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করে থাকে এবং দ্বীনের দাওয়াতকে উপহাস করে। তাদের কাছ থেকে দূরে থাকা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ