রবিবার, ০৭ Jun ২০২৬, ০৩:০২ অপরাহ্ন
উত্তর : আল্লাহ তা‘আলা অমুসলিমদের দুই ভাগে বিভক্ত করেছেন। তিনি বলেন, ‘যারা দ্বীনের ব্যাপারে তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে না এবং তোমাদেরকে স্বভূমি হতে বহিষ্কার করার চেষ্টা করে না, তাদের প্রতি মহানুভবতা প্রদর্শন ও ন্যায়বিচার করতে আল্লাহ তোমাদেরকে নিষেধ করেন না। নিশ্চয় আল্লাহ ন্যায়পরায়ণদেরকে ভালোবাসেন। পক্ষান্তরে আল্লাহ শুধু তাদের সাথে বন্ধুত্ব করতে নিষেধ করেন, যারা দ্বীনের ব্যাপারে তোমাদের সাথে যুদ্ধ করেছে, তোমাদেরকে স্বদেশ থেকে বহিষ্কার করেছে এবং তোমাদের বহিষ্করণে সহযোগিতা করেছে। তাদের সাথে যারা বন্ধুত্ব করে, তারাই তো অত্যাচারী’ (সূরা আল-মুমতাহিনাহ : ৮-৯)। এখানে আল্লাহ তা‘আলা কাফিরদের দু’টি অবস্থা বর্ণনা করেছেন। যথা:

১-এমন কাফির যারা দ্বীন ইসলামের কারণে মুসলিমদের সাথে শত্রুতা ও বিদ্বেষ রাখে না এবং এর ভিত্তিতে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে না। তারা তোমাদের সাথে এমন আচরণও করে না যে, তোমরা হিজরত করতে বাধ্য হয়ে যাও। তারা মুসলিমদের বিরুদ্ধে অন্যান্য কাফিরদেরকে কোন প্রকার সাহায্য-সহযোগিতাও করে না, না পরামর্শ দিয়ে, আর না অস্ত্রশস্ত্র দিয়ে। এই ধরনের কাফিরদের সাথে অনুগ্রহ প্রদর্শন এবং সুবিচারপূর্ণ আচরণ করা নিঃসন্দেহে জায়েয। তাদের সাথে পার্থিব লেনদেন ও আচার-ব্যবহার বিষয়ক নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। যেমন, আসমা বিনতে আবী বাকর (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা)) তাঁর মুশরিক মায়ের সাথে সদ্ব্যবহার করা সম্পর্কে নবী (ﷺ)-কে জিজ্ঞাসা করলে, তিনি বললেন, صِلِىْ أُمَّكِ ‘তোমার মায়ের সাথে সদ্ব্যবহার কর’ (ছহীহ বুখারী, হা/২৬২০, ৩১৮৩, ৫৯৭৮, ৫৯৮৯; ছহীহ মুসলিম, হা/১০০৩; আবূ দাঊদ, হা/১৬৬৮)।

২- পক্ষান্তরে যে সমস্ত কাফিরের মধ্যে পূর্বোক্ত গুণাবলীগুলো থাকবে না, বরং যারা এর বিপরীত আচরণ করে, তাদের সঙ্গে সৌহার্দপূর্ণ আচরণ করা যাবে না এবং তাদের সঙ্গে আদান-প্রদান ও বন্ধুত্ব স্থাপনও করা যাবে না। যেমন আল্লাহ্ তা‘আলা বলেছেন, ‘হে বিশ্বাসীগণ! তোমরা ইয়াহুদী ও খ্রিষ্টানদেরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না। তারা একে অপরের বন্ধু। তোমাদের মধ্যে কেউ তাদেরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করলে সে তাদেরই একজন হিসাবে গণ্য হবে। নিশ্চয় আল্লাহ্ অত্যাচারী সম্প্রদায়কে সৎপথে পরিচালিত করেন না’ (সূরা আল-মায়িদাহ : ৫১)। সুতরাং মুসলিম বিদ্বেষী ও সাম্প্রদায়িক অমুসলিমদের সঙ্গে আদান-প্রদান করা থেকে সম্পূর্ণরূপে বিরত থাকতে হবে।


প্রশ্নকারী : মুবারক, চিরিরবন্দর, দিনাজপুর।





প্রশ্ন (১৩) : ইসলামে বান্দার হক্ব তথা হাক্বুল ইবাদের ক্ষেত্রে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। এখন কেউ যদি ঘুষ খায়, তাহলে তো বান্দার হক্ব সরাসরি বিনষ্ট হল। আর বান্দার হক্ব নষ্ট করলে, তা সেই বান্দার নিকট গিয়ে ক্ষমা চাইতে হয়। এখন ঘুষ খেলে তো পুরো দেশবাসীর নিকটই ক্ষমা চাইতে হবে! এমতাবস্থায় সে ব্যক্তির ব্যাপারে ক্বুরআন ও হাদীছের ফায়সালা কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২১) : ‘লা-ইলাহা ইল্লাল্লা-হু’ কিভাবে তাওহীদের সকল প্রকারকে অন্তর্ভুক্ত করে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২০) : মুহাম্মাদ (ﷺ) দিনের কোন্ কোন্ সময় ঘুমাতেন? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১১) : পাইলস, অর্শ, ভগন্দর রোগের কারণে তেল বা মলম ব্যবহার করলে ছিয়ামের কোন ক্ষতি হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৭) : ‘রাহে বেলায়েত’ নামক বইয়ের ৮৯ পৃষ্ঠায় উল্লেখ রয়েছে যে, বেশি বেশি সুবহানাল্লাহ, আলহামদুল্লাহ, আল্লাহু আকবার পড়লে মুনাফিক হতে মুক্তি পাওয়া যায় (নাসাঈ ৬/২১০)। উক্ত বর্ণনা ছহীহ কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৫) : যদি কারো মা তার দেবরের সামনে শরী‘আহ মোতাবেক পর্দা না করে এবং ছেলের বাবা তাকে কিছু না বলে, তাহলে ছেলে কি দাইয়ূছ হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৮) : জনৈক ব্যক্তি স্টুডেন্ট ভিসা নিয়ে প্রবাসে থাকে। প্রতি সপ্তাহে ২৪ ঘণ্টা কাজের অনুমতি থাকলেও রাত জেগে সে ২টা কাজ করে। এছাড়া হুন্ডির মাধ্যমে দেশে টাকা পাঠায়। প্রশ্ন হল- এইভাবে কাজ করা বা টাকা পাঠানো কি হারাম হচ্ছে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১১) : ইসলামী রাজনীতিতে ন্যায়বিচার (العدل) ও জবাবদিহিতা (المحاسبة) কীভাবে নিশ্চিত করা হয়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১) : ফরয ছালাতের পর সম্মিলিতভাবে মুনাজাত করার ব্যাপারে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ আলেমগণের অভিমত জানতে চাই। - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৫) : মেয়ের বিয়ের পরে পিতা তাকে শাসন করতে পারবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : স্ত্রীর বোন বা শালীর সাথে অপকর্মে লিপ্ত হলে স্ত্রী কি ত্বালাক্ব হয়ে যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৮) : জনৈক খত্বীব বলেছেন, আব্দুল কাদের জিলানীর কারণে বাগদাদ শহরের সব কবরের আযাব মাফ হয়ে গেছে। উক্ত দাবী কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ