রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:০৬ পূর্বাহ্ন
উত্তর : কিডনি যে পদ্ধতিতেই ডায়ালাইসিস করা হোক এতে ছিয়াম ভেঙ্গে যাবে। কারণ এ পদ্ধতিতে শরীরকে বিশুদ্ধ রক্ত এবং পুষ্টিকর উপাদান সরবরাহ করা হয়ে থাকে। আর এই দু’টি জিনিস-ই ছিয়াম ভঙ্গ করে। যেহেতু কিডনী ডায়ালাইসিস বা পরিষ্কার করার জন্য রক্ত বের করে তা কেমিক্যাল পদার্থ, পুষ্টি দানকারী উপাদান যেমন চিনি, লবণ ইত্যাদির সাথে মিশিয়ে আবারো কিডনীতে প্রবেশ করানো হয়, তাই তা ছিয়াম ভঙ্গকারী বিষয় বলে গণ্য হবে (মাজমূঊ ফাতাওয়া ইবনে বায, ১৫/২৭৪-২৭৫; ফাতাওয়া আল-লাজনা আদ-দায়িমাহ, ১০/১৮৯ পৃ.)। এ প্রসঙ্গে শায়খ উছাইমীন (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘আমাদের জানা উচিত যে রোগী দুই প্রকার। যথা :
(ক) এমন রোগী যার রোগমুক্তির আশা করা যায়। যেমন সাময়িক রোগ যা থেকে আরোগ্য লাভের আশা করা যায়। এ শ্রেণীর রোগীর হুকুম সম্পর্কে আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন, ‘তবে তোমাদের মধ্যে কেউ অসুস্থ হলে বা সফর অবস্থায় থাকলে অন্য দিনে এ সংখ্যা পূরণ করে নেবে’ (সূরা আল-বাক্বারাহ : ১৮৪)। এ শ্রেণীর রোগী সুস্থতার জন্য অপেক্ষা করতে থাকবে। এরপর সুস্থ হয়ে ছিয়াম পালন করবে। আর যদি সুস্থ হওয়ার আগেই সে মারা যায়, তবে তার উপর কোন কিছু বর্তাবে না। অর্থাৎ তার পক্ষ থেকে ক্বাযা আদায় করতে হবে না। কারণ আল্লাহ তা‘আলা তার উপর অন্য দিনগুলোতে ছিয়ামের ক্বাযা আদায় করা ফরয করেছিলেন। কিন্তু সে সুযোগ পাওয়ার আগেই সে মারা গেছে।
(খ) এমন রোগী যার রোগ স্থায়ী। যেমন ক্যান্সার, কিডনির সমস্যা, ডায়াবেটিকস বা এধরণের অন্যান্য স্থায়ী রোগ যা থেকে রোগীর আরোগ্য লাভের আশা করা যায় না। এ শ্রেণীর রোগী রামাযান মাসে ছিয়াম পালন বর্জন করতে পারবে এবং প্রতিদিনের ছিয়ামের বদলে একজন মিসকীন খাওয়ানো তার উপর আবশ্যক হবে। ঠিক যেমন অতিশয় বৃদ্ধ এবং বৃদ্ধা যারা ছিয়াম পালনে সক্ষম নয় তারা ছিয়াম না রেখে প্রতিদিনের বদলে একজন মিসকীন খাওয়ান। এর সপক্ষে কুরআনের দলীল হচ্ছে, ‘আল্লাহ্ তা‘আলার বাণী : আর যাদের জন্য ছিয়াম রাখা কষ্টকর হবে, তাদের কর্তব্য হল এর পরিবর্তে ফিদইয়া স্বরূপ একজন মিসকীনকে খাদ্য প্রদান করা’ (সূরা আল-বাক্বারাহ : ১৮৪; ফাতাওয়াছ ছিয়াম, পৃ. ১১১)।

প্রশ্নকারী : আব্দুল রাকীব, মেহেরপুর।





প্রশ্ন (৪৭) : ফরয কিংবা নফল ছালাতে যে সমস্ত জায়গায় দু‘আ করা হয়, সে সব জায়গায় কুরআনের দু‘আমূলক আয়াত পরা যাবে কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : জেহরী ছালাতে ইমাম আমীন বলতে ভুলে গেলে বা ইচ্ছাকৃতভাবে না বললে মুক্তাদীগণের আমীন বলতে হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৯) : স্বামী তার স্ত্রীকে বিবাহের মোহর আদায় করেনি এমতাবস্থায় স্ত্রী মারা গিয়েছে, এখন স্বামীর জন্য করণীয় কী? ঐ ধার্যকৃত মোহরের টাকা স্বামী কী করবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩০): বন্ধুদের মাঝে দাওয়াতি কাজ করতে চাইলে কোথা থেকে শুরু করতে হবে এবং কোন্ বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৪) : ইবাদতের মধ্যে বিদ‘আত প্রবেশ করলে সম্পূর্ণ আমল কি বাতিল হয়ে যাবে? না-কি যে অংশে বিদ‘আত প্রবেশ করেছে সেটুকু বাতিল হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : বেহেস্তী যেওরের মধ্যে আশরাফ আলী থানভী লিখেছেন, কোন মহিলার স্বামী নিখোঁজ হয়ে গেলে ৯০ বছর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে, অতঃপর স্ত্রী অন্যত্র বিবাহ করতে পারবে। উক্ত দাবী কি সঠিক? এক্ষেত্রে শরী‘আতের বিধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৫) : মসজিদের নাম পাগলা মসজিদ বলে পরিচিত। হাজার হাজার মানুষ মনের বাসনা পূরণের জন্য সেখানে লক্ষ লক্ষ টাকা দান করে, মানত করে। প্রতিমাসে কোটি টাকা ছাড়িয়ে যায়। এমন মসজিদে দান করা যাবে কি? আর এভাবে ‘পাগলা মসজিদ’ নামে নামকরণ করা কি শরী‘আত সম্মত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৩) : আঁটসাঁট পোশাকে ছালাত পড়ার হুকুম কী? যে ব্যক্তি আঁটসাঁট পোশাক পরেন সে কি ইমামতি করতে পারেন? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৩) : ত্বাহারাত শব্দের আভিধানিক ও পারিভাষিক অর্থ কী? কোন্ কোন্ পানি দ্বারা তাহারত জায়েয এবং নাজায়েয? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৫) : মাগরিবের সময় বাচ্চাকে বাইরে থাকলে বদ নযর লাগে, কান্নাকাটি করে ও বাচ্চাদের ক্ষতি হয় ইত্যাদি। উক্ত ধারণা কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১২) : আমি সুন্নাত ছালাত বাসায় আদায় করে মসজিদে গিয়ে ফরয আদায় করি। মসজিদে পৌঁছানোর পর যদি দেখি জামা‘আত শুরু হতে ৪/৫ মিনিট বাকি আছে, তাহলে কি দু’রাক‘আত ছালাত পড়ে বসব, না-কি জামা‘আত শুরু অবধি দাঁড়িয়ে থাকব? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৫) : রাসূল (ﷺ) মক্কা বিজয়ের আগে মূর্তি থাকা অবস্থায় কা‘বার পাশে ছালাত আদায় করেছেন মর্মে বক্তব্য কি সঠিক? উল্লেখ্য যে, জানা যায় যে, মক্কা বিজয়ের আগে কা‘বা ঘরের ভিতরে ৩৬০টি মূর্তি ছিল। - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ