শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ০১:৫০ অপরাহ্ন
উত্তর : বদ নযর একটি সাধারণ ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক বিশ্বাস। ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃতভাবে হিংসা বা বিদ্বেষের দৃষ্টিতে তাকালে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে। এই দৃষ্টির ফলে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি বা বস্তুতে অস্বাভাবিক সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে, যেমন শারীরিক অসুস্থতা, মানসিক অশান্তি, কর্মে বাধা ইত্যাদি। ইসলামে বদ নযর থেকে সৃষ্ট ক্ষতির কথা উল্লেখ আছে। নবী মুহাম্মাদ (ﷺ) বলেছেন, ‘নযর বা দৃষ্টি একটি সত্য’। অর্থাৎ এর সত্যতা আছে এবং এটি মানুষের উপর প্রভাব ফেলতে পারে। সুরা আল-ফালাক্ব এর ৫ নং আয়াতে বদ নজর থেকে আশ্রয় চাওয়ার কথা বলা হয়েছে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘আর আমি আশ্রয় চাই হিংসুকের অনিষ্ট থেকে, যখন সে হিংসা করে’ (সূরা আল-ফালাক্ব: ৫)। নবী মুহাম্মাদ (ﷺ) বলেন, الْعَيْنُ حَقٌّ وَلَوْ كَانَ شَىْءٌ سَابَقَ الْقَدَرَ سَبَقَتْهُ الْعَيْنُ ‘নযর (বদ নযর) সত্য; যদি কিছু জিনিস তাকদীরের বাইরে থাকত, তবে তা নযর দ্বারা আক্রান্ত হত’ (ছহীহ মুসলিম, হা/২১৮৮)। অন্য একটি হাদীছে এসেছে, তিনি বলেছিলেন, ‘নযর একটি সত্য বিষয়’ (ছহীহ বুখারী, হা/৫৭৪০)। বদ নযর থেকে বাঁচার জন্য নবী করিম (সাঃ) আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাইতে বলেছেন (ছহীহ বুখারী, হা/৫৭৩৮)।

বদ নযরে আক্রান্ত হলে মানুষের শারীরিক ও মানসিক অসুস্থতা দেখা দেয়। বদ নযরের লক্ষণগুলো হল: হঠাৎ করে দুর্বলতা অনুভব করা, কাজকর্মে ব্যাঘাত হওয়া, অবসাদ ও ক্লান্তি বৃদ্ধি পাওয়া, মানসিক বিষণ্নতা বা উদ্বেগ, শারীরিক বিভিন্ন অসুস্থতা দেখা দেয়া ইত্যাদি। ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী বদ নযর থেকে বাঁচার জন্য কিছু দু‘আ ও আমল রয়েছে। যথা: সূরা আল-ফালাক্ব ও সূরা আন-নাস পড়া। সকালে ও সন্ধ্যায় তিনবার করে ‘আউযু বিকালিমাতিল্লাহিত তাম্মাতি মিন শাররি মা খালাক’ পড়া (ছহীহ বুখারী, হা/৫৭৩৮; ছহীহ মুসলিম, হা/৫৬৪২)।


প্রশ্নকারী : আব্দুল আহাদ, পাবনা।





প্রশ্ন (১৮) : আড়াই মাসের গর্ভবতী হঠাৎ করে রক্তপাত শুরু হলে বাচ্চা নষ্ট হয়ে যায়। এখন তার ছালাতের মাসআলা কী হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : মৃত্যু যন্ত্রণা কি গুনাহগুলোকে হালকা করবে? অনুরূপভাবে রোগ-বিমার কি গুনাহকে কিছুটা লাঘব করে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩২) : ছালাতে সিজদা থেকে উঠে দাঁড়ানোর পর যদি সন্দেহ হয় একটা সিজদা হয়েছে না-কি দু’টি সিজদা হয়েছে? এক্ষেত্রে করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৯) : ‘ষাট বছরের জীবনে কেউ এক ওয়াক্ত ছালাত ছেড়ে দিলেও সে কাফের’। সালাফদের থেকে এরকম কোন বক্তব্য পাওয়া যায় কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৩) : আহলে বাইত বলতে কাদেরকে বুঝানো হয়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৩) : ইসলামে মূর্তি পূজা করা নিষেধের দলীল কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১০) : বদ নযর কি সত্য? আর যদি বদ নযর লেগেই যায়, তাহলে তা থেকে পরিত্রাণের উপায় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : ধুমপান নিষিদ্ধ হওয়ার কারণ কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪১) : বর্তমানে আহলেহাদীছদেরকে বিভিন্নভাবে নির্যাতন করা হচ্ছে এবং বিভিন্ন স্থানে তাদের মসজিদ ভেঙ্গে দেয়া হচ্ছে, বন্ধ করে দেয়া হচ্ছে। আহলেহাদীছদের পরিচয় এবং তাদের মৌলিক নিদর্শনগুলো কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪১) : আহলে কিতাবদের সবাই কাফির হওয়া সত্ত্বেও কেন তাদের কন্যাদের সাথে মুসলিম পুরুষদের বিবাহ জায়েয? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৬) : হাদীছে এসেছে, রাসূল (ﷺ) সূরা ফালাক্ব ও সূরা নাস পড়ে দুই হাতের তালুতে ফুঁ দিয়ে সারা শরীর মাসাহ করতেন। কিন্তু অনেকে বুকে ফুঁ দেয়। প্রশ্ন হল- সূরা ফালাক্ব ও সূরা নাস পড়ে বুকে ফুঁ দেয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৭) : সাত আসমানে সাতজন মুহাম্মাদ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আছেন। এই দাবী কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ