রবিবার, ০৭ Jun ২০২৬, ০৫:০৯ অপরাহ্ন
উত্তর : বদ নযর একটি সাধারণ ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক বিশ্বাস। ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃতভাবে হিংসা বা বিদ্বেষের দৃষ্টিতে তাকালে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে। এই দৃষ্টির ফলে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি বা বস্তুতে অস্বাভাবিক সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে, যেমন শারীরিক অসুস্থতা, মানসিক অশান্তি, কর্মে বাধা ইত্যাদি। ইসলামে বদ নযর থেকে সৃষ্ট ক্ষতির কথা উল্লেখ আছে। নবী মুহাম্মাদ (ﷺ) বলেছেন, ‘নযর বা দৃষ্টি একটি সত্য’। অর্থাৎ এর সত্যতা আছে এবং এটি মানুষের উপর প্রভাব ফেলতে পারে। সুরা আল-ফালাক্ব এর ৫ নং আয়াতে বদ নজর থেকে আশ্রয় চাওয়ার কথা বলা হয়েছে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘আর আমি আশ্রয় চাই হিংসুকের অনিষ্ট থেকে, যখন সে হিংসা করে’ (সূরা আল-ফালাক্ব: ৫)। নবী মুহাম্মাদ (ﷺ) বলেন, الْعَيْنُ حَقٌّ وَلَوْ كَانَ شَىْءٌ سَابَقَ الْقَدَرَ سَبَقَتْهُ الْعَيْنُ ‘নযর (বদ নযর) সত্য; যদি কিছু জিনিস তাকদীরের বাইরে থাকত, তবে তা নযর দ্বারা আক্রান্ত হত’ (ছহীহ মুসলিম, হা/২১৮৮)। অন্য একটি হাদীছে এসেছে, তিনি বলেছিলেন, ‘নযর একটি সত্য বিষয়’ (ছহীহ বুখারী, হা/৫৭৪০)। বদ নযর থেকে বাঁচার জন্য নবী করিম (সাঃ) আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাইতে বলেছেন (ছহীহ বুখারী, হা/৫৭৩৮)।

বদ নযরে আক্রান্ত হলে মানুষের শারীরিক ও মানসিক অসুস্থতা দেখা দেয়। বদ নযরের লক্ষণগুলো হল: হঠাৎ করে দুর্বলতা অনুভব করা, কাজকর্মে ব্যাঘাত হওয়া, অবসাদ ও ক্লান্তি বৃদ্ধি পাওয়া, মানসিক বিষণ্নতা বা উদ্বেগ, শারীরিক বিভিন্ন অসুস্থতা দেখা দেয়া ইত্যাদি। ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী বদ নযর থেকে বাঁচার জন্য কিছু দু‘আ ও আমল রয়েছে। যথা: সূরা আল-ফালাক্ব ও সূরা আন-নাস পড়া। সকালে ও সন্ধ্যায় তিনবার করে ‘আউযু বিকালিমাতিল্লাহিত তাম্মাতি মিন শাররি মা খালাক’ পড়া (ছহীহ বুখারী, হা/৫৭৩৮; ছহীহ মুসলিম, হা/৫৬৪২)।


প্রশ্নকারী : আব্দুল আহাদ, পাবনা।





প্রশ্ন (৩) : পিতা মারা যাবার পর কতদিন পর্যন্ত ভাইয়েরা বোনদের প্রাপ্য হক্ব ভোগ করতে পারবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৩) : লায়লাতুল ক্বদরে তারাবীহর ছালাত আদায় করার পর ক্বদরের নামে ৮ বা ১২ রাক‘আত ছালাত আদায় করা যায় কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৮) : শরী‘আতের দৃষ্টিতে স্ত্রীর নামে কোন সম্পত্তি বা বাড়ী লিখে দেয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪১) : স্বামী-স্ত্রীর মাঝে দ্বন্দ্ব হলে ‘মীমাংসামূলক ছালাত’ নামে ছালাত পড়া হয়। উক্ত ছালাতের কোন দলীল আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : মসজিদের পূর্ব, পশ্চিম এবং উত্তর দিকে কবর রয়েছে। মসজিদ ও কবরের মাঝে মসজিদের দেয়াল ছাড়া অন্য কোন দেয়াল নেই। মসজিদ কমিটিকে মসজিদ ও কবরের মাঝে প্রাচীর দেয়ার কথা বলেও কোন লাভ হয়নি। কমিটির অধিকাংশ সদস্য চরমোনাই ও ইলিয়াসী তাবলীগের সাথে জড়িত। এমন মসজিদে মাসিক চাঁদা দেয়া, ইমামের বেতনের জন্য টাকা দেয়া, দান করা কি জায়েয হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৬) : পাঁচটি রাত জেগে ইবাদত করলে তার জন্য জান্নাত যরূরী হয়ে যাবে। (১) তারবিয়ার রাত বা যিলহজ্জের ৮ তারিখের রাত (২) ‘আরাফার রাত (৩) কুরবানীর রাত (৪) ঈদুল ফিতরের রাত ও (৫) ১৫ শা‘বানের রাত। উক্ত হাদীছটি কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২০) : বালা-মুছীবত বা জিনের কবল থেকে বাঁচার জন্য তাবীয ব্যবহার করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৬) : এক ব্যক্তি ইবাদত-বন্দেগীতে খুব ভাল এবং সুন্নাত অনুসরণে অধিক আগ্রহী। কিন্তু কিছু ওযর থাকার কারণে সে বিয়ে করতে চাচ্ছে না। বরং বিয়ে করলে কাবীরা গুনাহ করার সম্ভাবনা বেশি। এখন এই ভাইয়ের চেয়ে যিনি বিয়ে করেছেন তিনিই কি আল্লাহর কাছে উত্তম হবেন? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৯) : যাকাত ইংরেজী মাস হিসাবে দিতে হবে, না-কি আরবী মাস হিসাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : তারাবীহর ছালাত কয় রাক‘আত? কেউ ৮ রাক‘আত পড়ে, কেউ পড়ে ২০ রাক‘আত। কোনটি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৬) : রাতে ঘুমানোর সময় ওযূ ছাড়াই আয়াতুল কুরছি, সূরা ইখলাছ, সূরা ফালাক্ব ও সূরা নাস পড়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩০) : ওযূ করার সময় মুখে ও নাকে পানি দেয়ার সঠিক পদ্ধতি কোনটি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ