বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৪৮ পূর্বাহ্ন
উত্তর : বদ নযর একটি সাধারণ ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক বিশ্বাস। ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃতভাবে হিংসা বা বিদ্বেষের দৃষ্টিতে তাকালে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে। এই দৃষ্টির ফলে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি বা বস্তুতে অস্বাভাবিক সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে, যেমন শারীরিক অসুস্থতা, মানসিক অশান্তি, কর্মে বাধা ইত্যাদি। ইসলামে বদ নযর থেকে সৃষ্ট ক্ষতির কথা উল্লেখ আছে। নবী মুহাম্মাদ (ﷺ) বলেছেন, ‘নযর বা দৃষ্টি একটি সত্য’। অর্থাৎ এর সত্যতা আছে এবং এটি মানুষের উপর প্রভাব ফেলতে পারে। সুরা আল-ফালাক্ব এর ৫ নং আয়াতে বদ নজর থেকে আশ্রয় চাওয়ার কথা বলা হয়েছে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘আর আমি আশ্রয় চাই হিংসুকের অনিষ্ট থেকে, যখন সে হিংসা করে’ (সূরা আল-ফালাক্ব: ৫)। নবী মুহাম্মাদ (ﷺ) বলেন, الْعَيْنُ حَقٌّ وَلَوْ كَانَ شَىْءٌ سَابَقَ الْقَدَرَ سَبَقَتْهُ الْعَيْنُ ‘নযর (বদ নযর) সত্য; যদি কিছু জিনিস তাকদীরের বাইরে থাকত, তবে তা নযর দ্বারা আক্রান্ত হত’ (ছহীহ মুসলিম, হা/২১৮৮)। অন্য একটি হাদীছে এসেছে, তিনি বলেছিলেন, ‘নযর একটি সত্য বিষয়’ (ছহীহ বুখারী, হা/৫৭৪০)। বদ নযর থেকে বাঁচার জন্য নবী করিম (সাঃ) আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাইতে বলেছেন (ছহীহ বুখারী, হা/৫৭৩৮)।

বদ নযরে আক্রান্ত হলে মানুষের শারীরিক ও মানসিক অসুস্থতা দেখা দেয়। বদ নযরের লক্ষণগুলো হল: হঠাৎ করে দুর্বলতা অনুভব করা, কাজকর্মে ব্যাঘাত হওয়া, অবসাদ ও ক্লান্তি বৃদ্ধি পাওয়া, মানসিক বিষণ্নতা বা উদ্বেগ, শারীরিক বিভিন্ন অসুস্থতা দেখা দেয়া ইত্যাদি। ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী বদ নযর থেকে বাঁচার জন্য কিছু দু‘আ ও আমল রয়েছে। যথা: সূরা আল-ফালাক্ব ও সূরা আন-নাস পড়া। সকালে ও সন্ধ্যায় তিনবার করে ‘আউযু বিকালিমাতিল্লাহিত তাম্মাতি মিন শাররি মা খালাক’ পড়া (ছহীহ বুখারী, হা/৫৭৩৮; ছহীহ মুসলিম, হা/৫৬৪২)।


প্রশ্নকারী : আব্দুল আহাদ, পাবনা।





প্রশ্ন (১৭) : মক্কায় একদিনের ছিয়াম বাইরের এক লক্ষ ছিয়ামের সমতুল্য। সেখানে এক দেরহাম খরচ করলে এক লক্ষ দেরহামের সমান এবং একটি নেকী করলে এক লক্ষ নেকীর সমান ছওয়াব পাওয়া যায়। বিভিন্ন হাদীছে মসজিদে নববীর ছওয়াব সমজিদে আক্বছার চেয়ে অধিক এসেছে। অথচ এখানে উভয় মসজিদের ছওয়াব পঞ্চাশ হাজার বলা হয়েছে। এর অর্থ করা হয়েছে, প্রত্যেক মসজিদের ছওয়াব পূর্ববর্তী মসজিদ হিসাবে বলা হইয়াছে অর্থাৎ জামে মসজিদের ছওয়াব পাঁচশ’ ছালাত নয়, বরং মহল্লার মসজিদ হতে পাঁচশ’ গুণ বেশী। এই হিসাব মতে জামে মসজিদে বার হাজার পাঁচশ’ (১২৫০০) ছালাতের ছওয়াব। মসজিদে আকছার ছওয়াব বাষট্টি কোটি পঞ্চাশ লক্ষ (৬২৫০০০০০০), মদীনার মসজিদের ছওয়াব তিন নিল বার খর্ব পঞ্চাশ আরব (৩১২৫০০০০০০০০০০) এবং হারাম শরীফের ছওয়াব একত্রিশ শঙ্ঘ পঁচিশ পদ্ম, (৩১২৫০০০০০০০০০০০০০০০) (ফাযায়েলে হজ্জ, পৃ. ৯২)। তাবলীগী নিসাবের ‘ফাযায়েলে হজ্জ’ কিতাবে বর্ণিত উক্ত ফযীলত কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : ঘরে সূরা বাক্বারা পাঠ করা এবং এ সূরার পঠন শয়তানকে তাড়ানো: সূরাটি উচ্চৈঃস্বরে পড়া কি আবশ্যকীয়? ক্যাসেট-প্লেয়ার ব্যবহারের মাধ্যমে কি এ উদ্দেশ্য হাছিল হতে পারে? সূরাটি ভাগ ভাগ করে পড়লে কি যথেষ্ট হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৩) স্বামী যদি স্ত্রীকে পীরের মুরীদ হতে বলে এবং পীরকে সিজদা করতে বাধ্য করে, সেক্ষেত্রে স্ত্রীর করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৯) : কোন জঙ্গলে বা জনবসতিহীন এলাকায় উৎপন্ন ফল বা সবজি খাওয়া হালাল হবে কি? উল্লেখ্য, ফল বা সবজিগুলোর মালিক থাকলেও আসে না, যে কারণে সেগুলো পরিপক্ক হয়ে মাটিতে পড়ে নষ্ট হয়ে যায়। - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : মেধা ও স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির জন্য কী করা উচিত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১০) : বদ নযর কি সত্য? আর যদি বদ নযর লেগেই যায়, তাহলে তা থেকে পরিত্রাণের উপায় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : কুরআন তিলাওয়াত, কুরআন মুখস্থ, ইসলামী জ্ঞান চর্চা বা দ্বীনি কাজে প্রতিযোগিতার আয়োজন করা এবং আয়োজকদের পক্ষ থেকে বিজয়ীদের পুরস্কার গ্রহণের বিধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৮) : প্রচলিত রয়েছে যে, ইফতারের পূর্বমুহূর্তে দু‘আ কবুল হয়। উক্ত দাবী কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৩) : হারাম ভক্ষণকারী কি চিরস্থায়ী জাহান্নামী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩০) : রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নামে মসজিদ বা অন্য কোথাও দান-ছাদাক্বাহ করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১২) : রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কতজন ছাহাবী বিবাহ করেননি বা সংসার করেননি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৯) : বিধর্মীদের ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে বিভিন্ন দোকানে ডিসকাউন্ট দিয়ে থাকে। এ ধরণের ডিসকাউন্টে পণ্য ক্রয় করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ