শুক্রবার, ০৫ Jun ২০২৬, ০১:৪৩ পূর্বাহ্ন
উত্তর :  ‘মুযিল্লাতুল ফিতান’ তথা পথভ্রষ্টকারী ফিতনাসমূহ বলতে সেই সব ফিতনা বোঝায়, যা মানুষের উপর এসে তাদেরকে সঠিক পথ থেকে বিচ্যুত করে এবং ছিরাতুল মুস্তাক্বীম থেকে দূরে সরিয়ে দেয়। যেমন: এমন সন্দেহ, যা মানুষকে সত্য থেকে বিভ্রান্ত করে এবং সঠিক পথ থেকে সরিয়ে দেয়। খারাপ দাওয়াতদাতা, যারা সত্যকে মিথ্যার সাথে মিশিয়ে ফেলে এবং দুর্বল মনের মানুষদের ধোঁকায় ফেলে; নিজেদের বাকপটুতা ও প্রভাবশালী বক্তব্য দিয়ে তাদেরকে প্রলুব্ধ করে। রোগ বা দারিদ্র্য, যার কারণে মানুষ বিরক্ত ও অস্থির হয়ে পড়ে এবং আল্লাহর তাক্বদীরের উপর অসন্তুষ্ট হয়ে যায়। ধন-সম্পদ, যার দ্বারা অনেক মানুষ প্রতারিত হয়; শয়তান তাদের মনে অহংকার সৃষ্টি করে এবং তাদেরকে সঠিক পথ থেকে বিচ্যুত করে। এ ধরনের আরও যা কিছু রয়েছে, যা একজন মুসলিমকে তার দ্বীন থেকে বিচ্যুত করে বা একজন কাফিরকে হিদায়াত গ্রহণ থেকে বিরত রাখে, এগুলো সবই ‘মুযিল্লাতুল ফিতান’-এর অন্তর্ভুক্ত।

এছাড়া কোন কোন জিনিস বাহ্যিকভাবে ফিতনা ও কষ্টের মত মনে হতে পারে। যেমন দারিদ্র্য, অসুস্থতা, শত্রুর প্রাধান্য ইত্যাদি; কিন্তু বাস্তবে তা আল্লাহর পক্ষ থেকে এক বিশেষ নেয়ামত ও অনুগ্রহ হতে পারে। কারণ এগুলো মানুষকে আল্লাহ্র দিকে ফিরে আসার কারণ হতে পারে। হিদায়াত ও তাওফীক লাভের মাধ্যম হতে পারে। সংকীর্ণতা ও অস্থিরতা থেকে মানুষকে প্রশস্ততা ও কল্যাণের দিকে নিয়ে যেতে পারে। অতএব, একজন মুসলিমের জন্য উচিত হল- ধৈর্যধারণ করা এবং বিপদ দূর করার জন্য আল্লাহ্র দিকে ফিরে যাওয়া (ফাতাওয়া আল-লাজনা আদ-দায়েমাহ, ৩/১৩০-১৩১, ফৎওয়া নং ৮৮৫৬)। সুতরাং কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে ফিতনা কখনো গোমরাহির কারণ আবার কখনো হিদায়াতের পথও খুলে দেয়।


প্রশ্নকারী : ডা. আতীকুর রহমান, বাড্ডা, ঢাকা।





প্রশ্ন (২৬) : হিজামা করিয়ে পারিশ্রমিক গ্রহণ করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৪) : বার্ধক্যের কারণে মাঝে মধ্যে ফোঁটা ফোঁটা পেশাব পড়ে। এমতাবস্থায় ছালাত হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪) : মসজিদের মেহরাবের দক্ষিণ দেয়ালে থুথু ফেলার জন্য কি জানালা রাখা যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৮) : বিভিন্ন ধরনের ঔষধ, খাবার বা অন্যান্য প্যাকেটের সাথে মানুষ বা জীবজন্তুর ছবি দেয়া থাকে। এগুলো থেকে বাঁচার উপায় কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪) : সুর দিয়ে বক্তব্য দেয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২) : আমি একটি প্রাইমারী স্কুলে চাকরি করি। চাকরি পরীক্ষায় অন্যজন থেকে কিছু প্রশ্ন দেখে লিখেছিলাম। আর বায়োডাটায় একটা মিথ্যা তথ্য দিয়েছিলাম। বর্তমানে আমি ঐ বায়োডাটা ও পরীক্ষার মাধ্যমে চাকরি হয়েছে। প্রশ্ন হল- ঐ চাকরির টাকা কী আমার জন্য হালাল হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৪) : ছালাত শেষে ইমাম যখন সালাম ফিরাবে, তখন মুছল্লীদেরকে কি উক্ত সালামের জবাব প্রদান করতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৭) : হাজারে আসওয়াদ পাথরটি প্রথমে সাদা ছিল। এটা এখন কালো হয়ে গেছে। এটা কালো কিভাবে হল? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩২) : খাটে ঘুমানো, দস্তর খানা কিংবা ডাইনিং টেবিলে খাওয়া ও চেয়ারে বসা কি জায়েয? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১২) : নবী নূরের তৈরি, আল্লাহ সব জায়গায় বিরাজমান, নবী হাজির নাজির, সবাই মিলে দাঁড়িয়ে তাঁকে সালাম দিতে হবে এবং মাযার সংক্রান্ত কার্যক্রমগুলো জায়েয বলে আক্বীদা পোষণ করে এমন ব্যক্তির পিছনে ছালাত হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৯) : রামাযান মাসে ওমরাহ করলে হজ্জের নেকী পাওয়া যায়। এই বক্তব্য কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : ‘যে ব্যক্তি সকালে ও বিকালে সূর্যোদয়ের আগে ও সূর্যাস্তের আগে ১০০ বার ‘সুবহানাল্লাহ’ বলবে সে যেন একশ’টি হজ্জ আদায় করল বা একশ’টি উট আল্লাহর ওয়াস্তে দান করল। যে ব্যক্তি এই দুই সময়ে ১০০ বার ‘আল-হামদুলিল্লাহ’ বলল সে যেন আল্লাহর পথে জিহাদের জন্য ১০০টি ঘোড়ার পিঠে মুজাহিদ প্রেরণ করলো অথবা আল্লাহর রাস্তায় ১০০ টি গাযওয়া বা অভিযানে শরীক হলো। আর যে ব্যক্তি এই দুই সময়ে ১০০ বার করে ‘লা- ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ পাঠ করলো, সে যেন ইসমাঈল বংশের একশ’ ব্যক্তিকে দাসত্ব থেকে মুক্তি প্রদান করলো। আর যে ব্যক্তি এই দুই সময়ে ১০০ বার করে ‘আল্লাহু আকবার’ বলল, ঐ দিনে তার চেয়ে বেশি আমল আর কেউ করতে পারবে না। তবে যদি কেউ তার সমান এই যিকরগুলো পাঠ করে বা তার চেয়ে বেশি পাঠ করে তাহলে ভিন্ন কথা। (তাহলে সেই শুধু তার উপরে উঠতে পারবে।) ইমাম নাসাঈর বর্ণনায় ‘লা- ইলাহা ইল্লাল্লাহু’-র পরিবর্তে ‘লা- ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু, ওয়া হুআ আলা কুলিল শাইয়্যিন কাদীর’ ১০০ বার পাঠ করার কথা বলা হয়েছে (তিরমিযী, ৫/৫১৩, নং ৩৪৭১; নাসাঈ, আস-সুনানুল কুবরা, ৬/২০৫)। উক্ত মর্মে বর্ণিত হাদীছ কি আমলযোগ্য? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ