রবিবার, ০৭ Jun ২০২৬, ০৩:১০ অপরাহ্ন
উত্তর : ইসলামী শরী‘আতে কাউকে খাছ না করে নবজাতকের আক্বীক্বা করার প্রতি উদ্বুদ্ধ করা হয়েছে। সামুরা ইবনু জুনদুব (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, নবী (ﷺ) বলেন, ‘প্রত্যেক ছেলে তার আক্বীক্বার বদলে বন্ধক। সপ্তম দিনে যেটি তার পক্ষ থেকে যব্হ করা হয়, তার মাথা মু-ন করা হয় এবং তার নাম রাখা হয়’ (আবূ দাঊদ, হা/২৮৩৮; তিরমিযী, হা/১৫২২, সনদ ছহীহ)। উম্মে কারায (রাযিয়াল্লাহু আনহা) বলেন, তিনি রাসূলুল্লাহ‌ (ﷺ)-কে আক্বীক্বা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, ‘ছেলে বাচ্চার পক্ষ থেকে দু’টি ভেড়া এবং মেয়ে বাচ্চার পক্ষ থেকে একটি ভেড়া’ (তিরমিযী, হা/১৫১৬, সনদ ছহীহ)। জারজ সন্তানও এই হাদীছগুলোর অন্তর্ভুক্ত। তাই তার পক্ষ থেকেও আক্বীক্বা দেয়া যাবে। যেহেতু জারজ সন্তানকে তার মায়ের দিকে সম্বন্ধিত করা হয়; তাই তার মা তার পক্ষ থেকে আক্বীক্বা দিবেন।

শায়খ ইবনু বায (রাহিমাহুল্লাহ)-কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, ‘মায়ের জন্য তার ব্যভিচারজাত সন্তানের আক্বীক্বা দেয়া কি জায়েয আছে এবং এ সন্তানের কি ভরণপোষণ পাওয়ার অধিকার আছে? জবাবে তিনি বলেন, হ্যাঁ; মা তার আক্বীক্বা দিবেন। তার সন্তানের আক্বীক্বা দেয়া তার জন্য মুস্তাহাব এবং এ সন্তানের ভরণপোষণ বহন করা তার উপর ওয়াজিব; যদি তিনি সামর্থ্যবান হন। যদি সামর্থ্য না রাখেন তাহলে রাষ্ট্রীয় প্রতিপালনা সংস্থায় হস্তান্তর করবেন। আর সক্ষম হলে তাকে প্রতিপালন করবে, তার প্রতি অনুগ্রহ করবে, তার পক্ষ থেকে আক্বীক্বা দিবে। তাকে প্রতিপালন করা তার উপর আবশ্যক এবং যা করে ফেলেছেন সেটা থেকে আল্লাহ্‌র কাছে তাওবা করবেন। এই সন্তানকে তার দিকেই সম্বন্ধিত করা হবে। আর যে পুরুষ তার সাথে ব্যভিচার করেছে তার উপর আবশ্যক তাওবা করা। তবে তার উপর ভরণপোষণ দেয়া আবশ্যক নয় এবং এটি তার বাচ্চা নয়; জারজ বাচ্চা। তার উপর আবশ্যক তাওবা করা। সন্তানটি এই মহিলার এবং ভরণপোষণের দায়িত্ব তার (মাজমূঊ ফাতাওয়াস শায়খ ইবনু বায, ২৮/১২৪ পৃ.)।

প্রশ্নকারী : আব্দুল্লাহ, দিনাজপুর।






প্রশ্ন (২০) : জিন এবং মানুষের ইবাদতের পার্থক্য কী? জিন জাতির উপরও কি ছালাত, ছিয়াম, হজ্জ, যাকাত ইত্যাদি ইবাদতগুলো মানুষের মতই ফরয? তাদের ইবাদতের ধরণ কেমন? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৮) : গরীব-মিসকীন ছাড়া কুরআনে উল্লেখিত আট শ্রেণীর অন্যদের মাঝে কি ফিতরা বণ্টন করা যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১) : ‘মুযিল্লাতুল ফিতান (مُضِلَّاتُ الفِتَن)’ বা পথভ্রষ্টকারী ফিতনাসমূহ বলতে কী বোঝায়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৫) : আউয়াল ওয়াক্তে ফরয ছালাত আদায় করে বিলম্বিত ওয়াক্তে মসজিদে ছালাত আদায়ের ক্ষেত্রে মুছল্লী কি নফল ছালাতের নিয়ত করবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৭): ভাইয়ের স্ত্রীর সাথে কথা বলা এবং তার দিকে তাকানো কি জায়েয? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : আমরা প্রায়শই দেখতে পাই, ঘরে কিংবা দরজায় বিভিন্ন সূরা, আয়াতুল কুরসি লিখে টাঙিয়ে দেয়া হয়। এছাড়াও হাতে বিভিন্ন ধরনের তাবীয পড়া হয়। বিভিন্ন হুজুরদের কাছে গিয়ে পানি পড়া এনে সেটা খাওয়া হয়। এই বিষয়টা কি শরী‘আত সম্মত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩) : কোন্ কোন্ অপরাধের কারণে মুসলিমের ব্যক্তির জানাযা পড়া যাবে না। অর্থাৎ ইমাম বা পরহেযগার ব্যক্তি জানাযা পড়তে পারবে না? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৫) : পেশাব করে ঢিলা-কুলুখ ব্যবহার করা এবং ৪০ কদম হাঁটা বা উঠাবসা করার কোন বিধান আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১) : আমরা তিন বোন। আমাদের কোন ভাই নেই। ইসলামী শরী‘আহ অনুযায়ী আমার পিতার সকল সম্পদের বণ্টন নীতিমালা কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩০) : হাদীছে বলা হয়েছে যে, খারিজীরা জাহান্নামের কুকুর (ইবনু মাজাহ, হা/১৭৬; তিরমিযী, হা/৩০০০; সনদ ছহীহ)। কুকুর বলে কী বুঝানো হয়েছে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৯) : ছালাত আদায় করার সময় শুধু রুকূ‘ পেলেই কি পুরো রাকা‘আত পাওয়া হবে, না-কি পরবর্তীতে ঐ রাক‘আত আবার পড়তে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১২) : আমরা আলেমদের নিকট থেকে শুনেছি যে, আল্লাহর গুণবাচক নাম রাখলে নামের পূর্বে ‘আব্দ’ যোগ করতে। যেমন আব্দুর রহমান। কিন্তু ‘মালেক’-এর পূর্বে কি ‘আব্দ যোগ করতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ