বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২২ পূর্বাহ্ন
উত্তর : ইসলামী শরী‘আতে কাউকে খাছ না করে নবজাতকের আক্বীক্বা করার প্রতি উদ্বুদ্ধ করা হয়েছে। সামুরা ইবনু জুনদুব (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, নবী (ﷺ) বলেন, ‘প্রত্যেক ছেলে তার আক্বীক্বার বদলে বন্ধক। সপ্তম দিনে যেটি তার পক্ষ থেকে যব্হ করা হয়, তার মাথা মু-ন করা হয় এবং তার নাম রাখা হয়’ (আবূ দাঊদ, হা/২৮৩৮; তিরমিযী, হা/১৫২২, সনদ ছহীহ)। উম্মে কারায (রাযিয়াল্লাহু আনহা) বলেন, তিনি রাসূলুল্লাহ‌ (ﷺ)-কে আক্বীক্বা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, ‘ছেলে বাচ্চার পক্ষ থেকে দু’টি ভেড়া এবং মেয়ে বাচ্চার পক্ষ থেকে একটি ভেড়া’ (তিরমিযী, হা/১৫১৬, সনদ ছহীহ)। জারজ সন্তানও এই হাদীছগুলোর অন্তর্ভুক্ত। তাই তার পক্ষ থেকেও আক্বীক্বা দেয়া যাবে। যেহেতু জারজ সন্তানকে তার মায়ের দিকে সম্বন্ধিত করা হয়; তাই তার মা তার পক্ষ থেকে আক্বীক্বা দিবেন।

শায়খ ইবনু বায (রাহিমাহুল্লাহ)-কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, ‘মায়ের জন্য তার ব্যভিচারজাত সন্তানের আক্বীক্বা দেয়া কি জায়েয আছে এবং এ সন্তানের কি ভরণপোষণ পাওয়ার অধিকার আছে? জবাবে তিনি বলেন, হ্যাঁ; মা তার আক্বীক্বা দিবেন। তার সন্তানের আক্বীক্বা দেয়া তার জন্য মুস্তাহাব এবং এ সন্তানের ভরণপোষণ বহন করা তার উপর ওয়াজিব; যদি তিনি সামর্থ্যবান হন। যদি সামর্থ্য না রাখেন তাহলে রাষ্ট্রীয় প্রতিপালনা সংস্থায় হস্তান্তর করবেন। আর সক্ষম হলে তাকে প্রতিপালন করবে, তার প্রতি অনুগ্রহ করবে, তার পক্ষ থেকে আক্বীক্বা দিবে। তাকে প্রতিপালন করা তার উপর আবশ্যক এবং যা করে ফেলেছেন সেটা থেকে আল্লাহ্‌র কাছে তাওবা করবেন। এই সন্তানকে তার দিকেই সম্বন্ধিত করা হবে। আর যে পুরুষ তার সাথে ব্যভিচার করেছে তার উপর আবশ্যক তাওবা করা। তবে তার উপর ভরণপোষণ দেয়া আবশ্যক নয় এবং এটি তার বাচ্চা নয়; জারজ বাচ্চা। তার উপর আবশ্যক তাওবা করা। সন্তানটি এই মহিলার এবং ভরণপোষণের দায়িত্ব তার (মাজমূঊ ফাতাওয়াস শায়খ ইবনু বায, ২৮/১২৪ পৃ.)।

প্রশ্নকারী : আব্দুল্লাহ, দিনাজপুর।






প্রশ্ন (২৯) : রামাযান মাসে জামা‘আতের সাথে তারাবীহ উত্তম, না একাকী তাহাজ্জুদ উত্তম? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩) : মহিলারা বাড়ীতে ই‘তিকাফ করতে পারবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৫) : সূরা আন-নিসার ৩৪ নং আয়াতে অবাধ্য স্ত্রীকে প্রহার করার কথা বলা হয়েছে। কেউ বলেন লাঠি মেসওয়াক পরিমাণ হতে হবে। এর সঠিক সমাধান জানতে চাই? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩) : ছালাতের শেষ বৈঠকে ভুল করে তাশাহহুদ পাঠ করার পর দাঁড়িয়ে গেলে করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৫) : পারিবারিক বিষয়ে ঝগড়ার এক পর্যায়ে স্বামী তার স্ত্রীকে মারধর করে এবং বলে, যা তোকে ছেড়ে দিলাম, ত্বালাক্ব, ত্বালাক্ব, ত্বালাক্ব বলে তিনবার উচ্চারণ করে। ভুল বুঝতে পেরে পরে ক্ষমা চায়। উক্ত ত্বালাক্ব কি সাব্যস্ত হয়েছে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : জনৈক ব্যক্তি বলেন, বিদ‘আতীদের বক্তব্য শুনা যাবে না এবং তাদের থেকে ইলম গ্রহণ করা যাবে না। কারণ এটা ক্বিয়ামতের আলামত। উক্ত দাবী কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪) : হিন্দু-খ্রিস্টান তথা বিধর্মীদের বাড়ীতে যেকোন উপলক্ষে দাওয়াত দিলে কোন মুসলিম তা গ্রহণ করতে পারবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৩) : হাসান ইবনু আলী বলেন, ‘যে ব্যক্তি এই বিশ আয়াত পড়বে আমি তার এ ব্যাপারে যিম্মাদার হয়ে গেলাম যে, আল্লাহ তাকে যালিম শাসক, অবাধ্য শয়তান, ক্ষতিকর ও হিংস্র জীবজন্তু ও সীমালঙ্ঘনকারী চোর থেকে রক্ষা করবেন। বিশটি আয়াত হল, আয়াতুল কুরসী, সূরা আ‘রাফের ৫৪ থেকে ৫৬ তিন আয়াত, সূরা ছাফফাতের দশ আয়াত, সূরা আর-রহমানের ৩৩ থেকে ৩৫ তিন আয়াত এবং সূরা হাশরের শেষের ২১ থেকে ২৪ চার আয়াত (আদ-দুররুল মানসূর; তারীখু বাখদাদ)। বর্ণনাটি কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : বেনামাজি কি (হিন্দুদের মত) বড় কাফের? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : মসজিদের পূর্ব, পশ্চিম এবং উত্তর দিকে কবর রয়েছে। মসজিদ ও কবরের মাঝে মসজিদের দেয়াল ছাড়া অন্য কোন দেয়াল নেই। মসজিদ কমিটিকে মসজিদ ও কবরের মাঝে প্রাচীর দেয়ার কথা বলেও কোন লাভ হয়নি। কমিটির অধিকাংশ সদস্য চরমোনাই ও ইলিয়াসী তাবলীগের সাথে জড়িত। এমন মসজিদে মাসিক চাঁদা দেয়া, ইমামের বেতনের জন্য টাকা দেয়া, দান করা কি জায়েয হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২) : উটের মালিক সম্মান ও ইজ্জতের অধিকারী এবং ছাগল বরকতপূর্ণ প্রাণী। আর ঘোড়ার কপালে ক্বিয়ামত পর্যন্ত কল্যাণ বাঁধা থাকবে। উক্ত মর্মে বর্ণিত হাদীছটি কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : রাসুলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, ‘আদম সন্তানের সৌভাগ্য তিনটি আর দুর্ভাগ্যও তিনটি। সৌভাগ্য তিনটি হলো, দ্বীনদার-নেককার স্ত্রী, ভালো বাসস্থান, ভালো সওয়ারী বা বাহন। আর দুর্ভাগ্য তিনটি হলো, খারাপ স্ত্রী, খারাপ বাসস্থান ও খারাপ সওয়ারী’ (মুসনাদে আহমাদ)। হাদীছটি কী ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ