বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২৫ পূর্বাহ্ন
উত্তর : ইসলামে পোশাকের ক্ষেত্রে কিছু শর্ত রয়েছে। যেমন-

১. হারাম কিছু না থাকা: অশ্লীল ছবি, প্রাণীর প্রতিকৃতি ইত্যাদি না থাকে। ২. শিরক বা কুফরি প্রতীক না থাকা: যেমন- ক্রুশ, হিন্দু পূজার চিহ্ন, দেব-দেবীর প্রতীক। ৩. অন্য ধর্মের ইবাদতের পরিচয় প্রকাশ না পাওয়া।

কলকা (paisley) মূলত ফুল-পাতার মত একটি অলঙ্কারিক নকশা। ইতিহাসে এটি পারস্য থেকে ভারতবর্ষে এসেছে, পরে হিন্দু-মুসলিম উভয়ের পোশাকে সাধারণভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। তাই এটি যদি শুধু শিল্পরূপে ব্যবহার হয়, তাহলে মুসলিমের জন্য পরা জায়েয। কিন্তু যদি এটি হিন্দু পূজার প্রতীক বা ধর্মীয় চিহ্ন হিসাবে ব্যবহার হয়, তবে তা মুসলিমের জন্য পরা হারাম। আল্লাহ বলেন, وَ الَّذِيْنَ لَا يَشْهَدُوْنَ الزُّوْرَ ‘আর তারা (আল্লাহর বান্দাগণ) মিথ্যা বা বাতিল অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয় না’ (সূরা আল-ফুরক্বান : ৭২)। অর্থাৎ অন্য ধর্মের কুফরি-শিরকীয় প্রতীক, উৎসব বা ইবাদতের সাথে অংশগ্রহণ করা বা তাদের প্রতীক ধারণ করা জায়েয নয়। এ প্রসঙ্গে নবী (ﷺ) বলেছেন, مَنْ تَشَبَّهَ بِقَوْمٍ فَهُوَ مِنْهُمْ ‘যে কোন জাতির সাথে সাদৃশ্য রাখে, সে তাদের অন্তর্ভুক্ত’ (আবূ দাঊদ, হা/৪০৩১, সনদ হাসান ছহীহ)। তবে সাধারণ নকশা বা অলঙ্কারিক পোশাক ব্যবহার নবী (ﷺ) করেছেন। যেমন: كَانَ لِلنَّبِيِّ ﷺ جُبَّةٌ رُومِيَّةٌ ‘নবী (ﷺ)-এর একটি রোমান তৈরি জুব্বা ছিল’ (মুসনাদে আহমাদ, হা/১৮২৬৫ সনদ ছহীহ)। বোঝা গেল, অন্য জাতির তৈরি পোশাক ব্যবহার জায়েয, যদি তাতে ধর্মীয় প্রতীক না থাকে।


প্রশ্নকারী : আসমা আনোয়ার, চট্টগ্রাম।





প্রশ্ন (১১) : যে ঘরে কুরআন আছে, সে ঘরে সম্পূর্ণ নগ্ন হয়ে কাপড় পরিবর্তন করা যাবে কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩০) : অমুসলিমদের ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যাওয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৮) : বর্তমান সময়ে খুবই প্রচলিত একটা ব্যাবসা হচ্ছে, কম মূল্যে পণ্য বিক্রির উদ্দেশ্যে ক্রেতার নিকট থেকে আগেই পণ্যের টাকা নিয়ে নেয়। অতঃপর ২/৩ মাস বা আরো বেশি সময়ের পর পণ্য দেয়। মানুষের প্রয়োজনীয় যত পণ্য আছে প্রায় সবই দিয়ে থাকে বিভিন্ন অফারে। যেমন ৫০%, ১০০%, কোন কোনটা ১৫০% ছাড়। যেমন : ২৫ হাজার টাকার ফ্রীজ ১২ হাজার টাকায়- ডেলিভারি দিবে ২/৩ মাস পর। এভাবে মোবাইল, মোটর সাইকেল ইত্যাদি। এই ব্যবসা কি জায়েয? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৭) : কুরবানীর চামড়ার টাকা মসজিদ ও মাদরাসায় দেয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৮) : আমি দীর্ঘদিন থেকে একটি মেয়ের সাথে যেনায় লিপ্ত। অনেকবার ছাড়তে চেয়েও পারিনি। আমি লজ্জায় কিছুই করতে পারি না। কী কী কাজ করলে আমি এটা থেকে বের হয়ে আসতে পারি? কিভাবে তওবাহ করতে পারি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৬) : জনৈক ব্যক্তির দাবি হল, রাসূল (ﷺ) যাদেরকে জান্নাতী বলে ঘোষণা দেননি তাদেরকে জান্নাতী বলা যাবে না। তাহলে আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা)-কে নিশ্চিত জান্নাতী বলা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৯) : রাত্রে স্বপ্নদোষ হলে, বুঝতে না পেরে ফজরের ছালাত আদায় করে নিলে, জানতে পারার পর কি ছালাত ক্বাযা করতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৫) : বিড়ি-সিগারেট নির্মাণ কারখানার সিকিউরিটি গার্ডের চাকুরী করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : ক্বিয়ামতের দিন সর্বপ্রথম কাকে বস্ত্র পরিধান করানো হবে? কেউ কেউ বলে যে, ‘বস্ত্র পরিধান করেই রাসূল (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ক্বিয়ামতের দিন উঠবেন’, একথা কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : অনেকে কুরবানী করার সময়, যব্হ করার পরে ছুরির আগা দিয়ে পশুর গলার মাঝখানে খোঁচা দিতে থাকে, যার ফলে পশুটি ২ মিনিটের ভিতরে হার্টএটাক করে মারা যায়। শরী‘আতের দৃষ্টিতে এরূপ করা কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৫) : কোন পুরুষ অন্য পুরুষ কে দেখলে যদি খারাপ চিন্তা আসে, তাহলে ঐ পুরুষ দেখলে কি গুনাহ হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪) : আক্বীদা ও মানহাজার মধ্যে পার্থক্য কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ