বৃহস্পতিবার, ২৩ Jul ২০২৬, ১২:৩২ পূর্বাহ্ন
উত্তর : অবশ্যই মুখে উচ্চারণ করতে হবে; জিহ্বা দ্বারা উচ্চারণ করে পড়তে হবে। ছাহাবীগণ বললেন, ‘হে আল্লাহর রাসূল (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আমি কিভাবে আল্লাহর কাছে দু‘আ করব? রাসূল (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তুমি বলবে ...’ (ছহীহ মুসলিম, হা/২৬৯৬; মিশকাত, হা/২৩১৭)। আইয়ূব (আলাইহিস সালাম) ও যাকারিয়া (আলাইহিস সালাম) সহ অন্যান্য নবীগণ আল্লাহর নিকট গোপনে দু‘আ করেছেন, কিন্তু যা বলেছেন তা মুখে উচ্চারণ করেছেন (সূরা মারইয়াম : ৩; সূরা আল-আম্বিয়া : ৮৩ ও ৮৭)। অনেকেই বলেছেন, সূরা ফাতিহা, রুকূ-সিজদার তাসবীহ, তাকবীর ও সালাম সবই মুখে উচ্চারণ করে জিহ্বা ও ঠোঁটের মাধ্যমে বলতে হবে। অন্যথা ছালাত শুদ্ধ হবে না (ফাতাওয়া শাবাকাতুল ইসলামিয়্যা, ৫ম খণ্ড, পৃ. ৪১২৬, ফৎওয়া নং-৩৪১৩৬)।


প্রশ্নকারী : তানভীর আহমাদ, নরসিংদী।





প্রশ্ন (৮) : রাত জাগার কারণে ফজরের ছালাত প্রায়ই ক্বাযা হয়ে যায়। স্কুলে গিয়েও সুষ্ঠু পরিবেশ না থাকায় যোহরের ছালাত ক্বাযা হয়। এমতাবস্থায় করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : ব্যবসার জন্য মাথা বাদে যে পুতুল রয়েছে, সেগুলো ব্যবহার করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩২) : মেয়ের বাড়ীতে বিয়ের অনুষ্ঠানে বর পক্ষের লোকেরা খেতে পারবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩১) : অবৈধ সন্তানের আক্বীক্বা করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৬) : হাদীছে এসেছে, ‘ইমামের সাথে মুছল্লীরাও ‘আমীন’ বললে ফেরেশতারাও ‘আমীন’ বলে। আর উভয়ের ‘আমীন’ একসাথে হলে পূর্বের গুনাহ মাপ হয়ে যায়’। এখন প্রশ্ন হল- হানাফী মসজিদের ইমাম তো উচ্চৈঃস্বরে ‘আমীন’ বলেন না, তাহলে আমি যদি ‘আমীন’ বলি, ইমামের ‘আমীন’ তো শোনা যায় না, এক্ষেত্রে কি আমি ‘আমীন’ বলার ছওয়াব পাব? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৩) : হারাম ভক্ষণকারী কি চিরস্থায়ী জাহান্নামী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : জনৈক আলেম لَهُ مَقَالِيدُ السَّمَوَاتِ وَالْأَرْضِ এই আয়াত সম্পর্কে বলেন যে, এর ব্যাখ্যা হল নিম্নে দু‘আ- لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ، وَاللهُ أَكْبَرُ، وَسُبْحَانَ اللهِ، وَبِحَمْدِهِ، وَأَسْتَغْفِرُ اللهَ، وَلَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللهِ، الْأَوَّلُ وَالْآخِرُ وَالظَّاهِرُ وَالْبَاطِنُ، بِيَدِهِ الْخَيْرُ، يُحْيِي وَيُمِيتُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ আর এর ফযীলত হল, যে ব্যক্তি প্রত্যেক দিন সকালে উক্ত আয়াত পাঠ করবে, তার জন্য ছয়টি ফযীলত রয়েছে- (ক) সে শয়তান ও তার সহযোগীদের থেকে রক্ষা পাবে। (খ) তাকে এক কিনতার (অঢেল মাপ) পরিমাণ নেকী দেয়া হবে। (গ) তার জন্য জান্নাতে একটি মর্যাদা বৃদ্ধি করে দেয়া হবে। (ঘ) তার সাথে চোখ জুড়ানো হুরদের বিবাহ দেয়া হবে। (ঙ) তার নিকট দশজন ফেরেশতা উপস্থিত থাকবে। (চ) কুরআন, তাওরাত, ইঞ্জীল ও যাবূর তেলাওয়াত করার মত নেকী দেওয়া হবে। বিশেষ করে সে একটি কবুল হজ্জ ও ওমরার নেকী পাবে। যদি সে ঐ দিন মারা যায় তবে শহীদের মর্যাদা লাভ করবে। উক্ত বর্ণনা কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৭) : ওযূর ফরযের ক্ষেত্রে কেউ বলে চারটি, পাঁচটি, ছয়টি অথবা সাতটি। মূলত ওযূর ফরয কয়টি ও কী কী?  - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : পায়ের লোম অতিরিক্ত বড় হলে কেটে ফেলা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : মসজিদের ক্বিবলা বরাবর টয়লেট বা পেশাবখানা থাকলে উক্ত মসজিদে ছালাত আদায়ে কোন বাধা আছে কি? উল্লেখ্য, মসজিদের দেয়াল এবং টয়লেট ও পেশাবখানার দেয়াল একটাই। - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩) : তাওহীদে রুবূবিয়্যাহ, উলূহিয়্যাহ ও আসমা ওয়াছ ছিফাত বলতে কী বুঝায়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১০) : সালাফী মানহাজ বলতে কী বুঝায়? সালাফীদের বৈশিষ্ট্য কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ