শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ০৩:২১ অপরাহ্ন
উত্তর : ব্র্যাক ব্যাংক একটি সূদী ব্যাংক। সুতরাং তার উদ্যোগে পরিচালিত বিকাশে সূদ থাকবে এটাই স্বাভাবিক। বিকাশে সূদ সম্পর্কে বলা হয়েছে, ‘আপনি বিকাশ একাউন্টে টাকা জমিয়ে বছরে ৪% পর্যন্ত ইন্টারেস্ট পেতে পারেন’ (বিকাশের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট)। আর এ কথা অজানা নয় যে, ইসলামের দৃষ্টিতে সূদ ভয়ানক হারাম, ধ্বংসাত্মক কাবীরা গুনাহ। যেমন ‘আল্লাহ তা‘আলা ক্রয়-বিক্রয়কে হালাল করেছেন এবং সমস্ত প্রকারের সূদকে হারাম করেছেন’। ‘আল্লাহ সূদকে নিশ্চিহ্ন করেন এবং দানকে বর্ধিত করেন’। ‘হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহর তাক্বওয়া অবলম্বন কর এবং সূদের যা বকেয়া আছে তা ছেড়ে দাও যদি তোমরা মুমিন হও। অতঃপর যদি তোমরা না কর তবে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের পক্ষ থেকে যুদ্ধের ঘোষণা নাও। আর যদি তোমরা তাওবাহ কর তবে তোমাদের মূলধন তোমাদের-ই। তোমরা যুলুম করবে না এবং তোমাদের উপরও যুলুম করা হবে না’ (সূরা আল-বাক্বারাহ : ২৭৫-২৭৯)। আল্লাহ তা‘আলা আরো বলেন, ‘হে মুমিনগণ! তোমরা বহুগুণ বৃদ্ধি করে চক্রবৃদ্ধি হারে সূদ খাবে না। আর তোমরা আল্লাহকে ভয় কর, যাতে তোমরা সফলকাম হও’ (সূরা আলে ইমরান : ১৩০)।

দ্বিতীয়তঃ সঊদী আরবের স্থায়ী ফাতাওয়া কমিটি বলেন, ‘গীর্জাঘর, মদের কারখানা বা দোকান, সিনেমা হল, সূদী ব্যাংক বা এই ধরণের অন্য কোন অবৈধ জায়গায় চাকুরী করা বৈধ নয়’ (ফাতাওয়া আল-লাজনা আদ-দায়িমা, ১৪/৪৮১ পৃ.)।  সুতরাং ব্র্যাকের বিকাশ শাখায় এজেন্ট হিসাবে কাজ করা বা এর কাস্টমার কেয়ারে চাকুরী করা সূদী ব্যাংকের অধীনে চাকুরী করারই নামান্তর। কেননা এটা ঐ সংস্থাকে এক প্রকারের সাহায্য করা হচ্ছে। এটা যেমন হারাম তেমনি তা প্রচার-প্রসার করা, বিজ্ঞাপন দেয়া, এ জন্য ঘর ভাড়া দেয়া, বিকাশ অ্যাপ রেফার করে বা বিকাশ অ্যাপে বার্ড নামক গেইম খেলে টাকা কামানো ইত্যাদি সবই হারাম। কারণ এগুলোর মাধ্যমে তাদের সূদী কার্যক্রমকে সমৃদ্ধ ও ব্যাপ্তিতে সহায়তা করা হয়। আর মহান আল্লাহ তা‘আলা আমাদেরকে পাপ ও সীমালঙ্ঘনের কাজে সহায়তা করতে নিষেধ করেছেন (সূরা আল-মায়িদাহ : ২)। উক্ত আয়াতের ব্যাখ্যাতে ইমাম ইবনে কাছীর (রাহিমাহুল্লাহ) ও কুরতুবী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘এখানে আল্লাহ তা‘আলা মুমিন ব্যক্তিদেরকে ভালো কাজে সহযোগিতা করতে আদেশ করেছেন এবং অন্যায়, অসৎ ও হারাম কাজে সাহায্য, সহযোগিতা করতে নিষেধ করেছেন’ (তাফসীর ইবনে কাছীর, ২/১২; তাফসীরে কুরতুবী, ৬/৪৬-৪৭ পৃ.)। 


প্রশ্নকারী : যাকারিয়া, কুষ্টিয়া।





প্রশ্ন (৪০) : কখন যাকাত বের করা সর্বাধিক উত্তম? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৫) : বিভিন্ন এলাকায় মানুষ মারা গেলে বাড়ি থেকে জানাযার স্থানে নেয়ার সময় চল্লিশ কদম পর্যন্ত গণনা করা হয়। প্রতি দশ কদম পর পর খাটিয়া বহনকারী লোকদের পরিবর্তন করা হয়। এটা কি শরী‘আত সম্মত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৪) : প্রতি বছর ‘আরাফার দিন (৯ যিলহজ্জ) ছিয়াম রাখা সুন্নাত। কিন্তু বাংলাদেশের হিসাব অনুযায়ী সাধারণত ৮ কিংবা ৭ যিলহজ্জ তারিখে ‘আরাফা হয়। এক্ষণে করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৩) : কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাবর্ষের শেষদিনের উৎসব (জঅএ উধু) পালন করা হয়। যদি সেখানে ফ্রি মিক্সিং, গান-বাজনা, রং মাখানো না থাকে শুধু টি-শার্টে স্বাক্ষর ও খাওয়া-দাওয়া করা হয়, তাহলে তা জায়েয হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৯) : হজ্জ থেকে প্রত্যাবর্তনকারী হাজ্জীদের স্বাগত জানানো যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৬) : খেলার মাঠে আল্লাহর শোকর আদায় করে খেলোয়াড়রা যে সিজদাহ করে সেটা কি জায়েয? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৪) : স্বর্ণ ও রৌপ্যের নিছাব কত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৮) : আনুমানিক ১২-১৫ বছর আগে দাদা মারা গেলে বন্যার কারণে বাড়িতেই কবর দেয়া হয়। পরে পাকা বাড়ি করার সময় জায়গা কম হয়ে গেলে কবরটির উপর বাড়ি করা হয়। এটা কি অন্যায় হয়েছে? এখন কী করা যেতে পারে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১১) : ছিয়াম অবস্থায় ক্যাথেটার ও সাপোজিটোরী ব্যবহার করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৮) : প্রতি বছর ‘আরাফার দিন (৯ যিলহজ্জ) ছিয়াম রাখা সুন্নাত। কিন্তু বাংলাদেশের হিসাব অনুযায়ী সাধারণত ৮ কিংবা ৭ যিলহজ্জ তারিখে ‘আরাফা হয়। এক্ষণে করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৩) : লাল ও হলুদ পোশাক পরিধানের বিধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : শিশুর পেশাব কাপড়ে লেগে যদি শুকিয়ে যায়, তাহলে ঐ কাপড়ে ছালাত আদায় করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ