রবিবার, ০৭ Jun ২০২৬, ০৩:২২ অপরাহ্ন
উত্তর : ডাক্তারগণ যখন কোন ব্যক্তি সম্পর্কে এই মর্মে সিদ্ধান্ত দিবেন যে, তিনি রোগে আক্রান্ত হওয়ার কারণে আর ছিয়াম পালন করতে পারবেন না এবং এ রোগ থেকে সুস্থতারও আশা করা যায় না, তখন ফিদইয়া প্রদান করা ওয়াজিব। চির রোগী ও অতি বৃদ্ধ মানুষ তিনি ছিয়াম পালনে অক্ষম, তিনি ফিদইয়া দিবেন। এজন্য প্রতি ছিয়ামের পরিবর্তে একজন মিসকীনকে খাওয়াতে হবে, যার পরিমাণ হল দেশীয় খাদ্যের অর্ধ ছা‘ বা দেড় কেজি। যেমন চাল, গম, খেজুর। আর যদি এর সাথে কোন তরকারী বা গোশত দেয়া হয়, তবে সেটা আরো উত্তম। অথবা খাবার বানিয়ে মিসকীনদেরকে দাওয়াত দিয়ে খাওয়ানোর ব্যবস্থাও করা যায় (ইসলাম সাওয়াল ওয়া জাওয়াব, ফৎওয়া নং-৬৬৮৮৬)। কিন্তু টাকা দিয়ে ফিদিয়া দিলে আদায় হবে না’ (ফাতাওয়া আল-লাজনা আদ-দায়িমা, ১০/১৯৮ পৃ.; ইসলাম সাওয়াল ওয়া জাওয়াব, ফৎওয়া নং-৯৩২৪৩)। ইমাম বুখারী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘আর যে বয়োবৃদ্ধ ব্যক্তি ছিয়াম পালনে অক্ষম সে মিসকীন খাওয়াবে। যেমন আনাস (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বৃদ্ধ হওয়ার পর ছিয়াম পালনে অক্ষম হয়ে পড়লে তিনি এক বছর অথবা দু’বছর প্রতিদিনের পরিবর্তে একজন দরিদ্র ব্যক্তিকে রুটি ও গোশত খেতে দিতেন এবং ছিয়াম ত্যাগ করতেন’ (তা‘লীকু ছহীহিল বুখারী, হা/৪৫০৫-এর অধ্যায়; ইসলাম সাওয়াল ওয়া জাওয়াব, ফৎওয়া নং-৪৯৯৪৪)।

উল্লেখ্য যে, সাময়িক অসুস্থতার কারণে ছিয়াম রাখতে না পারলে, পরবর্তীতে সেই ছিয়াম ক্বাযা বা পূরণ করে নিবে (সূরা বাক্বারাহ ১৮৪-১৮৫)। সুস্থ অবস্থায় ফিদইয়া দেয়া যাবে না। শায়খ উছাইমীন (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘সুতরাং স্থায়ী রোগে আক্রান্ত রোগী, অতিশয় বৃদ্ধ ও বৃদ্ধাদের মধ্যে যারা ছিয়াম পালনে অক্ষম, তাদের উপর প্রতিদিনের ছিয়ামের পরিবর্তে একজন মিসকীন খাওয়ানো ওয়াজিব। সেটা খাদ্য দ্রব্য দান করার মাধ্যমে হোক অথবা রামাযান মাসের দিনের সমান সংখ্যক মিসকীনকে দাওয়াত করে খাওয়ানোর মাধ্যমে হোক। ঠিক যেমনটি আনাস (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বৃদ্ধ হওয়ার পর করেছেন। তিনি ৩০ জন মিসকীনকে একত্রে দাওয়াত করে খাওয়াতেন। এতে তাঁর এক মাসের ছিয়ামের কাফফারা হয়ে যেত (ফাতাওয়াউছ ছিয়াম, পৃ. ১১১)।

প্রশ্নকারী : আব্দুল্লাহ আহমাদ, বরিশাল।





প্রশ্ন (৪০) : যদি বিড়াল, বেজি, কুকুর বা শেয়াল কোন হাঁস-মুরগীকে আহত করে, তাহলে উক্ত হাঁস-মুরগী খাওয়া যাবে কি ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৯) : বিভিন্ন সংস্থা বা সংগঠনের ব্যানারে ইসলামী কুইজ প্রতিযোগিতার নামে নির্দিষ্ট যে ফি ধার্য করা হয়, যেখানে নির্দিষ্ট কয়েকজনকে মাত্র পুরস্কৃত করা হয়। এটি কি শরী‘আত সম্মত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩২) : কুরবানীর দিন দুপুর পর্যন্ত না খেয়ে থাকা সুন্নাত। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৯) : জনৈক বক্তা বলেন, আশূরার দিনেই ক্বিয়ামত হবে। উক্ত দাবী কি  শরী‘আত সম্মত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৪) : আর্থিকভাবে স্বচ্ছল এমন ইমাম তারাবীহ পড়িয়ে হাদিয়া নিতে পারবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪) : আক্বীদা ও মানহাজার মধ্যে পার্থক্য কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : অফিস চলাকালীন জামা‘আত ছুটে গেলে, পরবর্তীতে ছোট ছোট জামা‘আত হয়। এমন সময় যে ব্যক্তি টাখনুর নিচে প্যান্ট ঝুলিয়ে পরে কিন্তু ছালাতে গুটিয়ে নেয়, এমন ব্যক্তি ইমামতিতে দাঁড়িয়ে গেলে সে জামা‘আতে অংশগ্রহণ করা কি ঠিক হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২১) : সন্তানদেরকে দান করার ব্যাপারে শরী‘আতের বিধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১): মানহাজ কাকে বলে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৮) : জনৈক খত্বীব বলেছেন, কেউ যদি ২১ বার বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম পড়ে ঘুমায়, তাহলে তার প্রতি নিশ্বাসে নেকি লিখা হয়। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১) : টাখনুর নীচে কাপড় পরিধান করা অহংকারের লক্ষণ। প্রশ্ন হল- কেউ অহংকার না করে টাখনুর নীচে কাপড় ঝুলিয়ে পরতে পারবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২) : আমার মা রক্তের সম্পর্কের বহির্ভূত এক জনের সাথে কথা বলেন। মাকে তিনি ‘ভাবী’ বলেন এবং আমার মা তাকে ‘ভাই’ বলেন। আমাদের বাড়িতে আসেন এবং ঘণ্টার পর ঘণ্টা সামনাসামনি হয়ে কথা বলেন। এখন সন্তান হিসাবে আমার করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ