বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৩৩ পূর্বাহ্ন
উত্তর : এটা শরী‘আত সম্মত নয়। যে কোন চিকিৎসা পদ্ধতি বৈধ হওয়ার জন্য দু’টি শর্ত জরুরী। (১) পদ্ধতিটি শরী‘আতসম্মত তথা কুরআন ও ছহীহ সুন্নাহ মোতাবেক হতে হবে। (২) অথবা বিজ্ঞানসম্মত চিকিৎসাশাস্ত্র দ্বারা প্রমাণিত অর্থাৎ অভিজ্ঞ চিকিৎসকদের বিবৃতি অনুযায়ী হতে হবে। অথচ আমাদের সমাজে যে পদ্ধতিতে জন্ডিসে আক্রান্ত রোগীর ঝাড়ফুঁক করা হয়, তা মোটেও ইসলামী পদ্ধতি নয়। এটি কুসংস্কার বা যাদুকর্মের অন্তর্ভুক্ত। সুতরাং এরূপ যাদুবৃত্তি, কবিরাজি ও জ্যোতিষীপনার মাধ্যমে জন্ডিস থেকে আরোগ্য লাভের ধারণা করা কস্মিনকালেও জায়েয নয়। কারণ এই পদ্ধতি সম্পর্কে না ইসলাম বলেছে আর না কোন ডাক্তার বলেছেন। শায়খ ইবনু বায (রাহিমাহুল্লাহ) বলেছেন, ‘গণক, ভবিষ্যদ্বক্তা, যাদুকর, ভেলকিবাজ ও কবিরাজের কাছে যাওয়া জায়েয নয়। বরং তাদের থেকে বিরত থাকা এবং তাদেরকে বিরত রাখা অপরিহার্য। কেননা রাসূল (ﷺ) বলেছেন,

مَنْ أتَى عَرَّافًا فَسَأَلَهُ عَنْ شَيْءٍ، لَمْ تُقْبَلْ لَهُ صَلَاةٌ أرْبَعِيْنَ لَيْلَةً

‘যে ব্যক্তি কোন গণকের কাছে আসল, অতঃপর তাকে (ভাগ্য সম্পর্কে) কিছু জিজ্ঞাসা করল এবং গণকের কথাকে সত্য বলে বিশ্বাস করল, চল্লিশ দিন পর্যন্ত তার কোন ছালাত ক্ববুল হবে না’। অন্য বর্ণনায় এসেছে, ‘যে ব্যক্তি গণকের কাছে আসল, অতঃপর গণক যা বলল তা সত্য বলে বিশ্বাস করল, সে মূলত মুহাম্মাদ (ﷺ)-এর উপর যা নাযিল করা হয়েছে তা অস্বীকার করল’ (ছহীহ মুসলিম, হা/২২৩০; আবূ দাঊদ, হা/৩৯০৪; তিরমিযী, হা/১৩৫; মুসনাদে আহমাদ, হা/৯৫৩৬)। তবে প্রয়োজনে দ্বীনদার, সৎ ও শুভাকাক্সক্ষী ব্যক্তির কাছে বৈধ ঝাড়ফুঁক করার জন্য যাওয়া জায়েয (মাজমূঊ ফাতাওয়া ইবনু বায, ৮/১৫৮ পৃ.; কিতাবু ফাতাওয়া ফিত-তাওহীদ, পৃ. ৫৪)।


প্রশ্নকারী : মুহাম্মাদ মনীরুল ইসলাম, যশোর।





প্রশ্ন (২৯) : সন্তান-সন্ততি এবং অর্থ-সম্পদ তোমাদের জন্য পরীক্ষা স্বরূপ (আনফাল ২৮; তাগাবুন ১৫)। এ কথার সঠিক ব্যাখ্যা কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৫) : ঔষধ দিয়ে পোকা-মাকড়, পিঁপড়া, মাছি, তেলাপোকা মারা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : জনৈক শিক্ষক জিপিএফ-এর সূদ বন্ধ করে দিয়েছেন। কারণ এখন সূদমুক্ত অফশন চালু করা হয়েছে। কিন্তু তার পিতা-মাতা এই বিষয় নিয়ে মনক্ষুন্ন হয়েছেন। তারা সেই সূদের টাকা চাচ্ছিলেন। কিন্তু শিক্ষকের ভয় হল, তিনি যদি আগেই মারা যান, আর সন্তানরা যদি সূদের টাকা আলাদা না করে তবে তিনি পাপী হবেন। তিনি কি অপরাধ করেছেন? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১০) : শত্রুতার জের ধরে যদি কোন মানুষকে মেরে ফেলার জন্য কোন পয়জন খাওয়ানো হয়, তাহলে জীবন বাঁচানোর জন্য তাবীয ব্যাবহার করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪) : সন্তান নেশার সাথে জড়িত হলে করণীয় কী? শাসনের জন্য সামাজিক বা প্রশাসনিক সাহায্য নেয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২০) : একইসাথে টয়লেট ও গোসল খানা। সে ক্ষেত্রে টয়লেটের ভিতরে বসে ওযূ করলে বসা অবস্থায় ওযূর দু‘আ সমূহ পাঠ করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৮): ঈদের স্বালাতের পূর্বেই কি যাকাতুল ফিতরের সমস্ত খাদ্যদ্রব্য বন্টন করতে হবে না-কি ঈদের পরেও করা যায়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৭) : কুরআনের আয়াত ও বিভিন্ন হাদীছ মানসূখ হওয়ার কারণ কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৭) : বিবাহিত মেয়ে কর্তৃক অবিবাহিত ছেলের সাথে কথা বলার ব্যাপারে ইসলামের নির্দেশনা কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : একদিন মুহাম্মাদ (ﷺ)-কে তার নাতি হুসাইন (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, আমি বড় না আপনি বড়? তখন নবী (ﷺ) বললেন যে, ‘তিনি বড়’। তখন হুসাইন (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলল, ‘না, আমি বড়’। তখন নবী (ﷺ) জিজ্ঞেস করলেন, কীভাবে? তিনি বললেন, ‘আপনার পিতার নাম কী?’ নবী (ﷺ) বললেন, আব্দুল্লাহ। হোসাইন (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলল, ‘আমার বাবা আলী, যাকে আল্লাহর সিংহ বলা হয়েছে’। ...পরিশেষে নবী (ﷺ) বলেন, ‘হোসাইন তুমিই বড়’। উক্ত ঘটনাটি কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৯) : কবরে মৃত ব্যক্তি কী ধরনের প্রশ্নের মুখোমুখি হয়ে থাকে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩০) : মাতুরিদী মতবাদের পরিচয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ