বৃহস্পতিবার, ২৩ Jul ২০২৬, ১২:৩৩ পূর্বাহ্ন
উত্তর : একজন চাকরিজীবী তার কাজের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করা বাধ্যতামূলক। কারণ এটি তার বেতন বা উপার্জনের বিনিময়ে চুক্তিবদ্ধ একটি অধিকার (হক্ব)। অলসতা, গাফিলতি, ঘুম বা অপ্রয়োজনীয় কাজ যেমন নেট ব্রাউজিং ইত্যাদি বিষয় কাজের প্রতি অবহেলা হিসাবে বিবেচিত । এটি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে এবং নিয়মিত হয়, তবে তা উচিত নয়। আল্লাহ তাআলা বলেছেন, وَ لَا تَاۡکُلُوۡۤا اَمۡوَالَکُمۡ بَیۡنَکُمۡ بِالۡبَاطِلِ ‘তোমরা একে অপরের সম্পদ অন্যায়ভাবে গ্রাস করো না....’ (সূরা আল-বাক্বারাহ: ১৮৮)। যদি এই হক্ব নষ্ট করা স্বল্পমাত্রায় ঘটে এবং কাজের প্রকৃত চুক্তি পূরণ হয়, তাহলে পুরো উপার্জন হারাম হবে না। তবে আল্লাহ্র কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। কিন্তু যদি নিয়মিতভাবে অফিসের দায়িত্ব অবহেলা করা হয়, তা হলে এতে উপার্জনে হারামের মিশ্রণ হল বলে গণ্য হবে।

কাফ্ফারা : (ক) তওবা করা: আল্লাহ তা‘আলা ক্ষমাশীল। আপনার কাজের সময়ের অপব্যবহার এবং হক্ব নষ্ট করার জন্য আন্তরিকভাবে তওবা করুন। আল্লাহ তা‘আলা ঘোষণা করেছেন, ‘তবে যে ব্যক্তি তওবা করে, ঈমান আনে এবং সৎকর্ম সম্পাদন করে, আল্লাহ তার পাপগুলোকে পুণ্যে পরিণত করেন’ (সূরা আল-ফুরক্বান: ৭০)।

(খ) ক্ষতিপূরণ দেয়া: সম্ভব হলে অফিসে যে সময় বা কাজের ক্ষতি হয়েছে, তা অতিরিক্ত সময় দিয়ে পূরণ করা। যদি ক্ষতিপূরণ করা সম্ভব না হয়, তবে কাজের গুণগত মান উন্নত করার মাধ্যমে ক্ষতি কমানোর চেষ্টা করুন। দায়িত্বশীলের কাছে ক্ষমা চেয়ে বিষয়টি শুধরে নিন। কারণ এটা বান্দার অধিকার ক্ষুণ্ন হয়েছে (ছহীহ বুখারী,হা/২৪৪৯)। ইমাম কুরতুবী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘বান্দার হক বান্দাকে না ফিরিয়ে দিয়ে তওবা করলে তার তওবা বিশুদ্ধ হবে না। স্বয়ং ঐ বস্তু হোক বা তার মত অন্যকিছু। যেকোন ভাবেই হোক মিটাতে হবে’ (আল-জামি‘ লিআহকামিল কুরআন, ১৮/১৯৯ পৃ.)।

(গ) দায়িত্বে মনোযোগী হওয়া: ভবিষ্যতে কাজের সময় সতর্ক থাকা এবং ইচ্ছাকৃতভাবে গাফিলতি না করা। আল্লাহ তা‘আলা আমাদের সকলের উপার্জনকে হালাল করুন এবং সহজ করে দিন।


প্রশ্নকারী: কামরুজ্জামান রনি, গাজীপুর।





প্রশ্ন (৫) : ইসলামে মৃত্যু সংবাদ প্রচার করা নিষেধ। কিন্তু ইদানিং অনলাইনে ব্যাপকভাবে ‘মৃত্যু সংবাদ’ প্রচার করা হয়। প্রশ্ন হল, অনলাইনে মৃত্যুসংবাদ প্রচার করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৭) : প্রসিদ্ধ চার ইমামের জন্ম ও মৃত্যু তারিখ জানিয়ে বাধিত করবেন। - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : মাইয়েতকে কবর দেয়ার সময় কবরের চার পাশে চারটি খেজুরের ডাল পোঁতা হয় এবং চার কুল পড়া হয়। এর কোন দলীল আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৬) : ফরয ছালাতের পর বিভিন্ন দু‘আর সাথে সূরা ইখলাছ, ফালাক্ব, নাস ইত্যাদি পড়ার পর বুকে ফুঁ দিয়ে এবং হাতে ফুঁ দিয়ে গোটা শরীর মাসাহ করা কি ঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩) : যে সব হাদীছে ভারত বা হিন্দে যুদ্ধের কথা বলা হয়েছে, সেগুলো কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : (أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ) তথা ‘আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোন সত্য মা‘বূদ নেই’ (وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًّا عَبْدُهُ وَرَسُوْلُهُ) ‘এবং আমি আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল’। এর প্রকৃত অর্থ কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪) : অনেকেই গ্রামের বাড়ির আশেপাশে থেকে ছোট ছোট মাছ ধরে থাকে। এসব মাছ কেউ চাষ করে না কিংবা টাকা দিয়ে জমিতে ছাড়েও না। জমির মালিকের অনুমতি ছাড়া এসব মাছ ধরা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২) : জনৈক আলেম বলেন, রাতে ঘুম ভেঙ্গে যাওয়ার পর যে ব্যক্তি নিম্নের দু‘আটি পাঠ করবে, তাকে ক্ষমা করে দেওয়া হবে। যদি সে দু‘আ করে, তবে তার দু‘আ কবুল হবে। আর সে যদি উঠে ওযয় করে ছালাত আদায় করে, তাহলে তার ছালাত কবুল হবে। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৭) : নবী (ﷺ)-এর ছাহাবী দাহিয়া কালবী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) ইসলাম গ্রহণের পূর্বে তার নিজের মেয়েকে নিষ্ঠুরভাবে পর্বতে নিয়ে হত্যা করেছিল। এই বিষয়টি তিনি ইসলাম গ্রহণের পর নবী (ﷺ)-এর কাছে বর্ণনা করেন। উক্ত ঘটনাটি কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : ওযূ করার সময় মুখে ও নাকে পানি দেয়ার সঠিক পদ্ধতি কোনটি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : গ্রামের জুমু‘আর ছালাত হবে না। এই হাদীছ কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২) : আমার মা রক্তের সম্পর্কের বহির্ভূত এক জনের সাথে কথা বলেন। মাকে তিনি ‘ভাবী’ বলেন এবং আমার মা তাকে ‘ভাই’ বলেন। আমাদের বাড়িতে আসেন এবং ঘণ্টার পর ঘণ্টা সামনাসামনি হয়ে কথা বলেন। এখন সন্তান হিসাবে আমার করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ