রবিবার, ০৭ Jun ২০২৬, ০৩:২৮ অপরাহ্ন
উত্তর : একজন চাকরিজীবী তার কাজের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করা বাধ্যতামূলক। কারণ এটি তার বেতন বা উপার্জনের বিনিময়ে চুক্তিবদ্ধ একটি অধিকার (হক্ব)। অলসতা, গাফিলতি, ঘুম বা অপ্রয়োজনীয় কাজ যেমন নেট ব্রাউজিং ইত্যাদি বিষয় কাজের প্রতি অবহেলা হিসাবে বিবেচিত । এটি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে এবং নিয়মিত হয়, তবে তা উচিত নয়। আল্লাহ তাআলা বলেছেন, وَ لَا تَاۡکُلُوۡۤا اَمۡوَالَکُمۡ بَیۡنَکُمۡ بِالۡبَاطِلِ ‘তোমরা একে অপরের সম্পদ অন্যায়ভাবে গ্রাস করো না....’ (সূরা আল-বাক্বারাহ: ১৮৮)। যদি এই হক্ব নষ্ট করা স্বল্পমাত্রায় ঘটে এবং কাজের প্রকৃত চুক্তি পূরণ হয়, তাহলে পুরো উপার্জন হারাম হবে না। তবে আল্লাহ্র কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। কিন্তু যদি নিয়মিতভাবে অফিসের দায়িত্ব অবহেলা করা হয়, তা হলে এতে উপার্জনে হারামের মিশ্রণ হল বলে গণ্য হবে।

কাফ্ফারা : (ক) তওবা করা: আল্লাহ তা‘আলা ক্ষমাশীল। আপনার কাজের সময়ের অপব্যবহার এবং হক্ব নষ্ট করার জন্য আন্তরিকভাবে তওবা করুন। আল্লাহ তা‘আলা ঘোষণা করেছেন, ‘তবে যে ব্যক্তি তওবা করে, ঈমান আনে এবং সৎকর্ম সম্পাদন করে, আল্লাহ তার পাপগুলোকে পুণ্যে পরিণত করেন’ (সূরা আল-ফুরক্বান: ৭০)।

(খ) ক্ষতিপূরণ দেয়া: সম্ভব হলে অফিসে যে সময় বা কাজের ক্ষতি হয়েছে, তা অতিরিক্ত সময় দিয়ে পূরণ করা। যদি ক্ষতিপূরণ করা সম্ভব না হয়, তবে কাজের গুণগত মান উন্নত করার মাধ্যমে ক্ষতি কমানোর চেষ্টা করুন। দায়িত্বশীলের কাছে ক্ষমা চেয়ে বিষয়টি শুধরে নিন। কারণ এটা বান্দার অধিকার ক্ষুণ্ন হয়েছে (ছহীহ বুখারী,হা/২৪৪৯)। ইমাম কুরতুবী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘বান্দার হক বান্দাকে না ফিরিয়ে দিয়ে তওবা করলে তার তওবা বিশুদ্ধ হবে না। স্বয়ং ঐ বস্তু হোক বা তার মত অন্যকিছু। যেকোন ভাবেই হোক মিটাতে হবে’ (আল-জামি‘ লিআহকামিল কুরআন, ১৮/১৯৯ পৃ.)।

(গ) দায়িত্বে মনোযোগী হওয়া: ভবিষ্যতে কাজের সময় সতর্ক থাকা এবং ইচ্ছাকৃতভাবে গাফিলতি না করা। আল্লাহ তা‘আলা আমাদের সকলের উপার্জনকে হালাল করুন এবং সহজ করে দিন।


প্রশ্নকারী: কামরুজ্জামান রনি, গাজীপুর।





প্রশ্ন (৫) : এক সন্তানের বয়স ১৫ বছর, আরেক সন্তানের বয়স ৯ বছর। তাদের আক্বীক্বা দেয়া হয়নি। এখন তাদের আক্বীক্বা দেয়া যাবে কি? গরু বা মহিষ দ্বারা আক্বীক্বা করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২০) : যে সমস্ত প্রতিষ্ঠানে খ্রিস্টানদের ক্রুশ চিহ্নযুক্ত ইউনিফর্ম পরা বাধ্যতামূলক, সেগুলো পড়ালেখা করা যাবে কি? এক্ষেত্রে  পিতা-মাতার আদেশ অমান্য করলে অবাধ্যতা হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৮): হাদীছে শুধু সোনা ও রূপার নিছাব বর্ণিত হয়েছে। এমতাবস্থায় আমরা টাকার বা কাগুজে মুদ্রার নিছাব কিভাবে নির্ণয় করব, স্বর্ণের নিছাবের ভিত্তিতে, না-কি রৌপ্যের নিছাবের ভিত্তিতে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : খাদীজা (রাযিয়াল্লাহু আনহা)-এর সমস্ত সম্পদ কি তিনি রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দিয়ে দিয়েছিলেন? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৭) : বিবাহিত মেয়ে কর্তৃক অবিবাহিত ছেলের সাথে কথা বলার ব্যাপারে ইসলামের নির্দেশনা কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৫) : আমি আমার স্বামীর কাছ থেকে খোলা ত্বালাক্ব নিয়েছি। কারণ সে ছালাত আদায় করে না, ছিয়াম পালন করে না। এ ব্যাপারে তাকে অনেক দিন থেকে নছীহত করা সত্ত্বেও তার কোন পরিবর্তন হয়নি। অথচ আমি ছালাত আদায় করলে, ছিয়াম পালন করলে, কুরআন ও হাদীছ পড়াশোনা করলে অত্যাচার করে। তাই খোলা ত্বালাক্ব নিতে বাধ্য হয়েছি। ১ মাস পার হয়েছে। এখন একজন ছালাত আদায়কারী ছেলে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছে। আমি তাতে রাজিও আছি কিন্তু আমার পিতা রাজি হচ্ছে না। এমতাবস্থায় আমার করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৬) : মসজিদের ছাদের উপরে ফ্লাট বাড়ীর মত দু’টি রুম তৈরি করা হয়েছে। সেখানে ইমাম ছাহেব স্ত্রী-সন্তান নিয়ে থাকবেন। উক্ত মসজিদে ছালাত আদায় করলে ছালাত শুদ্ধ হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১১) : ছালাত অবস্থায় যদি দুই এক ফোঁটা পেশাব পড়ে যায়, তাহলে কি পুনরায় ছালাত আদায় করতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৮) : অনেকে বলেন, বিদ‘আত দুই প্রকার, এর দলীল হিসাবে আলেমের (ইমাম নববী রহ.) উক্তি দেন। বিদ‘আত কি আসলেই দু প্রকার? কোন সাহাবী তাবেঈ কি এরূপ ভাগ করতেন? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১২) : নবী নূরের তৈরি, আল্লাহ সব জায়গায় বিরাজমান, নবী হাজির নাজির, সবাই মিলে দাঁড়িয়ে তাঁকে সালাম দিতে হবে এবং মাযার সংক্রান্ত কার্যক্রমগুলো জায়েয বলে আক্বীদা পোষণ করে এমন ব্যক্তির পিছনে ছালাত হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : জুমু‘আহ ও পাঁচ ওয়াক্ত ছালাতের আযান মসজিদের কোন্ জায়গা থেকে দিতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : ছোট বাচ্চাদের চোখে কাজল (কালো কালি) দেয়া, কোমরে ডোরা (কালো সুতা) বাঁধা অথবা কপালে কালো ফোঁটা দেয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ