বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫, ০১:৩০ অপরাহ্ন
উত্তর : শেষ বৈঠকে আত্তাহিয়্যাতু, আল্লাহুম্মা ছাল্লি ‘আলা মুহাম্মাদ ও দু‘আ মাছুরাহ পাঠ করার পর নিজের জন্য, পিতা-মাতার জন্য অথবা অন্য কারোর জন্য অতিরিক্ত দু‘আ করা জায়েয। শর্ত একটাই, যেন দু‘আর মধ্যে অবৈধ চাওয়া না থাকে। কুরআন ও ছহীহ সুন্নাহতে বর্ণিত ইহকাল ও পরকাল বিষয়ক যে কোন পসন্দনীয় দু‘আ পাঠ করাটাই সর্বাধিক উত্তম (ইবনু বায, মাজমূঊল ফাতাওয়া, ১১/১৭১-১৭৪ পৃ.; ইসলাম সাওয়াল ওয়া জাওয়াব, ফৎওয়া নং-২৬২২৫৪, ৭৫০৫৮; আল-ফিক্বহুল মুওয়াস্সার, ১/২৯৫-৬ পৃ.)। আব্দুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, ثُمَّ يَتَخَيَّرُ مِنْ الدُّعَاءِ أَعْجَبَهُ إِلَيْهِ فَيَدْعُوْ ‘অতঃপর (সালাম ফিরানোর পূর্বে) যে দু‘আ তার পসন্দ হয় সে তা চয়ন করবে এবং পাঠ করবে’ (ছহীহ বুখারী, হা/৮৩৫)। অন্য বর্ণনায় এসেছে, ‏ثُمَّ لْيَتَخَيَّرْ بَعْدُ مِنَ الْمَسْأَلَةِ مَا شَاءَ أَوْ مَا أَحَبَّ‏ ‘অতঃপর ছালাত আদায়কারী (সালাম ফিরানোর পূর্বে) তার ইচ্ছানুযায়ী অথবা নিজের পসন্দমত যে কোন দু’আ পাঠ করতে পারে’ (ছহীহ মুসলিম, হা/৪০২)।

দ্বিতীয়তঃ উক্ত পসন্দনীয় দু‘আ আরবী ভাষা ব্যতীত অন্য কোন ভাষায় করা যাবে কি-না সে ব্যাপারে মতপার্থক্য রয়েছে। কেউ এটাকে হারাম বলেছেন, কেউ অপসন্দ করেছেন, আবার কেউ অপারগ ও অসমর্থদের জন্য জায়েয বলেছেন (আল-মাউসূ‘আতুল ফিক্বহিয়্যাহ, ১১/১৭২ পৃ.)। ছালাতের বাইরে ইংরেজি ভাষা অথবা অন্য যে কোন ভাষায় দু‘আ করা জায়েয। কিন্তু ছালাতের মধ্যে জমহূর আলিমের মতানুযায়ী আরবী ব্যতীত অন্য কোন ভাষায় দু‘আ করা জায়েয নয়। বিশেষ করে যারা আরবী দু‘আ জানে তাদের জন্য আরবী ব্যতীত অন্য কোন ভাষায় দু‘আ করা জায়েয নয়। কিন্তু যাদের আরবী ভাষায় দু‘আ মুখস্থ নেই, তাদের জন্য আরবী ভাষায় দু‘আ না শিখা পর্যন্ত মাতৃভাষায় দু‘আ করা দোষনীয় নয়’ (ইসলাম সাওয়াল ওয়া জাওয়াব, ফৎওয়া নং-১১৫৮৮, ২৬২২৫৪, ২০৯৫৩)।

তৃতীয়তঃ শায়খুল ইসলাম ইমাম ইবনু তাইমিয়্যাহ (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘মানুষের উচিত কুরআন ও ছহীহ সুন্নাহতে বর্ণিত দু‘বার মাধ্যমে দু‘আ করা। কেননা এর গুরুত্ব, মাহাত্ম্য ও সৌন্দর্যের ব্যাপারে কোন সন্দেহ নেই এবং এটিই সরল পথ। ইসলামের আলিমগণ এবং দ্বীনের ইমামগণ শরী‘আত সম্মত দু‘আর কথা উল্লেখ করেছেন এবং তাঁরা নতুন উদ্ভাবিত বিদ‘আতী দু‘আ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন। সুতরাং এরই অনুসরণ করা উচিত (মাজমূঊল ফাতাওয়া ইবনে তাইমিয়্যাহ, ১/৩৪৬ ও ৩৪৮ পৃ.)।


প্রশ্নকারী : ইনামুল হক, ত্রিশাল, ময়মনসিংহ।





প্রশ্ন (২০) : জনৈক আলেম বলেন, ‘কোন ব্যক্তি সকাল-সন্ধ্যায় যতবার মসজিদে যাবে, আল্লাহ তার জন্য জান্নাতে ততবার মেহমানদারীর সামগ্রী তৈরি করে রাখেন’। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩০) : আছরের পূর্বে ৪ রাক‘আত বা ২ রাক‘আত ছালাত সম্পর্কিত যে হাদীছগুলো আছে সেই হাদীছগুলোর ছহীহ-যইফ হওয়ার ব্যাপারে মতভেদ আছে। হাদীছগুলোর তাহক্বীক্ব কী এবং এই চার রাক‘আত ছালাত এক সালাম না দুই সালামে পড়তে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৯) : আক্বীদা, আচরণ ও আমলের ক্ষেত্রে তাওহীদের হাক্বীক্বাত বা প্রকৃতি জানার উপায় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : পিতার চাচী কি ছেলের জন্য মাহরাম হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৬) : আল্লাহকে ‘খোদা’ বলে ডাকা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১২) : টিকটিকি মারার ফযীলত সংক্রান্ত কয়েকটি হাদীছ বর্ণিত হয়েছে। অনেকেই বলে, তা টিকটিকি নয়, বরং তা গিরগিটি কিংবা কাঁকলাস মারতে হবে। এর সঠিক অর্থ কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৫) : জনৈক ব্যক্তির উপর তার পিতা-মাতা অযথা যুলুম করে। সে জন্য পিতা-মাতার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করতে চাচ্ছে। এটা কি উচিত হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৫) : কোন ফার্মাসিস্ট বাচ্চা নষ্ট করার ওষুধ বিক্রয় করলে গুনাহ হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১২) : দ্রুত আয়-উপার্জনের জন্য কি কোন আমল আছে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৬) : যে ব্যক্তি প্রত্যেক জুম‘আর দিন আমার উপর ৪০ বার দরূদ পাঠ করবে, আল্লাহ তার ৪০ বছরের পাপ ক্ষমা করে দিবেন। আর যে ব্যক্তি আমার উপর একবার দরূদ পাঠ করবে তার পক্ষ থেকে তা গ্রহণযোগ্য হবে এবং তার ৮০ বছরের পাপ আল্লাহ মাফ করে দিবেন (তাযকিরাতুল মাওযূ‘আত, পৃ. ৯০)। বর্ণনাটি কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪০) : ‘কুযা’ কাকে বলে? কিছু কিছু যুবক তাদের মাথার সাইডের চুলগুলো কেটে মাঝখানের চুলগুলো রেখে দেয়। প্রশ্ন হল- শরী‘আতের দৃষ্টিতে পুরুষের মাথার চুল কাটার পদ্ধতি কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৩) : ইমামের সূরা ফাতিহা পড়ার সাথে সাথে মুছল্লীগণও তা পড়বে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ