শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ০১:৪৭ অপরাহ্ন
উত্তর : শেষ বৈঠকে আত্তাহিয়্যাতু, আল্লাহুম্মা ছাল্লি ‘আলা মুহাম্মাদ ও দু‘আ মাছুরাহ পাঠ করার পর নিজের জন্য, পিতা-মাতার জন্য অথবা অন্য কারোর জন্য অতিরিক্ত দু‘আ করা জায়েয। শর্ত একটাই, যেন দু‘আর মধ্যে অবৈধ চাওয়া না থাকে। কুরআন ও ছহীহ সুন্নাহতে বর্ণিত ইহকাল ও পরকাল বিষয়ক যে কোন পসন্দনীয় দু‘আ পাঠ করাটাই সর্বাধিক উত্তম (ইবনু বায, মাজমূঊল ফাতাওয়া, ১১/১৭১-১৭৪ পৃ.; ইসলাম সাওয়াল ওয়া জাওয়াব, ফৎওয়া নং-২৬২২৫৪, ৭৫০৫৮; আল-ফিক্বহুল মুওয়াস্সার, ১/২৯৫-৬ পৃ.)। আব্দুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, ثُمَّ يَتَخَيَّرُ مِنْ الدُّعَاءِ أَعْجَبَهُ إِلَيْهِ فَيَدْعُوْ ‘অতঃপর (সালাম ফিরানোর পূর্বে) যে দু‘আ তার পসন্দ হয় সে তা চয়ন করবে এবং পাঠ করবে’ (ছহীহ বুখারী, হা/৮৩৫)। অন্য বর্ণনায় এসেছে, ‏ثُمَّ لْيَتَخَيَّرْ بَعْدُ مِنَ الْمَسْأَلَةِ مَا شَاءَ أَوْ مَا أَحَبَّ‏ ‘অতঃপর ছালাত আদায়কারী (সালাম ফিরানোর পূর্বে) তার ইচ্ছানুযায়ী অথবা নিজের পসন্দমত যে কোন দু’আ পাঠ করতে পারে’ (ছহীহ মুসলিম, হা/৪০২)।

দ্বিতীয়তঃ উক্ত পসন্দনীয় দু‘আ আরবী ভাষা ব্যতীত অন্য কোন ভাষায় করা যাবে কি-না সে ব্যাপারে মতপার্থক্য রয়েছে। কেউ এটাকে হারাম বলেছেন, কেউ অপসন্দ করেছেন, আবার কেউ অপারগ ও অসমর্থদের জন্য জায়েয বলেছেন (আল-মাউসূ‘আতুল ফিক্বহিয়্যাহ, ১১/১৭২ পৃ.)। ছালাতের বাইরে ইংরেজি ভাষা অথবা অন্য যে কোন ভাষায় দু‘আ করা জায়েয। কিন্তু ছালাতের মধ্যে জমহূর আলিমের মতানুযায়ী আরবী ব্যতীত অন্য কোন ভাষায় দু‘আ করা জায়েয নয়। বিশেষ করে যারা আরবী দু‘আ জানে তাদের জন্য আরবী ব্যতীত অন্য কোন ভাষায় দু‘আ করা জায়েয নয়। কিন্তু যাদের আরবী ভাষায় দু‘আ মুখস্থ নেই, তাদের জন্য আরবী ভাষায় দু‘আ না শিখা পর্যন্ত মাতৃভাষায় দু‘আ করা দোষনীয় নয়’ (ইসলাম সাওয়াল ওয়া জাওয়াব, ফৎওয়া নং-১১৫৮৮, ২৬২২৫৪, ২০৯৫৩)।

তৃতীয়তঃ শায়খুল ইসলাম ইমাম ইবনু তাইমিয়্যাহ (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘মানুষের উচিত কুরআন ও ছহীহ সুন্নাহতে বর্ণিত দু‘বার মাধ্যমে দু‘আ করা। কেননা এর গুরুত্ব, মাহাত্ম্য ও সৌন্দর্যের ব্যাপারে কোন সন্দেহ নেই এবং এটিই সরল পথ। ইসলামের আলিমগণ এবং দ্বীনের ইমামগণ শরী‘আত সম্মত দু‘আর কথা উল্লেখ করেছেন এবং তাঁরা নতুন উদ্ভাবিত বিদ‘আতী দু‘আ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন। সুতরাং এরই অনুসরণ করা উচিত (মাজমূঊল ফাতাওয়া ইবনে তাইমিয়্যাহ, ১/৩৪৬ ও ৩৪৮ পৃ.)।


প্রশ্নকারী : ইনামুল হক, ত্রিশাল, ময়মনসিংহ।





প্রশ্ন (৩৩) : ওযূর সময় কি সালাম দেয়া ও নেয়া যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৬) : বাড়ীর মধ্যে কুকুর বাচ্চা জন্ম দিয়েছে। বাচ্চা সহ কুকুরকে বের করে দিতে হবে, না-কি বাড়ীতে থাকলে কোন সমস্যা হবে। এ ব্যাপারে শরী‘আতের বিধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : ঘরে সূরা বাক্বারা পাঠ করা এবং এ সূরার পঠন শয়তানকে তাড়ানো: সূরাটি উচ্চৈঃস্বরে পড়া কি আবশ্যকীয়? ক্যাসেট-প্লেয়ার ব্যবহারের মাধ্যমে কি এ উদ্দেশ্য হাছিল হতে পারে? সূরাটি ভাগ ভাগ করে পড়লে কি যথেষ্ট হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৩) : কিছু সংখ্যক কাফির শত্রুকে হত্যা করার জন্য তথাকথিত শহীদী হামলার নামে নিজেকে বিস্ফোরিত করার বিধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৭) : ঈমানকে কিভাবে নবায়ন করা যায়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৪) : কাগজ নকল করে কোনো দেশের ভিসা করে টাকা উপার্জন করলে, সেই টাকা কি হারাম হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩২) : ছালাতে সিজদা থেকে উঠে দাঁড়ানোর পর যদি সন্দেহ হয় একটা সিজদা হয়েছে না-কি দু’টি সিজদা হয়েছে? এক্ষেত্রে করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩১) : মৃত্যুর প্রস্তুতি স্বরূপ কেউ কাফনের কাপড় কিনে রাখতে পারবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : জনৈক ব্যক্তির একটি স্কুল আছে, সেখানে ছাত্র-ছাত্রীর জন্য নির্দিষ্ট একটি প্রকাশনীর বই নির্বাচন করায় প্রকাশনী হতে কিছু টাকা দেয়। উক্ত টাকা নেয়া জায়েয হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৭) : যদি আমি আমার বাবার হারাম টাকা ব্যবহার করি। আর লাভের পর আমি টাকা ফেরত দিই অথবা গরীবদের দান করি, তাহলে কি এটা হালাল হবে? যদিও টাকা নেয়ার আর কোন বিকল্প নেই। - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪) : ছালাতের ওয়াক্ত হওয়ার আগে আযান দেয়া যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২) : যে ব্যক্তি ক্বিয়ামতের মাঠে স্থাপিত মীযানকে অস্বীকার করে তার পরিণাম হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ