বুধবার, ২০ মে ২০২৬, ১১:২৮ পূর্বাহ্ন

প্রশ্নোত্তরে নারীদের জানাযা শিক্ষা

- শায়খ আব্দুল গাফফার মাদানী*


 
প্রশ্ন : মহিলার বিপদের সময় তাকে কি নাছীহা করা যেতে পারে?
উত্তর : প্রথমত বিপদ মুহূর্তে একজন মহিলার জন্য করণীয় হলো বিপদের প্রথম ধাপেই ধৈর্যধারণ করা এবং ‘ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন’ পড়া।*

عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، أَنَّ رَسُوْلَ اللَّهِ ﷺ أَتَى عَلَى امْرَأَةٍ تَبْكِي عَلَى صَبِيٍّ لَهَا فَقَالَ لَهَا ‏”‏اتَّقِي اللَّهَ وَاصْبِرِي”‏ فَقَالَتْ وَمَا تُبَالِي بِمُصِيبَتِي‏.‏ فَلَمَّا ذَهَبَ قِيلَ لَهَا إِنَّهُ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ فَأَخَذَهَا مِثْلُ الْمَوْتِ فَأَتَتْ بَابَهُ فَلَمْ تَجِدْ عَلَى بَابِهِ بَوَّابِينَ فَقَالَتْ يَا رَسُولَ اللَّهِ ﷺ لَمْ أَعْرِفْكَ ‏فَقَالَ ‏”‏إِنَّمَا الصَّبْرُ عِنْدَ أَوَّلِ صَدْمَةٍ”‏

আনাস ইবনু মালিক (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, রাসুলুল্লাহ (ﷺ)-এর সন্তানের মৃত্যু শোকে ক্রন্দনরত জনৈকা মহিলার নিকট দিয়ে গমন করছিলেন। তিনি তাঁকে বললেন, আল্লাহকে ভয় কর এবং ধৈর্যধারণ কর। মহিলা উত্তর দিল, তুমি আমার বিপদ কি উপলব্ধি করবে? যখন রাসুলুল্লাহ (ﷺ) চলে গেলেন, তখন বলা হলো তিনি তো রাসুলুল্লাহ (ﷺ) ছিলেন। তখন তাকে মৃত্যুর মত ভয়ে পেয়ে বসলো। তৎক্ষণাৎ রাসুলুল্লাহ (ﷺ)-এর দরজায় হাযির হল। সে তার দরজায় কোন দারোয়ানের পেল না। সে বলল, ইয়া রাসুলাল্লাহ (ﷺ)! আমি আপনাকে চিনতে পারিনি। রাসুলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, সবর তো হয় বিপদাগমনের প্রথম মূহূর্তে অথবা বলেছিলেন, আঘাতের প্রথমে।[১]

عَنْ أَبِي أُمَامَةَ عَنْ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ يَقُولُ اللهُ سُبْحَانَهُ ابْنَ آدَمَ إِنْ صَبَرْتَ وَاحْتَسَبْتَ عِنْدَ الصَّدْمَةِ الْأُولَى لَمْ أَرْضَ لَكَ ثَوَابًا دُونَ الْجَنَّةِ

আবূ উমামাহ (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত। নবী (ﷺ) বলেন, মহান আল্লাহ বলেছেন, ‘হে বনী আদম! যদি তুমি সওয়াবের আশায় প্রথম আঘাতেই ধৈর্যধারণ করো তাহলে আমি তোমাকে সওয়াবের বিনিময় হিসাবে জান্নাত দান না করে সন্তুষ্ট হবো না’।[২] মহান আল্লাহ বলেন,

وَ بَشِّرِ الصّٰبِرِیۡنَ . الَّذِیۡنَ اِذَاۤ  اَصَابَتۡہُمۡ مُّصِیۡبَۃٌ  ۙ قَالُوۡۤا اِنَّا لِلّٰہِ وَ  اِنَّاۤ اِلَیۡہِ رٰجِعُوۡنَ . اُولٰٓئِکَ عَلَیۡہِمۡ صَلَوٰتٌ مِّنۡ رَّبِّہِمۡ وَ رَحۡمَۃٌ ۟ وَ اُولٰٓئِکَ ہُمُ الۡمُہۡتَدُوۡنَ 

‘আর আপনি সুসংবাদ দিন ধৈর্যশীলদেরকে। যারা তাদের উপর বিপদ আসলে বলে, আমরা তো আল্লাহরই। আর নিশ্চয় আমরা তাঁর দিকেই প্রত্যাবর্তনকারী। এরাই তারা, যাদের প্রতি তাদের রব-এর কাছ থেকে বিশেষ অনুগ্রহ এবং রহমত বর্ষিত হয়, আর তারাই সৎপথে পরিচালিত’ (সূরা আল-বাক্বারাহ : ১৫৫-১৫৭)।

وَعَنْ أُمِّ سَلَمَةَ قَالَتْ: قَالَ رَسُولُ اللهِ  ﷺ : مَا مِنْ مُسْلِمٍ تُصِيبُهُ مُصِيبَةٌ فَيَقُولُ مَا أَمَرَهُ اللهُ بِهِ: (إِنَّا لِلَّهِ وَإِنَّا إِلَيْهِ رَاجِعُونَ) اللَّهُمَّ أَجِرْنِي فِي مُصِيبَتِي وَاخْلُفْ لِي خَيْرًا مِنْهَا إِلَّا أَخْلَفَ اللهُ لَهُ خَيْرًا مِنْهَا، فَلَمَّا مَاتَ أَبُو سَلمَة قَالَت: أَيُّ الْمُسْلِمِينَ خَيْرٌ مِنْ أَبِي سَلَمَةَ؟ أَوَّلُ بَيْتِ هَاجَرَ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ ﷺ ثُمَّ إِنِّي قُلْتُهَا فَأَخْلَفَ اللهُ لِي رَسُولُ اللَّهِ ﷺ

উম্মুল মুমিনীন উম্মে সালামাহ (রাযিয়াল্লাহু আনহা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, যখন কোন মুসলিম বিপদে পতিত হয় এবং আল্লাহ তা‘আলার ইচ্ছা হলে এ কথাগুলো বলে, ‘ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলায়হি র-জিঊন’ [অর্থাৎ ‘আমরা আল্লাহরই জন্য এবং তাঁরই কাছে আমাদের প্রত্যাবর্তন’ (সূরা আল-বাক্বারাহ : ১৫৬)]। ‘আল্ল-হুম্মা আজিরনী ফী মুছীবাতী ওয়াখলিফলী খয়রাম মিনহা’ (অর্থাৎ হে আল্লাহ! আমার বিপদের জন্য আমাকে সাওয়াব দিন। আর [এ বিপদে] যা আমি হারিয়েছি, তার জন্য উত্তম বিনিময় আমাকে দান করুন)। আল্লাহ তা‘আলা তাকে এ জিনিসের উত্তম বিনিময় দান করেন। উম্মু সালামাহ (রাযিয়াল্লাহু আনহা) বলেন, যখন আবূ সালামাহ (অর্থাৎ তাঁর স্বামী) মারা গেলেন, আমি বললাম, ‘আবূ সালামাহ (রাযিয়াল্লাহু আনহু) হতে উত্তম কোন মুসলিম হতে পারে? এ আবূ সালামাহ, যিনি সকলের আগে সপরিবারে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে হিজরত করেছেন। তারপর আমি উপরিউক্ত বাক্যগুলো পড়েছিলাম। অতঃপর আল্লাহ তা‘আলা আমাকে আবূ সালামার স্থলে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে দান করেছেন (অর্থাৎ তাঁর সাথে উম্মু সালামার বিয়ে হয়েছে)।[৩]

ব্যাখ্যা: (وَاخْلُفْ لِي خَيْرًا مِّنْهَا)  আমার এই মুছীবতে যা ক্ষতি সাধন হয়েছে তার পরিবর্তে উত্তম কিছু দেয়ার ব্যবস্থা কর। ত্বীবী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, উম্মু সালামাহ হতবাক হয়েছেন যে, তাঁর ধারণায় আবূ সালামাহ হতে উত্তম আর কোন ব্যক্তি নেই। আর তার এ ধরনের লোভও ছিল না যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁকে বিবাহ করবেন এ বিষয়টি তাঁর চিন্তার বাইরে ছিল। এজন্য তিনি বলেছিলেন, (أَيُّ الْمُسْلِمِينَ خَيْرٌ مِنْ أَبِي سَلَمَةَ؟)  কোন মুসলিম আবূ সালামাহ হতে ভাল। আর দৃশ্যত উত্তমের বিষয়টি উম্মু সালামার দৃষ্টিকোণ হতে।

প্রশ্ন : একজন মহিলা ছাহাবীর দৃষ্টান্ত দিন, যেটা আমাদের মহিলাদের জন্য মুছীবতের সান্ত্বনা লাভ করবে।
উত্তর : এ বিষয়ে একটি হাদীছ বর্ণিত হয়েছে,

عَنْ أَنَسٍ، قَالَ مَاتَ ابْنٌ لأَبِي طَلْحَةَ مِنْ أُمِّ سُلَيْمٍ فَقَالَتْ لأَهْلِهَا لاَ تُحَدِّثُوا أَبَا طَلْحَةَ بِابْنِهِ حَتَّى أَكُونَ أَنَا أُحَدِّثُهُ - قَالَ - فَجَاءَ فَقَرَّبَتْ إِلَيْهِ عَشَاءً فَأَكَلَ وَشَرِبَ - فَقَالَ - ثُمَّ تَصَنَّعَتْ لَهُ أَحْسَنَ مَا كَانَ تَصَنَّعُ قَبْلَ ذَلِكَ فَوَقَعَ بِهَا فَلَمَّا رَأَتْ أَنَّهُ قَدْ شَبِعَ وَأَصَابَ مِنْهَا قَالَتْ يَا أَبَا طَلْحَةَ أَرَأَيْتَ لَوْ أَنَّ قَوْمًا أَعَارُوا عَارِيَتَهُمْ أَهْلَ بَيْتٍ فَطَلَبُوا عَارِيَتَهُمْ أَلَهُمْ أَنْ يَمْنَعُوهُمْ قَالَ لاَ ‏.‏ قَالَتْ فَاحْتَسِبِ ابْنَكَ ‏.‏ قَالَ فَغَضِبَ وَقَالَ تَرَكْتِنِي حَتَّى تَلَطَّخْتُ ثُمَّ أَخْبَرْتِنِي بِابْنِي ‏.‏ فَانْطَلَقَ حَتَّى أَتَى رَسُولَ اللهِ ﷺ فَأَخْبَرَهُ بِمَا كَانَ فَقَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ ‏”‏ بَارَكَ اللهُ لَكُمَا فِي غَابِرِ لَيْلَتِكُمَا ‏”‏ ‏.‏ قَالَ فَحَمَلَتْ - قَالَ - فَكَانَ رَسُولُ اللهِ ﷺ فِي سَفَرٍ وَهِيَ مَعَهُ وَكَانَ رَسُولُ اللهِ ﷺ إِذَا أَتَى الْمَدِينَةَ مِنْ سَفَرٍ لاَ يَطْرُقُهَا طُرُوقًا فَدَنَوْا مِنَ الْمَدِينَةِ فَضَرَبَهَا الْمَخَاضُ فَاحْتُبِسَ عَلَيْهَا أَبُو طَلْحَةَ وَانْطَلَقَ رَسُولُ اللهِ ﷺ - قَالَ - يَقُولُ أَبُو طَلْحَةَ إِنَّكَ لَتَعْلَمُ يَا رَبِّ إِنَّهُ يُعْجِبُنِي أَنْ أَخْرُجَ مَعَ رَسُولِكَ إِذَا خَرَجَ وَأَدْخُلَ مَعَهُ إِذَا دَخَلَ وَقَدِ احْتُبِسْتُ بِمَا تَرَى - قَالَ - تَقُولُ أُمُّ سُلَيْمٍ يَا أَبَا طَلْحَةَ مَا أَجِدُ الَّذِي كُنْتُ أَجِدُ انْطَلِقْ ‏.‏ فَانْطَلَقْنَا - قَالَ - وَضَرَبَهَا الْمَخَاضُ حِينَ قَدِمَا فَوَلَدَتْ غُلاَمًا فَقَالَتْ لِي أُمِّي يَا أَنَسُ لاَ يُرْضِعُهُ أَحَدٌ حَتَّى تَغْدُوَ بِهِ عَلَى رَسُولِ اللهِ ﷺ‏.‏ فَلَمَّا أَصْبَحَ احْتَمَلْتُهُ فَانْطَلَقْتُ بِهِ إِلَى رَسُولِ اللهِ ﷺ- قَالَ - فَصَادَفْتُهُ وَمَعَهُ مِيسَمٌ فَلَمَّا رَآنِي قَالَ ‏”‏ لَعَلَّ أُمَّ سُلَيْمٍ وَلَدَتْ ‏”‏ ‏.‏ قُلْتُ نَعَمْ ‏.‏ فَوَضَعَ الْمِيسَمَ - قَالَ - وَجِئْتُ بِهِ فَوَضَعْتُهُ فِي حَجْرِهِ وَدَعَا رَسُولُ اللهِ  ﷺ بِعَجْوَةٍ مِنْ عَجْوَةِ الْمَدِينَةِ فَلاَكَهَا فِي فِيهِ حَتَّى ذَابَتْ ثُمَّ قَذَفَهَا فِي فِي الصَّبِيِّ فَجَعَلَ الصَّبِيُّ يَتَلَمَّظُهَا - قَالَ - فَقَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ ‏”‏ انْظُرُوا إِلَى حُبِّ الأَنْصَارِ التَّمْرَ ‏”‏ ‏.‏ قَالَ فَمَسَحَ وَجْهَهُ وَسَمَّاهُ عَبْدَ اللهِ ‏.‏

আনাস (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবূ তালহার ঔরষজাত উম্মু সুলায়মের ছেলে মারা গেলো। তখন উম্মু সুলায়ম (রাযিয়াল্লাহু আনহা) তার পরিবারে লোকদের বললো, আবূ তালহাকে তাঁর ছেলের খবর দিও না, যতক্ষন আমি না বলি। তিনি বলেন, অতঃপর আবূ তালহা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) এলেন। উম্মু সুলায়ম (রাযিয়াল্লাহু আনহা) রাতের খানা সামনে আনলে তিনি পানাহার করলেন। তারপর উম্মু সুলায়ম ভালোমতো সাজগোজ করলেন। আবূ তালহা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) তাঁর সাথে মিলিত হলেন। যখন উস্মু সুলায়ম (রাযিয়াল্লাহু আনহা) দেখলেন যে, তিনি মিলনে পরিতৃপ্ত, তখন তাঁকে বললেন, হে আবূ তালহা! কেউ যদি কাউকে কোন জিনিস রাখতে দেয়, এরপর তা নিয়ে নেয়, তবে কি সে তা ফিরাতে পারে? আবূ তালহা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বললেন, না। উম্মে সুলায়ম (রাযিয়াল্লাহু আনহা) বললেন, আমি তোমার ছেলের মৃত্যু সংবাদ দিচ্ছি।

আবূ তালহা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) রেগে গিয়ে বললেন, তুমি আমাকে আগে বলনি, আর এখন আমি অপবিত্র, এখন খবরটা দিলে? তিনি রাসুলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে গিয়ে খবরটা দিলেন। রাসুলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, তোমাদের বিগত রাতটিতে আল্লাহ তা‘আলা বরকত দিন, উম্মু সুলায়ম অন্ত:সত্তা হয়ে গেছে। পরে রাসুলুল্লাহ (ﷺ) এক সফরে ছিলেন। উম্মু সুলায়মও এ সফরে ছিলেন। তিনি যখন সফর থেকে ফিরতেন, তখন রাতের বেলা মদিনায় প্রবেশ করতেন না। লোকেরা যখন মদিনার কাছে পৌঁছলো, তখন উম্মু সুলায়মের প্রসব বেদনা শুরু হল। আবূ তালহা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) তাঁর কাছে রয়ে গেলেন। আর রাসুলুল্লাহ (ﷺ) চলে গেলেন।

আবূ তালহা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বললেন, হে পরোয়ারদিগার! তুমি তো জানো যে, তোমার রাসূলের সাথে বের হতে আমার ভাল লাগে, যখন তিনি বের হন, আর তাঁর সাথে যেতে আমার ভালো লাগে, যখন তিনি যান। কিন্তু তুমি জানো কেন আমি থেকে গিয়েছি। রাবী বলেন, উম্মু সুলায়ম (রাযিয়াল্লাহু আনহা) বললেন, হে আবূ তালহা! আগের মতো বেদনা আমার নেই। চলুন আমরা চলে যাই। স্বামী-স্ত্রী মদিনায় পৌঁছলে উম্মু সুলায়মের বেদনা পুনরায় শুরু হলো। আর তিনি একটি শিশু পুত্র প্রসব করলেন। আমার মা বললেন, হে আনাস! শিশুটিকে যেন কেউ দুধপান না করায়, যতক্ষন তুমি তাকে ভোরবেলা রাসুলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে নিয়ে যাও।

সকাল হলে আমি শিশুটিকে নিয়ে রাসুলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে গেলাম। আমি দেখলাম তাঁর হাতে উট দাগানোর যন্ত্র। আমাকে যখন তিনি দেখলেন, বললেন, সম্ভবত উম্মু সূলায়ম (এ ছেলেটি) প্রসব করেছে। আমি বললাম, হ্যাঁ। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি সে যন্ত্রটি হাত থেকে রেখে দিলেন। আমি শিশুটিকে নিয়ে তার কোলে রাখলাম। তিনি মদিনার আজওয়া খেজুর আনালেন এবং নিজের মুখে দিয়ে চিবুলেন। যখন খেজুর গলে গেল, তখন শিশুটির মুখে দিলেন। শিশুটি তা চুষতে লাগলো। তিনি বললেন, দেখো আনছারদের খেজুর প্রীতি। পরে তিনি শিশুর মুখে হাত বুলালেন এবং এর নাম রাখলেন আব্দুল্লাহ।[৪]

প্রশ্ন : যে মহিলার নাবালেগ সন্তান মারা যাবে তার ফযীলত কি?
উত্তর : এ প্রসঙ্গে অনেক হাদীছ বর্ণিত হয়েছে,

عَنْ أَنَسٍ قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ مَا مِنْ مُسْلِمٍ يَمُوتُ لَهُ ثَلاَثَةٌ لَمْ يَبْلُغُوا الحِنْثَ إِلاَّ أَدْخَلَهُ اللهُ الجَنَّةَ بِفَضْلِ رَحْمَتِهِ إيَّاهُمْ

আনাস (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, যে কোন মুসলিমের তিনটি নাবালক সন্তান মারা যাবে, তাকে আল্লাহ তাদের প্রতি তাঁর অনুগ্রহের বরকতে জান্নাত দেবেন।[৫]

وَعَنْ أَبِي سَعِيدٍ الخُدْرِي قَالَ : جَاءَتِ امْرأَةٌ إِلَى رَسُولِ اللهِ ﷺ فَقَالَتْ : يَا رَسُولَ اللهِ ﷺ ذَهبَ الرِّجَالُ بِحَدِيثِكَ فَاجْعَلْ لَنَا مِنْ نَفْسِكَ يَوْماً نَأْتِيكَ فِيهِ تُعَلِّمُنَا مِمَّا عَلَّمَكَ اللهُ قَالَ اجْتَمِعْنَ يَوْمَ كَذَا وَكَذَا فَاجْتَمَعْنَ فَأَتَاهُنَّ النَّبِيُّ ﷺ فَعَلَّمَهُنَّ مِمَّا عَلَّمَهُ اللهُ ثُمَّ قَالَ مَا مِنْكُنَّ مِنِ امْرَأَةٍ تُقَدِّمُ ثَلاَثَةً مِنَ الوَلَدِ إِلاَّ كَانُوا لَهَا حِجَاباً مِنَ النَّارِ فقَالَتْ امْرَأَةٌ : وَاثْنَينِ ؟ فَقَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ وَاثْنَيْنِ

আবূ সাঈদ খুদরী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, এক মহিলা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট এসে বলল, হে আল্লাহর রসূল (ﷺ)! কেবলমাত্র পুরুষেরাই আপনার হাদীছ শোনার সৌভাগ্য লাভ করছে। সুতরাং আপনি আমাদের জন্যও একটি দিন নির্ধারিত করুন। আমরা সে দিন আপনার নিকট আসব, আপনি আমাদেরকে তা শিক্ষা দেবেন, যা আল্লাহ আপনাকে শিক্ষা দিয়েছেন। তিনি বললেন, তোমরা অমুক অমুক দিন একত্রিত হও। অতঃপর নবী (ﷺ) তাদের নিকট এসে সে শিক্ষা দিলেন, যা আল্লাহ তাঁকে শিক্ষা দিয়েছেন। তারপর তিনি বললেন, তোমাদের মধ্যে যে কোন মহিলার তিনটি সন্তান মারা যাবে, তারা তার জন্য জাহান্নামের আগুন থেকে আড় হয়ে যাবে। এক মহিলা বলল, আর দু’টি সন্তান মারা গেলে? তিনি বললেন, দু’টি মারা গেলেও (তাই হবে)।[৬]

وَعَنْ أَبي مُوسَى الأَشعَرِي أَنَّ رَسُولَ اللهِ ﷺ قَالَ إِذَا مَاتَ وَلَدُ العَبْدِ قَالَ اللهُ تَعَالَى لِمَلائِكَتِهِ: قَبَضتُمْ وَلَدَ عَبْدِي ؟ فَيَقُولُونَ : نَعَمْ فيَقُولُ: قَبَضْتُمْ ثَمَرَةَ فُؤادِهِ ؟ فيَقُولُونَ: نَعَمْ فيَقُولُ: مَاذَا قَالَ عَبْدِي ؟ فَيَقُولُونَ:حَمِدَكَ وَاسْتَرْجَعَ فيَقُولُ اللهُ تَعَالَى: ابْنُوا لِعَبْدِي بَيتاً فِي الجَنَّةِ، وَسَمُّوهُ بَيْتَ الحَمْدِ

আবূ মূসা আশ‘আরী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, যখন কোন বান্দার সন্তান মারা যায়, তখন মহান আল্লাহ স্বীয় ফেরেশতাদেরকে বলেন, তোমরা আমার বান্দার সন্তানের জীবন হনন করেছ কি? তাঁরা বলেন, হ্যাঁ। তিনি বলেন, তোমরা তার হৃদয়ের ফলকে হনন করেছ? তাঁরা বলেন, হ্যাঁ। তিনি বলেন, সে সময় আমার বান্দা কী বলেছে? তারা বলে, সে আপনার হাম্দ (প্রশংসা) করেছে ও ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিঊন (অর্থাৎ আমরা তোমার এবং তোমার কাছেই অবশ্যই ফিরে যাব) পাঠ করেছে। মহান আল্লাহ বলেন, আমার (সন্তানহারা) বান্দার জন্য জান্নাতের মধ্যে একটি গৃহ নির্মাণ কর, আর তার নাম রাখ, ‘বায়তুল হামদ’ (প্রশংসাভবন)।[৭]

عَنْ مُعَاذِ بْنِ جَبَلٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ إِنَّ السِّقْطَ لَيَجُرُّ أُمَّهُ بِسَرَرِهِ إِلَى الْجَنَّةِ إِذَا احْتَسَبَتْهُ

মু‘আয বিন জাবাল (রাযিয়াল্লাহু আনহু) হতে বর্ণিত, নবী (ﷺ) বলেন, সেই সত্তার শপথ; যাঁর হাতে আমার প্রাণ আছে! গর্ভচ্যুত (মৃত) শিশু তার নাভির নাড়ী ধরে নিজের মাতাকে জান্নাতের দিকে টেনে নিয়ে যাবে- যদি ঐ মা (তার গর্ভপাত হওয়ার সময়) ঐ সওয়াবের আশা রাখে তবে।[৮]

প্রশ্ন : মৃতব্যক্তির জন্য কান্না করা কি জায়েজ?
উত্তর : মৃতব্যক্তির জন্য কাঁদা জায়েয; যদি এর সাথে বিলাপ, গালে চপেটাঘাত করা...যুক্ত না হয়। কেননা নবী (ﷺ) তাঁর মেয়ে যয়নব (রাযিয়াল্লাহু আনহা)-এর ছেলের মৃত্যুতে কেঁদেছেন।

عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ قَالَ دَخَلْنَا مَعَ رَسُولِ اللهِ عَلَى أَبِي سَيْفٍ الْقَيْنِ وَكَانَ ظِئْرًا لإِ÷بْرَاهِيمَ عَلَيْهِ السَّلاَم فَأَخَذَ رَسُولُ اللهِ إِبْرَاهِيمَ فَقَبَّلَهُ وَشَمَّهُ ثُمَّ دَخَلْنَا عَلَيْهِ بَعْدَ ذَلِكَ وَإِبْرَاهِيمُ يَجُودُ بِنَفْسِهِ فَجَعَلَتْ عَيْنَا رَسُولِ اللهِ تَذْرِفَانِ فَقَالَ لَهُ عَبْدُ الرَّحْمٰنِ بْنُ عَوْفٍ وَأَنْتَ يَا رَسُولَ اللهِ فَقَالَ يَا ابْنَ عَوْفٍ إِنَّهَا رَحْمَةٌ ثُمَّ أَتْبَعَهَا بِأُخْرَى فَقَالَ إِنَّ الْعَيْنَ تَدْمَعُ وَالْقَلْبَ يَحْزَنُ وَلاَ نَقُولُ إِلاَّ مَا يَرْضَى رَبُّنَا وَإِنَّا بِفِرَاقِكَ يَا إِبْرَاهِيمُ لَمَحْزُونُونَ. 

উসামা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি বলেন, একবার আমরা নবী (ﷺ)-এর কাছে ছিলাম। ইতোমধ্যে তাঁর এক মেয়ের পক্ষ থেকে তাঁর কাছে লোক আসল; তার ছেলে মারা যাচ্ছেন। এজন্য তাঁকে ডাকার জন্য পাঠিয়েছেন...। তখন নবী (ﷺ) উঠে গেলেন, তাঁর সাথে সা‘দ বিন উবাদা ও মু‘আয বিন জাবালও উঠে গেলেন। তখন শিশুটিকে তাঁর কাছে দেয়া হলো। সে সময় শিশুটির প্রাণ ছটপট করছিল; যেন সেটি পানির মশকের ভেতর। তখন নবী (ﷺ)-এর চক্ষুদ্বয় অশ্রু সিক্ত হলো। তা দেখে সা‘দ বললেন, হে আল্লাহ রাসূল (ﷺ)! এটি কী? তিনি বললেন, এটি রহমত; যা আল্লাহ‌ তাঁর বান্দাদের মনে সৃষ্টি করেছেন। আল্লাহ তাঁর বান্দাদের মধ্যে কেবল দয়াবানদের প্রতি দয়া করেন।[৯]

عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ قَالَ دَخَلْنَا مَعَ رَسُولِ اللهِ ﷺ عَلَى أَبِي سَيْفٍ الْقَيْنِ وَكَانَ ظِئْرًا لإِস্টبْرَاهِيمَ عَلَيْهِ السَّلاَم فَأَخَذَ رَسُولُ اللهِ ﷺ إِبْرَاهِيمَ فَقَبَّلَهُ وَشَمَّهُ ثُمَّ دَخَلْنَا عَلَيْهِ بَعْدَ ذَلِكَ وَإِبْرَاهِيمُ يَجُودُ بِنَفْسِهِ فَجَعَلَتْ عَيْنَا رَسُولِ اللهِ ﷺ تَذْرِفَانِ فَقَالَ لَهُ عَبْدُ الرَّحْمٰنِ بْنُ عَوْفٍ وَأَنْتَ يَا رَسُولَ اللهِ ﷺ فَقَالَ يَا ابْنَ عَوْفٍ إِنَّهَا رَحْمَةٌ ثُمَّ أَتْبَعَهَا بِأُخْرَى فَقَالَ إِنَّ الْعَيْنَ تَدْمَعُ وَالْقَلْبَ يَحْزَنُ وَلاَ نَقُولُ إِلاَّ مَا يَرْضَى رَبُّنَا وَإِنَّا بِفِرَاقِكَ يَا إِبْرَاهِيمُ لَمَحْزُونُونَ

আনাস ইবনু মালিক (রাযিয়াল্লাহু আনহু) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা আল্লাহর রাসূল (ﷺ)-এর সঙ্গে আবূ সায়ফ কর্মকারের নিকট গেলাম। তিনি ছিলেন (নবী-তনয়) ইবরাহীম (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর দুধ সম্পর্কীয় পিতা। আল্লাহর রাসূল (ﷺ) ইবরাহীম (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-কে তুলে নিয়ে চুমু খেলেন এবং নাকে-মুখে লাগালেন। অতঃপর (আরেক বার) আমরা তার (আবূ সায়ফ্-এর) বাড়িতে গেলাম। তখন ইবরাহীম (রাযিয়াল্লাহু আনহু) মুমূর্ষু অবস্থায়। এতে আল্লাহর রাসূল (ﷺ)-এর উভয় চক্ষু হতে অশ্রু ঝরতে লাগল। তখন আব্দুর রহমান ইবনু ‘আওফ (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ)! আর আপনিও? (ক্রন্দন করছেন?) তখন তিনি বললেন, অশ্রু প্রবাহিত হয় আর হৃদয় হয় ব্যথিত। তবে আমরা মুখে তাই বলি, যা আমাদের রব পছন্দ করেন। আর হে ইবরাহীম! তোমার বিচ্ছেদে আমরা অবশ্যই শোকসন্তপ্ত।[১০]

আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেন, নবী (ﷺ) তাঁর মায়ের কবর যিয়ারত করে কাঁদলেন এবং তাঁর পাশে যারা ছিল তাদেরকেও কাঁদালেন। এরপর বললেন, আমি আমার প্রভুর কাছে অনুমতি চেয়েছি মায়ের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করার; কিন্তু তিনি অনুমতি দেননি। তখন আমি তাঁর কবর যিয়ারত করার অনুমতি চেয়েছি। তিনি আমাকে সে অনুমতি দিয়েছেন।[১১]

যদি কান্নার সাথে গালে চপেটাঘাত করা, জামাকাপড় ছেড়া ও আল্লাহর তাক্বদীরের প্রতি অসন্তুষ্টি যুক্ত হয়; তাহলে সেটি নাজায়েয।

عَنْ عَبْدِ اللهِ قَالَ قَالَ النَّبِيُّ ﷺ لَيْسَ مِنَّا مَنْ لَطَمَ الْخُدُودَ وَشَقَّ الْجُيُوبَ وَدَعَا بِدَعْوَى الْجَاهِلِيَّةِ

আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, যে ব্যক্তি গালে চপেটাঘাত করে, জামাকাপড় ছিড়ে এবং জাহেলী যামানার আর্তনাদ করে, সে আমাদের দলভুক্ত নয়।[১২]

ইমাম নববী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘মর্সিয়া-ক্রন্দন, বিলাপ করা, গালে চড় মারা, জামাকাপড় ছিড়ে ফেলা, চেহারাতে খামচি মারা, চুল ছেড়া ও হায়হুতাশ করে আর্তনাদ করা; এই সবকিছু মাযহাবের আলেমদের সর্বসম্মতিক্রমে হারাম। জমহুর আলেম স্পষ্টভাবে হারাম বলেছেন...। একদল আলেম হারাম হওয়ার মর্মে ইজমা উদ্ধৃত করেছেন’।[১৩]

ইবনে আব্দুল বার (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘নবী (ﷺ)-এর বাণীفإذا وجب فلا تبكين باكية : যদি অবধারিত হয়ে যায়; তাহলে ক্রন্দনকারিনী হবে না)। এখানে অবধারিত হওয়া দ্বারা উদ্দেশ্য মৃত্যু। অর্থ হচ্ছে : (আল্লাহ্‌ই সর্বজ্ঞ) মৃত্যুর পর চিৎকার ও বিলাপের কোন কিছু জায়েয নয়। তবে অশ্রু-বিজর্সন ও অন্তর ভারাক্রান্ত হওয়া বৈধ হওয়ার পক্ষে সাব্যস্ত হাদীছ রয়েছে এবং একদল আলেম এর পক্ষে রয়েছেন’।[১৪]

শায়খ বিন বায (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘মুসলমানদের উপর আবশ্যকীয় এসব ক্ষেত্রে ধৈর্য ধারণ করা ও সওয়াব প্রাপ্তির নিয়ত করা; বিলাপ না করা, জামাকাপড় না ছেড়া, গালে চপেটাঘাত না করা ইত্যাদি। যেহেতু নবী (ﷺ) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি গালে চপেটাঘাত করে, জামাকাপড় ছিড়ে এবং জাহেলী যামানার আর্তনাদ করে সে আমাদের দলভুক্ত নয়’। হাদীছে আরো এসেছে,

عن أبي مَالِكٍ الأَشْعَرِىَّ أَنَّ النَّبِىَّ ﷺ قَالَ أَرْبَعٌ فِى أُمَّتِى مِنْ أَمْرِ الْجَاهِلِيَّةِ لاَ يَتْرُكُونَهُنَّ الْفَخْرُ فِى الأَحْسَابِ وَالطَّعْنُ فِى الأَنْسَابِ وَالاِسْتِسْقَاءُ بِالنُّجُومِ وَالنِّيَاحَةُ

‘আমার উম্মতের মধ্যে জাহেলী যামানার চারটি বিষয় রয়েছে; যেগুলো তারা ত্যাগ করবে না: আত্মগুণ নিয়ে অহংকার করা, বংশের উপর কালিমালেপন করা, নক্ষত্রের মাধ্যমে বৃষ্টি প্রার্থনা এবং মৃতের জন্য বিলাপ করা। তিনি আরও বলেছেন, ‘যদি বিলাপকারিনী নারী মৃত্যুর পূর্বে তওবাহ না করে তাহলে তাকে এমন অবস্থায় তোলা হবে যে, তার গায়ে থাকবে আলকাতরার জামা এবং অভ্যন্তরীণ জামা হবে (তথা চামড়া হবে) খোসপাঁচড়ার’।[১৫]

(ইনশাআল্লাহ চলবে)

*  শিক্ষক, আল-জামি‘আহ আস-সালাফিয়্যাহ, ডাঙ্গীপাড়া, রাজশাহী।

তথ্যসূত্র :
[১]. ছহীহ মুসলিম, হা/২০১২।
[২]. ইবনু মাজাহ, হা/১৫৯৭, সনদ হাসান।
[৩]. ছহীহ মুসলিম, হা/৯১৮, সুনানুল কুবরা লিল বায়হাক্বী, হা/৭১২৫, শারহুস সুন্নাহ, হা/১৪৬৩, ইরওয়া, হা/১৮১৯, সহীহ আল জামি‘আস্ সগীর, হা/৫৭৬৪।  
[৪]. ছহীহ মুসলিম, হা/২১৪৪।  
[৫]. ছহীহ বুখারী, হা/১২৪৮; ছহীহ মুসলিম, হা/১৩৮১।  
[৬]. ছহীহ বুখারী, হা/১০১, ৭৩১০; ছহীহ মুসলিম, হা/২৬৩৩।  
[৭]. তিরমিযী, হা/১০২১, সনদ হাসান।  
[৮]. মুসনাদে আহমাদ, হা/২২০৯০; ইবনু মাজাহ, হা/১৬০৯; ত্বাবারানী, হা/১৬৭২১, সনদ ছহীহ।   
[৯]. ছহীহ বুখারী, হা/১২৮৪।  
[১০]. ছহীহ বুখারী, হা/১৩০৩; ছহীহ মুসলিম, হা/২৩১৫; আহমাদ, হা/১৩০১৩।
[১১]. ছহীহ মুসলিম, হা/৯৭৬।   
[১২]. ছহীহ বুখারী, হা/১২৯৪।   
[১৩]. শারহুল মুহায্‌যাব, ৫ম খণ্ড, পৃ. ২৮১।    
[১৪]. আল-ইসতিযকার, ৩য় খণ্ড, পৃ. ৬৭।    
[১৫]. ছহীহ মুসলিম, হা/২২০৩; ইবনে মাজাহ, হা/১৫৮১।  




প্রসঙ্গসমূহ »: নারী সমাজ নারীমঞ্চ
ইসলামে ব্যবসা-বাণিজ্যের রূপরেখা - গুলশান আখতার
প্রশ্নোত্তরে মুসলিম নারীদের ইসলাম শিক্ষা (৩য় কিস্তি) - আব্দুল গাফফার মাদানী
স্ত্রীর প্রতি স্বামীর দায়িত্ব ও কর্তব্য (শেষ কিস্তি) - তামান্না তাসনীম
প্রশ্নোত্তরে নারীদের ছালাত শিক্ষা (২য় কিস্তি) - আব্দুল গাফফার মাদানী
প্রশ্নোত্তরে নারীদের ছালাত শিক্ষা (৫ম কিস্তি) - আব্দুল গাফফার মাদানী
শারঈ পর্দা : একটি পর্যালোচনা (৬ষ্ঠ কিস্তি) - ওবাইদুল্লাহ আল-আমীন
ইসলামে নারী নেতৃত্ব: একটি পর্যালোচনা - আব্দুল গাফফার মাদানী
ইসলামিক প্যারেন্টিং (২য় কিস্তি) - তিনা খান
ইসলামে ব্যবসা-বাণিজ্যের রূপরেখা - গুলশান আখতার
ইসলামিক প্যারেন্টিং (শেষ কিস্তি) - তিনা খান
শারঈ পর্দা : একটি পর্যালোচনা - ওবাইদুল্লাহ আল-আমীন
সুন্নাহ প্রতিষ্ঠায় নারী সমাজের ভূমিকা - আল-ইখলাছ ডেস্ক

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ