উত্তর : এ ধরনে গজল বলা যাবে না। এর কথাগুলো যে অর্থ বহন করে তার সারমর্ম হল, ‘রাসূল (ﷺ)-কে চিঠি পাঠানো হচ্ছে এই বিশ্বাসে যে তিনি সরাসরি তা গ্রহণ করবেন! বা পাখি/কোন কিছুর মাধ্যমে রওজা মুবারকে চিঠি পৌঁছে দিলে তিনি তা জানবেন ও সাড়া দেবেন! এবং আমাদের দু‘আ ও মনোবাসনা পূর্ণ করবেন’। নাউযুবিল্লাহি। এই ধরনের বিশ্বাস নিঃসন্দেহে শিরকের অন্তর্ভুক্ত। কারণ গায়িব জানা ও সর্বত্র শোনা এগুলো একমাত্র আল্লাহর গুণ। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘বলুন, আসমান-যমীনে যারা আছে তারা গায়িব জানে না, আল্লাহ ছাড়া’ (সূরা আন-নামল : ৬৫)। অন্যত্র তিনি বলেন, ‘তবে কি তারা আল্লাহ ছাড়া অন্যকে সুপারিশকারী ধরেছে? বলুন, ‘তারা কোন কিছুর মালিক না হলেও এবং তারা না বুঝলেও?’ বলুন, ‘সকল সুপারিশ আল্লাহরই মালিকানাধীন, আসমানসমূহ ও যমীনের মালিকানা তাঁরই, তারপর তাঁরই কাছে তোমাদেরকে প্রত্যাবর্তিত করা হবে’ (সূরা আয-যুমার : ৪৩-৪৪)। আল্লাহ তা‘আলা আরো বলেন, ‘তিনি ছাড়া তোমাদের কোন অভিভাবক নেই এবং সুপারিশকারীও নেই; তবুও কি তোমরা উপদেশ গ্রহণ করবে না?’ (সূরা আস-সাজদাহ : ৪)।
প্রশ্নকারী : মোস্তফা মনোয়ার অনিক, হারাগাছ, রংপুর।