শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ০১:৪৯ অপরাহ্ন
উত্তর :  এর কোন প্রমাণ নেই। শায়খ ইবনু বায (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ইমাম নববী (রাহিমাহুল্লাহ)-এর মতকে নকল করে অনেকেই বিদ‘আতকে পাঁচ ভাগে বিভক্ত করেছে। তবে অসংখ্য আলেম বলেছেন যে, ‘প্রত্যেকটা বিদ‘আতই ভ্রষ্টতা এবং এর কোন প্রকার নেই’। জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, রাসূল (ﷺ) খুত্ববাহ দেয়ার সময় বলতেন,

أَمَّا بَعْدُ فَإِنَّ خَيْرَ الْحَدِيْثِ كِتَابُ اللهِ وَخَيْرُ الْهُدَى هُدَى مُحَمَّدٍ وَشَرُّ الْأُمُوْرِ مُحْدَثَاتُهَا وَكُلُّ بِدْعَةٍ ضَلَالَةٌ.‏

‘অতঃপর উত্তম বাণী হল, আল্লাহর কিতাব এবং উত্তম পথ হল মুহাম্মাদ (ﷺ)-এর প্রদর্শিত পথ। অতীব নিকৃষ্ট বিষয় হল (ধর্মের মধ্যে) নতুন উদ্ভাবন (বিদ‘আত) করা এবং প্রত্যেকটি বিদ‘আদ ভ্রষ্ট’ (ছহীহ মুসলিম, হা/৮৬৭)। তিনি আরো বলেন,  ‘তোমরা (দ্বীনের মধ্যে) নব প্রচলিত বিষয়সমূহ থেকে সতর্ক থাক। কেননা প্রত্যেক নব আবিষ্কৃত বিষয় বিদ‘আত এবং প্রত্যেক বিদ‘আত ভ্রষ্টতা’ (আবূ দাঊদ, হা/৪৬০৭)। এই অর্থের আরো অসংখ্য হাদীছ বিভিন্ন রাবী থেকে বর্ণিত হয়েছে। সুতরাং এটিই সঠিক যে, ইমাম নববী (রাহিমাহুল্লাহ) বা অন্যদের মত বিদ‘আতকে বিভিন্ন প্রকারে বিভক্ত করা যাবে না। কারণ এর সবটাই গোমরাহী (মাজমূঊ ফাতাওয়া ওয়া মাক্বালাত ইবনে বায, ৫/১৭৮; ফাতাওয়া আল-লাজনা আদ-দায়িমাহ, ২/৪৬৫-৪৬৬ পৃ.)। ইমাম ছান‘আনী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ليس في البدعة ما يمدح بل كل بدعة ضلالة ‘বিদ‘আতের মধ্যে প্রশংসা করার যোগ্য কিছুই নেই, বরং এর সবটাই গোমরাহী’ (সুবুলুস সালাম, ২/১০ পৃ.)। হাফিয ইবনু হাজার আসক্বালানী, ইমাম শাওকানী ও ইমাম কুরতুবী (রাহিমাহুমুল্লাহ) একই কথা বলেছেন (ফাৎহুল বারী, ১৩/২৫৪; নাইনুল আওতার, ২/৭০; তাফসীরে কুরতুবী, ২/৮৭ পৃ.)। তবে খারাপের ধরন হিসাবে উলামায়ে কেরাম কয়েক প্রকার করেছেন। যেমন কিছু বিদ‘আত আছে যা করলে কাফের হয়ে যাবে। কিছু বিদ‘আত আছে যা করলে কাবীরা গোনাহ হবে। কিছু আছে যা করলে ফাসিক হবে।


প্রশ্নকারী : তাজবির উল হক, চকবাজার, চট্টগ্রাম।





প্রশ্ন (৩৪) : ঈদের খুত্ববাহ কয়টি? কোথাও একটি আবার কোথাও দু’টি দিতে দেখা যায়। কোনটি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৯) : যাকাত ইংরেজী মাস হিসাবে দিতে হবে, না-কি আরবী মাস হিসাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৩) : কারো সাথে আলাপ করার পর বিদায়ের সময় ‘আল্লাহ হাফেয’ বলা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১১) : জনৈক ছাহাবী রাসূল (ﷺ)-এর নিকট এসে বিনীতভাবে বললেন, দুনিয়া আমার দিকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে অর্থাৎ তিনি দারিদ্র্যের কথা বলেন। তখন রাসূল (ﷺ) বললেন, ‘তুমি কি সেই তাসবীহ মুখস্থ করনি, যা ফেরেশতাদের তাসবীহ এবং এর বরকতে রিযিক প্রদান করা হয়? এই দুনিয়ার চাহিদা তোমার কাছে প্রচুর পরিমাণে আসবে। প্রতিদিন ভোরবেলা তথা সুবহে ছাদিকের পর এই তাসবীহটি প্রতিদিন ১০০ বার পড়ুন। তাসবীহটি হল- ‘সুবহা-নাল্ল-হি ওয়া বিহামদিহি, সুবহা-নালল্ল-হিল আযীম ওয়াবিহামদিহি এবং আস্তাগফিরুল্লাহ’। অতঃপর সাতদিন পর, সেই একই ছাহাবী আবার এলেন এবং বিনীতভাবে বললেন, হে আল্লাহ রাসূল (ﷺ)! দুনিয়া (সম্পদ) আমার কাছে এত বেশি পরিমাণে আসছে যে আমি জানি না কিভাবে বহন করতে হবে বা কোথায় রাখব। আমি একেবারে বিস্মিত যে, এটা দিয়ে কী করা যায়’ (লিসানুল মীযান, ৪/৩০৪ পৃ., হা/৫১০০)। উক্ত বর্ণনা কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৬) : বিবাহ, জন্মদিন, দিবস পালন কিংবা বিভিন্ন গানবাজনা ও কনসার্টের জন্য ভিডিও ক্যামেরা ভাড়া দিয়ে অর্থ উপার্জন করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : জনৈক আলেম বলেন, শিশুদের নিয়মিত ঝাড়ফুঁক করলে কান্নাকাটি কম করে। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৪) : তাকবীরে তাহরিমার সময় আঙ্গুলগুলো বাঁকা থাকবে, না-কি সোজা থাকবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪৩) : মুসলিম নারী কি বাইরে গিয়ে কাজ করতে পারবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১১) : রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, ‘আল্লাহ সর্বপ্রথম যে বস্তুটি সৃষ্টি করেছিলেন তা হচ্ছে কলম। অতঃপর তিনি কলমকে বললেন, লিখ। কলম বলল, কী লিখব? আল্লাহ বললেন, কদ্‌র তথা তাক্বদীর সম্পর্কে লিখ। সুতরাং কলম- যা ছিল ও ভবিষ্যতে যা হবে, সবকিছুই লিখে ফেলল (আবূ দাঊদ, হা/৪৭০০; মিশকাত, হা/৯৪)। এ হাদীছ দ্বারা প্রথম সৃষ্টি কোন্টি, তা কিভাবে বুঝব? কারণ প্রথম সৃষ্টি তার আগে যা ছিল তা লিখেছে। সুতরাং প্রথম সৃষ্টি কোনটি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৯) : ‘লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ’-এর শর্তগুলো জানা কি প্রত্যেক মুসলিমের উপর ফরয? না জানলে কি ব্যক্তি কাফের হয়ে যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : ইসলামী জালসা ও মাহফিলের শেষে আখেরী মুনাজাত করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২১) : জনৈক ব্যক্তি বলেছেন, মক্কা বিজয়ের আগে নবী করীম (ﷺ) নাকি মূর্তিকে সিজদা করতেন। কথা কি আদৌ সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ