রবিবার, ০৭ Jun ২০২৬, ০৩:২৭ অপরাহ্ন
উত্তর :  এর কোন প্রমাণ নেই। শায়খ ইবনু বায (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ইমাম নববী (রাহিমাহুল্লাহ)-এর মতকে নকল করে অনেকেই বিদ‘আতকে পাঁচ ভাগে বিভক্ত করেছে। তবে অসংখ্য আলেম বলেছেন যে, ‘প্রত্যেকটা বিদ‘আতই ভ্রষ্টতা এবং এর কোন প্রকার নেই’। জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, রাসূল (ﷺ) খুত্ববাহ দেয়ার সময় বলতেন,

أَمَّا بَعْدُ فَإِنَّ خَيْرَ الْحَدِيْثِ كِتَابُ اللهِ وَخَيْرُ الْهُدَى هُدَى مُحَمَّدٍ وَشَرُّ الْأُمُوْرِ مُحْدَثَاتُهَا وَكُلُّ بِدْعَةٍ ضَلَالَةٌ.‏

‘অতঃপর উত্তম বাণী হল, আল্লাহর কিতাব এবং উত্তম পথ হল মুহাম্মাদ (ﷺ)-এর প্রদর্শিত পথ। অতীব নিকৃষ্ট বিষয় হল (ধর্মের মধ্যে) নতুন উদ্ভাবন (বিদ‘আত) করা এবং প্রত্যেকটি বিদ‘আদ ভ্রষ্ট’ (ছহীহ মুসলিম, হা/৮৬৭)। তিনি আরো বলেন,  ‘তোমরা (দ্বীনের মধ্যে) নব প্রচলিত বিষয়সমূহ থেকে সতর্ক থাক। কেননা প্রত্যেক নব আবিষ্কৃত বিষয় বিদ‘আত এবং প্রত্যেক বিদ‘আত ভ্রষ্টতা’ (আবূ দাঊদ, হা/৪৬০৭)। এই অর্থের আরো অসংখ্য হাদীছ বিভিন্ন রাবী থেকে বর্ণিত হয়েছে। সুতরাং এটিই সঠিক যে, ইমাম নববী (রাহিমাহুল্লাহ) বা অন্যদের মত বিদ‘আতকে বিভিন্ন প্রকারে বিভক্ত করা যাবে না। কারণ এর সবটাই গোমরাহী (মাজমূঊ ফাতাওয়া ওয়া মাক্বালাত ইবনে বায, ৫/১৭৮; ফাতাওয়া আল-লাজনা আদ-দায়িমাহ, ২/৪৬৫-৪৬৬ পৃ.)। ইমাম ছান‘আনী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ليس في البدعة ما يمدح بل كل بدعة ضلالة ‘বিদ‘আতের মধ্যে প্রশংসা করার যোগ্য কিছুই নেই, বরং এর সবটাই গোমরাহী’ (সুবুলুস সালাম, ২/১০ পৃ.)। হাফিয ইবনু হাজার আসক্বালানী, ইমাম শাওকানী ও ইমাম কুরতুবী (রাহিমাহুমুল্লাহ) একই কথা বলেছেন (ফাৎহুল বারী, ১৩/২৫৪; নাইনুল আওতার, ২/৭০; তাফসীরে কুরতুবী, ২/৮৭ পৃ.)। তবে খারাপের ধরন হিসাবে উলামায়ে কেরাম কয়েক প্রকার করেছেন। যেমন কিছু বিদ‘আত আছে যা করলে কাফের হয়ে যাবে। কিছু বিদ‘আত আছে যা করলে কাবীরা গোনাহ হবে। কিছু আছে যা করলে ফাসিক হবে।


প্রশ্নকারী : তাজবির উল হক, চকবাজার, চট্টগ্রাম।





প্রশ্ন (৫১) : ঋণগ্রস্ত ব্যক্তির বর্তমানে পরিশোধ করার ক্ষমতা নেই। কিন্তু পাওনাদারদের কাছে মিথ্যা কথা বলতে হয়। এমতাবস্থায় ব্যাংক থেকে লোন নিয়ে পাওনাদারদের টাকা পরিশোধ করে ব্যাংকের নিকট ঋণগ্রস্ত থাকা যাবে কি? যদিও এই লোন সূদ যা হারাম। আবার বান্দার হক্বও আল্লাহ মাফ করবেন না। আল্লাহর কাছে তওবা করে কি ব্যাংক থেকে লোন নেয়া যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : এনজিও থেকে লোন নিয়ে ব্যবসা শুরু করি। পরবর্তীতে বিষয়টি বুঝতে পেরে খুবই অনুতপ্ত হই। এখন পিতার সম্পদ বিক্রয় করে যদি ‘এনজিও’-এর টাকা পরিশোধ করি, তাহলে কি ঐ ব্যবসা থেকে অর্জিত টাকা হালাল হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১০) : ছাদাক্বাহ ও হাদিয়ার মধ্যে পার্থক্য কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : কুশপুত্তলিকা  বানানো যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৫) : ‘ঈমান ও ইসলাম’-এর অর্থ ও পার্থক্য কী? এতোদুভয়ের মধ্যে কোন্টি আগে গ্রহণ করা মানুষের জন্য প্রয়োজন? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৯) : পিতার পূর্বে সন্তান মারা গেলে ঐ সন্তানের সম্পদে পিতা অংশ পাবে কি? পিতার সম্পদে ঐ মৃত ব্যক্তির ছেলেরা অর্থাৎ নাতিরা কি অংশ পাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৯) : নাভির নিচের পশম কোন্ জায়গা থেকে কাটতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৮) : ওয়ায মাহফিল করার ক্ষেত্রে মিউজিক বাতি জ্বালানো এবং অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করা কি শরী‘আতসম্মত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৩) : ‘যখন কোন সদাচরণকারী সন্তান যদি তার পিতা-মাতার প্রতি রহমতের দৃষ্টিতে তাকায়, তখন আল্লাহ তা‘আলা তার প্রতিটি দৃষ্টির বিনিময়ে তার ‘আমলনামায় একটি ‘কবুল হজ্জ’ তথা কবুলযোগ্য হজ্জের ছওয়াব লিপিবদ্ধ করেন’। ছাহাবীগণ জিজ্ঞেস করলেন, যদি সে দৈনিক একশ’বার তাকায়? তিনি বললেন, হ্যাঁ, আল্লাহ মহান এবং অতি পবিত্র’ (বায়হাক্বী, শু‘আবুল ঈমান, হা/৭৪৭৫; মিশকাত হা/৪৯৪৪; বঙ্গানুবাদ মিশকাত হা/৪৭২৭)। উক্ত বর্ণনা কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৯) : একই কাতারে ইমাম মুক্তাদিরা দাঁড়িয়ে ছালাত আদায় করতে পারবে কি? অনেক সময় দু’জন দাঁড়িয়ে ছালাত শুরু করে পরবর্তীতে তাদের সাথে আরো লোকজন শামিল হয়। এমতাবস্থায় ইমাম সামনে না যেয়ে বা মুক্তাদিদের পিছনে না ঠেলে যদি একই কাতারে থেকে ছলাত শেষ করে তাহলে কি সেটা নাজায়েয হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১২) : আমি সুন্নাত ছালাত বাসায় আদায় করে মসজিদে গিয়ে ফরয আদায় করি। মসজিদে পৌঁছানোর পর যদি দেখি জামা‘আত শুরু হতে ৪/৫ মিনিট বাকি আছে, তাহলে কি দু’রাক‘আত ছালাত পড়ে বসব, না-কি জামা‘আত শুরু অবধি দাঁড়িয়ে থাকব? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৫) : মসজিদে বিয়ে পড়ানোর কি কোন ফযীলত আছে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ