বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫, ০১:৩২ অপরাহ্ন
উত্তর : প্রথমতঃ ঐ ব্যক্তির উচিত পিতা-মাতার সাথে উত্তম ব্যবহার করা এবং নছীহত করা। অতঃপর যখন বুঝতে পারবে যে, উপদেশ কোন উপকারে আসছে না, তখন পরিস্থিতি অনুযায়ী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে। যদি গৃহে অবস্থান করা অধিক কল্যাণকর হয়, তাহলে অবস্থান করবে। আর গৃহত্যাগ করা সর্বাধিক নিরাপদ হলে গৃহ ত্যাগ করবে। আল্লাহ বলেন, ‘যে কেউ আল্লাহকে ভয় করবে, আল্লাহ তার নিষ্কৃতির পথ করে দেবেন’। অন্যত্র তিনি বলেন, ‘আল্লাহকে যে ভয় করবে, তিনি তার সমস্যার সমাধান সহজ করে দেবেন’ (সূরা আত-ত্বালাক্ব : ২ ও ৪)। তবে প্রয়োজনে গৃহত্যাগ করলেও কিন্তু সম্পর্কচ্ছেদ করা যাবে না। দুনিয়াতে পিতা-মাতার সঙ্গে সদ্ব্যবহার করা অপরিহার্য। যে কোন মূল্যে সম্পর্ক বজায় রাখতে হবে (ফাতাওয়া আল-লাজনা আদ-দায়িমাহ, ২৫/২৭৬-২৭৭, ২৬/৩১১-৩১৫ পৃ.)।

শায়খ উছায়মীন (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘শরী‘আতসম্মত কারণে পিতা-মাতা থেকে পৃথক হওয়া দোষণীয় নয়। কিন্তু তার মানে এই নয় যে, পিতা-মাতার সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করা যাবে। বরং পিতা-মাতার সঙ্গে সদ্ব্যবহার করা এবং তাদের অধিকার আদায় করা অপরিহার্য। যেমন তাদের পানাহার ও বাসস্থানের ব্যবস্থা করা এবং অন্যান্য ব্যয়ভার বহন করা। যদি পিতা-মাতা ছালাত ত্যাগকারীও হয়, তবুও তাদের সঙ্গে সদাচরণ করতে হবে’ (লিক্বাউল বাব আল-মাফতূহ, লিক্বা নং-১৪৪; ইসলাম সাওয়াল ওয়া জাওয়াব, ফৎওয়া নং-৭৭২২)।

শায়খ ইবনু বায (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘হে প্রশ্নকারী! পিতা-মাতার পক্ষ থেকে যে অত্যাচার আপনার উপর আপতিত হচ্ছে, সে ব্যাপারে আমি আপনাকে ধৈর্যধারণ করার উপদেশ দিচ্ছি এবং অত্যাচার কেন করছে তার কারণ জানার চেষ্টা করতে পরামর্শ দিচ্ছি। প্রয়োজনে আপনি পিতা-মাতাকে যুল্মের কারণ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করুন এবং শরী‘আতের দৃষ্টিতে আপত্তিকর না হলে সেগুলোকে বর্জন করুন। আর যদি অকারণেই আপনার উপর অত্যাচার করা হয়, তাহলে একে প্রতিরোধ করার জন্য পরিবার, আত্মীয়-স্বজন, সমাজ অথবা এমন কোন মান্যবর ব্যক্তির সাহায্য নিন, যার কথাকে আপনার বাবা-মার মান্যতা দেবেন। এছাড়া সদাসর্বদা পিতা-মাতার সঙ্গে সদ্ব্যবহার করতে থাকুন। মন্দ আচরণকে ভাল ব্যবহার দ্বারা প্রতিহত করুন। আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন, ‘আর ভাল ও মন্দ সমান হতে পারে না। মন্দকে প্রতিহত করুন তা দ্বারা যা উৎকৃষ্ট, ফলে আপনার ও যার মধ্যে  শত্রুতা আছে, সে হয়ে যাবে অন্তরঙ্গ বন্ধুর মত’ (সূরা আল-ফুছছিলাত : ৩৪; ফাতাওয়া নূরুন ‘আলাদ দারব ইবনে বায, অফিসিয়াল ওয়েবসাইট : https://www.google.com/url?sa=t&source=web&rct=j&url=https://binbaz.org.sa/fatwas/7583)।


প্রশ্নকারী : ইসমাঈল, রাজশাহী।





প্রশ্ন (১৫) : হঠাৎ মৃত্যু আল্লাহর গযব স্বরূপ। আবূ দাউদের ৩১১০ নং হাদীছের ব্যাখ্যা জানতে চায়। - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২০) : ‘আল্লাহর ইচ্ছায় গাছের পাতা পড়ে না বা কোন কাজ সংঘটিত হয় না’, না-কি ‘আল্লাহর হুকুমে গাছের পাতা ঝরে পড়ে না বা কোন কাজ হয় না’। কোন্ কথাটি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪) : মুক্তাদী ছুটে যাওয়া ছালাত আদায়ের জন্য কখন দাঁড়াবে? ইমাম একদিকে সালাম ফিরানোর পর, না-কি দুই দিকে সালাম ফিরানোর পর? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩) : কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কম্পিউটার অপারেটর পদে চাকুরি করার কারণে অনেক সময় হিন্দু, বৌদ্ধ বা খ্রিষ্টান ধর্মের প্রশ্নপত্র টাইপ করতে হয়। এমন কাজ করলে কি গুনাহ হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১২) : ফজরের সুন্নাত ছালাত বাড়িতে পড়ার পর মসজিদে গিয়ে সময় থাকলে কি তাহিইয়াতুল মসজিদ/দুখুলুল মসজিদের দু’রাক‘আত আদায় করতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৭) : ইয়াতীমের সম্পদ গ্রাস করার পরিণাম কী? ইয়াতীমের মাল দেখাশোনা বা ব্যবসায় খাটালে তা থেকে লভ্যাংশ নেয়া কি জায়েয? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৫) : জনৈক আলেম তার বক্তব্যে বলেন, কোন সদাচরণকারী সন্তান যদি তার পিতা-মাতার প্রতি রহমতের দৃষ্টিতে তাকায়, তাহলে আল্লাহ তা‘আলা তার প্রতিটি দৃষ্টির বিনিময়ে তার ‘আমল-নামায় একটি ‘কবুল হজ্জ’ তথা কবুলযোগ্য হজ্জের ছওয়াব লিপিবদ্ধ করেন। এমনকি দৈনিক একশ’বার তাকালেও। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক! - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৫) : ত্বালাক্বপ্রাপ্তা স্ত্রীকে অন্যের কাছে রেখে হালালা করা কি জায়েয? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৫) : আমরা অনেকেই সরকারী চাকরী করি। অধিকাংশ মন্ত্রণালয় বিভিন্নভাবে সূদ ও ঘুষের সাথে জড়িত। উক্ত চাকরির বেতন হালাল হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩) : যোহরের ছালাতের আউয়াল ওয়াক্ত কখন শুরু হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৪) : কুরআন হাতে থেকে মাটিতে পড়ে গেলে এর কাফফারা স্বরূপ অনেকেই কুরআনের ওজন অনুযায়ী চাউল দেয়। এ বিষয়ে শরী‘আতের বিধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২১) : জনৈক ব্যক্তি বলেছেন, মক্কা বিজয়ের আগে নবী করীম (ﷺ) নাকি মূর্তিকে সিজদা করতেন। কথা কি আদৌ সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ