রবিবার, ০৭ Jun ২০২৬, ০১:০১ অপরাহ্ন
উত্তর : যাবে না। কারণ রাসূল (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজে কখনো এ এভাবে মুনাজাত করেননি। আর তাঁর পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে কোন দলীল পাওয়া যায় না। তবে এক্ষেত্রে করণীয় হল- ইমাম ছাহেব পূর্বেই অবগত হলে খুৎবার মধ্যেই দু‘আ করবেন আর বাকীরা আমীন আমীন বলবে (ছহীহ আল-আদাবুল মুফরাদ, হা/১২৫৫; ফাতাওয়া লাজনা আদ-দায়েমাহ, ৮ম খণ্ড, পৃ. ২৩১-৩০ ও ৩০২; ফাতাওয়া আরকানিল ইসলাম, পৃ. ৩৯২)। বিভিন্ন সময় রাসূল (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দু‘আ করেছেন আর ছাহাবীরা আমীন আমীন বলেছেন (মুসনাদে আহমাদ, হা/১২৪২৫; ত্বাবারাণী, আল-মু‘জামুছ ছগীর হা/৫৩৬, সনদ ছহীহ; আবূ দাঊদ, হা/১৪৪৩; মিশকাত, হা/১২৯০)।


প্রশ্নকারী : আব্দুস সাত্তার, ময়মনসিংহ।





প্রশ্ন (৩১) : প্রচলিত চার মাযহাব কি স্ব স্ব ইমাম সৃষ্টি করেছেন, না-কি তাঁদের মৃত্যুর পরে তৈরি হয়েছে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪) : সুর দিয়ে বক্তব্য দেয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : কোন আলেম যদি তাবীয ব্যবহার করে, তাহলে তার পিছনে ছালাত আদায় করা কি জায়েয হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৮) : জান্নাতের রক্ষক ‘রিযওয়ান’ কি বিশুদ্ধ হাদীছ দ্বারা প্রমাণিত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : মক্কায় একদিনের ছিয়াম বাইরের এক লক্ষ ছিয়ামের সমতুল্য। সেখানে এক দেরহাম খরচ করলে এক লক্ষ দেরহামের সমান এবং একটি নেকী করলে এক লক্ষ নেকীর সমান ছওয়াব পাওয়া যায়। বিভিন্ন হাদীছে মসজিদে নববীর ছওয়াব সমজিদে আক্বছার চেয়ে অধিক এসেছে। অথচ এখানে উভয় মসজিদের ছওয়াব পঞ্চাশ হাজার বলা হয়েছে। এর অর্থ করা হয়েছে, প্রত্যেক মসজিদের ছওয়াব পূর্ববর্তী মসজিদ হিসাবে বলা হইয়াছে অর্থাৎ জামে মসজিদের ছওয়াব পাঁচশ’ ছালাত নয়, বরং মহল্লার মসজিদ হতে পাঁচশ’ গুণ বেশী। এই হিসাব মতে জামে মসজিদে বার হাজার পাঁচশ’ (১২৫০০) ছালাতের ছওয়াব। মসজিদে আকছার ছওয়াব বাষট্টি কোটি পঞ্চাশ লক্ষ (৬২৫০০০০০০), মদীনার মসজিদের ছওয়াব তিন নিল বার খর্ব পঞ্চাশ আরব (৩১২৫০০০০০০০০০০) এবং হারাম শরীফের ছওয়াব একত্রিশ শঙ্ঘ পঁচিশ পদ্ম, (৩১২৫০০০০০০০০০০০০০০০) (ফাযায়েলে হজ্জ, পৃ. ৯২)। তাবলীগী নিসাবের ‘ফাযায়েলে হজ্জ’ কিতাবে বর্ণিত উক্ত ফযীলত কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১১) : আনাস (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন, ‘আমরা আনছারদের একজন ব্যক্তির কাছে প্রবেশ করলাম, যিনি কঠিন অসুস্থ ছিলেন। আমরা সেখান থেকে বের হইনি, যতক্ষণ না তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তখন আমরা তাঁর উপর কাপড় ঢেকে দিলাম। তিনি বলেন, অতঃপর আমি তাঁর মুখ থেকে কাপড় সরালাম, তারপর আমরা সেখান থেকে সরিনি, এমনকি আমরা তাঁর সাথে বসে খাওয়া-দাওয়া করলাম’ (আল-কাওলুল জালী ফী হুকমিত তাওয়াসসুলি বিন নাবী ওয়াল ওয়ালী, পৃ. ১২)। প্রশ্ন হল- একজন অলী (আল্লাহর নেক বান্দা)-এর দু‘আর মাধ্যমে কি মৃত ব্যক্তির আত্মা ফিরিয়ে আনা সম্ভব? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৬) : মসজিদ, ওয়ায মাহফিলের সভাপতি ও প্রধান অতিথি হওয়ার শর্তে দান করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৮) : ‘দেশ প্রেম ঈমানের অঙ্গ’ মর্মে প্রচলিত কথা কি ছহীহ হাদীছ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৯) : আক্বীক্বার সপ্তম দিনে যদি যিলহজ্জ মাসের চাঁদ উদিত হয়, তাহলে আক্বীক্বা করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৩) : অপবিত্র কাপড় পরিধান অবস্থায় ওযূ করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩২) : যদি কেউ প্রকাশ্যে শিরক ও কুফরী করে এবং পর্দা করাকে জীবন্ত মূর্তি বলে তাচ্ছিল্য করে, তাহলে তার হুকুম কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৫) : কুরআন খতম দেয়াটা অতি আবশ্যক, না-কি বুঝে পড়ে প্রাত্যহিক জীবনে এর শিক্ষা কাজে লাগানো যরূরী। দেখা যায় মানুষ না বুঝে পড়ে খতম দেয়াটাতে বেশি জোর দেয়। - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ