রবিবার, ০৭ Jun ২০২৬, ০৮:৩৫ পূর্বাহ্ন
উত্তর : সবকিছুতেই আল্লাহর উপস্থিতি বা আল্লাহর বিলীন হওয়াকে ‘ওয়াহদাতুল ওজূদ’ বলে। অর্থাৎ পৃথিবীর সবকিছুকেই আল্লাহর অংশ মনে করা (খালেদ ইবনু আব্দুল্লাহ, শারহুল আক্বীদাহ আত-ত্বাহাবিয়াহ, পৃঃ ৬)। তাই সবই আল্লাহ, আল্লাহ আরশে নন, বরং সর্বত্র ও সবকিছুতেই বিরাজমান। স্রষ্টা আর সৃষ্টি একই, কোন পার্থক্য নেই (নাঊযুবিল্লাহ)। এটা পরিষ্কার কুফরী আক্বীদা। পথভ্রষ্ট কথিত ছূফীরা উক্ত আক্বীদা পোষণ করে থাকে। বরং তারা মনে করে কেউ আল্লাহর মাঝে বিলীন হওয়ার মর্যাদা লাভ করলে, তাকে আর শরী‘আতের বিধি-বিধান পালন করতে হয় না (আল-ফিছাল ফিল মিলাল, ৪র্থ খণ্ড, পৃ. ১৪৩)।

দেওবন্দীদের আধ্যাত্মিক গুরু ইমদাদুল্লাহ (১৮১৪-১৮৯৬ খ্রি.) বলেন, ‘মা‘রেফতের অধিকারী ব্যক্তি সমগ্র পৃথিবীর উপর কর্তৃত্বশীল হয়। আল্লাহ তা‘আলার যে কোন রশ্মিকে নিজের জন্য ধরে নিতে পারে। আল্লাহর যে কোন গুণে ও ইচ্ছায় নিজেকে বিভূষিত করে তার প্রকাশ ঘটাতে পারে। যেহেতু তার মধ্যে আল্লাহর গুণাবলী বিদ্যমান এবং সে আল্লাহর চরিত্রে বিলীন’ (যিয়াউল কুলূব (উর্দূ), পৃ. ২৭-২৮; (বাংলা), পৃ. ৫১)। অন্য এক জায়গায় বলেন, ‘কোনরূপ আড়াল ছাড়াই সে আল্লাহকে দেখতে পাবে। আল্লাহকে সরাসরি প্রত্যক্ষ করার সে সুযোগ পাবে’ (যিয়াউল কুলূব (উর্দূ), পৃ. ৭ ও ২৫; (বাংলা), পৃ. ২০ ও ৪৪)। তিনি আরেক জায়গায় বলেন, ‘তাওহীদে জাতি হল এই যে, বিশ্বজগতের সবকিছুকে আল্লাহ বলে ধারণা করা’ (যিয়াউল কুলূব (উর্দূ), পৃ. ৩৫; (বাংলা), পৃ. ৬২)।

দেওবন্দী মতবাদে বিশ্বাসী ইলিয়াসী তাবলীগের লোকেরা উপমহাদেশে উক্ত আক্বীদা বেশী প্রচার করে থাকে। অথচ কেউ উক্ত কুফরী আক্বীদা পোষণ করলে তার ঈমান, আমল ও ইসলাম কিছুই থাকবে না (ফাতাওয়া লাজনাহ দায়েমাহ, ১ম খণ্ড, পৃ. ৫১৬)। কারণ এর মাধ্যমে আল্লাহ্র মর্যাদাকে ভূলুণ্ঠিত করা হয়েছে এবং তাঁকে সৃষ্টির মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অথচ আল্লাহ সবকিছুর স্রষ্টা। আল্লাহর বাণী, ‘আল্লাহ সবকিছুরই স্রষ্টা এবং তিনি সবকিছুর উপর কর্তৃত্বশীল’ (সূরা আয-যুমার : ৬২)। মূলত উক্ত বিশ্বাস হিন্দুদের সংস্কৃতি থেকে এসেছে। তারা সর্বেশ্বরবাদে বিশ্বাসী। অর্থাৎ তারা সবকিছুকেই ঈশ্বর মনে করে থাকে। আল্লাহ উক্ত আক্বীদা থেকে মুসলিম উম্মাহ্কে হেফাযত করুন-আমীন!!


প্রশ্নকারী : তাসনীম, বগুড়া।




প্রশ্ন (২৭) : আশূরার দিন সংঘটিত হওয়া কোন্ কোন্ ঘটনা ছহীহ ও প্রমাণিত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : আমি একজন সিএনজি চালক। দিনের বেলায় যে জায়গার ভাড়া ২০ টাকা- রাতের বেলায় সে একই জায়গায় অনেক চালক ৪০ টাকা নিয়ে থাকে। এভাবে রাতে ভাড়া বাড়ানো যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৪) : বিবাহের অনুষ্ঠানে বা খাৎনার অনুষ্ঠানে দাওয়াত দিয়ে টাকা নেয়ার শারয়ী বিধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৬) : ছালাতে মাঝে মধ্যে রুকূতে সিজদার তাসবীহ অথবা সিজদাতে রুকূ-র তাসবীহ পড়ে ফেলি। রুকূ‘-সিজদাহ সম্পূর্ণ হওয়ার পর মনে পড়ে আমি ভুল করেছি। এই ক্ষেত্রে করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৮) : সরকারি চাকরি করা ভালো, না-কি হালাল ভাবে ব্যাবসা করা উত্তম? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩১) : অনেকেই হাই তোলার পর أَعُوْذُ بِاللهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيْمِ বলে থাকে। এব্যাপারে কি কোন হাদীছ বর্ণিত হয়েছে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : জনৈক আলেম বলেন, অতিরিক্ত কথা বলা মুনাফিকের লক্ষণ। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
শ্ন (৯) : ছিয়ামের নিয়ত হিসাবে নিম্নের দু‘আটি পড়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩০) : প্রতিদিন রাতে সূরা মুলক পড়া সুন্নাহ। প্রশ্ন হল- যদি কেউ মাগরিবের ছালাত অথবা এশার ছালাতের পর সময়ের ব্যস্ততার কারণে মসজিদ থেকে বের হয়ে কর্মস্থানে যেতে যেতে সূরা মুলক পাঠ করে, তাহলে কি ছওয়াব পাওয়া যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : জানাযার ছালাতের সময় লাশ সামনে রেখে মৃতের ঋণ ও অছিয়ত সংক্রান্ত কথা বলা ছাড়াও সমাজের বিশিষ্টজন ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ আলোচনার সুযোগ দেয়া হয়। এরূপ করা কি শরী‘আতসম্মত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : শাফা‘আত করা ও তা মঞ্জুরের জন্য কোন শর্ত আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : দাদার আগে যদি ছেলে মারা যায়, তাহলে নাতিরা কোন সম্পত্তির ভাগ পাবে কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ