শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ০১:০০ অপরাহ্ন
উত্তর : সবকিছুতেই আল্লাহর উপস্থিতি বা আল্লাহর বিলীন হওয়াকে ‘ওয়াহদাতুল ওজূদ’ বলে। অর্থাৎ পৃথিবীর সবকিছুকেই আল্লাহর অংশ মনে করা (খালেদ ইবনু আব্দুল্লাহ, শারহুল আক্বীদাহ আত-ত্বাহাবিয়াহ, পৃঃ ৬)। তাই সবই আল্লাহ, আল্লাহ আরশে নন, বরং সর্বত্র ও সবকিছুতেই বিরাজমান। স্রষ্টা আর সৃষ্টি একই, কোন পার্থক্য নেই (নাঊযুবিল্লাহ)। এটা পরিষ্কার কুফরী আক্বীদা। পথভ্রষ্ট কথিত ছূফীরা উক্ত আক্বীদা পোষণ করে থাকে। বরং তারা মনে করে কেউ আল্লাহর মাঝে বিলীন হওয়ার মর্যাদা লাভ করলে, তাকে আর শরী‘আতের বিধি-বিধান পালন করতে হয় না (আল-ফিছাল ফিল মিলাল, ৪র্থ খণ্ড, পৃ. ১৪৩)।

দেওবন্দীদের আধ্যাত্মিক গুরু ইমদাদুল্লাহ (১৮১৪-১৮৯৬ খ্রি.) বলেন, ‘মা‘রেফতের অধিকারী ব্যক্তি সমগ্র পৃথিবীর উপর কর্তৃত্বশীল হয়। আল্লাহ তা‘আলার যে কোন রশ্মিকে নিজের জন্য ধরে নিতে পারে। আল্লাহর যে কোন গুণে ও ইচ্ছায় নিজেকে বিভূষিত করে তার প্রকাশ ঘটাতে পারে। যেহেতু তার মধ্যে আল্লাহর গুণাবলী বিদ্যমান এবং সে আল্লাহর চরিত্রে বিলীন’ (যিয়াউল কুলূব (উর্দূ), পৃ. ২৭-২৮; (বাংলা), পৃ. ৫১)। অন্য এক জায়গায় বলেন, ‘কোনরূপ আড়াল ছাড়াই সে আল্লাহকে দেখতে পাবে। আল্লাহকে সরাসরি প্রত্যক্ষ করার সে সুযোগ পাবে’ (যিয়াউল কুলূব (উর্দূ), পৃ. ৭ ও ২৫; (বাংলা), পৃ. ২০ ও ৪৪)। তিনি আরেক জায়গায় বলেন, ‘তাওহীদে জাতি হল এই যে, বিশ্বজগতের সবকিছুকে আল্লাহ বলে ধারণা করা’ (যিয়াউল কুলূব (উর্দূ), পৃ. ৩৫; (বাংলা), পৃ. ৬২)।

দেওবন্দী মতবাদে বিশ্বাসী ইলিয়াসী তাবলীগের লোকেরা উপমহাদেশে উক্ত আক্বীদা বেশী প্রচার করে থাকে। অথচ কেউ উক্ত কুফরী আক্বীদা পোষণ করলে তার ঈমান, আমল ও ইসলাম কিছুই থাকবে না (ফাতাওয়া লাজনাহ দায়েমাহ, ১ম খণ্ড, পৃ. ৫১৬)। কারণ এর মাধ্যমে আল্লাহ্র মর্যাদাকে ভূলুণ্ঠিত করা হয়েছে এবং তাঁকে সৃষ্টির মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অথচ আল্লাহ সবকিছুর স্রষ্টা। আল্লাহর বাণী, ‘আল্লাহ সবকিছুরই স্রষ্টা এবং তিনি সবকিছুর উপর কর্তৃত্বশীল’ (সূরা আয-যুমার : ৬২)। মূলত উক্ত বিশ্বাস হিন্দুদের সংস্কৃতি থেকে এসেছে। তারা সর্বেশ্বরবাদে বিশ্বাসী। অর্থাৎ তারা সবকিছুকেই ঈশ্বর মনে করে থাকে। আল্লাহ উক্ত আক্বীদা থেকে মুসলিম উম্মাহ্কে হেফাযত করুন-আমীন!!


প্রশ্নকারী : তাসনীম, বগুড়া।




প্রশ্ন (২১) : আমি সফরে নিদিষ্ট দূরত্ব অতিক্রম করি। বাড়ি থেকে সকালে বের হয়ে আবার রাতের মধ্যে বাড়ি ফিরে আসি। প্রশ্ন হল- এরকম সময় আমি কি ছালাত কছর করতে পারব? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৬) : আমি একজন ব্যবসায়ীকে কিছু পণ্য কিনে দিয়েছি এবং তাকে বলেছি যে, তার ইনছাফ মত আমাকে যা পার লাভ দিতে। এটা কি সূদ হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৮) : রিযিকে বরকত বলতে কী বুঝায়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৪) : হলুদ এবং লাল রং এর পোশাক পরা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৭) : ফরয ছালাত শেষ করে অর্থাৎ সালাম ফিরিয়ে সুন্নতী যিকিরগুলো পড়ার পর একাকী হাত তুলে দু‘আ করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : মূসা (আলাইহিস সালাম) যখন আল্লাহ্র সাথে সাক্ষাৎ করলেন তখন তিনি প্রশ্ন করলেন, হে আল্লাহ! আমি আপনার যত নিকটবর্তী হয়েছি আর কেউ কি এতো নিকটবর্তী হতে পারবে। আল্লাহ বললেন, মুহাম্মাদ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উম্মত ইফতারের সময় এর চেয়েও বেশী নিকটবর্তী হবে। উক্ত ঘটনা কোন হাদীছ গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৩) : ইন্টারনেটের মাধ্যমে আবহাওয়ার বিভিন্ন সংবাদ যেমন বৃষ্টি, চন্দ্রগ্রহণ, সূর্যগ্রহণ ইত্যাদি অনেক আগেই অবগত হওয়া যায়।  প্রশ্ন হল, এগুলো বিশ্বাস করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৩) : জনৈক বক্তা বলেন, ‘যে অসুস্থ অবস্থায় মারা গেছে, সে শহীদ হয়ে মারা গেছে। তাকে কবরের আযাব দেয়া হবে না এবং সকাল-সন্ধ্যায় তাকে জান্নাতের রিযিক দেয়া হবে’। উক্ত বর্ণনা কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৩) : জনৈক আলেম বলেন, রাসূল (ﷺ) তাঁর স্ত্রীদেরকে রান্নার কাজে সহযোগিতা করতেন’। উক্ত দাবী কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৯) : প্রতিদিন রাতে সূরা মুলক পড়া সুন্নাহ। প্রশ্ন হল- যদি কেউ মাগরিবের ছালাত অথবা এশার ছালাতের পর সময়ের ব্যস্ততার কারণে মসজিদ থেকে বের হয়ে কর্মস্থানে যেতে যেতে সূরা মুলক পাঠ করে, তাহলে কি ছওয়াব পাওয়া যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৭) : একজন মেয়ে বিয়ে হওয়ার পরে তার স্বামীর হুকুম মানবে, না পিতার হুমুক মানবে? যদি পিতার অবাধ্য হয় তাহলে কি সে গুনাহগার হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : বাড়িতে সুন্নাত ও নফল ছালাত আদায় করার গুরুত্ব কতটুকু? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ