উত্তর : অবশ্যই বলা যাবে। রাসূল (ﷺ) ছিলেন ঈমানের দিক দিয়ে সর্বাধিক পরিপূর্ণ মুমিন। তিনি আল্লাহর প্রতি ঈমান এনেছেন এবং তাঁর প্রতিপালকের পক্ষ থেকে যা অবতীর্ণ হয়েছে তা সত্য বলে বিশ্বাস করেছেন (ছহীহ বুখারী, হা/৫০৬৩; ছহীহ মুসলিম, হা/১৪০১)। ঈমান হল বিশ্বাস ও আমল। নবী (ﷺ) মুমিনদের আদর্শ নেতা। তাঁকে ঈমানের গুণে বর্ণনা করা তাঁর মর্যাদা কমায় না, বরং সত্য ঈমানের সর্বোচ্চ আদর্শ হিসাবে তাঁর সম্মান বৃদ্ধি করে। মহান আল্লাহ বলেন, ‘রাসূল (ﷺ) তাঁর প্রতিপালকের পক্ষ থেকে তাঁর প্রতি যা অবতীর্ণ হয়েছে তাতে ঈমান এনেছেন এবং মুমিনরাও। প্রত্যেকে ঈমান এনেছে আল্লাহর প্রতি, তাঁর ফেরেশতাগণের প্রতি, তাঁর কিতাবসমূহের প্রতি ও তাঁর রাসূলগণের প্রতি’ (সূরা আল-বাক্বারাহ : ২৮৫)। সুতরাং এমন ব্যক্তি যিনি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের প্রতি ঈমান আনেন তিনিই মুমিন। আর রাসূল (ﷺ)-ই আল্লাহ তা‘আলা ও তাঁর অবতীর্ণ বাণীর প্রতি সর্বপ্রথম ঈমান আনয়নকারী ছিলেন। তবে তিনি শুধু ‘ঈমানদার’ই ছিলেন না, বরং তিনি হলেন সমস্ত ঈমানদারের ইমাম ও পথপ্রদর্শক, আল্লাহর মনোনীত নবী ও রাসূল।
প্রশ্নকারী : কাজী নূর আলম, সঊদী আরব।