হাতেম বিন বালতা‘ (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর ঘটনা
-মূল : ফাউযিয়া বিনতে মুহাম্মাদ আল-উক্বাইলী
-অনুবাদ : হাফীযুর রহমান বিন দিলজার হোসাইন*
আলী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, নবী করীম (ﷺ) আমাকে ও আবূ মারছাদ গানাবী এবং যুবায়র ইবনু আওয়াম (রাযিয়াল্লাহু আনহুম)- কে অশ্ব বের করে নির্দেশ দিলেন যে, তোমরা রওয়ানা হয়ে যাও এবং ‘রওযায়ে খাখে’ গিয়ে উপস্থিত হও। সেখানে একজন মুশরিক স্ত্রীলোক পাবে যার নিকট একটি চিঠি আছে, হাতেব ইবনু বালতা‘ মুশরিকদের নিকট পাঠিয়েছে। আমরা আমাদের ঘোড়ায় (অশ্বে) দ্রুতগতিতে ছুটে চললাম, যতক্ষণ না ঐ নারীকে পেয়ে যাই। হাতেব মক্কার লোকদের নিকট নবী করীম (ﷺ)-এর যাত্রার সংবাদ জানিয়ে একটি চিঠি লিখেছিল। সেই চিঠিটি ঐ নারীর হাতে দিয়ে পাঠিয়েছিল। তোমরা চিঠি আমার নিকট নিয়ে আস। আমরা ঘোড়ায় চড়ে দ্রুতগতিতে ছুটে চললাম, যতক্ষণ না ‘রওযায়ে খাখে’ গিয়ে ঐ নারীকে পেলাম। আমরা তাকে বললাম: *
-তোমার নিকট যে চিঠিটি আছে, তা বের কর।
-সে বলল, আমার নিকট কোনো চিঠি নেই, আমাকে কেউ কিছু দেয়নি।
অতঃপর আমরা তার উটকে বসালাম এবং তার মালপত্র তল্লাশি করলাম, কিন্তু কিছুই পেলাম না। আমার সাথীরা বলল, তার নিকট কিছুই দেখা যাচ্ছে না।
আমি বললাম, তুমি যাই বল, আমি জানি, আল্লাহর রাসূল (ﷺ) কখনো ভুল বলেননি। তারপর আমি আল্লাহর নামে শপথ করে বললাম, তুমি অবশ্যই চিঠিটি বের করবে, নইলে আমরা তোমার পোশাক সরিয়ে তল্লাশি করব। আমার কঠোরতা দেখে সে তার পোশাকের নিচের অংশে হাত ঢুকিয়ে, চুলের বেণীর ভিতর থেকে লুকানো চিঠিটি বের করে আনল।
আমরা চিঠিটি নিয়ে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট ফিরে এলাম। চিঠিতে লেখা ছিল, হাতেব মক্কার কিছু লোককে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কিছু পরিকল্পনার কিছু তথ্য জানাচ্ছে। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন,
-হে হাতেব, এটা কী?
-হাতেম বলল, হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ)! আমার ব্যাপারে তাড়াহুড়া করবেন না। আল্লাহর কসম! ইসলাম গ্রহণের পর থেকে আমি কখনো কুফরী করিনি, আপনার সঙ্গে থাকাকালীন কখনো আপনার সাথে প্রতারণা করিনি, মক্কার লোকদের সঙ্গ ত্যাগের পর কখনো তাদের ভালবাসিনি। কিন্তু আমি কুরায়শের মধ্যে আশ্রিত একজন মানুষ ছিলাম, আমি তাদের আত্মীয়-স্বজনদের কেউ ছিলাম না। আপনার সাথে থাকা অন্য মুহাজিরদের মক্কায় আপনজন ছিল, যারা তাদের পরিবারকে রক্ষা করত। আমি তাদের বংশীয় সম্পর্কহীন হওয়ায় চেয়েছিলাম, যাতে তাদের নিকট আমার একটি উপকার স্বরূপ সম্পর্ক থাকে, যার মাধ্যমে তারা আমার পরিবারকে রকআষা করবে। আল্লাহর কসম! আমি এই কাজটি করিনি দ্বীনের বিষয়ের সন্দেহ থেকে বা ইসলামের পর কুফরকে পসন্দ করে, কখনোই না।
-নবী করীম (ﷺ) বললেন, সে সত্য বলেছে। তোমরা তার সম্পর্কে ভাল ছাড়া কিছুই বলবে না।
-উমার (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ)! আমাকে এই মুনাফিকের কাল্লা কাটতে দিন।
-নবী করীম (ﷺ) বললেন, হে উমর, তুমি কী জান? হয়তো আল্লাহ বদরের যোদ্ধাদের প্রতি তাকিয়ে বলেছেন, তোমরা যা ইচ্ছা কর; আমি তোমাদের ক্ষমা করে দিয়েছি।
এ কথা শুনে উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহু) কান্নায় ভেঙে পড়লেন এবং বললেন, আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই অধিক অবগত। এরপর আল্লাহ তা‘আলা এই আয়াতটি নাযিল করলেন,
یٰۤاَیُّہَا الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا لَا تَتَّخِذُوۡا عَدُوِّیۡ وَ عَدُوَّکُمۡ اَوۡلِیَآءَ تُلۡقُوۡنَ اِلَیۡہِمۡ بِالۡمَوَدَّۃِ وَ قَدۡ کَفَرُوۡا بِمَا جَآءَکُمۡ مِّنَ الۡحَقِّ ۚ یُخۡرِجُوۡنَ الرَّسُوۡلَ وَ اِیَّاکُمۡ اَنۡ تُؤۡمِنُوۡا بِاللّٰہِ رَبِّکُمۡ ؕ اِنۡ کُنۡتُمۡ خَرَجۡتُمۡ جِہَادًا فِیۡ سَبِیۡلِیۡ وَ ابۡتِغَآءَ مَرۡضَاتِیۡ ٭ۖ تُسِرُّوۡنَ اِلَیۡہِمۡ بِالۡمَوَدَّۃِ ٭ۖ وَ اَنَا اَعۡلَمُ بِمَاۤ اَخۡفَیۡتُمۡ وَ مَاۤ اَعۡلَنۡتُمۡ ؕ وَ مَنۡ یَّفۡعَلۡہُ مِنۡکُمۡ فَقَدۡ ضَلَّ سَوَآءَ السَّبِیۡلِ.
‘হে মুমিনগণ! তোমরা আমার ও তোমাদের শত্রুকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না। তাদের নিকট তোমরা বন্ধুত্ব পেশ করছ, অথচ তারা তোমাদের নিকট আগত সত্যকে অস্বীকার করছে। তারা রাসূল ও তোমাদেরকে বের করে দিয়েছে এজন্য যে, তোমরা তোমাদের প্রতিপালক আল্লাহর উপর ঈমান এনেছ। যদি তোমরা বেরিয়ে থাক আমার পথে জিহাদের জন্য এবং আমার সন্তুষ্টি লাভের জন্য, তাহলে তাদের প্রতি গোপন বন্ধুত্ব পোষণ করো না। আর আমি ভালভাবেই জানি যা তোমরা লুকিয়ে রাখ এবং যা তোমরা প্রকাশ কর। বস্তুত তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি এরূপ করবে, সে ব্যক্তি সরল পথ থেকে বিচ্যুত হবে’ (সূরা আল-মুমতাহিনা : ১)।[১]
শিক্ষনীয় বিষয়
১. এই হাদীছ নবী করীম (ﷺ)-এর নবুওয়াতের এক মহান প্রমাণ। যেখানে নবী করীম (ﷺ) ঐ নারী সম্পর্কে, তার অবস্থান সম্পর্কে এবং তার সাথে যে কথাবার্তা ছিল তা সম্পর্কে সংবাদ দিয়েছিলেন। আর ছাহাবীগণ (রাযিয়াল্লাহু আনহুম) ঠিক তেমনই পেয়েছিলেন, যেমন তিনি সংবাদ দিয়েছিলেন।
২. ছাহাবীগণ (রাযিয়াল্লাহু আনহুম)-এর দৃঢ় বিশ্বাস ছিল যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সত্যবাদী এবং তিনি খেয়াল-খুশি থেকে কথা বলেন না। তাই তাঁরা নারীর সাথে কথা বলেছিলেন দৃঢ় নির্দেশের ভঙ্গিতে: (চিঠিটি বের কর); তারা তাকে এভাবে বলেননি: ‘তোমার নিকট কি কোন চিঠি আছে?!!
৩. সম্মানিত ছাহাবী হাতেব ইবনু বালতা‘ (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর দ্বারা সংঘটিত ভুলটি কোন সামান্য ভুল ছিল না; বরং বর্তমান বিশ্বের আইনে যাকে ‘রাষ্ট্রদ্রোহিতা’ বলা হয়। আর এই ছাহাবী সাধারণ ছাহাবীদের একজন ছিলেন না; বরং তিনি ছিলেন তাদের বিশেষদের অন্তর্ভুক্ত এবং তাঁদের শ্রেষ্ঠদের একজন। তাঁর জন্য এ-ই যথেষ্ট সম্মানের যে তিনি বদর যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী ছিলেন। এরপরও হাতেব এতবড় ভুল করেছিলেন, যাতে পরবর্তী যুগের ছাহাবী ও উম্মত জানে যে মানুষ, সমস্ত মানুষই ভুলের সম্মুখীন হতে পারে, যদিও তারা আল্লাহর সৃষ্টির শ্রেষ্ঠদের অন্তর্গত হন এবং ঈমান। যেমন সালাফে ছালেহীন আলেমগণ ব্যাখ্যা করেছেন। সৎ আমলের মাধ্যমে বৃদ্ধি পায় এবং গোনাহের মাধ্যমে হ্রাস পায়। মানুষ তো কেউই এমন নয় যে তার জীবনে দুর্বলতার সময় অতিক্রম করবে না। যেকোন একটি কারণেই হোক, যা ঈমানকে দুর্বল করে। আর এজন্য রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, كُلُّ بَنِي آدَمَ خَطَّاءٌ وَخَيْرُ الْخَطَّائِينَ التَّوَّابُونَ ‘প্রত্যেক আদম সন্তানই ভুলকারী। আর উত্তম ভুলকারী হলো সে ব্যক্তি যে ভুল করে তওবা করে’ (ইবনু মাজাহ, হা/৪২৫১; মিশকাত, হা/২৩৪১, সনদ হাসান)।
৪. আল্লাহ তা‘আলার জ্ঞানের অংশ হল- তিনি আমাদের জন্য প্রত্যেক বিষয়ে সম্পূর্ণ অনুসরণযোগ্য আদর্শ কাউকে বানাননি শুধু রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ব্যতীত। অতএব আল্লাহর দ্বীনের সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভুল বহন করে না; একইভাবে একজনের ভুল অন্য কেউ বহন করে না!!
৫. রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যখন হাতেব (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর কথা শুনলেন, তখন তাকে সত্য বলে গ্রহণ করলেন এবং বললেন, ‘সে সত্য বলেছে; তোমরা তার সম্পর্কে ভালো কথাই বলবে। আর এটি এমন অদৃশ্যের বিষয়, যা কোন মানুষ কখনোই জানতে পারে না আল্লাহর অহি ব্যতীত। তিনি কীভাবে জানলেন যে, হাতেব সত্যি বলেছে, অথচ এটি তো এমন এক বিষয় যা অন্তরের গভীরে লুকানো নিয়ত ও অভিপ্রায়ের সাথে সম্পর্কিত?!! অবশ্যই আল্লাহ তা‘আলা তাঁকে এ সম্পর্কে অবহিত করেছিলেন।
৬. মুসলিমদের উচিত হল- কোন রায়-ফায়ছালা দেয়ার পূর্বে যথেষ্ট বিবেচনা ও ধীরস্থিরতা অবলম্বন করা। এই ঘটনায় আল্লাহর রাসূল (ﷺ) অহির মাধ্যমে বিষয়টি জানানো সত্ত্বেও রায় প্রদানে তাড়াহুড়া করেননি এবং তিনি তাঁর কিছু ছাহাবীর আবেগ দ্বারা প্রভাবিত হননি। যারা ঐ ছাহাবীর হত্যার দাবি করেছিলেন এবং তাকে মুনাফিক্ব বলে অভিযুক্ত করেছিলেন। বরং তিনি রায় দেয়ার আগে কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করলেন। তাই তিনি দুইজন ছাহাবীকে ঐ মহিলার নিকট পাঠালেন। যাতে তারা ঘটনাটি প্রকৃতভাবে বুঝে আসতে পারে। যখন আলী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) চিঠিটি গ্রহণ করলেন এবং তাতে যা লেখা ছিল তা দেখলেন, তিনি রাগ বা উত্তেজনা ছাড়া তাকে ডেকে তাকে এই কাজের কারণ জিজ্ঞাসা করলেন। বরং তাকে তার নাম ধরে বললেন, হে হাতিব! এটা কী? আর যখন তিনি তার অযুহাত শুনলেন ও তার কথার সত্যতা জানতে পারলেন, তখন তাকে ক্ষমা করে দিলেন। আর যুগের শেষ সময়ে উম্মতের যে পরীক্ষাগুলোর মধ্যে একটি হল, কিছু অজ্ঞ মানুষের অন্যদের ওপর সহজেই ফৎওয়া ও রায় জারি করা, তাদেরকে বিদ‘আতী ও পথভ্রষ্ট বলে অভিযুক্ত করা, আর সেই সৎ নিয়তগুলোকে দমন করা, যার প্রকৃত জ্ঞান শুধু আল্লাহর কাছেই। তাহলে ক্বিয়ামতের দিন আল্লাহ তা‘আলা যখন তাদেরকে জিজ্ঞাসা করবেন, তারা কী উত্তর দিবে?! অতএব মুসলিমদের সম্মান-সম্মাননা সম্পর্কে আল্লাহকে ভয় করা উচিত। সেই দিনের আগেই, যেদিন কোন কিছুই উপকারে আসবে না...।
৭. আমাদের উচিত ভুল করে তাতে অটল থাকা ব্যক্তির সঙ্গে তার পার্থক্য করা। যে ভুল করে, নিজের ভুল অনুভব করে, তাতে অনুতপ্ত হয় এবং পরে নিজেকে সংশোধন করে। কারণ মনোযোগ দেয়া প্রয়োজন দ্বিতীয় শ্রেণীর মানুষের প্রতি, যারা তাদের গুনাহ স্বীকার করে এবং ভুলের জন্য অনুতপ্ত হয়। শিক্ষামূলক ও সংশোধনমূলক কাজে তাকে প্রথম শ্রেণীর মানুষের ন্যায় আচরণ করা একটি গুরুতর ভুল। কারণ প্রথম শ্রেণীর মানুষ সময়ের সাথে দাওয়াতের প্রতিবন্ধক। বরং কখনও কখনও দাওয়াতের শত্রুতেও পরিণত হতে পারে। কিন্তু জ্ঞান ও প্রজ্ঞার দাবি হল, তাকে অত্যন্ত উদার, ধৈর্য ও সহনশীলতার সাথে আচরণ করা এবং তার যে হোঁচট খাওয়ার কারণে সে পড়ে গেছে। সেখান থেকে তাকে উঠে দাঁড়াতে সাহায্য করা, তার সকল ভুল-ত্রুটি ক্ষমা করা, আমাদের হাতে থাকা সব উপায় ব্যবহার করা। আর তার করা ভালো কাজগুলোর কথা স্মরণ করিয়ে দেওয়া।
৮. শরী‘আতের নীতি ও হিকমাতের একটি বিধান হল, যার সৎকর্ম বেশী ও মহান হয় এবং যার ইসলামে সুস্পষ্ট প্রভাব থাকে, তাহলে তার ক্ষেত্রে এমন কিছু সহনীয় হয় যা অন্যের ক্ষেত্রে সহনীয় নয় এবং তার এমন কিছু ক্ষমা করা হয় যা অন্যের ক্ষেত্রে ক্ষমা করা হয় না। এখানে নবী করীম (ﷺ) তাকে জানালেন যে, হাতেব বদর যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছে; এতে প্রমাণিত হয় যে, তার শাস্তির কারণ বিদ্যমান ছিল, কিন্তু তার সেই মহৎ অংশগ্রহণ (বদরের ঘটনা)-এর কারণে সেই শাস্তির ফল তার ওপর কার্যকর হওয়া থেকে বিরত রাখা হয়েছে। অতএব তার যে মহান সৎকর্মগুলো ছিল, তার তুলনায় এই বড় ভুলটিও ক্ষমাকৃত হয়ে গেল। এটি নিছক যুলুম ও হঠকারীতা যে, মানুষকে একটি মাত্র ঘটনা দিয়ে বিচার করা, ঘটনাটি যত বড়ই হোক না কেন এবং অতীতের ঘটনাবহুল জীবন ও অবস্থানগুলোকে উপেক্ষা করা। সুতরাং পরিমাণ ও গুণÑ এই দুইটি মূল্যায়নের প্রক্রিয়ায় অত্যাবশ্যক উপাদান।
৯. নবী করীম (ﷺ)-এর জীবনীতে রব্বানী সহায়তা ও পর্যাপ্ততার বহু বিস্ময়কর দৃষ্টান্ত রয়েছে। আর হাতেব (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-কে নিয়ে যে ঘটনাটি ঘটেছিল, তা তো কেবল বহু ঘটনার মধ্যে একটি। যেসব ঘটনার মাধ্যমে আল্লাহ তা‘আলা চূড়ান্ত নবুঅতের যুগে তাঁর সৎকর্মপরায়ণ ওলীদের সংরক্ষণ করেছেন।
* পরিচালক: দারুস সালাম ইসলামী কমপ্লেক্স, পিরুজালী ময়তাপাড়া, গাযীপুর।
[১]. ছহীহ বুখারী, হা/৬২৫৯, ৩৯৮৩ ‘শব্দ বিন্যাস তাঁরই’; ছহীহ মুসলিম, হা/২৪৯৪।
প্রসঙ্গসমূহ »:
শিক্ষণীয় ঘটনা