শৈশবের ভারী ব্যাগ
-আব্দুল্লাহ আল-নুমান*
আজও স্কুল থেকে ফিরেই যেন ক্লান্তিতে নুয়ে পড়ল ছোট্ট ফারাবি। তার আট বছরের ছোট্ট কাঁধে বইয়ের ব্যাগটা আজ আরও ভারি মনে হচ্ছিল। সন্ধ্যা নামতেই যখন অন্য শিশুরা খেলাধুলায় মেতে ওঠে, তখন ফারাবিকে তার কোচিং ক্লাসের জন্য প্রস্তুত হতে হয়। কোচিংয়ে যেতে যেতে সে ভাবছিল, তার বন্ধুদের মতো তারও যদি বিকেলে খেলার সুযোগ থাকত, তাহলে হয়তো ভালো লাগত। কিন্তু তার অভিভাবকের একটাই কথা, ‘আর একটু কষ্ট করে পড়ো, ভালো ফল করলেই তো সবকিছু পাবে’।*
ফারাবির এই গল্প শুধু তার একার নয়, এটি আমাদের দেশের হাজার হাজার শিশুর জীবনের প্রতিদিনের চিত্র। যেখানে শৈশবের নির্মল আনন্দ, ধর্মীয় শিক্ষা, আদব-আখলাক, খেলাধুলা আর মানসিক বিকাশের চেয়ে পড়াশোনার চাপই হয়ে উঠেছে প্রধান। আমাদের শিশুদের শৈশব কি তবে এক অদৃশ্য প্রতিযোগিতার নাম?
শিশুদের প্রতি আমাদের করণীয় আচরণ
১. প্রথমেই শিষ্টাচার শিক্ষা দেওয়া
শিশু যখন হাঁটতে শেখে তখন থেকেই তাকে তাওহীদ শিক্ষা দেওয়া, সালাম দেওয়া, বড়দের সম্মান করা, ছোটদের প্রতি দয়া প্রদর্শন শেখানো যরূরী। এ অভ্যাসগুলো তার অন্তরে দয়া, সহমর্মিতা ও পরস্পরের প্রতি সৌজন্য আচরণ গড়ে তুলবে। ইসলামে শিষ্টাচার বা আদবকে ঈমানের অঙ্গ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন,إِنَّمَا بُعِثْتُ لِأُتَمِّمَ مَكَارِمَ الْأَخْلَاقِ ‘আমাকে প্রেরণ করা হয়েছে উত্তম চরিত্রের পূর্ণতা দিতে’।[১] রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আরো বলেন,أَكْمَلُ الْمُؤْمِنِينَ إِيمَانًا أَحْسَنُهُمْ خُلُقًا ‘ঈমানদারদের মধ্যে সবচেয়ে পূর্ণ সেই, যার চরিত্র সবচেয়ে উত্তম’।[২] অতএব, শৈশব থেকেই শিশুদের মধ্যে শিষ্টাচার শিক্ষা না দিলে ভবিষ্যতে জ্ঞান থাকলেও চরিত্রহীন হয়ে পড়বে।
২. নম্রতা ও ভদ্রতার চর্চা করানো
শিশুদের ছোটবেলা থেকেই কোমল ভাষায় কথা বলা, ঝগড়া-বিবাদ এড়িয়ে চলা, অহংকার থেকে দূরে থাকার শিক্ষা দিতে হবে। ভদ্রতা ও নম্রতা মানুষকে সমাজে গ্রহণযোগ্য ও ভালোবাসার যোগ্য করে তোলে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, وَ اخۡفِضۡ جَنَاحَکَ لِلۡمُؤۡمِنِیۡنَ ‘মুমিনদের জন্য আপনার বাহু অবনত করুন (সূরা আল-হিজর, ১৫/৮৮)। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) শিশুদেরও এ শিক্ষা দিয়েছেন। তিনি বলেন, مَا تَوَاضَعَ أَحَدٌ لِلهِ إِلَّا رَفَعَهُ اللهُ ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর জন্য নম্র হয়, আল্লাহ তাকে উচ্চ মর্যাদা দান করেন’।[৩] অতএব, নম্রতা শুধু সামাজিক সম্পর্কই উন্নত করে না, বরং আল্লাহর নিকট মর্যাদা বৃদ্ধি করে।
৩. ধর্মীয় জ্ঞান প্রদান
ছোট থেকেই আল্লাহর পরিচয়, ছালাত, ছিয়াম, দু‘আ, হালাল-হারামের মৌলিক শিক্ষা দেওয়া অপরিহার্য। এতে তাদের ঈমান দৃঢ় হবে, অন্তরে তাক্বওয়া জন্মাবে এবং তারা হারাম থেকে বিরত থাকার অভ্যাস করবে। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, مُرُوا أَوْلَادَكُمْ بِالصَّلَاةِ وَهُمْ أَبْنَاءُ سَبْعِ سِنِينَ ‘তোমরা তোমাদের সন্তানদেরকে সাত বছর বয়সে ছালাত পড়ার আদেশ দাও’।[৪] ধর্মীয় জ্ঞান শিশুদের শুধু শিক্ষিতই করবে না, বরং প্রকৃত মুমিন ও দায়িত্ববান মানুষ হিসেবে গড়ে তুলবে।
৪. মানবিক করে তোলা
শিশুদের শেখাতে হবে কিভাবে অভাবীদের সাহায্য করতে হয়, প্রাণীর প্রতি দয়া করতে হয়, সত্যবাদী হতে হয় এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে হয়। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, وَ یُطۡعِمُوۡنَ الطَّعَامَ عَلٰی حُبِّہٖ مِسۡکِیۡنًا وَّ یَتِیۡمًا وَّ اَسِیۡرًا ‘তারা আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য খাদ্য দেয় মিসকীনকে, ইয়াতীমকে এবং বন্দীকে’ (সূরা আদ-দাহর, ৭৬/৮)। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, الرَّاحِمُونَ يَرْحَمُهُمُ الرَّحْمَنُ ‘যারা দয়া প্রদর্শন করে, দয়াময় আল্লাহ তাদের প্রতি দয়া করেন’।[৫] মানবিক শিক্ষা তাদের হৃদয় কোমল করবে, সমাজে শান্তি ও ন্যায়ের পরিবেশ গড়বে।
৫. পারিবারিক শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দেওয়া
পরিবারই হলো শিশুর চরিত্র গঠনের প্রথম বিদ্যালয়। এখানে যদি ভিত্তি সঠিক হয়, তবে ভবিষ্যতের শিক্ষা ও জীবন সঠিক পথে পরিচালিত হবে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, یٰۤاَیُّہَا الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا قُوۡۤا اَنۡفُسَکُمۡ وَ اَہۡلِیۡکُمۡ نَارًا ‘হে ঈমানদারগণ! তোমরা নিজেদের ও তোমাদের পরিবারকে আগুন থেকে রক্ষা কর’ (সূরা আত-তাহরীম, ১০৭/৬)। এ আয়াত স্পষ্ট প্রমাণ করে, অভিভাবকের প্রথম দায়িত্ব হলো সন্তানকে দ্বীনী শিক্ষা ও সঠিক চরিত্র প্রদান।
৬. প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার ধাপে ধাপে সূচনা
শিশুকে প্রথম থেকেই বইয়ের ভারী ব্যাগ দিয়ে চাপে ফেলা উচিত নয়। বরং ধাপে ধাপে বানান শেখানো, গল্প শোনানো, সুন্দর লেখা শেখানো ও মৌলিক পাঠে অভ্যস্ত করানো ধর্মীয় আদব আখলাক্ব পারিবারিকভাবে শিক্ষা দেওয়া উচিত। পরিবার যেন শিশুর প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এটাই কাম্য। অতঃপর ধাপে ধাপে উপযুক্ত প্রতিষ্ঠান দেখে শিশুর সুশিক্ষা নিশ্চিত করা, অভিবাবক হিসেবে আমাদের একান্ত দায়িত্ব। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন,
كُلُّكُمْ رَاعٍ، وَكُلُّكُمْ مَسْئُولٌ عَنْ رَعِيَّتِهِ، فَالْإِمَامُ رَاعٍ وَمَسْئُولٌ عَنْ رَعِيَّتِهِ، وَالرَّجُلُ رَاعٍ فِي أَهْلِ بَيْتِهِ وَهُوَ مَسْئُولٌ عَنْ رَعِيَّتِهِ، وَالْمَرْأَةُ رَاعِيَةٌ فِي بَيْتِ زَوْجِهَا وَمَسْئُولَةٌ عَنْ رَعِيَّتِهَا، وَالْخَادِمُ رَاعٍ فِي مَالِ سَيِّدِهِ وَمَسْئُولٌ عَنْ رَعِيَّتِهِ قَالَ: وَحَسِبْتُ أَنَّهُ قَالَ: وَالرَّجُلُ رَاعٍ فِي مَالِ أَبِيهِ وَمَسْئُولٌ عَنْ رَعِيَّتِهِ، فَكُلُّكُمْ رَاعٍ، وَكُلُّكُمْ مَسْئُولٌ عَنْ رَعِيَّتِهِ
‘তোমাদের প্রত্যেকেই একজন দায়িত্বশীল এবং প্রত্যেকেই তার দায়িত্বের ব্যাপারে জবাবদিহি করবে। ইমাম (শাসক) তার প্রজাদের জন্য দায়িত্বশীল এবং সে তার ব্যাপারে জবাবদিহি করবে। পুরুষ তার পরিবারের জন্য দায়িত্বশীল এবং সে তার ব্যাপারে জবাবদিহি করবে। নারী তার স্বামীর গৃহ ও সন্তানদের ব্যাপারে দায়িত্বশীল এবং সে তার ব্যাপারে জবাবদিহি করবে। কোনো কর্মচারী তার মালিকের সম্পদের ব্যাপারে দায়িত্বশীল এবং সে তার ব্যাপারে জবাবদিহি করবে। অতএব তোমাদের প্রত্যেকেই দায়িত্বশীল এবং প্রত্যেকেই তার দায়িত্বের ব্যাপারে জবাবদিহি করবে’।[৬]
এই হাদীছটি মানবজীবনের প্রতিটি স্তরে দায়িত্ববোধ ও জবাবদিহিতার শিক্ষা দেয়। ইসলাম শুধু শাসক বা নেতা নয়, বরং প্রতিটি মানুষকেই তার অবস্থান অনুযায়ী দায়িত্বশীল মনে করে। পিতা সন্তানের জন্য, শিক্ষক ছাত্রের জন্য, স্ত্রী স্বামীর গৃহের জন্য, কর্মচারী কাজের ক্ষেত্রে।
সবাই কোনো না কোনোভাবে জবাবদিহির আওতায়। তাই মুসলিম হিসেবে সন্তানের প্রতি দায়িত্বশীল আচরন করা ইমানের দাবি। রাসুলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, إِنَّ الدِّينَ يُسْرٌ ‘নিশ্চয়ই এই দ্বীন সহজ’।[৭] অতএব, শিক্ষা এমন হওয়া উচিত যা সহজ, আনন্দময় এবং শিশুদের স্বাভাবিক বিকাশের সহায়ক হয়।
৭. শুধু ভালো ফল নয়, মানুষ তৈরি করাই লক্ষ্য হওয়া উচিত
আজকের সমাজে আমরা শিশুদের শুধু ভালো রেজাল্ট করতে শেখাই, কিন্তু নৈতিকতা শেখাতে ব্যর্থ হই। অথচ ইসলামের দৃষ্টিতে প্রকৃত মানুষ সেই, যার মধ্যে তাক্বওয়া, নৈতিকতা, শিষ্টাচার ও মানবিকতা বিদ্যমান। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, اِنَّ اَکۡرَمَکُمۡ عِنۡدَ اللّٰہِ اَتۡقٰکُمۡ ‘নিশ্চয়ই আল্লাহর নিকট তোমাদের মধ্যে সর্বাধিক সম্মানিত সেই, যে সর্বাধিক তাক্বওয়াবান’ (সূরা আল-হুজুরাত, ১০৬/১৩)। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন,إِنَّ اللهَ لَا يَنْظُرُ إِلَى صُوَرِكُمْ وَأَمْوَالِكُمْ وَلَكِنْ يَنْظُرُ إِلَى قُلُوبِكُمْ وَأَعْمَالِكُمْ ‘আল্লাহ তোমাদের চেহারা ও ধন-সম্পদের দিকে তাকান না, বরং তিনি তোমাদের অন্তর ও আমলের দিকে তাকান’।[৮]
তাই লক্ষ্য হওয়া উচিত, শিশুদের মধ্যে মানুষ গড়ার মূল শিক্ষা প্রতিষ্ঠা করা। এভাবে ইসলামিক ভাবধারায় শিশুকে শিক্ষা ও চরিত্র গঠন করলে তারা হবে শুধু শিক্ষিত নয়, বরং প্রকৃত মুমিন, নৈতিকভাবে সুদৃঢ়, ভদ্র ও মানবিক মানুষ। কিন্তু আমরা শিশুদের ছোটকাল থেকেই প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার প্রতি এতটাই গুরুত্ব দেই যে, তাদের কোমল কাঁধে ভারী স্কুলব্যাগের বোঝা চাপিয়ে দেই। প্রতিদিন ক্লাসে প্রতিযোগিতার দৌঁড়ে নামিয়ে দিই, যেন শৈশব মানেই শুধু নম্বরের লড়াই। এই অযথা প্রতিযোগিতা ও চাপ তাদের স্বাভাবিক আনন্দ, খেলা-ধুলা ও মানসিক বিকাশকে বাধাগ্রস্ত করে। ফলে শিশুরা পড়াশোনাকে জ্ঞান অর্জনের মাধ্যম হিসেবে না দেখে, একে কেবল বোঝা হিসেবে অনুভব করতে শুরু করে। এর মাধ্যমে শিশুরা যে সমস্ত ক্ষতির সম্মুখীন হয়, তা ধারাবাহিকভাবে তুলে ধরা হলো :
১. মানসিক ও শারীরিক চাপ
শিশুদের ওপর অতিরিক্ত পড়াশোনার চাপ তাদের মানসিক অবসাদ, হতাশা এবং উদ্বেগের কারণ হয়। খেলাধুলা বা পর্যাপ্ত ঘুমের অভাবে তাদের শারীরিক বৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত হয় এবং নানা রকম স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দেয়।
২. সৃজনশীলতা ও কৌতূহল হ্রাস
শুধু মুখস্থ বিদ্যা এবং পরীক্ষার ফলাফলের ওপর জোর দেওয়ার কারণে শিশুদের মধ্যে নতুন কিছু শেখার আগ্রহ কমে যায়। তাদের সৃজনশীলতা এবং নিজস্ব চিন্তাভাবনার ক্ষমতা হ্রাস পায়।
৩. সামাজিক দক্ষতার অভাব
অতিরিক্ত পড়াশোনার চাপে শিশুরা বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটাতে পারে না। এর ফলে তাদের মধ্যে সামাজিক সম্পর্ক তৈরি করার এবং দলগতভাবে কাজ করার দক্ষতা কমে যায়, যা ভবিষ্যতের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
৪. নিদ্রাহীনতা এবং মেজাজ খিটখিটে হওয়া
দীর্ঘ সময় ধরে পড়াশোনা করার কারণে অনেক শিশু পর্যাপ্ত ঘুম পায় না। ঘুমের অভাবে তাদের মেজাজ খিটখিটে হয় এবং পড়াশোনার প্রতি মনোযোগও কমে যায়।
৫. অতিরিক্ত চাপের কারণে পড়াশোনাকে বোঝা মনে করা
শিশুরা সারাদিন পড়াশোনার অতিরিক্ত চাপের মুখে থেকে যখন সামান্য অবসর পায়, তখন তারা যেন লাগামহীন দুষ্টামিতে মেতে ওঠে। কারণ, সারাক্ষণ চাপের মধ্যে থাকার ফলে পড়াশোনা তাদের কাছে আনন্দ নয়, বরং এক বোঝা হয়ে দাঁড়ায়। এতে তারা নিজ ইচ্ছায় খুব কম পড়তে চায়, পড়াশোনা মানে যেন শাস্তি বা বাধ্যবাধকতা। অথচ পড়াশোনা হওয়া উচিত আনন্দের বিষয়, জ্ঞান অন্বেষণের এক স্বতঃস্ফূর্ত যাত্রা। তাই শিশুদের উপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি না করে, তাদের জন্য পড়াশোনাকে আনন্দময় ও স্বতঃস্ফূর্ত করে তোলা আমাদের দায়িত্ব।
উপসংহার
সন্তান আমাদের অমূল্য আমানত। যদি আমরা তাদের শৈশবকে জ্ঞান ও চরিত্রের সঠিক আলোকে গড়ে তুলতে পারি, তবে তারাই হবে আগামী দিনের সৎ, নৈতিক ও মানবিক নেতৃত্ব। আর যদি আমরা তাদের কেবল ভারী ব্যাগ ও নম্বরের প্রতিযোগিতায় বন্দি করি, তবে আমরা আসলে তাদের স্বপ্ন, আনন্দ ও ভবিষ্যৎ দুটোই ধ্বংস করব।
* শিক্ষার্থী, আল জামিয়াতুল ইসলামিয়্যাহ আস-সালাফিয়্যাহ, জোরবাড়ীয়া কোনাপাড়া, ফুলবাড়িয়া, ময়মনসিংহ।
তথ্যসূত্র :
[১]. আদাবুল মুফরাদ, হা/২৭৩; মুসনাদে আহমাদ, হা/৮৯৩৯; মুওয়াত্বা মালিক, হা/৩৩৫৭; মুসতাদরাক হাকিম, হা/৪২২১, সনদ ছহীহ।
[২]. আবূ দাঊদ, হা/৪৬৮২; তিরমিযী, হা/১১৬২, সনদ হাসান ছহীহ।
[৩]. ছহীহ মুসলিম, হা/২৫৮৮।
[৪]. আবূ দাঊদ, হা/৪৯৫।
[৫]. আবূ দাঊদ, হা/৪৯৪১; তিরমিযী, হা/১৯২৪, সনদ ছহীহ।
[৬]. ছহীহ বুখারী, হা/৮৯৩; ছহীহ মুসলিম, হা/১৮২৯।
[৭]. ছহীহ বুখারী, হা/৩৯।
[৮]. ছহীহ মুসলিম, হা/২৫৬৪।
প্রসঙ্গসমূহ »:
শিশু-কিশোর