রবিবার, ০৭ Jun ২০২৬, ০৩:৩৩ অপরাহ্ন
উত্তর : সাজদাহ করা যাবে না। কারণ ত্বাওয়াফ সাজদার মাধ্যমে ইবাদত করা হয় না (মাজমুউ ফাতাওয়া ওয়া রাসাইল ইবনে উছাইমীন, ২২/৩৪৭ পৃ.; ইসলাম সাওয়াল ওয়া জাওয়াব, ফৎওয়া নং-১০৯৩৪৩)। যদি কেউ ত্বাওয়াফ করতে গিয়ে সন্দেহ করে যে পাঁচ চক্কর দিয়েছে, না-কি ছয় চক্কর দিয়েছে, তাহলে সে ন্যূনতম সংখ্যা ‘পাঁচ’ ধরে নেবে। কারণ এটি নিশ্চিত, আর বেশি সংখ্যা ‘ছয়’ সন্দেহের বিষয় (ছহীহ মুসলিম, হা/৫৭১)।

ইমাম ইবনু কুদামা (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘ত্বাওয়াফের সংখ্যা নিয়ে সন্দেহ হলে নিশ্চিত সংখ্যার উপর ভিত্তি করবে। ইবনুল মুনযির (রাহিমাহুল্লাহ) বলেছেন, ‘এ বিষয়ে সকল আলিম একমত। কারণ এটি ইবাদত, তাই এর মধ্যে সন্দেহ হলে নিশ্চিত বিষয়ের উপর ভিত্তি করবে, যেমন ছালাত’ (আল-মুগনী, ৩/১৮৭ পৃ.)। দ্বিতীয় অবস্থা: ইবাদত শেষ হওয়ার পর সন্দেহ হওয়া। এক্ষেত্রে জামহূর আলিমের সঠিক মতানুযায়ী, এ সন্দেহের প্রতি গুরুত্ব দেয়া উচিত নয়। কারণ ইবাদতের মূলনীতি হল- তা পূর্ণ হওয়া, আর এভাবে নিজের সন্দেহের দরজা খুলে দেয়া ঠিক নয়। সুতরাং ত্বাওয়াফ শেষ হওয়ার পর সন্দেহ হলে তা উপেক্ষা করা উচিত। (আল- মাওসূ‘আতুল ফিক্বহিয়্যাহ, ২৯/১২৫ পৃ.)। শাইখ মুহাম্মাদ ছালিহ আল-উছাইমীন (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ইবাদত শেষ হওয়ার পর সন্দেহ হলে তা গুরুত্বপূর্ণ নয়। উদাহরণস্বরূপ, কেউ যদি ত্বাওয়াফের চক্কর নিয়ে সন্দেহ করে যে ছয় চক্কর দিয়েছে, না-কি পাঁচ, তাহলে যদি সন্দেহ ত্বাওয়াফের মধ্যে হয়, তাহলে সে সন্দেহের অংশটি পূর্ণ করবে। কিন্তু যদি ত্বাওয়াফ শেষ করে চলে যাওয়ার পর সন্দেহ হয়, তাহলে এই সন্দেহের কোন মূল্য নেই। সে এই সন্দেহ উপেক্ষা করবে এবং সাত ধরে নেবে। এটি একটি উপকারী মূলনীতি (ফাতাওয়া নূরুন আলাদ দারব্, ইসলাম সাওয়াল ওয়া জাওয়াব, ফৎওয়া নং-১৭১৩০৮)।


প্রশ্নকারী : এ্যাডভোকেট মুমিনুল হক, ফরিদপুর।





প্রশ্ন (১৩) : ঈদের সম্ভাষণ হিসাবে ‘ঈদ মোবারক’ বলা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : শৈশব অবস্থায় মৃত্যুবরণ করা কাফির ও মুশরিকদের সন্তানরা জান্নাতী, না-কি জাহান্নামী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৮) : শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ, প্রতিবাদ মিছিল, মানববন্ধন করা কী ইসলামে জায়েয? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২১) : পড়ার জন্য আমার সংগ্রহে অনেক বইয়ের পিডিএফ আছে। আমি জানি না যে, প্রকাশনী বা লেখক থেকে এগুলোর অনুমোদন আছে কি নেই। যদি না থাকে তাহলে সেগুলো পড়া বা সংগ্রহে রাখা কি গুনাহ হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২০) : জনৈক মুরীদের দাবী হল, পীর সবকিছু করে দিবে। মুরীদ না হলে মৃত্যুর সময় শয়তান এসে ঈমান লুটে নিবে। তার উক্ত দাবী কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১১): হতাশা, দুঃশ্চিন্তা থেকে পরিত্রাণের ইসলামী উপায় কী কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৯) : বড় অপবিত্রতা থেকে গোসল করার পদ্ধতি কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪২) : রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সর্বশেষ যে খাবার খেয়েছেন, তার মধ্যে পেঁয়াজ ছিল অন্যতম। বর্ণনাটি কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২) : আলু বোখারা খাওয়া কি যায়েয? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৯) : ‘সালামালাইকুম’ অর্থ কী? এভাবে সালাম দেয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২১) : প্রচলিত আছে যে, মাগরিবের আযানের সময় শুয়ে থাকা যাবে না। এর কোন দলীল আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : জনৈক বক্তা বলেন, ইসলাম ধর্মে এমন একটি নফল ছালাত আছে যা সফর মাসের শেষ বুধবার পূর্বাহ্নের প্রথম প্রহরে এক সালামে চার রাক‘আত আদায় করা খুবই ফযীলতপূর্ণ। পদ্ধতি হল, প্রত্যেক রাক‘আতে সূরা ফাতিহার সঙ্গে ১৭ বার সূরা কাওছার, ৫০ বার সূরাহ ইখলাছ এবং একবার করে সূরা নাস ও ফালাক্ব পাঠ করে। সালাম ফিরানোর পর সূরা ইউসুফের ২১ নং আয়াতের শেষাংশ ৩৬০ বার পাঠ করবে। শেষে সূরা আস-সাফফাতের ১৮০-১৮২ নং আয়াত পাঠ করে শেষ করবে। অতঃপর ফক্বীর মিসকীনদের মাঝে কিছু রুটি ছাদাক্বাহ করবে। এর মাধ্যমে বুধবার নাযিল হওয়া সমস্ত বিপদ থেকে মুক্তি লাভ করবে। কারণ প্রত্যেক বছর এই দিন ২০ হাজার ৩০০ শত বালা-মুছীবত নাযিল হয়। প্রশ্ন হল, উক্ত দাবী কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ